প্রধান মেনু খুলুন

সৈয়দ নওশের আলী

ভারতীয় রাজনীতিবিদ

সৈয়দ নওশের আলী (জন্ম: ২ মার্চ, ১৮৯০ - ২৭ এপ্রিল, ১৯৭২)[১] একজন আইনবিদ এবং রাজনীতিবিদকলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি যশোর জেলা বোর্ডের চেয়ারম্যান, ফজলুল হকের নেতৃত্বে গঠিত নিখিল বঙ্গ প্রজা সমিতির (১৯২৭) সদস্য এবং বঙ্গীয় বিধানসভার সদস্য নির্বাচিত এবং ফজলুল হক মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন। তিনি ১৯৪১-এ কংগ্রেস, হিন্দু মহাসভা, কৃষক প্রজা পার্টিসহ অন্যান্য দল নিয়ে ফজলুল হকের নেতৃত্বে প্রগ্রেসিভ কোয়ালিশন পার্টি গঠনের প্রধান উদ্যোক্তা ও অন্যতম নেতা।

সৈয়দ নওশের আলী
সৈয়দ নওশের আলী.jpg
জন্ম(১৮৯০-০৮-০০) আগস্ট ১৮৯০
মৃত্যু৬ এপ্রিল ১৯৭২(1972-04-06) (বয়স ৮১)
বাসস্থানঢাকা, বাংলাদেশ
যেখানের শিক্ষার্থীমুহসিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়
বি এল কলেজ
সিটি কলেজ (কলকাতা),
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়
পেশাশিক্ষক, আইনজীবী, রাজনীতিবীদ
কার্যকাল১৯২২ - ১৯৬৮
রাজনৈতিক দলভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস
কৃষক প্রজা পার্টি
কমিউনিস্ট পার্টি
দাম্পত্য সঙ্গীলুৎফুন্নেসা
সন্তানসৈয়দ মাহমুদ জিলানী,
সৈয়দ মনসুর জিলানী,
সৈয়দ মাসুদ জিলানী,
সৈয়দ আবু আলী জিলানী রেজা,
কনিজ ফাতেমা মাহমুদা,
কনিজ ফাতেমা মোহসিনা বেবী,
কনিজ ফাতেমা মজিবা রুবি,
কনিজ ফাতেমা মাসুদা হাওয়া

তিনি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ‘ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল আর্মির সদস্য’ ও বঙ্গীয় বিধান সভার স্পিকার। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার লেজিসলেটিভ কাউন্সিল সদস্য (১৯৫৭-১৯৬২)। কলকাতা উচ্চ আদালতের খ্যাতিমান আইনজীবী হিসাবে পরিচিত ছিলেন আলী এবং একই সাথে তিনি বিশিষ্ট কৃষক নেতা, রাজনীতিবিদ ও সংসদের বিচক্ষণ বক্তা। সততা, সাহস ও চারিত্রিক দৃঢ়তার জন্য তিনি নন্দিত। বঙ্গীয় বিধানসভার স্পিকার হিসেবে অসাধারণ সাফল্যের পরিচয় তার অগ্রগন্য অবদান।

শিক্ষাজীবনসম্পাদনা

সৈয়দ নওশের আলীর পড়াশুনা শুরু হয় নিজ গ্রামের বিদ্যালয় থেকে এম. ই পাশ করেন (বৃত্তিসহ), পরবর্তীতে খুলনা দৌলতপুর হাইস্কুলের (বর্তমান সরকারি দৌলতপুর মুহসিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়) ভর্তি করা হয় তাকে এবং এখান থেকে ১৯০৯ সালে কৃতিত্ত্বের সাথে এন্ট্রান্স পাশ করেন (এটাই শেষ এন্ট্রান্স পরীক্ষা, এরপর ১৯১০ সালের পর থেকে পরীক্ষার নাম হয় ‘ম্যাট্রিক’) এখানে উল্লেখ্য যে, এসময়ে মোহসিন ফান্ডের বৃত্তি না পেলে তার পক্ষে লেখাপড়া করা সম্ভব হতো না। এন্ট্রান্স পাশ করার পর দৌলতপুর কলেজে (পরবর্তী বি এল কলেজ) আর্টস নিয়ে পড়াশুনা করেন। তৎকালীন সময়ে এখানে মুসলিম ছাত্রকে ভর্তি করা হতো না। সৈয়দ নওশের আলী এবং আটরা গিলাতলা নিবাসী মোঃ একরামউদ্দীনই প্রথম মুসলিম ছাত্র। যারা বি. এল কলেজে ভর্তি হওয়ার সুযোগ লাভ করেন।[২] সৈয়দ নওশের আলী আড়ংঘাটা ও শিরোমনির নিকট কাঁঠালবাড়ী গ্রামে লজিং থেকে পড়াশুনা করতেন। আই. এ পরীক্ষাতে তিনি মাসিক ১২ টাকা বৃত্তিসহ পাশ করেন যা তৎকালীন গোড়া হিন্দু ব্যক্তিবর্গ খুশি হতে পারেননি। যেখানে মুসলমান ছাত্র ভর্তি করাই হতো না সেখানে ভর্তি হওয়ার পর পরই বৃত্তি নিয়ে পাশ করা বিস্মিত হওয়াই হিন্দু সমাজের জন্যে স্বভাবিক ছিল। পরবর্তী সময়ে তিনি কলকাতা সিটি কলেজ থেকে গ্র্যাজুয়েশন এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শনে এম. এ করেন। তিনি আইন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ১৯২১ সালে কলকাতা হাইকোর্টে আইন চর্চা শুরু করেন এবং ১৯৫২ সালে নয়াদিল্লীর সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র এ্যাডভোকেট হন।

পেশাগত জীবনসম্পাদনা

তার পেশাগত জীবন শুরু হয় খুলনা সরকারি দৌলতপুর মুহসিন মাধ্যমিক বিদ্যালয় এর শিক্ষকতার মাধ্যমে তবে এখানে দায়িত্ব খুব স্বল্পকালীন সময়ের জন্যে ছিলেন। ১৯২২ সালে কোলকাতা হাইকোর্টের এ্যাডভোকেট হিসেবে পেশাগতজীবন শুরু করেন। অসাধারণ বুদ্ধি ও প্রত্যুৎপন্ন মেধার কারণে তিনি আইনজীবী হিসেবে অত্যন্ত দ্রুত খ্যাতি লাভ করেন। পরবর্তীতে সুপ্রীম কোর্টের এ্যাডভোকেট এবং কোলকাতা হাইকোর্টের বার এ্যসোসিয়েশনের সভাপতি হয়েছিলেন। উল্লেখ্য যে, কর্মজীবনের গোড়াতে তিনি । তিনি ১৯২৭ সালে যশোর জেলা বোর্ড এর চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন এবং প্রায় এক দশক এই পদে নিয়োজিত ছিলেন। সৈয়দ নওশের আলী বাংলা সাপ্তাহিক ‘সহচর’-এর সম্পাদনার কাজ করেন ও ‘দৈনিক কৃষক’-এর পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৯৪৩ সালে ‘পিপল্স রিলিফ কমিটি’ এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং ১৯৪৫ সালে আই.এন.এ ত্রান তহবিলের কোষাধ্যক্ষ ছিলেন।[১]

রাজনৈতিক জীবনসম্পাদনা

সৈয়দ নওশের আলী ১৯২০ দশকের প্রারম্ভে কংগ্রেস দলের সদস্য হিসেবে তার রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। তিনি বঙ্গীয় আইন পরিষদএর সদস্য (১৯২৭) এবং ১৯২৯ সালে যশোর দক্ষিণাঞ্চলীয় নির্বাচক মন্ডলীর মুসলমানদের জন্য সংরক্ষিত আসনে কংগ্রেসের মনোনীত প্রার্থী ছিলেন। পরবর্তী সময়ে তিনি কৃষক প্রজা পাটিতে যোগ দেন ও এ দলের পক্ষে প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করেন। তিনি ১৯৩৭ সালের বঙ্গীয় আইন সভার নির্বাচিত সদস্য ছিলেন। মুসলিম লীগ ও এ কে ফজলুল হকের প্রধানমন্ত্রীত্বে কোয়ালিশন সরকারের অধীনে গঠিত মন্ত্রী সভায় নওশের আলী স্থানীয় সরকার ও জনস্বাস্থ্য মন্ত্রী ছিলেন। বঙ্গীয় প্রাদেশিক কৃষক সভা সহ অন্যান্য বিভিন্ন কৃষক আন্দোলনের সঙ্গে নওশের আলীর ঘনিষ্ট সম্পর্ক ছিল। তিনি ১৯৪০ সালে বঙ্গীয় প্রাদেশিক কৃষক সভার প্রাদেশিক বোর্ড-এর সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৪৬ সালে কমিউনিস্ট পার্টির নেতৃত্বে যে তে-ভাগা আন্দোলন গড়ে ওঠে তার অন্যতম সংগঠক ও বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির সাবেক সভাপতি বর্ষীয়ান নেতা কমরেড অমল সেন “নড়াইলের তে-ভাগা আন্দোলনের সমীক্ষা” নামক পু্স্তিকাতে সৈয়দ নওশের আলীর ভূমিকার কথা উল্লেখ করে বলেন যে, “১৯৪০ সাল পর্যন্ত প্রায় এক দশক ধরে সৈয়দ নওশের আলী ছিলেন যশোর জেলার মুসলমান ও নমঃশূদ্র কৃষকের মুকুটহীন রাজা। আইনসভা, জেলা বোর্ড ও ইউনিয়ন বোর্ড প্রভৃতি যে কোন নির্বাচনে সৈয়দ নওশের আলী কলাগাছ প্রার্থী মনোনীত করলেও তাকে কারো পক্ষে মোকাবেলা করার অবস্থা ছিল না।[২] ১৯৪১ সালে সৈয়দ নওশের আলী Bengal Progressive Coalition Party (Congress and K.S.P) তে যোগদান করেন (শেরেবাংলার নেতৃত্বে)। কেননা সেসময়ে তিনি বুঝেছিলেন যে, কংগ্রেস বৃটিশ সাম্রাজ্যবাদের বিরম্নদ্ধে সংগ্রাম করছে। সেসময় থেকে নেতাজী সুভাস বোসের সাথে তার ঘনিষ্ঠতা ও হৃদ্যতা গড়ে ওঠে। এমনকি নেতাজীর দেশত্যাগের পরিকল্পনার সঙ্গে তিনিও কিছুটা জড়িত ছিলেন বলে শোনা যায়। ১৯৪৩ সালে সৈয়দ নওশের আলী বঙ্গীয় ব্যবস্থাপক সভার স্পীকার নির্বাচিত হন। জেলা বোর্ডের চেয়ারম্যান, প্রাদেশিক মন্ত্রী ও আইন সভার স্পীকার হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেও তিনি ব্যক্তিত্ব ও স্বকীয়তার স্বাক্ষর রেখেছেন। বিংশ শতাব্দীর চার দশকে তিনি একজন প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ [৩]। সৈয়দ নওশের আলী ১৯৪৫ সালের ২৯ মার্চ বঙ্গীয় আইন সভার স্পীকার হিসেবে যে রুলিং দিয়েছিলেন তা সংসদীয় রাজনীতির ইতিহাসে এক উল্লেখযোগ্য ঘটনা[২]। পরবর্তী সময়ে ১৯৫৭ থেকে ১৯৬১ সাল পর্যন্ত একজন স্বাধীন প্রতিনিধি হিসেবে নওশের আলী কমিউনিষ্ট দলের সমর্থনে পশ্চিম বঙ্গীয় আইন পরিষদের সদস্য ছিলেন। যেহেতু তিনি সর্বদা বাম দলীয় রাজনীতিতে আগ্রহী ছিলেন, সে কারণে পুনরায় ১৯৬২ থেকে ১৯৬৮ সাল পর্যন্ত কমিউনিষ্ট দল সমর্থিত রাজ্য সভার সদস্য হন। সৈয়দ নওশের আলী ছিলেন নীতির সাথে আপোসহীন রাজনীতিবিদ। তিনি সব সময়ই বঞ্চিত শ্রেণির পাশে দাঁড়িয়েছেন।

বৈবাহিক জীবনসম্পাদনা

১৯১৩ সালে তিনি লুৎফুন্নেসার সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তিনি চার পুত্র (সৈয়দ মাহমুদ জিলানী, সৈয়দ মনসুর জিলানী, সৈয়দ মাসুদ জিলানী ও সৈয়দ আবু আলী জিলানী রেজা) এবং চার কন্যা (কনিজ ফাতেমা মাহমুদা, কনিজ ফাতেমা মোহসিনা বেবী, কনিজ ফাতেমা মজিবা রুবি ও কনিজ ফাতেমা মাসুদা হাওয়া) সন্তানের জনক।[৪]

সেবামূলক কর্মকান্ডসম্পাদনা

স্বল্পকালীন মন্ত্রীত্বের সময় তিনি কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে গেছেন, যা সেদিনের প্রেক্ষাপটে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। সেসময়ে মুসলমানেরা সবদিক হতে পিছিয়ে ছিল। সৈয়দ নওশের আলী আগাগোড়া অসাম্প্রদায়িক হওয়া সত্ত্বেও স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে বেশ কিছু প্রতিভাবান মুসলমান ছাত্রকে বিদেশে উচ্চতর মেডিকেল শিক্ষার ও উচ্চপদে অবস্থানের সুযোগ করে দেন। ডাঃ এ. কিউ বদিউর রহমান তার "স্বদেশ-বিদেশ" নামক গ্রন্থে লিখেছেন “জনাব নওশের আলী নামে একজন বিখ্যাত সাহসী মন্ত্রী ছিলেন। মেডিকেল কলেজে ১০০ জন নতুন ছাত্রের মধ্যে মাত্র ১/২ জন মুসলমান ছাত্র ভর্তি হতে পারতো। তিনি এক অধ্যাদেশের মাধ্যমে ১৯৪৫ সালের মধ্যে কোলকাতা মেডিকেল কলেজে মুসলমান ছাত্রের সংখ্যা ৫০% হতে হবে বলে ঘোষণা দেন। তাই আমরা মুসলমান ছাত্ররা ডাক্তার হতে পেরেছিলাম। তিনিই প্রথম একজন মুসলমানকে (মেজর ডাক্তার দবিরউদ্দীন আহমদ) মেডিকেল কলেজে প্রিন্সিপ্যাল হিসেবে নিয়োগ দেন। তিনিই প্রথম একজন ভারতীয়কে (ডাক্তার মনি দে) প্রফেসর অব মেডিসিন পদেও নিয়োগ প্রদান করেন। ইতোপূর্বে এই পদে সব সময় ইংরেজরা এই নিয়োগ নিয়ে তাঁর সঙ্গে ইংরেজ গভর্ণরের বিরোধ হলেও তিনি তাঁর সিদ্ধান্তে অটল ছিলেন। এই ঘটনার মধ্য দিয়ে তাঁর সাহসী ভূমিকা ও জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গীর পরিচয় পাওয়া যায়।[২]

মন্ত্রীত্ব ত্যাগসম্পাদনা

সৈয়দ নওশের আলীর মন্ত্রীসভায় যোগদান থেকেই মন্ত্রীসভার জমিদার মন্ত্রীদের গোষ্ঠীস্বার্থে বিরোধ সৃষ্টি হয়, বিনা ক্ষতিপূরণে জমিদারী প্রথা উচ্ছেদ, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে যৌথ নির্বাচন (অর্থাৎ ধর্মীয় সমপ্রদায় ভিত্তিতে পৃথক নির্বাচন নয়) এবং রাজবন্দীদের মুক্তির প্রশ্নে তিনি সোচ্চার হলে মন্ত্রীসভার অন্যান্যরা তাতে রাজী হননি। ১৯৫২ সালের ১২ আগস্ট শাসক দলের প্রতিনিধি হওয়া সত্ত্বেও নওশের আলী রাজ্য সভার আলোচনায় নিবৃত্তিমূলক আটক আইন’ (Preventive Detention Act) এর তীব্র বিরোধিতা করেন [১]। ফলে প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু তার এহেন আচরণের অতিসত্ত্বর কারণ দর্শাও নোটিশ প্রদান করেন। এই ঘটনার পর থেকে কংগ্রেসের সাথে তার সম্পর্কে ফাটল ধরে এবং ১৯৫৬ সালের পরে দ্বিতীয় পর্যায়ে রাজ্য সভায় দলের পক্ষ থেকে তাকে আর মনোনয়ন দেওয়া হয়নি এমতাবস্থায় তিনি মাত্র দেড় বছরের মাথায় (২২ জুন ১৯৩৮) মন্ত্রীত্ব থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন। মন্ত্রীত্ব থেকে পদত্যাগের ঘটনা এই প্রথম। এই নাটকীয় ঘটনার পর তার উপর প্রভাবশালী মহল থেকে নানা ধরণের চাপ আসে পদত্যাগপত্র প্রত্যাহারের জন্য, কারণ এ ঘটনার রাজনৈতিক তাৎপর্য ছিল বিরল। কিন্তু নওশের আলী তার সিদ্ধান্তে অটল থাকেন।

১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীনের পরে তিনি বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেন। ১৯৭২ সালের ৬ এপ্রিল তিনি ৮০ বছর বয়সে ঢাকার পিজি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।[১]

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "সৈয়দ নওশের আলী"বাংলাপিডিয়া। সংগ্রহের তারিখ ৫ জানুয়ারি ২০১৭ 
  2. "সৈয়দ নওশের আলী"যশোর ডট ইনফো। সংগ্রহের তারিখ ৫ জানুয়ারি ২০১৭ 
  3. "সৈয়দ নওশের আলী"। দৈনিক পূর্বকোণ। অক্টোবর ৭, ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ৫ জানুয়ারি ২০১৭ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  4. "অবিভক্ত বাংলার প্রথম স্পিকার সৈয়দ নওশের আলীর কন্যা কানিজ ফাতেমার ইন্তেকাল"। কালবেলা। February, 12, 2016। সংগ্রহের তারিখ 5 জানুয়ারি 2017  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ= (সাহায্য)

বহিঃসংযোগসম্পাদনা