সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস

মুসলিম সেনাপতি

সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস রাদিয়াল্লাহু আনহু (আরবি: سعد بن أبي وقاص‎‎) ছিলেন মহানবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অন্যতম প্রধান সাহাবী[১] ১৭ বছর বয়সে তিনি ইসলাম গ্রহণ করে। তিনি ইসলাম গ্রহণকারীদের মধ্যে ১৭তম ব্যক্তি।[১] ৬৩৬ সালে পারস্য বিজয়ের নেতৃত্ব ও শাসনের জন্য তিনি অধিক পরিচিত। ৬১৬ ও ৬৫১ সালে তাকে কূটনৈতিক দায়িত্ব দিয়ে চীন পাঠানো হয়েছিল। ধারণা করা হয় চীনে যাওয়ার সময় নৌ রুটে তিনি চট্টগ্রাম বন্দরে থেমেছেন এরং বাংলাকে ইসলামের সাথে পরিচয় করানোয় তার অবদান আছে। ধারণা করা হয়, ৬৪৮ খ্রিষ্টাব্দে তিনি বাংলাদেশের লালমনিরহাটে একটি মসজিদ নির্মাণ করেন, যা স্থানীয়ভাবে আবু আক্কাস মসজিদ নামে পরিচিত।[২][৩] চীনা মুসলিমদের মতে চীনের ক্যান্টন বন্দরে তার কবর আছে। অবশ্য আরবদের মতে তার কবর আরবে অবস্থিত।

সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস
জন্মআনুমানিক ৫৯৫
মক্কা, আরব
মৃত্যুআনুমানিক ৬৭৪
মদিনা, আরব
আনুগত্য রাশিদুন খিলাফত
সার্ভিস/শাখা রাশিদুন সেনাবাহিনী
কার্যকাল৬৩৬-৬৪৪
পদমর্যাদাকমান্ডার
তিসফুনের গভর্নর (৬৩৭-৬৩৮)
বুসরার গভর্নর (৬৩৮-৬৪৪), (৬৪৫-৬৪৬)
নেতৃত্বসমূহমুসলিমদের পারস্য বিজয়
শাহনামার পাণ্ডুলিপিতে অঙ্কিত কাদিসিয়ার যুদ্ধের চিত্র। সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস রাশিদুন সেনাবাহিনীর নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

প্রাথমিক জীবনসম্পাদনা

পরিবারসম্পাদনা

সাদ রাদিয়াল্লাহু আনহু মক্কায় ৫৯৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা আবু ওয়াক্কাস মালিক ইবনে উহাইব ইবনে আবদ মানাফ ইবনে জুহরাহ ছিলেন কুরাইশ গোত্রের বনু জুহরাহ গোত্রের।[৪][৫] উহাইব ইবনে আবদ মানাফ ছিলেন মুহাম্মদ (সা.) এর মা আমিনাহ বিনতে ওয়াহাবের চাচা।[৬]  সাদ রাদিয়াল্লাহু আনহুর মা হলেন হমনা বিনতে সুফিয়ান ইবনে উমাইয়া ইবনে আবদ শামস ইবনে আব্দে মানফ।[৭]

আরও দেখুনসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. Hughes, Thomas Patrick (১৮৯৫)। A dictionary of Islam; being a cyclopaedia of the doctrines, rites, ceremonies, and customs, together with the technical and theological terms, of the Muhammadan religion। Harold B. Lee Library। London, W. H. Allen & co.। 
  2. Mahmood, Kajal Iftikhar Rashid (২০১২-১০-১৯)। সাড়ে তেরো শ বছর আগের মসজিদ [1350 Year-old Mosque]। Prothom Alo 
  3. "History and archaeology: Bangladesh's most undervalued assets?"deutschenews24.de। bdnews24.com। ২০১২-১২-২১। ২০১৪-০৩-১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০৫-৩০ 
  4. "Sa'ad Ibn Abi Waqqas (radhi allahu anhu)"web.archive.org। ২০০৫-০৯-১০। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৪-০৮ 
  5. Jabir; Tabari (১৯৯২-০১-০১)। The History of al-Tabari Vol. 12: The Battle of al-Qadisiyyah and the Conquest of Syria and Palestine A.D. 635-637/A.H. 14-15 (ইংরেজি ভাষায়)। SUNY Press। আইএসবিএন 978-0-7914-0733-2 
  6. http://www.shiachat.com/forum/topic/26316-son-of-saad-bin-abi-waqas/
  7. Jammāʻīlī, ʻAbd al-Ghanī ibn ʻAbd al-Wāḥid (২০০৪)। Short Biographies of the Prophet and His Ten Companions who Were Given the Tidings of Paradise (ইংরেজি ভাষায়)। Darussalam। আইএসবিএন 978-9960-899-12-1 

আরও পড়ুনসম্পাদনা

  • Nafziger, George F. (২০০৩), Islam at war, Greenwood Publishing Group, পৃষ্ঠা 278, আইএসবিএন 0-275-98101-0, সংগ্রহের তারিখ ২৫ জুলাই ২০১০  অজানা প্যারামিটার |coauthors= উপেক্ষা করা হয়েছে (|author= ব্যবহারের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে) (সাহায্য)

বহিঃসংযোগসম্পাদনা