প্রধান মেনু খুলুন

আইনজীবী হলেন 'ব্যবহারজীবী' যিনি একজন এ্যাডভোকেট, ব্যারিস্টার, এটর্নি, সলিসিটর বা আইনি উপদেশক। আইনজীবী মূলত আইনের তাত্বিক বিষয়গুলির বাস্তব প্রয়োগের মাধ্যমে ব্যক্তির বা সংস্থার আইনি সমস্যার সমাধানের কাজ করে থাকেন।

পরিচ্ছেদসমূহ

ব্যুৎপত্তিসম্পাদনা

অস্ট্রেলিয়ায় আইনজীবী বলতে সাধারণত সলিসিটর বা ব্যারিস্টার উভয়কেই বোঝানো হয়ে থাকে। ইংল্যান্ডে ল'ইয়ার বা আইনজীবী বলতে সংরক্ষিত বা অসংরক্ষিত ক্ষেত্রে আইনি সহায়তাদানকারী ব্যক্তিকে বোঝানো হয়। যাদের মধ্যে ব্যারিস্টার ও সলিসিটর কেও ধরা হয়ে থাকে। দক্ষিণ এশিয়ায় প্রচলিত কথায় আইনজীবী বলা হয়েও আসল শব্দটি হল এ্যাডভোকেট যা এ্যাডভোকেট এক্ট - ১৯৬১ তে সংজ্ঞায়িত করা আছে। স্কটল্যান্ড এ আইনজীবী বলতে আইনে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত ব্যক্তিকে বোঝানো হয়ে থাকে।

দায়িত্বসম্পাদনা

অধিকাংশ দেশে আইনের বিভিন্ন ধারার কাজের বিভিন্নতার কারনে আইনপেশার সাথে সংযুক্ত ব্যক্তি থাকেন যাদের আমেরিকান ধাঁচায় লইয়ার বলা যায়না। এ পেশাতে আইনজীবী ছাড়াও অংগাগীভাবে জড়িত থাকে মুহুরী, মোক্তার, আইন কেরানী, জজ,। নানা দেশের আইন ও তার প্রয়োগের বিভিন্নতার কারনে এই পেশারর সাধারনীক্ররত সংজ্ঞা দেওয়া সম্ভব না।

মৌখিক বক্তব্য পেশসম্পাদনা

গবেষনামূলক ও লেখ্য তথ্য দাখিলসম্পাদনা

প্রশাসনিক শুনানিসম্পাদনা

আইনজীবী মক্কেল সম্পর্কসম্পাদনা

আইনি উপদেশসম্পাদনা

বৌদ্ধিক সম্পত্তি রক্ষাসম্পাদনা

শিক্ষাসম্পাদনা

বিভিন্ন দেশে আইনের শিক্ষাপ্রণালী ও যোগ্যতা বিভিন্ন প্রকার। কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে পঠন পাঠন হয়। স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রী প্রদান পরীক্ষা, উপযুক্ত সরকারি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দেওয়া হয়ে থাকে। আমেরিকা ও ইংল্যান্ডের ল স্কুল গুলিতে পড়ানো হয় এবং আমেরিকায় বার এসোশিয়েশন বা আইনজীবী সংঘ ঠিক করে কোন ল স্কুলের ডিগ্রী গ্রহণযোগ্য ও সর্বোত্তম। আমেরিকার মত কানাডাতে (কুইবেক বাদে) স্নাতক স্তরের আইন ডিগ্রী ল স্কুল গুলি থেকে দেওয়া হয় এবং এগুলির প্রায় সবই কোনো না কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন। অন্যান্য সমস্ত মূলত শিল্পোন্নত দেশগুলিতে পূর্ন সময়ের আইন শিক্ষার প্রচলন আছে। উন্নয়নশীল দেশে অবশ্য আংশিক সময়ের শিক্ষা প্রচলিত, যেখানে ছাত্রদের কাজ করা ও তার উপার্জিত অর্থে পড়াশোনা করার রীতি প্রচলিত।

পেশাগত সংগঠন ও নীতিসম্পাদনা

কোথাও কোথাও বিচার বিভাগ, কেন্দ্রীয় বিচার মন্ত্রক আইনজীবীদের প্র‍্যাকটিশ অনুমতি অধিকার প্রদান ও নীতিমালা গঠনের বিষয়টি দেখে।

সংস্কৃতিতেসম্পাদনা

ক্ষতিপূরণসম্পাদনা

ইতিহাসসম্পাদনা

প্রাচীন গ্রীসেসম্পাদনা

অতীতে লইয়ার বা আইনজীবী বলেতে প্রাচীন এথেন্সে সুবক্তা, বোঝানো হত। সমস্যা হলো এথেনীয় বক্তারা টতকাল নিয়ম অনুযায়ী নিজেদের মামলায় নিজেরাই লড়তেন। অন্য ব্যক্তির আইনি মামলায় বন্ধু বা সহকারী হিসেবে দাঁড়ানোর প্রবনতা দেখা যায়। দ্বিতীয়ত অন্যের কেসে পারিশ্রমিক নেওয়ার নিয়ম ছিলনা। সেই কারনে বক্তাদের পুরোপুরি আইনি সহায়ক হিসেবে বিবেচিত করা যেতনা এথেনিয় আইন অনুসারে। বন্ধুর সহায়ক হিসেবে বিনামূল্য আইনি সাহায্য দানের মধ্যেই এই পেশা আবদ্ধ থাকায় এদের পেশাগতভাবে লইয়ার বলা যায়না। যিনি এই কাজ ন্যয্য পারিশ্রমিকস্বরূপ পেশা হিসেবে করেন তাকেই লইয়ার বলা যায়।

প্রাচীন রোমেসম্পাদনা

খৃষ্টপূর্ব ২০৪ শতকের আইনে রোমান আইনজীবী দের পারিশ্রমিক নেওয়ায় বাধা থাকায় আইনের প্রয়োগটিই অবহেলিত হয়। রোমান সম্রাট ক্লদিয়াসের আমলে এ বাধা উঠে যায়। ফ্রিটজ শুলজ এর মতে চতুর্থ শতকে সাম্রাজ্যে আইনজীবীর ধারনা বদলাতে থাকে। তাদের কোনো বার বা সংগঠনে নাম নথিভুক্ত করে আদালতে সওয়াল করার পূর্ন স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। রোম সম্রাট লিওর নির্দেশ ছিল নতুন আইনজীবীদের নিয়ে আসতে হবে তাদের শিক্ষকদের শংসাপত্র। এবং চার বছরের আইন শিক্ষার যোগ্যতা অর্জন করার পরেই আদালতে পেশাজীবী হিসেবে প্রবেশাধিকার পাবেন তারা।

মধ্যযুগেসম্পাদনা

রোম সাম্রাজ্যের পপরনের পপর এই পেশার কিচগুটা অঅবনতি হয়। জেমস ব্রান্ডেজের মমতে পাশ্চাত্য ইউরোপের ককাউকে সেই অঅর্থে পেশাদার আইনজীবী বলা যেতোনা। সন ১১৫০ এ কিছু জন ক্যানন আইনে অভিজ্ঞ হন তাও বিশেষ উদ্দেশ্যে। তারা রোমান ক্যাথলিক চার্চের পুরোহিত হিসেবে কাজ করতেন। ১২৩১ সালে ফরাসী কাউন্সিল নিয়ম প্রণয়ন করে যে কেউ এই পেশায় আসার আগে, বিশপ আদালতে শপথ করতে হবে। পেশাদারিত্ব প্রমান করার জন্যে প্রায় সারা ইউরোপেই নতুন নতুন আইন ও বিধিনিষেধ প্রনয়ন হতে থাকে। ইংল্যান্ডে ১২৭৫ সালে আইন পাশ করা হয় এবং অপেশাদারি ও ত্রুটির জন্যে আইনজীবীদের সাজার বিধান দেওয়া হয়।

উপাধিসম্পাদনা

আরো দেখুনসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা