বাঁশবেড়িয়া ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের হুগলী জেলার একটি সুন্দর শহর ও পৌরসভা এলাকা।এই শহরে অবস্থিত হংসেশ্বরী মন্দির, অনন্ত বাসুদেবের মন্দির, জাফর খান গাজী মসজিদ ও দরগা, ত্রিবেণীর ত্রিসঙ্গম এই শহরের প্রধান পর্যটন কেন্দ্র। এই শহরের দক্ষিণে অবস্থিত ডানলপ টায়ার কারখানা এশিয়ার বৃহত্তম টায়ার কারখানা। বাঁশবেড়িয়া পৌরসভা এলাকায় তিন টি রেল স্টেশন রয়েছে। ১.বাঁশবেড়িয়া ২. হাজী মহম্মদ মহসীন হল্ট স্টেশন ৩.ত্রিবেণী

বাঁশবেড়িয়া
বাঁশবেড়িয়া
হংশেশ্বরী মন্দির,বাঁশবেড়িয়া।
হংশেশ্বরী মন্দির,বাঁশবেড়িয়া।
ডাকনাম: বংশবাটী
সরকার
 • শাসকবাঁশবেড়িয়া পৌরসভা
 • পৌরপ্রধানশ্রীমতী অরিজিতা শীল
 • সংসদ সদস্যশ্রীমতী লকেট চট্টোপাধ্যায়
 • বিধায়কশ্রী তপন দাশগুপ্ত(কৃষি বিপনন মন্ত্রী,পশ্চিমবঙ্গ সরকার)
জনসংখ্যা (২০১১)
 • মোট১,০৩,৭৯৯ population_density =১১,০০০
ওয়েবসাইটhttp://bansberiamunicipality.org
বাঁশবেড়িয়া শহরের মানচিত্র
বাস টার্মিনাস এলাকা, বাঁশবেড়িয়া

বাঁশবেড়িয়া শহরেই প্রখ্যাত সাহিত্যিক লেখক শ্রী পিনাকী ঠাকুর এবং বিখ্যাত সমাজসেবক শ্রী কুমার মণীন্দ্র এর জন্মস্থান।বাঁশবেড়িয়া শহরের দক্ষিণাংশের সামান্য অংশ ১নং-৪নং ওয়ার্ড চুঁচুড়া থানার অধীনে। বাকি অংশ ৫নং-২২নং ওয়ার্ড মগরা থানার অধীনে। দুটি থানা বর্তমানে চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের আওতাধীন।

জনসংখ্যার উপাত্তসম্পাদনা

ভারতের ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুসারে বাঁশবেড়িয়া শহরের জনসংখ্যা হল 1,03,799 জন।[১] এর মধ্যে পুরুষ ৫২% এবং নারী ৪৮%।

এখানে সাক্ষরতার হার ৭২%। পুরুষদের মধ্যে সাক্ষরতার হার ৫৫% এবং নারীদের মধ্যে এই হার ৪৫%। সারা ভারতের সাক্ষরতার হার ৫৯.৫%, তার চাইতে বাঁশবেড়িয়া এর সাক্ষরতার হার বেশি।

এই শহরের জনসংখ্যার ১৭% হল ৬ বছর বা তার কম বয়সী।

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. (ইংরেজি ভাষায়) ভারতের ২০১১ সালের আদমশুমারি http://bansberiamunicipality.org/population/2011 ভারতের ২০১১ সালের আদমশুমারি |ইউআরএল= এর মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য)। সংগ্রহের তারিখ সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৭  |শিরোনাম= অনুপস্থিত বা খালি (সাহায্য)[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]