মগরা

ভারতের একটি গ্রাম

মগরা হল ভারতীয় রাজ্য পশ্চিমবঙ্গের হুগলী জেলার চুঁচুড়া মহকুমার চুঁচুড়া-মগড়া সমষ্টি উন্নয়ন ব্লকের সদর দফতরের একটি গ্রাম পঞ্চায়েত বা গ্রাম।[১] মগরা হাওড়া-বর্ধমান মেইন রেলওয়ে লাইনে একটি স্টেশন, হাওড়া স্টেশন থেকে ৪৭ কিলোমিটার দূরে এবং ব্যান্ডেল থেকে ৭ কিমি দূরে অবস্থিত।[২]

মগরা
গ্রাম পঞ্চায়েত
মগরা পশ্চিমবঙ্গ-এ অবস্থিত
মগরা
মগরা
মগরা ভারত-এ অবস্থিত
মগরা
মগরা
Location in West Bengal, India
স্থানাঙ্ক: ২২°৫৮′৪৫″ উত্তর ৮৮°২২′২৯″ পূর্ব / ২২.৯৭৯২৫° উত্তর ৮৮.৩৭৪৭৬৯° পূর্ব / 22.97925; 88.374769স্থানাঙ্ক: ২২°৫৮′৪৫″ উত্তর ৮৮°২২′২৯″ পূর্ব / ২২.৯৭৯২৫° উত্তর ৮৮.৩৭৪৭৬৯° পূর্ব / 22.97925; 88.374769
দেশ ভারত
রাজ্যপশ্চিমবঙ্গ
জেলাহুগলী
সরকার
 • ধরনগ্রাম পঞ্চায়েত
 • শাসকচুঁচুড়া-মগরা পঞ্চায়েত সমিতি
উচ্চতা১২ মিটার (৩৯ ফুট)
জনসংখ্যা (২০০১)
 • মোট১,১২,২৬৭
ভাষা
 • অফিসিয়ালবাংলা, ইংরেজি
সময় অঞ্চলIST (ইউটিসি+৫:৩০)

মগরাতে অল ইন্ডিয়া রেডিওর কয়েকটি উচ্চ-শক্তিযুক্ত ট্রান্সমিটার অবস্থিত, যা দেশীয় এবং বৈদেশিক পরিষেবাগুলির মিশ্রণ বহন করে।[৩]

এলাকাসম্পাদনা

নামকরণ :-

একটি প্রচলিত কথা রয়েছে যে একসময় বহুবছর আগে এই মগরা এলাকায় মগ দস্যুদের আগমন ঘটে । মগ উপস্থিতি বোঝাতে তাই লোকমুখে এককালে মগ অধ্যুষিত এলাকার নাম হয়ে যায় 'মগরা' ।

অবস্থান:-

মগরা হুগলী জেলার উপকণ্ঠে অবস্থিত। মগরা কলকাতা থেকে এক ঘণ্টা দূরে অবস্থিত যা পূর্ব ভারতের প্রধান বাণিজ্যিক, সাংস্কৃতিক এবং শিক্ষার কেন্দ্রস্থল। গ্রামের পশ্চিম দিক দিয়ে বয়ে গেছে কুন্তী নদী।

মগরার অবস্থান ২২°৫৮′৪৫″ উত্তর ৮৮°২২′২৯″ পূর্ব / ২২.৯৭৯২৫° উত্তর ৮৮.৩৭৪৭৬৯° পূর্ব / 22.97925; 88.374769[৪]

এই অঞ্চলটি সমতল পাললিক শিলা দ্বারা গঠিত যা গাঙ্গেয় ব-দ্বীপের একটি অংশ নিয়ে গঠিত হয়েছে। হুগলী নদীর পশ্চিম তীরে জলোচ্ছাসের ফলে প্রচুর শিল্পোন্নত হয়েছে। মগরার বুক চিরে চলে গিয়েছে স্রোতহারা কুন্তী নদী যা বিস্তৃত অঞ্চল জুড়ে বহমান । কুন্তী নদী মগরায় কোলা,মগরাগঞ্জ, কৃষ্ণদাস কলোণী, সুকান্ত পল্লী, জয়পুরের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বনের মাঠ থেকে আরো দূর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে যার উর্বর পলিমাটি সরবরাহ করে কৃষিপ্রধান সমতল ভূমিতে পরিণত করেছে । কুন্তী নদীর উপর নির্মিত পুরাতন ব্রিজটি ব্রিটিশ আমলে ১৯৩৯ খ্রিস্টাব্দে নির্মিত হয় যা সুদূর অতীতের সাক্ষ্য বহন করে । লোকমুখে শ্রুত, একসময়ে এই স্রোতহীনা নদীর জল ছিল স্ফটিকস্বচ্ছ ও পাড় আরো চওড়া ছিল । কিন্তু বর্তমানে এর অবস্থা শোচনীয় । দুপাশের পাড় ভেঙ্গে নদীতে পড়ায় নদীর নাব্যতা হ্রাস পেয়ে নৌচলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে । নদীতে অসচেতনতামূলকভাবে সমস্ত রকম বর্জ্য পদার্থ ফেলায় নদী চরম সংকীর্ণ ও জল খুব ঘোলাটে । এককথায়, জনগণের অসচেতনতার ফলে উপযুক্ত সংস্কারের অভাবে এটি একটি খালে পরিণত হয়েছে ।

[৫]

পার্শ্ববর্তী অঞ্চল :-

বাঁশবেড়িয়ার পূর্ব পাশে হাঁসঘড়া, কোলা, গাজাঘাঁটা, আলিখোজা, আমোদঘাটা, শঙ্খনগরচক বাঁশবেড়িয়া শহরগুলি একটি জনগোষ্ঠী গঠন করেছে এবং এতে মগরা এবং বড় খেজুরিয়া উপবৃদ্ধি করেছে।[৪]

অভ্যন্তরীণ অঞ্চল :-

মগরার প্রশাসনিক বৈভাগিক অঞ্চলগুলি হল নাকশা, সুকান্ত পল্লী,নবমাঠপাড়া,কৃষ্ণদাস কলোনী,জয়পুর,বাগাটী,গাঁজাঘাটা,রামকৃষ্ণ,কালীতলা,ড্যামড়া,আমোদঘাটা, আলিখোজা , হাঁসঘড়া,মেথিয়াগড়,কোলা,পূর্বশেখপাড়া,পশ্চিমশেখপাড়া,জাঙ্গালপাড়া,হরিতলা,বনের মাঠ,গজঘণ্টা,কাঁটাপুকুর, নিমতলা, নূতন গ্রাম ।

থানাসম্পাদনা

বাঁশবেড়িয়া পৌরসভা অঞ্চল এবং চুঁচুড়া-মগরা সিডি ব্লকের একটি অংশ মগরা থানার অধীনে রয়েছে।[৬][৭]

পরিবহনসম্পাদনা

 
মগরা রেলওয়ে স্টেশন

গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড এশিয়ার প্রাচীনতম এবং দীর্ঘতম সড়কগুলির মধ্যে একটি যা মগরার উপর দিয়ে গেছে।[৮][৯] মগরায় জি টি রোড থেকে একটি দীর্ঘ সড়়ক বিভক্ত হয়েছে যা ২৩ নং রোড নামে পরিচিত যা তারকেশ্বর পর্যন্ত বিস্তৃত ।

জনপরিবহনের মাধ্যমে বিভিন্ন গন্তব্যের সাথে মগরাকে সংযুক্ত করা হয়েছে। কল্যাণী, চুঁচুড়া, ব্যান্ডেল এবং ত্রিবেণী ইত্যাদি বাসগুলির মাধ্যমে সংযোগ স্থাপন করেছে। অটোরিকশা স্বল্প দূরত্বে আচ্ছাদনের জন্য উপলব্ধ রয়েছে। হাওড়া বর্ধমান মেইন লাইনে অবস্থিত মগরা রেলওয়ে স্টেশন এবং লোকাল ট্রেনগুলি মগরা থেকে বর্ধমান এবং হাওড়া পর্যন্ত চলাচল করে। মগরা থেকে একসময় মগরা-কোলড়়া বাস চলাচল করতো যা কিনা মগরা-ইনছুড়া রুটের প্রত্যন্ত অঞ্চল গুলোর যোগাযোগ ব্যাবস্থা উন্নত করেছিল ‌। এখন ম্যাজিক গাড়ির মাধ্যমে ওই রুটে চলাচল হয় । নিমতলা মোড় থেকে মগরা-পান্ডুয়া অটোরিকশা চলে । এছাড়া মগরা রেলওয়ে স্টেশন রোড থেকে মহানাদ যাওয়াার ম্যাজিক গাড়ি, গয়েশপুর বাস চলাচল করে ‌। এছাড়া মগরা গঞ্জের নিকট থেকে বনগাঁ যাওয়ার বাস ও বরাকর যাওয়ার বাস চলাচল করে । হিন্দুদের পবিত্র তীর্থস্থান তারকেশ্বর যাওয়ার জন্য ২৩ নং রোড বর্তমান এবং যে বাস এই রুটে চলাচল করে, সেটিরও নাম ২৩ নং বাস এবং এটি চুঁচুড়া থেকে তারকেশ্বর পর্যন্ত যায় । চুঁচুড়া-মেমারী রুটের ৪ নং বাস ও মগরার উপর দিয়ে চলাচল করে ।

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর যেতে গাড়িতে প্রায় এক ঘণ্টা সময় লাগে।

শিক্ষাসম্পাদনা

স্কুল এবং কলেজসমূহসম্পাদনা

বেশিরভাগ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মাধ্যমিক পর্যায়ের। যেমন: মগরা উত্তমচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়, বাগতি রামগোপাল ঘোষ উচ্চ বিদ্যালয়, বিমলাবালা হিন্দি উচ্চ বিদ্যালয়, প্রভাবতী বালিকা বিদ্যালয়, শিব চন্দ্র বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, তরিণী সাঁতরা উচ্চ বিদ্যালয় এবং দিগসুই উচ্চ বিদ্যালয়।

নতুনগ্রাম অঞ্চলটিতে অ্যাবাকাস ইনস্টিটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট এবং এলিট পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট রয়েছে। একাডেমি অফ টেকনোলজি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজটি একটি স্টেশন দূরে অবস্থিত। একাডেমি অফ টেকনোলজির নিকটে একটি গ্রামীণ গ্রন্থাগার আছে। সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায় দুটি গ্রামীণ গ্রন্থাগার পরিচালিত হচ্ছে। একটি গ্রন্থাগার মগরা উত্তমচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের সন্নিকটে অবস্থিত ।


শ্রীগোপাল ব্যানার্জী কলেজ একটি জেনারেল ডিগ্রি কলেজ ১৯৫৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। কলেজটিতে বিএ (জেনারেল) এবং বি.এসসি (জেনারেল) কোর্স প্রদান করা হয়। বাংলা, ইংরেজি, সংস্কৃত, ইতিহাস, দর্শন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, অর্থনীতি, রসায়ন, পদার্থবিজ্ঞান, গণিত, উদ্ভিদবিদ্যা, প্রাণীবিদ্যা এবং বিএ (জেনারেল) এবং বি.এসসি (জেনারেল) বিষয়ে পড়াশোনার পাশাপাশি হিসাববিজ্ঞান বিষয়ে সম্মানসহ বি.কম (জেনারেল) বিষয়ে কোর্স প্রদান করা হয়।[১০][১১]

স্বাস্থ্যসেবাসম্পাদনা

মগরায় ৩০-শয্যাবিশিষ্ট একটি গ্রামীণ হাসপাতাল রয়েছে । চুঁচুড়া-মগরা ব্লকের অন্তর্গত এই সরকারি হাসপাতালটি হাঁসঘড়া অঞ্চলে হসপিটাল রোডের নিকট অবস্থিত । দূরদূরান্ত থেকে মানুষ রোগমুক্তি কামনায় এখানে উপস্থিত হন ।

এছাড়া মগরায় শান্তিনিকেতন নার্সিংহোম, স্বস্তি নার্সিংহোম প্রভৃতি বেসরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র রয়েছে ।

জনজাতিসম্পাদনা

মগরা বহু জনগোষ্ঠীর মিলনস্থল। মগরা বাঙালি, বিহারী, গুজরাতি, মাড়োয়ারি এবং পাঞ্জাবীদের আবাসস্থল। এই অঞ্চলের প্রাচীনতম সম্প্রদায় হলেন বাগদি, বাউড়ি, ঘোষ এবং সাধুখাঁ। নবমাঠপাড়া অঞ্চলের দক্ষিণ দিকে বনের মাঠ ও রামকৃষ্ণ অঞ্চলের পশ্চাতে মেথিয়াগড় নামক স্থানদুটিতে অনেক সংখ্যক আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ বসবাস করেন । দেশভাগ ও মুক্তিযুদ্ধের পরবর্তীকালীন সময়ে অনেক বাংলাদেশী হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ বাংলাদেশের সাতক্ষীরা,ভোলা, বরিশাল , ফরিদপুর, খুলনা , পটুয়াখালী , নোয়াখালী জেলা থেকে এসে সুকান্তপল্লী ,কৃষ্ণদাস কলোণী ও নবমাঠপাড়া এলাকায় স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। মগরার বাগাটী এলাকার মধ্যে ইয়ং বেঙ্গল এরনেতা রামগোপাল ঘোষের পৈতৃক বাড়ি আছে।

ধর্মভিত্তিক লোকসংস্কৃতিসম্পাদনা

প্রত্যেক বছর সুকান্ত পল্লী এলাকার শ্রীশ্রী রাধাকৃষ্ণ মন্দির সমন্বিত বৃহৎ মাঠটির রক্ষণাবেক্ষণকারী একটি বিশেষ কমিটি ও মাঠ একাদশ সংঘ, শ্রী শ্রীহরিনাম সংকীর্তন মহোৎসব আয়োজন করে । পঁচিশবৎসর যাবৎ আয়োজিত এই ধর্মীয় মহোৎসবটিকে কেন্দ্র করে একটি বৃহৎ মেলাও বসে । বহুদূর থেকে জনসাধারণ এই অপূর্ব মাধুর্য সমন্বিত হরিনাম সংকীর্তন মহোৎসবের রস আস্বাদন করতে আসেন । এই সংকীর্তন মহোৎসবে বিখ্যাত সনাতন ধর্মপ্রচারক ও কবিয়ালদের আগমন ঘটে । যেমন - লোক সম্রাট অসীম সরকার, আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘের অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব শ্রীমৎ ভক্তিচারু স্বামী মহারাজ এখানে এসেছিলেন । সুকান্ত পল্লী এলাকার কুন্তী নদীর ধারে একটি কালী মন্দিরও রয়েছে । এছাড়া মগরার বহু প্রতিষ্ঠিত ধর্মপ্রাণ পরিবারের ব্যক্তিগত উদ্যোগেও বিভিন্ন সনাতন ধর্মীয় অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়ে থাকে । যেমন - শ্রী প্রশান্ত গোস্বামী মহাশয়ের উদ্যোগে প্রতি বৃহস্পতিবার কৃষ্ণকথা আলোচনা সভা বসে ও তিনি নববর্ষের দিন তাঁর ভক্তদের নিয়ে নগরকীর্তনে বের হন এবং বিশিষ্ট দিনগুলিতে ধর্মীয় অনুষ্ঠান হয় ও প্রসাদ বিতরণ হয় । তাঁর উদ্যোগে মগরা একটি অন্যতম সনাতন ধর্মের পীঠস্থানে পরিণত হয়েছে ।

মগরা নিমতলা মোড়ের অদূরে আমোদঘাটা অঞ্চলে ঠাকুর শ্রীশ্রী অনুকূলচন্দ্রের একটি মঠ রয়েছে । এখানে ঠাকুরের মতে দীক্ষিত সমস্ত সনাতনীরা নিয়মিত প্রার্থনাপূজার জন্য আগমন ঘটান । ঠাকুর শ্রীশ্রী অনুকূলচন্দ্রের জন্মদিনে উপলক্ষে বিশেষভাবে মঠে আয়োজন হয়ে থাকে । ওইদিন সকল সনাতনীদের মধ্যে মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হয় ।

বিশিষ্ট ব্যক্তিসম্পাদনা

রামগোপাল ঘোষ :- ভারতীয় বাঙালী সমাজ সংস্কারক ও প্রখ্যাত ব্যাবসায়ী

উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থানসম্পাদনা

ধর্মীয় উৎসবসম্পাদনা

সরস্বতী পূজা প্রতিবছর অনুষ্ঠিত হয়। উৎসব সবার জন্য উন্মুক্ত এবং স্থানীয় ক্লাবগুলি দ্বারা আয়োজিত যেমন: কোলা বান্ধব সম্মিলনী ক্লাব, বাগাটী ডায়মন্ড জুবিলি ফুটবল ক্লাব, বাগাটী বন্ধুমহল, জাগরণী সংঘ, সবুজ সংঘ, প্রিয় সমিতি, অগ্রগামী, দ্যা মগরা ইউনাইটেড ক্লাব, বাজার সমিতি, মগরা নেতাজি সংঘ, সোনালী সংঘ, বিবেকানন্দ সংঘ, অগ্নিবীনা, রবীন্দ্র সংঘ, ঐক্য সম্মিলনী, নোবডি সংঘ এবং উদয়ন সংঘ ইত্যাদি। সরস্বতী পূজা ব্যতিরেকেও বহু সনাতন ধর্মীয় অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়ে থাকে । দুর্গা পূজা,কালী পূজা ,কার্তিক পূজা, গণেশ পূজাও সাড়ম্বরে পালিত হয়ে থাকে । মগরাতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিহারী হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ বসবাস করেন । তাই ভারতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী সনাতন ধর্মীয় ছট পূজাও( সনাতন ধর্মের সূর্য দেবতাকে উৎসর্গীকৃত পূজা) অনুষ্ঠিত হয় ।

ধর্ম সম্প্রদায়সম্পাদনা

মগরা মূলত মফস্বল । এখানের প্রায় সকলব্যক্তি সনাতন ধর্মাবলম্বী । তবে মগরায় স্বল্পসংখ্যক ইসলাম ধর্মাবলম্বীরাও বসবাস করেন । প্রায় এক দেড়শো বছর পূর্বে মগরা রেলওয়ে স্টেশন নিকটবর্তী অঞ্চল পূর্বশেখপাড়া ও স্টেশনের ওপারে পশ্চিমশেখপাড়ায় শেখ পদবীধারী বিহারী মুসলমানদের আধিপত্য ছিল । তাই এই দুটি অঞ্চলের এহেন নাম ।

তবে মগরায় মূলত সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মসম্প্রদায়ের ধর্মীয় সংস্কৃতির পালনই হয়ে থাকে ।

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "District-wise list of statutory towns"। ২০০৭-০৯-৩০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-১০-১৮ 
  2. Eastern Railway time table.
  3. Radio Transmitters, Radio Transmitters
  4. "Census of India 2011, West Bengal: District Census Handbook, Hooghly" (PDF)Map of Chinsurah-Magra CD Block, page 469। Directorate of Census Operations, West Bengal। সংগ্রহের তারিখ ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮ 
  5. "District Census Handbook: Hugli, Series-20, Part XIIA" (PDF)Physiography, Page 17-24। Directorate of Census Operations, West Bengal, 2011। সংগ্রহের তারিখ ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮ 
  6. "District Statistical Handbook 2014 Hooghly"Tables 2.1, 2.2। Department of Statistics and Programme Implementation, Government of West Bengal। ২১ জানুয়ারি ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩ অক্টোবর ২০১৮ 
  7. "Hooghly District Police"। West Bengal Police। ৫ জুলাই ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০ জুন ২০১৭ 
  8. "Road - Highway"। Public Works Department, Government of West Bengal। সংগ্রহের তারিখ ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ 
  9. Google maps
  10. "Sreegopal Banerjee College"। SBC। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০১৭ 
  11. "Sreegopal Banerjee College"। College Admission। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০১৭