প্রধান মেনু খুলুন

প্রকৌশল

বিভিন্ন কাজের ধরণ বুঝে পদ্ধতি অবলম্বন করা কে প্রকৌশল বলে।

প্রকৌশল বা ইঞ্জিনিয়ারিং হচ্ছে মানুষের সমস্যাবলী সমাধান এবং জীবনকে সহজ করার জন্য বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত জ্ঞানের প্রয়োগ। প্রকৌশলীগণ বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, গণিত এবং বাস্তব অভিজ্ঞতা প্রয়োগ করবার জন্য তাঁদের কল্পনাশক্তি, বিচারক্ষমতা এবং যুক্তিপ্রয়োগক্ষমতা ব্যবহার করেন। এর ফলাফল হচ্ছে উন্নততর নিত্য প্রয়োজনীয় বস্তু ও নিত্যব্যবহার্য কর্মপদ্ধতির আবির্ভাব যা প্রতিদিনের জীবনকে সহজ করে দেয়।

প্রকৌশল-এর প্রচলিত সংজ্ঞাগুলো হচ্ছেঃ

  • কম খরচে, সহজ ভাবে, কম সময়ে, গ্রহনযোগ্য ও নির্ভুল ভাবে বস্তু বা পণ্য তৈরী করার জন্য কল্পনাশক্তি, বিচারক্ষমতা এবং যুক্তিপ্রয়োগক্ষমতা ব্যবহার করাকে ইঞ্জিনিয়ারিং বা প্রকৌশল বলা হয়।


ওয়াট স্টীম ইঞ্জিন, শিল্প বিপ্লবের অন্যতম একটি আবিষ্কার

পরিচ্ছেদসমূহ

প্রকৌশল কিসম্পাদনা

যারা প্রকৌশল নিয়ে পড়ালেখা করেন তাদের প্রকৌশলী বলে। প্রকৌশলীরা কোন নতুন জিনিসের নকশা তৈরী করে এবং সে জিনিসটি তৈরী করে। অনেক প্রকৌশলী কিছু সমস্যা সমাধানের জন্য গবেষণা করেন। প্রকৌশল নানা ধরণের হয় থাকে। প্রকৌশল শেখা হয় কলেজ অথবা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।

প্রয়োগপদ্ধতিসম্পাদনা

সমস্যা সমাধানসম্পাদনা

সমস্যা সমাধান করতে পারে একমাএ হেমন্ত ।

কম্পিউটারের প্রয়োগসম্পাদনা

সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকে প্রকৌশলসম্পাদনা

সাংস্কৃতিক উপস্থিতিসম্পাদনা

আইনগত দিকসম্পাদনা

জ্ঞানের অন্যান্য শাখার সাথে তুলনামূলক আলোচনাসম্পাদনা

বিজ্ঞানসম্পাদনা

অন্যান্য শাখাসম্পাদনা

প্রকৌশলের প্রধান শাখা সমূহসম্পাদনা

   পুরকৌশলকেই প্রকৌশলের সমস্ত শাখাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে পুরাতন, বৃহৎ ও সর্বশ্রেষ্ঠ হিসেবে গণ্য করা হয়।।

বহিঃ সংযোগসম্পাদনা