হাফিজ আহমেদ মজুমদার

বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ

হাফিজ আহমেদ মজুমদার যিনি হাফিজ মজুমদার নামেই বেশি জনপ্রিয় হচ্ছেন একজন বাংলাদেশী শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবী এবং রাজনীতিবিদ, সাবেক সংসদ সদস্য।[১] তিনি জুন ১৯৯৬[২] এবং ২০০৮ সালের নির্বাচনে সিলেট-৫ আসন থেকে সংসদ সদস্য হিসাবে নির্বাচিত হন।[৩] ২০১৮ সালের নির্বাচনে তিনি পুনরায় সাংসদ নির্বাচিত হন।[৪] তিনি সিলেটের বেশ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা যার মধ্যে রয়েছে স্ক্লার্সহোম, হাফসা মজুমদার মহিলা কলেজ, সাজ্জাদ মজুমদার বিদ্যানিকেতন, হাফিজ মজুমদার বিদ্যানিকেতন উল্লেখযোগ্য।হাফিজ মজুমদারে চাচা সাবেক সাংসদ ব্রিগেডিয়ার মজুমদার। সমাজসেবায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০১১ সালে আহসানিয়া মিশন কৃর্তক ‘খান বাহাদুর আহসানউল্লাহ স্বর্ণপদক’ ছাড়াও বেশ কিছু সম্মাননা ও পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।[৫]

হাফিজ আহমেদ মজুমদার
সিলেট-৫ আসন আসনের
সংসদ সদস্য
কাজের মেয়াদ
১৯৯৬ – ২০০১
কাজের মেয়াদ
২৯ ডিসেম্বর ২০০৮ – ৫ জানুয়ারি ২০১৪
কাজের মেয়াদ
২০১৮ – চলমান
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম২৯ মার্চ ১৯৩৩
করিমগঞ্জ, আসাম, ব্রিটিশ ভারত
(বর্তমান জকিগঞ্জ, সিলেট, বাংলাদেশ)
নাগরিকত্বব্রিটিশ ভারত (১৯৪৭ সাল পর্যন্ত)
পাকিস্তান (১৯৭১ সালের পূর্বে)
বাংলাদেশ
জাতীয়তাবাংলাদেশি
রাজনৈতিক দলবাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
সম্পর্কমাহমুদুর রহমান মজুমদার (চাচা)
প্রাক্তন শিক্ষার্থীযশোর জিলা স্কুল
মুরারিচাঁদ কলেজ
ব্রজমোহন কলেজ
পেশারাজনীতিবিদ

প্রারম্ভিক জীবনসম্পাদনা

হাফিজ মজুমদার ১৯৩৩ সালের ২৯ মার্চ ভারতের করিমগঞ্জ উপজেলা বর্তমানে সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। ভারতের চন্ডিনগর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষালাভের পর যশোর জেলা স্কুল থেকে ১৯৫১ সালে মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তির্ণ লাভ করেন এবং ১৯৫৩ সালে সিলেট এমসি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা লাভের পর বরিশাল বি.এম. কলেজ থেকে স্নাতোকত্তর লাভ করেন। ১৯৮৫ সালে তিনি হাফিজ মজুমদার শিক্ষা ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠা করেন সিলেট জেলার শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য, যার অধীনে বিশটিরও বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করা হয়। তিনি পূবালী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান এবং ২০১৫ সাল থেকে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান[৬] হিসাবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

রাজনৈতিক জীবনসম্পাদনা

তার চাচা সাবেক সংসদ সদস্য মাহমুদুর রহমান মজুমদারের পরিবর্তে ১৯৯১ সালে প্রথম জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেন, জুন ১৯৯৬ সালের অনুষ্ঠিত সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনয়নে নৌকা প্রতীকে অংশ নিয়ে জয়লাভ করে সিলেট-৫ আসন থেকে প্রথমবার তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১ সালের নির্বাচনে তিনি পরাজিত হন, এরপর ২০০৮ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করে পুনরায় সংসদ সদস্য হিসাবে নির্বাচিত হন। ২০১৪ সালের নির্বাচনে তিনি অংশগ্রহণ করেননি। ২০১৮ সালের নির্বাচনে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে জয় লাভ করেন।

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "সংসদ সদস্যের তালিকা ক্রমিক নং ২৩৩"। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ। ৩০ ডিসেম্বর ২০১৮। 
  2. "৭ম জাতীয় সংসদে নির্বাচিত মাননীয় সংসদ-সদস্যদের নামের তালিকা" (PDF)জাতীয় সংসদবাংলাদেশ সরকার। ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। 
  3. "৯ম জাতীয় সংসদে নির্বাচিত মাননীয় সংসদ-সদস্যদের নামের তালিকা"জাতীয় সংসদবাংলাদেশ সরকার 
  4. "একাদশ সংসদের সদস্য হলেন যারা"বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ২১ জানুয়ারি ২০২০ 
  5. "হাফিজ মজুমদার"। মাছরাঙা টেলিভিশন। ৩০ ডিসেম্বর ২০১৮। [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  6. "পরিচালনা পর্ষদের তালিকা"। বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি। ৩০ ডিসেম্বর ২০১৮। ২৬ ডিসেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩০ ডিসেম্বর ২০১৮