প্রধান মেনু খুলুন

https://en.wikipedia.org/wiki/Polonnaruwa

পলোন্নারুয়া
শহর
রাজপ্রাসাদ
রাজপ্রাসাদ
নাম: පුලතිසිපුරය
পলোন্নারুয়া শ্রীলঙ্কা-এ অবস্থিত
পলোন্নারুয়া
পলোন্নারুয়া
Location in Sri Lanka
স্থানাঙ্ক: ৭°৫৬′ উত্তর ৮১°০′ পূর্ব / ৭.৯৩৩° উত্তর ৮১.০০০° পূর্ব / 7.933; 81.000স্থানাঙ্ক: ৭°৫৬′ উত্তর ৮১°০′ পূর্ব / ৭.৯৩৩° উত্তর ৮১.০০০° পূর্ব / 7.933; 81.000
Countryশ্রীলঙ্কা
ProvinceNorth Central Province
PolonnaruwaBefore 1070 AD
সময় অঞ্চলশ্রীলঙ্কা মান সময় (ইউটিসি+5:30)
টেমপ্লেট:Infobox UNESCO World Heritage Site

পলোন্নারুয়া (সিংহলি: පොළොන්නරුව, Poḷonnaruwa or Puḷattipura, তামিল: பொலன்னறுவை, Polaṉṉaṟuvai or Puḷatti nakaram) শ্রীলংকার উত্তর কেন্দ্রীয় প্রদেশের পলোন্নারুয়া জেলার প্রধান শহর। কাদুরুওেলা এলাকা হল পলোন্নারুয়ার নতুন শহর এবং পলোন্নারুয়ার অন্য অংশ পলোন্নারুয়া রাজ্যের রাজকীয় প্রাচীন শহর হিসাবে রয়ে গেছে।

The second most ancient of Sri Lanka's kingdoms, Polonnaruwa was first declared the capital city by King Vijayabahu I, who defeated Chola invaders in 1070 to reunite the country once more under a local leader.

পলোন্নারুয়ার প্রাচীন শহর একটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান ঘোষণা করা হয়েছে।[১]

বর্তমানে রাষ্ট্রপতি মৈত্রীপাল সিরিসেনার অধীনে "পলোন্নারুয়া জাগরণ" নামে পরিচিত একটি প্রধান উন্নয়ন প্রকল্পে নতুন পলোন্নারুয়ার উন্নয়ন কাজ চলছে। এই প্রকল্পে পলোন্নারুয়ার সড়ক, বিদ্যুৎ, কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশসহ সকল সেক্টরের উন্নয়নের মাধ্যমে ব্যাপকভাবে সকল সেক্টরের উন্নয়নে হবে।[২]

পরিচ্ছেদসমূহ

ইতিহাসসম্পাদনা

The Cholas shifted the capital city to Polonnaruwa since they found it had the best fertile lands in Sri Lanka (nigaril valanadu (uncomparable land) was name for the district and named polonnaruwa -jananatha mangalam. the mahaweli river flowing through it can take you to the sea. Vijayabahu's victory the real "Hero of Polonnaruwa" of the history books is actually Parakramabahu I. It was his reign that is considered the Golden Age of Polonnaruwa. Trade and agriculture flourished under the patronage of the king, who was so adamant that no drop of water falling from the heavens was to be wasted and each was to be used toward the development of the land. Hence, irrigation systems that are far superior to those of the Anuradhapura Age were constructed during Parakramabahu's reign - systems which to this day supply the water necessary for paddy cultivation during the scorching dry season in the east of the country. The greatest of these systems is the Parakrama Samudra or the Sea of Parakrama. The Kingdom of Polonnaruwa was completely self-sufficient during King Parakramabahu's reign.

With the exception of his immediate successor, Nissankamalla I, all other monarchs of Polonnaruwa were slightly weak-willed and rather prone to picking fights within their own court.[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] They also went on to form more intimate matrimonial alliances with stronger South Indian kingdoms until these matrimonial links superseded the local royal lineage. This prompted an invasion by the Aryacakravarti dynasty King Kalinga Magha in 1214, who founded the Jaffna kingdom (1215-1624 CE).

বর্তমানকালীনসম্পাদনা

Today the ancient city of Polonnaruwa remains one of the best planned archaeological relic cities in the country, standing testimony to the discipline and greatness of the Kingdom's first rulers. Its beauty was also used as a backdrop to filmed scenes for the Duran Duran music video Save a Prayer in 1982. পলোন্নারুয়ার প্রাচীন শহর ইউনেস্কোর দ্বারা বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা লাভ করেছে।

Near the ancient city, there is a small town with several hotels (especially for tourists) and some glossy shops, and places to fulfill day-to-day needs. There are government institutions in a newly built area called “new town,” about 6 km away from the town and the main road. The largest school in the district, Polonnaruwa Royal Central College is situated at new town.

পলোন্নারুয়ার উত্তর কেন্দ্রীয় প্রদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর, কিন্তু এটি দেশের সবচেয়ে পরিষ্কার এবং সুন্দর শহরগুলির মধ্যে একটি হিসাবে পরিচিত। সবুজ পরিবেশ, আশ্চর্যজনক প্রাচীন নির্মাণ, পরাক্রমা সমুদ্রা (১২০০ সালে নির্মিত একটি বিশাল হ্রদ), এবং আকর্ষণীয় পর্যটক হোটেল ও অতিথিসেবাপরায়ণ মানুষ পর্যটকদের আকর্ষণ করে।

পর্যটকদের জন্য আরেকটি আকর্ষণ টোক ম্যাকাকে বানর। বানরগুলো শহরের ধ্বংসাবশেষে অনেক আগে থেকে মানুসের সাথে বসবাস করে আসছে এবং মানুষের ছেড়ে চলে যাওয়ার পরেও বসবাস করছে।

আরও দেখুনসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "Ancient City of Polonnaruwa"World Heritage Convention, UNESCO। সংগ্রহের তারিখ ২১ মে ২০১৫ 
  2. "President commences "Pibidemu Polonnaruwa" - The official website of the President of Sri Lanka"www.president.gov.lk। সংগ্রহের তারিখ ২০১৫-১১-১৬ 
  • Balasooriya, Jayasinghe (2004). The Glory of Ancient Polonnaruva. Polonnaruva: Sooriya Printers. আইএসবিএন ৯৫৫-৮১৫৮-০১-১ (Archeological ruins)
  • 'The Satmahal Prasada: A Historic link between Lan Na and Sri Lanka', in: Forbes, Andrew, and Henley, David, Ancient Chiang Mai Volume 1. Chiang Mai: Cognoscenti Books, 2012.

Mapsসম্পাদনা

বহিঃসংযোগসম্পাদনা


Added tags to the page using Page Curation (orphan)

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

টেমপ্লেট:রচনাশৈলী


ট্যাগ যোগ করা হয়েছে

টেমপ্লেট:Like resume

আপনাকে অবশ্যই এই পরিষ্করণ টেমপ্লেটে একটি |reason= প্যারামিটার যোগ করতে হবে - এটি {{পরিষ্করণ|date=October 2018|reason=<এখানে কারণ লিখুন>}}-এর সাথে প্রতিস্থাপন করুন, অথবা পরিষ্করণ টেমপ্লেটটি সরান।


১৩৭তম জন্মবার্ষিকীতে গুগল একটি বিশেষ Google Doodle দিয়ে তাঁর জন্মদিন উদযাপন করে।

তাঁর ১৩৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গুগলের হোমপেজে একটি বিশেষ গুগল ডুডল প্রদর্শন করে সাম্মানিত করা হয়। গুগল ডুডলটিতে দেখা যায় সাদা পোশাকে চশমা পরা বেগম রোকেয়া বই হাতে হেঁটে যাচ্ছেন।

মোঃ নূরুল আজীম
জন্ম৩১ মার্চ ১৯৫১
জাতীয়তাবাংলাদেশী  
জাতিসত্তাবাঙালি
নাগরিকত্ব  বাংলাদেশ
শিক্ষাচিকিৎসা বিজ্ঞান, রক্তবিজ্ঞান
যেখানের শিক্ষার্থীগ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়
পেশাচিকিৎসক
যে জন্য পরিচিতসমাজ সেবা
দাম্পত্য সঙ্গীডা. রাশিদা আহমেদ
সন্তানডা. মালিহা আজীম এবং ডা. মাহিন আজীম

কর্ণেল (অবঃ) প্রফেসার মোঃ নূরুল আজীম (জন্ম: ৩১ মার্চ ১৯৫১) হলেন একজন স্বখ্যাত বাংলাদেশী মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ। এছাড়া তিনি বিশ্বের সবচেয়ে বুদ্ধিমান মানুষদের নিয়ে গঠিত সর্ববৃহৎ সংস্থা মেন্‌সার একজন সদস্য।

জন্ম ও শিক্ষাজীবনসম্পাদনা

মোঃ নূরুল আজীম কিশোরগঞ্জ জেলার খয়েরপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৭৫ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করেন। এরপর আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল ইনস্টিটিউট থেকে ১৯৭৮ সালে মনোরোগ বিজ্ঞানে ডিগ্রী নেন। তিনি ১৯৮৪ সালে এফসিপিএস (সাইকিয়াট্রি), ১৯৮৭ সালে ক্লাসিফিকেশন ইন সাইকিয়াট্রি, ১৯৯৭ সালে সাই ডি (উএসএ ), ১৯৯৯ সালে ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিষয়ে পিএইচডি (উএসএ ), ১৯৯৯ সালে এমডি (উএসএ ), ১৯৯৯ সালে এফএসিপি (উএসএ ) ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি ২০০২ সালে যুক্তরাজ্যের রয়েল কলেজ অব ফিজিশিয়ান অ্যান্ড সার্জনস অফ গ্লাসগো থেকে এফআরসিপি ডিগ্রি লাভ করেন।

কর্মজীবনসম্পাদনা

ডা. মোহাম্মদ ইব্রাহিম ১৯৩৮ সনে কলকাতা মেডিকেল কলেজ থেকে ডাক্তারী পাশ করার পর তার চিকিৎসা ও কর্মজীবন শুরু করেন। কর্মজীবনের প্রথম দিকেই কলকাতা মেডিকেল কলেজে প্রফেসর অব মেডিসিনের ওয়ার্ডে হাউস ফিজিশিয়ান হিসাবে কাজ করার সুযোগ পান। পরবর্তীতে ১৯৩৮-১৯৪৫ সাল পর্যন্ত একই প্রতিষ্ঠানে তিনি ইমার্জেন্সী মেডিকেল অফিসার ও প্র্যাকটিক্যাল ফার্মেসী বিভাগের সিনিয়র ডেমনসট্রেটর হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৪৫-১৯৪৭ সাল পর্যন্ত তিনি কলকাতা মেডিকেল কলেজে রেসিডেন্ট ফিজিশিয়ান হিসাবে কাজ করেন। দেশ বিভাগের পর অধ্যাপক মোহাম্মদ ইব্রাহিম তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে চলে আসেন এবং চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন পদে যোগদান করেন। একই সাথে তিনি জেনারেল হাসপাতালের সুপারিনটেনডেন্ট এবং চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের মেডিসিনের শিক্ষকের দায়িত্বও পালন করেন। ১৯৪৮ সালে অধ্যাপক মোহাম্মদ ইব্রাহিম যুক্তরাজ্য থেকে এম,আর, সি,পি, ডিগ্রী অর্জন করেন। তার পরের বছর আমেরিকান কলেজ অব চেস্ট ফিজিশিয়ানস থেকে এফ.সি.সি.পি ডিগ্রী লাভ করেন। ১৯৫০ সালে দেশে ফিরে অধ্যাপক মোহাম্মদ ইব্রাহিম ঢাকা মেডিকেল কলেজের এডিশনাল ফিজিশিয়ান হিসাবে যোগদান করেন। তারপর পর্যায়ক্রমে তিনি ক্লিনিক্যাল মেডিসিন ও মেডিসিনের প্রফেসর নিযুক্ত হন। ঢাকা মেডিকেল কলেজে থাকাকালীন সময়ে ১৯৫৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারী কতিপয় বিশিষ্ট চিকিৎসক ও সমাজসেবীদের সহযোগিতায় ঢাকার সেগুনবাগিচায় পাকিস্তান ডায়াবেটিক সমিতি প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৫৮ সালে তিনি আমেরিকান কলেজ অব চেষ্ট ফিজিশিয়ানস, পাকিস্তান চ্যাপ্টারের গভর্ণরের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬২ সালে পাকিস্তান কলেজ অব ফিজিশিয়ানস এন্ড সার্জনস থেকে এফ.সি.পি.এস ডিগ্রী লাভ করেন। ১৯৬২ থেকে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত তিনি স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের মেডিসেনের প্রফেসর ও অধ্যক্ষ হিসেবে কাজ করেন। ডা. ইব্রাহিম মন্ত্রীর পদমর্যাদায় স্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের রাষ্ট্রপতির উপদেষ্টা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য, বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার এশিয়া অঞ্চলের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিক ম্যানেজমেন্ট বোর্ডের সদস্য পদে দায়িত্ব পালন করেন।

পেশাগত জীবনে আবদুল আলীম চৌধুরী ১৯৬১ থেকে ১৯৬৩ পর্যন্ত লন্ডনের সেন্ট জেমস হাসপাতালের রেজিস্ট্রার ছিলেন। এরপর দেশে ফিরে ১৯৬৩ সালের শেষের দিকে তিনি মীর্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে যোগ দেন প্রধান চক্ষু চিকিত্‍সক হিসেবে। ঢাকার পোস্ট গ্রাজুয়েট মেডিসিন অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ছিলেন তিনি ১৯৬৭ সালে। ঢাকা মেডিকেল কলেজের চক্ষু বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন ১৯৬৮ সালে। এরপর কিছুদিন ছিলেন রাজশাহী মেডিকেল কলেজের চক্ষু বিভাগে। তাঁর সর্বশেষ কর্মস্থল ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ। ছবি তোলা ও লেখালেখির শখ ছিল আবদুল আলীম চৌধুরীর।

গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফিরে এসে মুজিবুর রহমান ঢাকা মেডিকেল কলেজ এর রক্তদান কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দেন। ১৯৮২ সালে তিনি সরকারি চাকুরি থেকে অবসর নেন। সরকারি চাকুরি করার সময়ে তিনি পুরাতন বোতলের পরিবর্তে রক্ত সংরক্ষণের জন্য প্লাস্টিক ব্যাগ উদ্ভাবন করেন এবং ৩০টি রক্তদান কেন্দ্র স্থাপন করেন। তিনি ১৯৭৯ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত একজন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ হিসেবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিশেষজ্ঞ পরামর্শক প্যানেলের সম্মানিত সদস্য পদ লাভ করেন। তিনি বাংলাদেশে রক্তদান সমিতি প্রতিষ্ঠা করেন এবং প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

মেন্‌সার সদস্যসম্পাদনা

তিনি বিশ্বের সবচেয়ে বুদ্ধিমান মানুষদের নিয়ে গঠিত সর্ববৃহৎ সংস্থা মেন্‌সার একজন সদস্য। মেনসার সদস্য হতে হলে, মেনসা পরিচালিত অথবা কোন স্বীকৃত আইকিউ পরীক্ষায় প্রায় ১৩২ আইকিউ এর অধিকারী হতে হয়। তিনি আইকিউ পরীক্ষায় ১৭২ আইকিউ লাভ করেন, যা শুধুমাত্র সর্বোচ্চ ১% বুদ্ধিমানদের মধ্যেই বিদ্যমান।

পুরস্কার ও সম্মননাসম্পাদনা

  • ঊষসী পুরস্কার, ১৯৮৫
  • জাতীয় অধ্যাপক মোঃ ইব্রাহিম পুরস্কার, ১৯৯৫
  • চট্টগ্রাম নাগরিক কমিটি কর্তৃক ত্রিরত্ন পুরস্কার, ১৯৯৬
  • জাতীয়ভিত্তিক সমাজসেবা পুরস্কার, ১৯৯৭
  • সমাজসেবায় একুশে পদক, ২০০৪
  • রোটারি সিড পুরস্কার, ২০০৪-০৫
  • অনন্যা শীর্ষ দশ পুরস্কার, ২০০৬

Memberships and associations

   Special Individual Member, World Psychiatric Association, USA.
   International Member, American Psychiatric Association, USA (MAPA).
   Life Member, World Institute of Achievement, USA.
   International Member, Mensa International, UK (IQ-172, P>99).
   Fellow of Royal Society of Health (FRSH), UK.
   Fellow of Royal Society of Medicine (FRSM), UK.
   Member of American Medical Society (MAMS), Austria.
   Life Member, World Federation of Mental Health.
   ফ্যাসিলিটেটর, ইএমডিআর ইনস্টিটিউট, উএসএ

Honors and Awards Received:

   Bio graphed in:500 Leaders of Influence, USA.
   Bio graphed in:Leading Intellectuals of the World, USA.
   Bio graphed in:Who's Who in the 21st Century, UK.
   Bio graphed in:Outstanding Intellectalls of the 21st Century, UK.
   Recipient of:Distinguished Leadership Award, USA.
   Recipient of:Key Success Award for Teaching Excellence, USA.

পারিবারিক জীবনসম্পাদনা

ডা. আবদুল আলীম চৌধুরীর স্ত্রী ডা. রাশিদা আহমেদ। তাঁদের দুই কন্যা ডা. মালিহা আজীম এবং ডা. মাহিন আজীম। দুজনই চিকিৎসক হিসেবে কর্মরত।

আরও দেখুনসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

বহিঃসংযোগসম্পাদনা

মানসিক রোগ ও মনেবিজ্ঞান, এ দুটি বিষয়ে সর্বোচ্চ ডিগ্রী ধারণ করার কারণে, কর্ণেল প্রফেসার মোঃ নূরুল আজীম (অবঃ), বাংলাদেশের সম-সাময়িক মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞদের তুলনায় ব্যতিক্রম;

তাই বড় পরিসরে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারছেন। মানসিক রোগ এবং আচরণ বৈকল্য নিরসনে, হলিষ্টিক পদ্ধতি অবলম্বনের মাধ্যমে, রোগির শারিরিক - মানসিক - পারিবারিক - সামাজিক - আধ্যাত্মিক সামগ্রীক সমস্যার সমাধান করতে ৪২ বৎসর ধরে সাফল্যজনক বিজ্ঞান সম্মত ভূমিকা রাখছেন। তার পদক্ষেপ গুলোঃ

   রোগী ও তার সহচরের নিকট থেকে সমস্যা গুলো পুর্নাঙ্গভাবে শুনে নেয়া।
   প্রয়োজনীয় শারিরিক (ল্যাবরেটরী ও রেডিওলজিকেল) এবং মানসিক (সাইকো ডায়াগনষ্টিক ও সাইকোমেট্রিক) পরীক্ষা-নিরিক্ষা করা।
   রোগী ও তার সহচরের সঙ্গে নিরুপিত রোগ, তার সুচিকিৎসা, আরোগ্য লাভের সম্ভাবনা ও সময়কাল নিয়ে আলোচনা করা।
   প্রয়োজনীয় সর্বাধুনিক ঔষধ প্রয়োগ করা এবং কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ঘটলে তার প্রতিকার করা।
   ঔষধের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে সাইকোথেরাপী/ কাউন্সেলিং করা।

উপরোন্ত, বাংলাদেশের মাত্র ৫ জন মেনসা/MENSA এর মধ্যে একজন (যারা সমগ্র বিশ্বের সর্বোচ্চ ২% বুদ্ধিমান ব্যাক্তিদের অন্তর্ভূক্ত) (উনার IQ ১৭২,যা শুধুমাত্র সর্বোচ্চ ১% বুদ্ধিমানদের মধ্যেই বিদ্যমান) হওয়াতে, বুদ্ধিদীপ্তভাবে মহিলা সহ-চিকিৎসক এর সহায়তায় একান্তভাবে, যুগ্নভাবে, পরিবারের সদস্য সমাহারে বা রোগীর কার্য্য ক্ষেত্রে হস্তক্ষেপ করে ব্যাপক আরোগ্য নিশ্চিৎ করতে পারছেন। এৎদভিন্নঃ মৃগী রোগ, মাথাব্যাথা, কূল-কিনারাহীন ব্যাথা, চঞ্চলতা অটিজম, অবাধ্যতা, ক্রোধ / রাগ ইত্যাদি নিরাময়ে বিশেষ অবদান রাখছেন।

  1. "নারীর ক্ষমতায়নে উচ্চশিক্ষা"দৈনিক প্রথম আলো। জুলাই ১৩, ২০১২। সংগ্রহের তারিখ অক্টোবর ৩১, ২০১৮