আনাস ইবনে মালিক

আনাস ইবনে মালিক ইবনে নাদার আল-খাজরাজ আল-আনসারি আরবি: أنس بن مالك الخزرجي الأنصاري‎‎ [২] আল্লাহ’র রাসুল মুহাম্মদ-এর একজন বিশিষ্ট সাহাবী ছিলেন। তিনি ছিলেন মদিনার খাজরাজ গোত্রের আনসার এবং সবচেয়ে বয়স্ক সাহাবী ছিলেন। তার বয়ান থেকে অগণিত হাদীস পাওয়া গেছে। দশটি বছর তিনি রাসূলের সান্নিধ্যে কাটিয়েছেন। তার মৃত্যু হয় ৯৩ হিজরী তে।

সাহাবী
আনাস ইবনে মালেক
أنس بن مالك.png
উপাধি‘খাদেমুর রাসূল’ (রাসূলের সেবক), ইমাম, মুফতী, ক্বারী, মুহাদ্দিছ প্রভৃতি
জন্ম৬১২ খ্রীষ্টাব্দে/৩ নববী বর্ষ
মদীনা
মৃত্যু৯১ মতান্তরে ৯৩ হিজরী [১] (বয়স ১০৩)
অন্য নামআবু হামযাহ মতান্তরে আবু ছুমামাহ
জাতিভুক্তআরব
যুগরাসূল এবং খেলাফতের যুগ
অঞ্চলবর্তমানে সৌদি আরব
মূল আগ্রহহাদীস, ফিকহ

নাম ও বংশ পরিচয়সম্পাদনা

তার প্রকৃত নাম আনাস, কুনিয়াত বা উপনাম আবু হামযাহ মতান্তরে আবু ছুমামাহ। উপাধি হচ্ছে ‘খাদেমুর রাসূল’ (রাসূলের সেবক), ইমাম, মুফতী, ক্বারী, মুহাদ্দিছ প্রভৃতি।[৩] তার পিতার নাম মালেক ইবনে নাযর এবং মাতার নাম উম্মে সুলাইম বিনতে মিলহান[৪] হাফেয ইবনে কাসীর তার মাতার নাম বলেছেন, উম্মে হারাম বিনতে মিলহান[৫] তিনি মদীনার প্রসিদ্ধ খাযরাজ গোত্রের নাজ্জার শাখায় জন্মগ্রহণ করেন। তার পূর্ণ বংশ পরিচয় হচ্ছে আনাস ইবনে মালিক ইবনে নাযর ইবনে যামযাম ইবনে যায়েদ ইবনে হারাম ইবনে জুনদুব ইবনে আমের ইবনে গানাম ইবনে আদী ইবনে নাজ্জার।[৬]

জন্ম ও শৈশবসম্পাদনা

আনাস -এর নির্দিষ্ট জন্ম তারিখ জানা যায় না। তবে তিনি বলেন, "যখন নবী মদীনায় আগমন করেন তখন আমি ১০ বছরের বালক।"[৭] এ হিসাবে তিনি ৩ নববী বর্ষ মুতাবিক ৬১২ খ্রীষ্টাব্দে মতান্তরে ৫ নববী বর্ষ মুতাবিক ৬১৪ খ্রীষ্টাব্দে মদীনায় জন্মগ্রহণ করেন। প্রথমোক্ত মতটিই অধিক প্রসিদ্ধ। শৈশবেই তার পিতা মালেক শত্রুর অতর্কিত আক্রমণে নিহত হন। ফলে আনাস ইয়াতীম হয়ে যান।[৪]

রাসূল এর খাদেম হিসাবে আনাসসম্পাদনা

রাসূলুল্লাহ মদীনায় আগমন করলে আবু ত্বালহা আনাস কে নিয়ে এসে বলেন, "হে আল্লাহর রাসূল ! আনাস একজন বুদ্ধিমান ছেলে। সে আপনার খেদমত করবে।" আনাস বলেন, "অতঃপর বাড়িতে ও সফরে আমি তাঁর খেদমত করেছি।"[৮] আনাস -কে তার মা-খালাগণ রাসূল এর খেদমত করার জন্য উৎসাহিত করতেন।[৯] রাসূলুল্লাহ মদীনায় আগমনের পর থেকে মৃত্যু অবধি আনাস তার খেদমত করেন। তিনি পূর্ণাঙ্গরূপে রাসূল এর সাহচর্য ও সান্নিধ্য লাভ করেছেন।[১০]

শিক্ষা-দীক্ষাসম্পাদনা

আনাস ১০ বছর বয়স থেকে ২০ বছর পর্যন্ত অর্থাৎ তার জীবনের কৈশোর থেকে যৌবনেরও একটি অংশ রাসূল এর সান্নিধ্যে কাটিয়েছেন। ফলে তিনি রাসূল এর নিকট থেকে অশেষ জ্ঞানার্জন করেন।[১১][১২] তিনি রাসূল এর নিকট থেকে হাদীস শ্রবণ করে তা লিখে রাখতেন এবং তাকে পুনরায় শুনাতেন।[১৩]

আনাস এর জন্য রাসূল এর দো‘আসম্পাদনা

রাসূল আনাস এর জন্য দো‘আ করেন, "হে আল্লাহ! আপনি তার সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি বৃদ্ধি করে দিন এবং আপনি তাকে যা দিয়েছেন তাতে বরকত দান করুন।"[১৪]

জিহাদে অংশগ্রহণসম্পাদনা

আনাস অনেক জিহাদে অংশগ্রহণ করেছেন। তিনি রাসূলুল্লাহ -এর সাথে ৮টি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।[১০][১৫] তন্মধ্যে হুদাইবিয়ার সন্ধি, মক্কা বিজয়, হুনায়েন ও তায়েফ উল্লেখযোগ্য।[১৬] তিনি রাসূল এর সাথে বিদায় হজ্জ, ওমরা ও বায়‘আতে রিযওয়ানে শরীক হন।[১০] তিনি বদর যুদ্ধে রাসূল এর খাদেম হিসাবে অংশগ্রহণ করেন। তিনি ইরানের প্রসিদ্ধ শহর তুসতার বিজয়ে অংশগ্রহণ করেন।[১০] তখন তিনি হুরমুযানকে নিয়ে ওমর -এর নিকটে আসেন। অতঃপর সে ইসলাম গ্রহণ করে।[১৭]

ইলমে হাদীসে অবদানসম্পাদনা

রাসূল-এর সান্নিধ্যে থেকে আনাস অফুরন্ত জ্ঞান লাভে ধন্য হয়েছিলেন। তিনি তা সাহাবী, তাবেঈ ও অন্যান্য মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন। তিনি রাসূলুল্লাহ , আবু বকর, ওমর, ওসমান, আব্দুল্লাহ ইবনে রাওয়াহা, মু‘আয ইবনে জাবাল, উসাইদ ইবনে হুযাইর, আবু ত্বালহা, ছাবেত ইবনে কায়েস, আব্দুর রহমান ইবনে আওফ, ইবনে মাসঊদ, মালেক ইবনে ছা‘ছা‘আহ, আবু যর, উবাদাহ ইবনে সামেত, আবু হুরায়রা, উম্মু সুলাইম বিনতু মিলহান (তাঁর মাতা), তাঁর খালা উম্মু হারাম, উম্মুল ফাযল (আববাসের স্ত্রী), ফাতেমাতুয যাহরা প্রমুখ থেকে হাদীস শ্রবণ ও বর্ণনা করেন। তাঁর থেকে হাসান, সুলাইমান আত-তাইমী, আবু ক্বিলাবাহ, ইবনে সীরীন, শা‘বী, আবু মিজলায, মাকহূল, ওমর ইবনে আব্দুল আযীয, সাবিত আল-বুনানী, আবূবকর ইবনে আব্দুল্লাহ আল-মুযনী, ইবনে শিহাব আয-যুহরী, ক্বাতাদাহ, ইবনেল মুনকাদির, ইসহাক ইবনে আব্দুল্লাহ আবু ত্বালহা, আব্দুল আযীয ইবনে ছুহাইব, শু‘আইব আল-হাবহাব, আমর ইবনে আমের আল-কূফী, হুমায়েদ আত-ত্বাবীল, ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল আনছারী, কাছীর ইবনে সুলাইম, ঈসা ইবনে তাহমান, ওমর ইবনে শাকির, ছুমামাহ, আল-জা‘দ আবু ওছমান, আনাস ইবনে সীরীন, আবু উমামা ইবনে সাহল ইবনে হুনাইফ, ইবরাহীম ইবনে মায়সারা, বুরাইদ ইবনে আবী মারিয়াম, বয়ান ইবনে বিশর, রবী‘আহ ইবনে আবু আব্দুর রহমান, সাঈদ ইবনে জুবাইর, সালমা ইবনে ওয়ারদান প্রমুখ হাদীস শুনেছেন ও বর্ণনা করেছেন।[১১][১৮] ১৫০ হিজরী পর্যন্ত তাঁর নির্ভরযোগ্য শিষ্য- সাথীগণ এবং ১৯০ হিজরী পর্যন্ত দুর্বল শিষ্যগণ বেঁচেছিলেন। তাঁর ছাত্রদের নিকট থেকে যারা হাদীস শুনেছেন তন্মধ্যে নির্ভরযোগ্য অনেকে ২০০ হিজরীর পরেও জীবিত ছিলেন।[১৯] তাঁর নিকট থেকে প্রায় ২০০ জন রাবী হাদীস বর্ণনা করেছেন।[১০] তাঁর থেকে বর্ণিত হাদীস সংখ্যা ২২৮৬টি। তন্মধ্যে সহীহ বুখারীসহীহ মুসলিম ঐক্যমতে ১৮০টি, বুখারী এককভাবে ৮০টি এবং মুসলিম এককভাবে ৯০টি হাদীস বর্ণনা করেছেন।[২০] কেউ বলেন, মুসলিম এককভাবে ৭০টি হাদীস বর্ণনা করেছেন।[২১] -

রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনসম্পাদনা

আবু বকর খলীফা হওয়ার পর আনাস -কে বাহরাইনে যাকাত আদায়কারী নিযুক্ত করেন।[২২] ওমর ও তাকে বাহরাইনে যাকাত আদায়ের দায়িত্ব দিয়ে প্রেরণ করেন।[১২][১৬] ইয়াযীদের মৃত্যুর পর ইবনে যুবায়ের আনাস -এর নিকট পত্র লেখেন। তখন তিনি ৪০ দিন বসরার মসজিদে ইমামতি করেন।[২২]

ইন্তেকালসম্পাদনা

মৃত্যুকালে আনাস বলেন, তোমরা আমাকে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু’ অর্থাৎ ‘আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য নেই’- এ বাক্যের তালক্বীন দাও। মৃত্যু অবধি তিনি একথাই বলছিলেন।[২৩] আনাস -এর মৃত্যুকাল নিয়ে ঐতিহাসিকগণের মাঝে মতভেদ পরিলক্ষিত হয়। হুমায়েদ, কাতাদাহ, হায়ছাম ইবনে আদী, সাঈদ ইবনে উফাইর ও আবু উবাইদ বলেন, তিনি ৯১ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন। মা‘ন ইবনে ঈসা ও ওয়াকেদী বলেন, তিনি ৯২ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন। ইবনে উলাইয়্যাহ, সাঈদ ইবনে আমের, আল-মাদায়েনী, আবু নু‘আইম, খলীফা, আল-ফাল্লাস বলেন, তিনি ৯৩ হিজরীতে মৃত্যুবরণ করেন। এটাই বিশুদ্ধ মত। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ১০৩ বছর, মতান্তরে ১০৭ বছর।[১৬][২০][২৩] তিনি বসরায় মৃত্যুবরণ করেন।[১৬][২৪]

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "أنس بن مالك"। সংগ্রহের তারিখ ১৫ অক্টোবর ২০১৩ 
  2. Finding the Truth in Judging the Companinons, 1. 84-5; EI2, 1. 482 A. J. WensinckJ. Robson
  3. শামসুদ্দীন আয-যাহাবী, সিয়ারু আ‘লামিন নুবালা, ৩য় খন্ড (বৈরূত : মুআসসাসাতুর রিসালাহ, ২য় সংস্করণ, ১৪০২ হি./১৯৮২ খ্রী.), পৃষ্ঠা : ৩৯৫-৩৯৬।
  4. মাহমূদ আল-মিসরী, আসহাবুর রাসূল , (কায়রো : মাকতাবা আবুবকর সিদ্দীক্ব, ২য় প্রকাশ, ১৪২৩হিঃ/২০০২খ্রী.), পৃষ্ঠা : ২১৭।
  5. ইবনে কাসীর, আল-বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ, ৫ম খন্ড, ৯ম খন্ড (কায়রো : দারুর রাইয়্যান, ১ম প্রকাশ, ১৪০৮ হি./১৯৮৮ খৃ.), পৃষ্ঠা : ৯৪।
  6. শামসুদ্দীন আয-যাহাবী, সিয়ারু আ‘লামিন নুবালা, ৩য় খন্ড (বৈরূত : মুআসসাসাতুর রিসালাহ, ২য় সংস্করণ, ১৪০২ হি./১৯৮২ খ্রী.), পৃষ্ঠা : ৩৯৫।
  7. সহীহ মুসলিম, হাদীস নং : ৫১৮৫ । Source: আল হাদিস অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ, IRD
  8. সহীহ বুখারী, হাদীস নং : ২৭৬৮ । Source: আল হাদিস অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ, IRD
  9. সহীহ মুসলিম, হাদীস নং : ৫১৮৫। Source: আল হাদিস অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ, IRD
  10. শামসুদ্দীন আয-যাহাবী, সিয়ারু আ‘লামিন নুবালা, ৩য় খন্ড (বৈরূত : মুআসসাসাতুর রিসালাহ, ২য় সংস্করণ, ১৪০২ হি./১৯৮২ খ্রী.), পৃষ্ঠা : ৩৯৭।
  11. শামসুদ্দীন আয-যাহাবী, সিয়ারু আ‘লামিন নুবালা, ৩য় খন্ড (বৈরূত : মুআসসাসাতুর রিসালাহ, ২য় সংস্করণ, ১৪০২ হি./১৯৮২ খ্রী.), পৃষ্ঠা : ৩৯৬।
  12. ইবনে কাসীর, আল-বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ, ৫ম খন্ড, ৯ম জুয (কায়রো : দারুর রাইয়্যান, ১ম প্রকাশ, ১৪০৮ হি./১৯৮৮ খৃ.), পৃষ্ঠা : ৯৪।
  13. আবু আব্দুল্লাহ আল-হাকিম, আল-মুস্তাদরাক, ৩য় খন্ড (বৈরূত : দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ, ১ম প্রকাশ, ১৪১১ হি.; ১৯৯৮ খৃ.), পৃষ্ঠা : ৬৬৪।
  14. সহীহ বুখারী, হাদীস নং : ৬৩৮০ । Source: আল হাদিস অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ, IRD
  15. আবু আব্দুল্লাহ আল-হাকিম, আল-মুস্তাদরাক, ৩য় খন্ড (বৈরূত : দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ, ১ম প্রকাশ, ১৪১১ হি.; ১৯৯৮ খৃ.), পৃষ্ঠা : ৬৬৫।
  16. ইবনে হাজার আসক্বালানী, আত-তাহযীবুত তাহযীব, (বৈরূত : দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ, ১ম প্রকাশ ১৪১৫ হি./ ১৯৯৪ খৃ.), পৃষ্ঠা : ৩৪৩।
  17. শামসুদ্দীন আয-যাহাবী, সিয়ারু আ‘লামিন নুবালা, ৩য় খন্ড (বৈরূত : মুআসসাসাতুর রিসালাহ, ২য় সংস্করণ, ১৪০২ হি./১৯৮২ খ্রী.), পৃষ্ঠা : ৪০২।
  18. ইবনে হাজার আসক্বালানী, আত-তাহযীবুত তাহযীব, (বৈরূত : দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ, ১ম প্রকাশ ১৪১৫ হি./ ১৯৯৪ খৃ.), পৃষ্ঠা : ৩৪২।
  19. শামসুদ্দীন আয-যাহাবী, সিয়ারু আ‘লামিন নুবালা, ৩য় খন্ড (বৈরূত : মুআসসাসাতুর রিসালাহ, ২য় সংস্করণ, ১৪০২ হি./১৯৮২ খ্রী.), পৃষ্ঠা : ৩৯৬-৩৯৭।
  20. শামসুদ্দীন আয-যাহাবী, সিয়ারু আ‘লামিন নুবালা, ৩য় খন্ড (বৈরূত : মুআসসাসাতুর রিসালাহ, ২য় সংস্করণ, ১৪০২ হি./১৯৮২ খ্রী.), পৃষ্ঠা : ৪০৬।
  21. যাহাবী, তাযকিরাতুল হুফফায, ১ম খন্ড (বৈরূত : দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ, ১৩৭৪ হি.), পৃষ্ঠা : ৪৫।
  22. শামসুদ্দীন আয-যাহাবী, সিয়ারু আ‘লামিন নুবালা, ৩য় খন্ড (বৈরূত : মুআসসাসাতুর রিসালাহ, ২য় সংস্করণ, ১৪০২ হি./১৯৮২ খ্রী.), পৃষ্ঠা : ৪০১।
  23. ইবনে কাসীর, আল-বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ, ৫ম খন্ড, ৯ম জুয (কায়রো : দারুর রাইয়্যান, ১ম প্রকাশ, ১৪০৮ হি./১৯৮৮ খৃ.), পৃষ্ঠা : ৯৭।
  24. ড. মুহাম্মাদ কাবীরুল ইসলাম । মাসিক আত-তাহরীক । সংখ্যা : মার্চ/২০১৩ ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৪ অক্টোবর ২০১৮ তারিখে হতে সংগৃহীত ।

বহিঃসংযোগসম্পাদনা

মাসিক আত-তাহরীক