১৭৫৭ সালের হজ কাফেলা আক্রমণ
১৭৫৭ সালের হজ কাফেলার উপর হামলা ছিল বেদুইন উপজাতিদের কর্তৃক মক্কা থেকে দামেস্কে ফেরার সময় ১৭৫৭ সালের হজ কাফেলার লুণ্ঠন ও গণহত্যা। এই কাফেলাটি দামেস্কের ওয়ালি (প্রাদেশিক গভর্নর) হুসেন পাশা এবং তার সহকারী মুসা পাশার নেতৃত্বে অটোমান বাহিনীর সুরক্ষার অধীনে ছিল, অন্যদিকে বেদুইনের নেতৃত্বে ছিলেন বনি সখর গোত্রের কায়দান আল-ফাইজ। এই অভিযানের ফলে আনুমানিক ২০,০০০ হজযাত্রী নিহত কিংবা ক্ষুধা বা তৃষ্ণায় মারা যান।
১৭৫৭ সালের হজ কাফেলা আক্রমণ | |||||||
---|---|---|---|---|---|---|---|
| |||||||
বিবাদমান পক্ষ | |||||||
উসমানীয় সাম্রাজ্য |
বেদুইন উপজাতি:
| ||||||
সেনাধিপতি ও নেতৃত্ব প্রদানকারী | |||||||
হুসাইন পাশা ইবনে মাক্কী (আমিরুল হজ্জ) মুসা পাশা † | কা'দান আল ফা'ইজ (বনী সাখর গোত্রপ্রধান) | ||||||
শক্তি | |||||||
অজানা | অজানা | ||||||
হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতি | |||||||
অজানা | অজানা | ||||||
~২০,০০০ হজযাত্রী খুন, ক্ষুধা/তৃষ্ণায় নিহত হন |
যদিও হজ কাফেলার উপর বেদুইনদের অভিযান মোটামুটি প্রচলিত ছিল, তবে ১৭৫৭ সালেরটি এজাতীয় আক্রমণগুলোর শীর্ষস্থান দখল করে। ইতিহাসবিদ আরেফ আবু-রাবিয়া এটিকে একটি হজ কাফেলার বিরুদ্ধে "সর্বাধিক বিখ্যাত" অভিযান বলে অভিহিত করেছেন। এই আক্রমণটি অটোমান সরকারে সংকট সৃষ্টি করেছিল। এর ফলে হুসেন পাশাকে বরখাস্ত করা হয়েছিল এবং কিজলার আঘা (প্রধান নপুংসক) আবুউকুফ এবং দামেস্কের প্রাক্তন ওলী আসাদ পশা আল-আজমকে যথাক্রমে কর্তব্যহীনতা ও অংশীদারিত্বের অভিযোগে মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয়েছিল।
পটভূমি
সম্পাদনাহজ পালন (মক্কার বার্ষিক মুসলিম তীর্থস্থান) ইসলামে একটি পবিত্র দায়িত্ব। অটোমান যুগে (১৫১৭-১৯১৭) লেভান্ট এবং আনাতোলিয়া থেকে মুসলিম তীর্থযাত্রীরা দামেস্কে জমায়েত হতো এবং একসঙ্গে [১]আমির আল-হজ্জের (হজ কাফেলার প্রধান) নেতৃত্বে এক সশস্ত্র পাহারার অধীনে পণ্য ও মজুত খাদ্যসহ এক কাফেলায় যাত্রা করতো। সশস্ত্র প্রহরী মূলত মরুভূমির বিভিন্ন বেদুইন উপজাতির অঞ্চল পেরিয়ে যাওয়ার সময় বেদুইন আক্রমণ থেকে কাফেলাটিকে রক্ষার জন্য থাকতো। [২]
যখন উপজাতিরা অর্থনৈতিক সমস্যায় পড়তো কাফেলার বিরুদ্ধে লুটতরাজ অভিযানগুলো সাধারণত তখন ঘটতো। বেদুইনদের সাধারণত তাদের অঞ্চল দিয়ে নিরাপদে যাওয়ার পরিবর্তে আমির-আল-হজ্জ কর্তৃক কর প্রদান করা হতো। [৩] আমির আল-হজ্জের দামেস্ক আইয়ালেটের বাসিন্দাদের কাছ থেকে আদায় করা রাজস্বের আয় থেকে এই সারের অর্থ আসতো যা বিশেষভাবে হজ কাফেলা রক্ষা ও সরবরাহের জন্য আদায় হত। প্রায়শই, একজন আমির আল-হাজ্জ মক্কায় যাওয়ার পথে সবচেয়ে শক্তিশালী বেদুইন উপজাতির কাছে সরের অর্ধেক অর্থ প্রদান করতেন এবং পরিস্থিতির প্রয়োজন হলে ফিরতি বাকি অর্ধেক প্রদান করতেন। বেদুইন উপজাতিরা যদি ফেরার সফরে কাফেলাটিকে হুমকি না দিতো তবে আমির আল-হজ্জ সরের অর্থের বাকী অংশটি নিজের কাছে রাখতেন। অনেক সময়, সরের অর্থ প্রদান করা সত্ত্বেও বেদুইন উপজাতিরা কিছুটা হলেও কাফেলাটি লুট করতো। [৪] উপজাতিরা হজযাত্রীদের কাছে পরিবহন উট বিক্রি করেও উপার্জন করতো। এ ছাড়া, বেদুইন উপজাতিদের এই অঞ্চল এবং মূলত বেদুইন জনগোষ্ঠীর সাথে মক্কার পথে যাত্রা করার জায়গাগুলোর সাথে পরিচিত হওয়ার কারণে তারা কাফেলার সহায়ক বাহিনী হিসাবে কাজ করার জন্য তালিকাভুক্ত হয়েছিল। ফলে হজ কাফেলা ছিল উপজাতিদের উপার্জনের একটি লাভজনক উৎস।
১৭৫৭ অভিযানে পূর্বে কয়েক দশক ধরে থেকে সালে দামেস্ক এবং উত্তরাঞ্চলের উদীয়মান বেদুইন উপজাতিদের হেজাজ ছিল বনি সাখর ও বনী আকীল, বানি কুলাইব এবং সারদিয়া উপজাতি। তবে, আঠারো শতকের গোড়ার দিকে, নজদের আরও বৃহত্তর আনিজাহ উপজাতি অন্যান্য উপজাতিদের স্থানচ্যুত করে সিরিয়ার মরুভূমিকে ছাড়িয়ে যায় । ফলস্বরূপ, হজের নেতৃত্ব দেওয়ার অটোমান সেনাপতিরা ধীরে ধীরে বনি সাখর এবং এর সহযোগীদের উপর অর্পিত ঐতিহ্যবাহী দায়িত্বগুলো আনিজাদের উপর স্থানান্তরিত করেন। ফলে এটি তাঁদেরকে পূর্বের প্রধান আয়ের উৎস এবং মুসলিম তীর্থযাত্রীদের সুরক্ষায় ধর্মীয়ভাবে মর্যাদাপূর্ণ ভূমিকা থেকে বঞ্চিত করেছিল। [৩][৫] বনি সখর এবং আনিজা হজ কাফেলার বিরুদ্ধে ১৭০০ ও ১৭০৩ সালে যৌথ অভিযানে অংশ নিয়েছিল। [৬] ১৭৫৬ ও ১৫৫৭ সালে বনি সখর এবং অন্যান্য উপজাতির আর্থিক সঙ্কট ভয়াবহ খরার ফলে আরও বেড়ে যায়। [৭]
হামলা
সম্পাদনা১৭৫৭ সালের এপ্রিলে দাওরা (কর সংগ্রহ সফর) সম্পন্ন করার পর আমিরুল হজ্জ ও দামেস্কের ওয়ালী হুসেন পাশা ইবনে মক্কী জুলাই মাসে তীর্থযাত্রিদের একটি কাফেলার সঙ্গে যাত্রা করেন [৮] এবং কয়েক সপ্তাহ পর মক্কা নিরাপদে পৌঁছান। [৯] যখন কাফেলাটি সিরিয়ায় ফিরছিল তখন সেনাপতি মুসা পাশার নেতৃত্বাধীন অগ্রিম ছোট প্রহরাবাহিনী আল-ক্বাত্রানাহ নামক স্থানে (বর্তমানে জর্দান) ক্বা'দান আল-ফা'ইজের নেতৃত্বে বনি সাখর গোত্র কর্তৃক আক্রান্ত হয়। প্রহরীরা লুণ্ঠিত ও ছত্রভঙ্গ হয়ে দক্ষিণে মা'আন, দক্ষিণ-পশ্চিমে গাজা, জেরুজালেমে পশ্চিম এবং উত্তরে হওরান সমভূমিতে পালিয়ে গিয়েছিল। মুসা পাশা ব্যক্তিগতভাবে আক্রান্ত হন এবং ইতিহাসবিদ আব্বুদ আল সাব্বাঘ অনুযায়ী, "নগ্ন এবং নগ্নপদে" হৌরণের শহরে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। মুসা পরে আহত অবস্থায় মারা যান।
অগ্রিম প্রহরার বেঁচে থাকা সৈন্যরা কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করতে দামেস্কে পৌঁছেছিল। পরে তারা মূল কাফেলাটিকে সমর্থন করার জন্য একটি ত্রাণ প্রহরা প্রেরণ করে, যা সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে উত্তরের হিজাজ শহরে তাবুক পৌঁছায়। ত্রাণ পাহারা আল-ক্বাত্রানাহ এবং মা'আনের মধ্যে একটি এলাকায় উপজাতি কর্তৃক আক্রান্ত হয়। অগ্রণী প্রহরীদের লুণ্ঠন এবং ত্রাণ প্রহরীদের ছত্রভঙ্গ হওয়ার বিষয়ে হুসেন পাশা সতর্ক হয়েছিলেন এবং শেখ কা'দানের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করেছিলেন। হুসেইন পাশার প্রতিনিধিরা দামেস্কে নিরাপদে যাওয়ার বিনিময়ে শেখ কা'দানকে ঘুষ দেওয়ার প্রস্তাব করলেও তা প্রত্যাখ্যাত হয়। [৯]
কাফেলার রসদ ফুরিয়ে আসছিল[৯] এবং বনি সখর এবং মিত্র উপজাতিরা, যার মধ্যে ছোট সরদিয়া, বনি আকিল এবং বনি কুলায়ব তাদের জন্য পথে অপেক্ষা করছে - জেনেও হুসেন পাশা অক্টোবরের শেষের দিকে কাফেলা নিয়ে তাবুক ত্যাগ করেন । [৫] হুসেন পাশার যাত্রার তৃতীয় দিনে বেদুইন উপজাতিরা তাবুক ও যাতুল হজ্জের মধ্যবর্তী জায়গায় কাফেলাটিকে আক্রমণ শুরু করে। ঐতিহাসিক এফই পিটার্সের মতে, হামলার স্থানটি হোলাত আম্মার, আধুনিক জর্দান এবং সৌদি আরবের সীমান্তে তাবুক- মাআন রাস্তায়।
অভিযানের তাত্ক্ষণিক শুরুতেই অসংখ্য তীর্থযাত্রী নিহত হন। [৯] বেদুইন উপজাতিরা তার অবশিষ্ট রসদ ও পণ্যাদি লুট করে নিয়ে যায়। [৫] লুট হওয়া জিনিসগুলোর মধ্যে ছিল সজ্জিত মহমাল (পালকি) যা অটোমান সুলতানের সার্বভৌমত্বের প্রতিনিধিত্ব করে। [১০] প্রায় ২০,০০০ তীর্থযাত্রী হয় আক্রমণকারীদের হাতে মারা গিয়েছিল কিংবা আহত হয়ে বা দামেস্কে ফেরার পথে ক্ষুধা বা তৃষ্ণায় মারা গিয়েছিল। [১১][১২][১৩] মৃত তীর্থযাত্রীদের মধ্যে খোদ সুলতানের এক বোনও ছিলেন। হুসেন পাশা বেঁচে গিয়েছিলেন, তবে তিনি প্রাণভয়ে দামেস্কে ফিরে আসেননি। অষ্টাদশ শতাব্দীর দামেস্কভিত্তিক দিনলিপিকার আহমেদ আল-বুদাইরি লেখেন যে বেদুইন হামলাকারীদের কর্তৃক পোশাক ছিনিয়ে নেয়ার ফলে তীর্থযাত্রী, পুরুষ ও নারীরা মরুভূমিতে উলঙ্গ হয়ে পড়েছিলেন। [১৪]
পরবর্তী প্রতিক্রিয়া
সম্পাদনাএই অভিযানটি অটোমান সাম্রাজ্যজুড়ে [১৩] এবং দামেস্ক ও অটোমানের রাজধানী ইস্তাম্বুলের কর্তৃপক্ষকে হতবাক করেছিল। [১৫] যদিও হজ কাফেলার উপর বেদুইনদের অভিযান মোটামুটি প্রচলিত ছিল, তবে ১৭৫৭ সালের অভিযান এ জাতীয় আক্রমণগুলোর শীর্ষ স্থানকে প্রতিনিধিত্ব করে। [১৬] ঐতিহাসিক আরেফ আবু-রাবিয়া একে হজ কাফেলার বিরুদ্ধে "সর্বাধিক বিখ্যাত" বেদুইন অভিযান বলে অভিহিত করেছেন। [১৭]
এর ফলে অটোমান সরকারে একটি সংকট দেখা দেয়। [১৮] তৃতীয় সুলতান ওসমান ১৭৫৭ সালের ৩০ অক্টোবর মারা যান এবং তৃতীয় মুস্তাফা তাঁর স্থলাভিষিক্ত হন। উত্তরসূরীরা বেশ কয়েকজন সাম্রাজ্যবাদী ও প্রাদেশিক কর্মকর্তাকে এই কাফেলাটি সুরক্ষিত করতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য দায়ী বলে শাস্তি দিয়েছিল। হুসেন পাশা তত্ক্ষণাত দামেস্কের আমিরুল হজ্জ ও ওলি হিসাবে বরখাস্ত হন এবং শেষ পর্যন্ত [১৫] ১৭৬২ সালে গাজার সানজাক-বে (জেলা গভর্নর) পদত্যাগ করেন। [১৫] হুসেন পাশা সাম্রাজ্যবাদী কর্তৃপক্ষের কাছে একটি অভিযোগ জমা দিয়ে অভিযোগ করেছিলেন, গালিলের শক্তিশালী আরব শেখ জহির আল উমর বেদুইন উপজাতিদের এই অভিযান চালাতে প্ররোচিত করেছিলেন, যা জহির অস্বীকার করেছিলেন। জহির বিষয়টি তদন্তের জন্য অনুরোধ করেছিলেন এবং কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নেয় যে তিনি এই অভিযানে জড়িত ছিলেন না। [১৯] অধিকন্তু, জহির বনী সখরের কাছ থেকে লুট হওয়া মালামাল কিনে এবং মহমলকে সুলতানের কাছে ফিরিয়ে কর্তৃপক্ষের সুনজর পান। [১০]
হুসেন পাশার সার্বভৌম পৃষ্ঠপোষক এবং হজ কাফেলা সংক্রান্ত কিছু দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন সরকারী কর্মকর্তা কিজলার আগা আবুকুফকে গ্রেফতার, রোডসে নির্বাসন এবং মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয়। আবুউফের বিচ্ছিন্ন মাথাটি ইস্তাম্বুলের রাজকীয় প্রাসাদের বাইরে রাখা হয়েছিল। তাঁর মৃত্যুর সরকারী যুক্তি হল হুসেন পাশা নিয়োগ এবং দামেস্ক ও আমির আল-হজ্জের সাবেক ওয়াল আসাদ পশা আল-আজমকে বরখাস্ত করা, যিনি তাঁর ১৪ বছরের রাজত্বকালে সফলভাবে তীর্থযাত্রার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। [১৫][২০] তবে আসাদ পাশাকে এই সন্দেহের কারণেও শাস্তি দেওয়া হয়েছিল যে তিনি বেদুইন আক্রমণকারীদের সাথে তাঁর উত্তরসূরি হুসেন পাশাকে অসম্মানিত করতে এবং সাম্রাজ্যিক কর্তৃপক্ষ তাকে অফিসে ফিরিয়ে আনতে প্ররোচিত করার জন্য কাফেলা আক্রমণ করতে সহযোগিতা করেছিলেন। [১৩] আহমদ হাসান জৌদাহের মতে, আস'আদ পাশা ক্রীটে নির্বাসিত হন কিন্তু ১৭৫৮ সালের মার্চে সেখানে তার পথে মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয়েছে। তাঁর কাটা মাথাটিও সুলতানের প্রাসাদের সামনে প্রদর্শিত হয়েছিল।
তথ্যসূত্র
সম্পাদনা- ↑ Sato 2014, p. 134.
- ↑ Damurdashi 1991, p. 20.
- ↑ ক খ Joudah 1987, pp. 40–41.
- ↑ Peters 1994, p. 160.
- ↑ ক খ গ Peters 1994, p. 161.
- ↑ Van der Steen 2014, p. 177.
- ↑ Hathaway and Barbir 2014, p. 89.
- ↑ Joudah 1987, p. 39.
- ↑ ক খ গ ঘ Joudah 1987, p. 40.
- ↑ ক খ Joudah 1987, pp. 41–42.
- ↑ Dumper, p. 122.
- ↑ Masters, ed. Agoston, p. 248.
- ↑ ক খ গ Burns 2005, p. 245.
- ↑ Hathaway and Barbir 2014, pp. 89–90.
- ↑ ক খ গ ঘ Joudah 1987, p. 42.
- ↑ Cohen 1973, p. 20.
- ↑ Abu Rabia 2001, pp. 2–3.
- ↑ Özyüksel 2014, p. 61.
- ↑ Joudah 1987, p. 41.
- ↑ Peters 1994, p. 162.
গ্রন্থপঞ্জি
সম্পাদনা- Abu-Rabia, Aref (২০০১)। A Bedouin Century: Education and Development Among the Negev Tribes in the 20th Century। Berghahn Books। আইএসবিএন 9781571818324।
- Burns, Ross (২০০৫)। Damascus: A History। Routledge। আইএসবিএন 0-415-27105-3।
- Cohen, Amnon (১৯৭৩)। Palestine in the 18th century: Patterns of Government and Administration। Magnes Press। আইএসবিএন 9789652234834।
- Al-Damurdashi, Ahmad D. (১৯৯১)। Abd al-Wahhāb Bakr Muḥammad, সম্পাদক। Al-Damurdashi's Chronicle of Egypt, 1688–1755। BRILL। আইএসবিএন 9789004094086।
- Joudah, Ahmad Hasan (১৯৮৭)। Revolt in Palestine in the Eighteenth Century: The Era of Shaykh Zahir Al-ʻUmar। Kingston Press। আইএসবিএন 9780940670112।
- Hathaway, Jane; Barbir, Karl (২০১৪)। The Arab Lands Under Ottoman Rule: 1516–1800। Routledge। আইএসবিএন 9781317875635।
- Özyüksel, Murat (২০১৪)। The Hejaz Railway and the Ottoman Empire: Modernity, Industrialisation and Ottoman Decline। I.B.Tauris। আইএসবিএন 9780857737434।
- Peters, F. E. (১৯৯৪)। The Hajj: The Muslim Pilgrimage to Mecca and the Holy Places। Princeton University Press। আইএসবিএন 9780691026190।
- Sato, Tsugitaka (২০১৪)। Sugar in the Social Life of Medieval Islam। BRILL। আইএসবিএন 9789004281561।
- Van der Steen, Eveline (২০১৪)। Near Eastern Tribal Societies During the Nineteenth Century: Economy, Society and Politics Between Tent and Town। Routledge। আইএসবিএন 9781317543480।