মেজর খালেদ’স ওয়ার

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে মেজর খালেদ মোশাররফের তৎপরতা নিয়ে প্রামাণ্যচিত্র

মেজর খালেদ'স ওয়ার (ইংরেজিঃ Major Khaled's War, অনুবাদঃ মেজর খালেদের যুদ্ধ) বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের কে-ফোর্সের অধিনায়ক মেজর খালেদ মোশাররফ ও তার বাহিনীর সম্মুখ সমর তৎপরতা নিয়ে নির্মিত ইংরেজি প্রামাণ্যচিত্র[১] ১৯৭১ সালে যুক্তরাজ্যের গ্রানাডা টেলিভিশনের তথ্যচিত্র ধারাবাহিক 'ওয়ার্ল্ড ইন অ্যাকশন'-এর একটি পর্ব হিসেবে প্রচারের জন্য টিভি সাংবাদিক ভানিয়া সারাহ কিউলি'র পরিচালনায় তথ্যচিত্রটি ধারণ করা হয়। তথ্যচিত্রটি বিদেশীদের দ্বারা নির্মিত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের জাজ্বল্যমান দলিল গুলির মধ্যে অন্যতম।[২]

মেজর খালেদ'স ওয়ার
Major Khaled's War
সশস্ত্র মেজর খালেদ.jpg
ভানিয়া কিউলিকে সাক্ষাৎকার দিচ্ছেন মেজর খালেদ
পরিচালকভানিয়া সারাহ কিউলি
প্রযোজক
  • নির্বাহী প্রযোজক
  • জেরেমি অয়ালিংটন
  • প্রযোজক
  • গীতা মেহতা
রচয়িতাভানিয়া সারাহ কিউলি
বর্ণনাকারীভানিয়া সারাহ কিউলি
চিত্রগ্রাহকমাইক হোয়াটটেকার
সম্পাদককেলভিন হেনড্রি
প্রযোজনা
কোম্পানি
গ্রানাডা টেলিভিশন
পরিবেশকগ্রানাডা টেলিভিশন
মুক্তি
  • ১২ জুলাই ১৯৭১ (1971-07-12)
দৈর্ঘ্য২৬ মিনিট ১৮ সেকেন্ড
দেশ যুক্তরাজ্য
ভাষাইংরেজি

কলাকুশলীসম্পাদনা

জেরেমি অয়ালিংটন ও ভারতীয় বংশোদ্ভূত লেখক ও টেলিভিশন সাংবাদিক গীতা মেহতা প্রামাণ্যচিত্রটির নির্বাহী প্রযোজক ও প্রযোজকের দায়িত্ব পালন করেন। ভানিয়া কিউলি এই প্রামাণ্যচিত্রের পরিচালনার পাশাপাশি সম্পূর্ণ প্রতিবেদন তৈরী ও বর্ণনা করেন। চিত্র সম্পাদনা করেন কেলভিন হেনড্রি। এছাড়া পিটার ওয়াকার ডাবিং সম্পাদনা করেন।

এক নজরে এই প্রামাণ্য চিত্রের সকল কুশলীদের তালিকা নিম্নরূপঃ

  • নির্বাহী প্রযোজক - জেরেমি অয়ালিংটন
  • প্রযোজক - গীতা মেহতা
  • পরিচালক - ভানিয়া কিউলি
  • বর্ণনাকারী - ভানিয়া কিউলি
  • চিত্রগ্রাহক - মাইক হোয়াটটেকার
  • শব্দ গ্রাহক - কলিন রিচার্ডস
  • চিত্র সম্পাদক - কেলভিন হেনড্রি
  • ডাবিং সম্পাদক - পিটার ওয়াকার

নির্মাণ ইতিহাস ও প্রচারসম্পাদনা

এই প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণের জন্য গ্রানাডা টেলিভিশনের প্রতিবেদক ভানিয়া কিউলি, চিত্রগ্রাহক মাইক হোয়াটটেকার ও শব্দগ্রাহক কলিন রিচার্ডস বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন সময় ১৯৭১ সালের জুন মাসে তৎকালীন মেজর খালেদ মোশাররফ ও তার পদাতিক সহযোগীদের সাথে আটদিন রণাঙ্গনে অবস্থান করেন।[১] এসময় বৃহত্তর সিলেট, কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চলে কে-ফোর্সের অধীনে মুক্তিবাহিনীর যুদ্ধ তৎপরতা; আখাউড়া, মন্দভাগ এলাকার রেল-সড়ক ও তার আশে পাশে মুক্তিযোদ্ধাদের সশস্ত্র গেরিলাযুদ্ধ ও রণকৌশল প্রণয়ন, মেজর খালেদ মোশাররফ ও মেজর আবদুস সালেক চৌধুরী সহ মুক্তিযোদ্ধা ও পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে শহিদ ও লুট হওয়া পরিবারের সদস্যদের সাক্ষাৎকার চিত্রায়ণ করা হয়।[৩]:১৩০,১৩১ ১৯৭১ সালের ১২ জুলাই গ্রানাডা টেলিভিশনের তথ্যচিত্র ধারাবাহিক 'ওয়ার্ল্ড ইন অ্যাকশন'-এর সপ্তম মৌসুমের একচল্লিশতম পর্ব হিসেবে প্রামাণ্যচিত্রটি প্রচার করা হয়।[৪]

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "Major Khaled's war Part 1"দ্য ডেইলি স্টার (ইংরেজি ভাষায়)। ২০১৪-১২-০৯। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০২-০৬ 
  2. "হতাশা ক্ষোভ আর কষ্টের উপাখ্যান"যুগান্তর। ২০১৮-০৩-২২। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০২-০৬ 
  3. হাসান, খন্দকার মাহমুদুল (ফেব্রুয়ারি ২০১১)। মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্রবাংলাবাজার, ঢাকা: কথা প্রকাশ। আইএসবিএন ৯৮৪-৭০১২০০১৬৭৭ |আইএসবিএন= এর মান পরীক্ষা করুন: invalid character (সাহায্য) 
  4. "তথ্যচিত্র 'খালেদস ওয়ার' সাহসী প্রতিরোধের দলিল"প্রথম আলো। ২০১৬-১২-০৫। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০২-০৬ 

বহিঃসংযোগসম্পাদনা

  1. ইউটিউবে মেজর খালেদ'স ওয়ার
  2. মেজর খালেদ’স ওয়ার: সম্মুখ সমরে
  3. ইন্টারনেট মুভি ডেটাবেজে মেজর খালেদ’স ওয়ার (ইংরেজি)