নারীর ভোটাধিকার

উইকিমিডিয়ার প্রবেশদ্বার
(নারী ভোটাধিকার থেকে পুনর্নির্দেশিত)
  • নারীর ভোটাধিকার

‘বিশ্বে যা কিছু মহান সৃষ্টি চির কল্যাণকর, অর্ধেক তার করিয়াছে নারী অর্ধেক তার নর’-নারী-পুরুষকে এভাবেই দেখেছেন আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল।

সংগ্রামের মধ্য দিয়ে নারী নিজেদের পৃথিবীর মানবতার অংশই করেছে না, কোনো কোনো জায়গায় এগিয়েও গেছে। কিন্তু এ অর্জন এত সহজ ছিল না। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে, বিভিন্ন সময়ে, বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে, নারী আন্দোলন শুরু হলেও পশ্চিমের ভোটাধিকার আন্দোলনকেই বলা যায় নারীর অধিকারের লড়াইয়ে প্রথম পদক্ষেপ। কিন্তু নারী সেই অধিকার জন্মগতভাবে পায়নি। তা তাকে লড়াই করে আদায় করে নিতে হয়েছে। এই নারী অধিকারের দীর্ঘ সংগ্রামের ফলে দৃশ্যমান ও উল্লেখযোগ্য একটি বিরাট অর্জনের নাম এই ভোটাধিকার। গত শতাব্দীতেই পৃথিবীর অনেক দেশেই নির্বাচিত সংসদ প্রতিষ্ঠিত হয়।

নির্বাচিত সরকার বিভিন্ন রাষ্ট্রের শাসনভার গ্রহণ করে। তবে তখন সংসদীয় গণতন্ত্রে নারীদের কোনো ভোটাধিকার ছিল না। ভোটাধিকার পাওয়ার জন্য ধীরে ধীরে নারীরা অধিকার-সচেতন হয়ে ওঠেন। শুরু হয় নারীদের ভোটাধিকার পাওয়ার আন্দোলন।

গড়ে ওঠে নারী আন্দোলনের বিভিন্ন সংগঠন। নিউজিল্যান্ডের নারীরা বিশ্ব প্রথম ভোটাধিকার লাভ করেন। ১৮৯৩ সালে নারীরা নিউজিল্যান্ডে ভোটাধিকার লাভ করেন। তবে সে সময় নারীরা ভোটাধিকার পেলেও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারতেন না। নিউজিল্যান্ডের পদাংক অনুসরণ করে ১৮৯৪ সালে দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ায় নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।

ব্রিটেনের নারীরা ভোটাধিকার পায় ১৯১৮ সালে, আমেরিকার নারীরা ভোটাধিকার পায় ১৯২০ সালে। অবিভক্ত বাংলার নারীরা ভোটাধিকার পায় ১৯৩৫ সালে। এই দৃষ্টান্ত অনুসরণ করে ক্রমে ক্রমে পৃথিবীর সব দেশে নারীরা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পায়। ভোটাধিকার প্রয়োগের পাশাপাশি ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতার অধিকার অর্জনের জন্যও নারীর অনেক সংগ্রাম করতে হয়েছে। সময়টা ১৮৯৪ সাল। যে বিলের মাধ্যমে দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ায় নারীরা ভোটাধিকার অর্জন করেন। সেই একই বিলের মাধ্যমে নারীরা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার অধিকার পায়।

১৯০৭ সালে স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশ ফিনল্যান্ডে প্রথম কয়েকজন নারী সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নির্বাচিত হন। ১৯০৭ থেকে ১৯২০ সালের মধ্যে এভাবে মোট ২০ জন নারী সাংসদ নির্বাচিত হন।

ওয়াশিংটন, ডিসি-তে 1913 সালের মহিলা ভোটাধিকার মিছিলটি ভোটাধিকার নেতা অ্যালিস পল দ্বারা সূচিত এবং সংগঠিত হয়েছিল।

জীবনের বিনিময়ে নারীরা যেভাবে ভোটাধিকার পেলেন

১৮৯৩ সালে নিউজিল্যান্ডের নারীরা ভোট দেওয়ার অধিকার পান। সেটাই ছিল পৃথিবীর ইতিহাসে নারীদের ভোটের অধিকার পাওয়ার প্রথম ঘটনা। কিন্তু নারীর ভোটাধিকারের

মহিলাদের ভোটাধিকার দেওয়ার বিষয়ে

উইকপিডিয়া থেকে, মুক্ত বিশ্বকোষ

নারী ভোটাধিকার হলো নারীদের ভোটাধিকার। কাজ বাদ দিয়ে 19 শতকের মাঝামাঝি থেকে শুরু

ব্যাপক ভিত্তিক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সমতার জন্য এবং সামাজিক সংস্কারের জন্য নারীরা পরিবর্তন করতে চেয়েছিলেন

ভোট আইন তাদের ভোট দিতে অনুমতি দেয়. সেদিকে ইফোরিস সমন্বয়ের জন্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো গঠিত হয়েছে

উদ্দেশ্য বিশেষ করে আন্তর্জাতিক নারী ভোটাধিকার জোট (1904 সালে বার্লিনে, জার্মানিতে প্রতিষ্ঠিত), পাশাপাশি

নারীদের জন্য সমান নাগরিক অধিকার

সাম্প্রতিক শতাব্দীতে অনেক ঘটনা ঘটেছে যেখানে মহিলাদের বেছে বেছে দেওয়া হয়েছিল। তারপর ভোটের এনজিএইচটি কেড়ে নেওয়া হয়। দ্য

1776 সালে নিউ জার্সি (যদিও 1807 সালে এটি ছিল

প্রত্যাবর্তন করা হয়েছে যাতে শুধুমাত্র সাদা পুরুষরা ভোট দিতে পারে)

1838 সালে পিটকেম দ্বীপপুঞ্জ ছিল মহিলাদের ভোট দেওয়ার অনুমতি দেওয়া প্রথম প্রদেশ, এবং প্রথম সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসাবে

বর্তমানে 1913 সালে, হাওয়াই রাজ্যের হিসাবে, যা 1840 সালে সর্বজনীন ভোটাধিকার ছিল, 1852 সালে এটি বাতিল করে এবং

পরবর্তীকালে 1898 সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দ্বারা সংযুক্ত করা হয়। 1869 সালের পরের বছরগুলিতে, বেশ কয়েকটি প্রদেশ

জীবনের বিনিময়ে নারীরা যেভাবে ভোটাধিকার পেলেনবিটিশ এবং রাশিয়ান সাম্রাজ্য মহিলাদের ভোটাধিকার প্রদান করে এবং এর মধ্যে কয়েকটি পরবর্তী সময়ে সার্বভৌম রাষ্ট্রে পরিণত হয়,

যেমন নিউজিল্যান্ড অস্ট্রেলিয়া, এবং ফিনল্যান্ড। 1881 সালে আইল অফ ম্যান-এ মহিলারা তাদের মালিকানাধীন সম্পত্তিতে ভোট দেওয়ার অধিকার অর্জন করেছিলেন,

এবং 1893 সালে, নিউজিল্যান্ডের তৎকালীন স্ব-শাসিত ব্রিটিশ উপনিবেশের মহিলাদের ভোট দেওয়ার অধিকার দেওয়া হয়েছিল। ভিতরে

অস্ট্রেলিয়া. 1894 এবং 1911 (ফেডারলি 1902 সালে) এর মধ্যে অ-আদিবাসী মহিলারা ধীরে ধীরে ভোট দেওয়ার অধিকার লাভ করে।

  • জীবনের বিনিময়ে নারীরা যেভাবে ভোটাধিকার পেলেন

১৮৯৩ সালে নিউজিল্যান্ডের নারীরা ভোট দেওয়ার অধিকার পান। সেটাই ছিল পৃথিবীর ইতিহাসে নারীদের ভোটের অধিকার পাওয়ার প্রথম ঘটনা। কিন্তু নারীর ভোটাধিকারের ধারণা নানান দেশে ছড়িয়ে পড়লেও বিশ শতকের গোড়ার দিকেও ভোটাধিকার বঞ্চিত ছিলেন খোদ ইংল্যান্ডের নারীরা! কেননা অন্যান্য অনেক দেশের মতো সেখানকার নারীদেরও পুরুষের সমকক্ষ বলে মনে করা হতো না।

১৮৯৩ সালে নিউজিল্যান্ডের নারীরা ভোট দেওয়ার অধিকার পান। সেটাই ছিল পৃথিবীর ইতিহাসে নারীদের ভোটের অধিকার পাওয়ার প্রথম ঘটনা। কিন্তু নারীর ভোটাধিকারের ধারণা নানান দেশে ছড়িয়ে পড়লেও বিশ শতকের গোড়ার দিকেও ভোটাধিকার বঞ্চিত ছিলেন খোদ ইংল্যান্ডের নারীরা! কেননা অন্যান্য অনেক দেশের মতো সেখানকার নারীদেরও পুরুষের সমকক্ষ বলে মনে করা হতো না।

বেশ কয়েক বছর ভয়ডরহীন আন্দোলন করার পর অবশেষে সাফল্য ধরা দেয়। ১৯১৮ সালে ব্রিটিশ নারীরা ভোট দেওয়ার অধিকার পান। মার্কিন নারীরা পান এর দুই বছর পর—১৯২০ সালে। এরপর ধীরে ধীরে অনেক দেশেই নারীরা ভোটাধিকার লাভ করেন। বর্তমানে বিশ্বের হাতে গোনা কয়েকটি দেশ ছাড়া প্রায় সব অঞ্চলেই নারীরা তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।

  • যেভাবে দুনিয়া বদলে গেল


ভোটাধিকারপ্রাপ্তিতে নারীরা সমাজের উন্নয়নে আরও বেশি ভূমিকা রাখতে সক্ষম হয়েছেন। নারী অধিকার আদায়ে এটা ছিল খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ। নারীর মতামতের গুরুত্ব এর মাধ্যমেই রাষ্ট্র ও সমাজে অনেকটাই প্রতিষ্ঠিত হয়। কিন্তু এটাই যথেষ্ট নয়। পৃথিবীতে এখনো সমান অধিকারের জন্য নারীদের লড়ে যেতে হচ্ছে।

  • আমেরিকায় নারীদের ভোটাধিকার


১৮৯৩ সালে বিশ্বে প্রথম নিউজিল্যান্ডের নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে। তবে সে সময় নারীরা ভোটাধিকার পেলেও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারতেন না।


বর্তমান বিশ্বের পরাশক্তি আমেরিকার নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে তার ও অনেক পরে। এই ভোটাধিকার কিন্তু তারা এমনি এমনি অর্জন করেনি। এ জন্য তাদের অনেক আন্দোলন সংগ্রাম করতে হয়েছে ।

১৮৭৮ সালে আমেরিকার কংগ্রেসে প্রথম এটা নিয়ে আলোচনা হয়। এরপর ইতিহাস অনেক গরিয়েছে আমেরিকার সংবিধান সংশোধন নিয়ে। অবশেষে ১৯ মে ১৯১৯ আইনসভার নিম্নকক্ষ হাউজ অভ রেপ্রেজেন্টেটিভ্‌স এ নারীদের ভোটাধিকারের জন্য সংবিধান সংশোধন বিলটি পাশ হয়। এরপর এটা আইনসভার উচ্চকক্ষ সেনেট এ উত্থাপিত হয়।

উচ্চকক্ষ সেনেট এই সংশোধন বিলটি পাশের জন্য রাজ্যগুলোতে পাঠায়। সংশোধনীটি পাশের জন্য কমপক্ষে ৩৬ টি রাজ্যর সমর্থন দরকার ছিল।

অবশেষে ১৯২০ সালের ইতিহাসের আজকের এই দিনে ৩৬ তম রাজ্য হিসেবে টেনিসি বিলটিতে সমর্থন করার মধ্যে দিয়ে প্রতিষ্ঠা পায় আমেরিকায় নারীদের ভোটাধিকার।

আমেরিকার ইতিহাসে এটা ছিল ১৯ তম সংবিধান সংশোধন।