রংপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট
রংপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের রংপুরের একটি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এটি দেশের প্রাচীন ও বৃহত্তম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট। রংপুর শহরের জিরো পয়েন্ট থেকে ১.৯ কি.মি. দূরে অবস্থিত এই সুবিশাল প্রতিষ্ঠানটি। ২০২৪ সালে প্রতিষ্ঠানটি জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (কারিগরি পর্যায়ে) হয়।[১]
নীতিবাক্য | প্রযুক্তির জন্য এসো, প্রবৃদ্ধির জন্য বেরিয়ে যাও |
---|---|
ধরন | সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট |
সক্রিয় | ১৮৮২ | –শুক্রবার, শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন
অধ্যক্ষ | মোঃ ফয়সাল মুফতি |
শিক্ষায়তনিক ব্যক্তিবর্গ | 30 |
প্রশাসনিক ব্যক্তিবর্গ | 10 |
শিক্ষার্থী | ৩,৪২৮ জন |
অবস্থান | রংপুর , রংপুর, রংপুর , ২৫°৪৫′১০″ উত্তর ৮৯°১৫′৩৯″ পূর্ব / ২৫.৭৫২৬৫৭° উত্তর ৮৯.২৬০৮৫৩° পূর্ব |
শিক্ষাঙ্গন | ৩২.৯ একর |
পোশাকের রঙ | অফ হোয়াইট ও কালো |
সংক্ষিপ্ত নাম | র.প.ই |
ওয়েবসাইট | rangpur |
অবস্থান
সম্পাদনারংপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটটি রংপুর বিভাগের রংপুর শহরের জুম্মাপাড়ায় অবস্থিত। বিপরীতে বিভাগীয় কারিগরি শিক্ষাবোর্ড অবস্থিত।
ইতিহাস
সম্পাদনা১৮৮২ সালে প্রযুক্তি শিক্ষায় দক্ষ জনসম্পদ তৈরীর লক্ষে “বেইলী ব্রীজ গোবিন্দ লাল টেকনিক্যাল স্কুল” নামে এ প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু হয়। ১৯৬২ খ্রিষ্টাব্দে আইয়ুব খান সরকার কর্তিক গৃহীত ৭ স্টেপ কর্মসুচিতে সিভিল ও পাওয়ার টেকনোলজি নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় “রংপুর টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট”। ১৯৬৮ খ্রিষ্টাব্দে মেকানিক্যাল ও ইলেকট্রিক্যাল টেকনোলজি অন্তর্ভুক্ত করে নতুন নামকরণ করা হয় “রংপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট" । পরবর্তিতে পর্যায়ক্রমে ১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দে ইলেকট্রনিক্স টেকনোলজি, ২০০২ খ্রিষ্টাব্দে কম্পিউটার টেকনোলোজি এবং ২০০৬ খ্রিষ্টাব্দে ইলেক্ট্রোমেডিক্যাল টেকনোলজি অন্তর্ভুক্ত করে প্রতিষ্ঠানকে সম্প্রসারিত করা হয়েছে।[২]
ক্যাম্পাস
সম্পাদনামূল ক্যাম্পাসে রয়েছে তিন তলা বিশিষ্ট দুটি একাডেমি ভবন, অফিস, লাইব্রেরী, আধুনিক যন্ত্রপাতি সমৃদ্ধ ওয়ার্কশপ ভবন, জিমনেশিয়াম ও ল্যাবরেটরী এবং একটি ৫০০ জন ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন অডিটোরিয়াম। মূল ক্যাম্পাসে রয়েছে মসজিদ ও শহীদ মিনার।
রংপুর পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের প্রধান গেটের দুদিকে রয়েছে ফুলের বাগান। ক্যাম্পাসের ভিতরে ঢুকতেই হাতের ডানে রয়েছে পাখিদের অভয়ারণ্য, সুবিশাল অরণ্য এবং বামে রয়েছে এই ইন্সটিটিউটের একমাত্র জামে মসজিদ। একটু সামনে গেলেই এই প্রতিষ্ঠানের একমাত্র পুকুর। পুকুরটি আয়তনে বেশ বড়। কিন্তু এখন এ পুকুরে গোসল করা নিষেধ আছে কলেজ কৃতপক্ষের
এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রয়েছে দুটি বৃহদাকার মাঠ। একটি ক্যাম্পাসের মধ্যে এবং অন্যটি ক্যাম্পাসের বাহিরে রংপুর পলিটেকনিক উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশে। সব মিলিয়ে আয়তনের দেশের সবচেয়ে বড় রংপুর পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট [৩]
শিক্ষা কার্যক্রম
সম্পাদনাপ্রতিষ্ঠার প্রথম বর্ষে মাত্র ১২০ জন ছাত্র-ছাত্রী এবং চারটি প্রযুক্তি (সিভিল, ইলেট্রিক্যাল, মেকানিক্যাল ও পাওয়ার) নিয়ে ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স চালু হয়েছিল। বর্তমানে অত্র প্রতিষ্ঠানে চার বছর মেয়াদি কোর্সে ৭ টি বিভাগ চলছে। এখানে প্রতিটি বিভাগে দু’টি করে শিফট চলমান এবং প্রতিটি শিফটে ৬০ জন করে মোট ১২০ জন শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ পায়।
বিভাগসমূহ
সম্পাদনারূপকল্প-২০১৮
সম্পাদনারংপুর পলিটেকনিককে বাংলাদেশের সফলতম পলিটেকনিকের মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করতে তৈরি করা হয়েছে 'রূপকল্প-২০১৮' । প্রাক্তন অধ্যক্ষ প্রকৌশলী খোন্দকার গোলাম মোস্তফার নেতৃত্বে শুরু হয়েছিল 'রূপকল্প-২০১৮'।[৪]
সুযোগ-সুবিধা
সম্পাদনামাঠ
সম্পাদনারংপুর পলিটেকনিকের দুইটি বৃহৎ খেলার মাঠ রয়েছে; যার একটি কলেজের ভিতরে, অপরটি কলেজের বাইরে তিস্তা ছাত্রাবাসের সামনে।
আবাসিক হল
সম্পাদনাছাত্রদের জন্য রয়েছে দুইটি এবং মেয়েদের জন্য একটি আবাসিক হল।
- তিস্তা ছাত্রাবাস
- শাহজাহান কবির ছাত্রাবাস
- তাপসী রাবেয়া ছাত্রীনিবাস।
শাহজাহান কবির ছাত্রাবাসে মেধাক্রম অনুযায়ী ছাত্রদের চান্স দেওয়া হয়।
শিক্ষকদের আবাসন
সম্পাদনাশিক্ষকদের জন্য দুইটি আবাসিক ভবন রয়েছে; যার একটি কলেজের ভিতরে, অপরটি তিস্তা ছাত্রাবাসের পাশে।
তথ্যসূত্র
সম্পাদনা- ↑ শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৪, জাতীয় (১৩ জুন ২০২৪)। "জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৪ এর বিজয়ী তালিকা" (পিডিএফ)। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর ঢাকা। Archived from the original on ২৯ জুন ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০২৪।
- ↑ "রংপুর পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট, রংপুর"। oldweb.rpir.gov.bd। ২০২৩-০২-১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০২৩-০২-১৯।
- ↑ "রংপুর পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য"। WeBlogBD (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২৩-০২-১৯।
- ↑ রংগারুণ । বার্ষিকী ২০১৪
বহিঃসংযোগ
সম্পাদনাবাংলাদেশের শিক্ষা বিষয়ক এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সম্প্রসারিত করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |