নাজিমউদ্দিন (ক্রিকেটার)

বাংলাদেশী ক্রিকেটার

মোহাম্মদ নাজিমউদ্দিন আহমেদ (জন্ম: ১ অক্টোবর, ১৯৮৫) চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণকারী বাংলাদেশী ক্রিকেটারবাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের হয়ে টেস্ট, একদিনের আন্তর্জাতিক এবং টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিকে অংশগ্রহণ করেছেন। ক্রিকেট খেলায় তিনি মূলতঃ শীর্ষসারির ডানহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে চট্টগ্রাম বিভাগীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।[১]

নাজিমউদ্দিন
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামমোহাম্মদ নাজিমউদ্দিন আহমেদ
জন্ম (1985-10-01) ১ অক্টোবর ১৯৮৫ (বয়স ৩৪)
চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ
উচ্চতা৫ ফুট ৮ ইঞ্চি (১.৭৩ মিটার)
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি মিডিয়াম
ভূমিকাব্যাটসম্যান
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ৬৩)
৯ ডিসেম্বর ২০১১ বনাম পাকিস্তান
শেষ টেস্ট২১ নভেম্বর ২০১২ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ৯০)
১২ মার্চ ২০০৮ বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা
শেষ ওডিআই২২ মার্চ ২০১২ বনাম পাকিস্তান
টি২০আই অভিষেক
(ক্যাপ ১৫)
১ সেপ্টেম্বর ২০০৭ বনাম কেনিয়া
শেষ টি২০আই২০ এপ্রিল ২০০৮ বনাম পাকিস্তান
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
২০০১-বর্তমানচট্টগ্রাম বিভাগ
২০০৮ঢাকা ওয়ারিয়র্স
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই এফসি এলএ
ম্যাচ সংখ্যা ১১ ৯২ ৭৮
রানের সংখ্যা ১২৫ ১৪৭ ৫,৬৬৫ ১,৭০৪
ব্যাটিং গড় ২০.৮৩ ১৩.৩৬ ৩৭.৭৬ ২৩.০২
১০০/৫০ ০/১ ০/০ ১১/৩৪ ১/৯
সর্বোচ্চ রান ৭৮ ৪৭ ২০৫ ৮১
বল করেছে ১৯৮ ১২
উইকেট
বোলিং গড় ৬৮.৫০ ১৪.০০
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট n/a
সেরা বোলিং ১/৯ ১/১৪
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ১/– ১/– ৩৫/– ১৬/–
উৎস: espncricinfo, ২৯ মার্চ ২০১৪

খেলোয়াড়ী জীবনসম্পাদনা

১৬ বছর বয়সে নাজিমউদ্দিনের প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে।[২] পরবর্তীতে তিনি বাংলাদেশ এ ক্রিকেট দলবাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দলে খেলার জন্য মনোনীত হন।

চমকপ্রদ ব্যাটিং নৈপুণ্যের কারণে দল নির্বাচকমণ্ডলীর মনোযোগ আকর্ষণ করতে সক্ষম হন তিনি। ২০০৭ সালের শুরুর দিকে ইংল্যান্ড এ দলের বিপক্ষে তার সফলতার প্রেক্ষিতে ক্রিকেটের বৃহৎ আসর হিসেবে ২০০৭ সালে তিনি প্রথমবারের মতো কেনিয়া গমন করেন ও দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত টুয়েন্টি২০ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন। পাকিস্তানের বিপক্ষে টি২০আই ক্রিকেটে ৮১ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন। এছাড়াও, আগস্ট-সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সালে অস্ট্রেলিয়া সফরের জন্য জাতীয় দলের অন্যতম সদস্যরূপে মনোনীত হন। কিন্তু প্রস্তুতিমূলক খেলায় তার আঙ্গুলে ফাটল ধরায় কোন খেলায় অংশগ্রহণ করতে পারেননি।[৩]

২০১১-১২ মৌসুমে দুই টেস্ট সিরিজ খেলার জন্য ডিসেম্বর, ২০১১ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে জাতীয় দলে খেলার জন্য তাকে ডাকা হয়।[৪] চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত প্রথম টেস্টে উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে তার টেস্ট অভিষেক ঘটে।[৫]

বিতর্কসম্পাদনা

২০০৮ সালে তিনি ইন্ডিয়ান ক্রিকেট লীগে (আইসিএল) খেলার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশের একদল খেলোয়াড়ের সাথে অংশগ্রহণ করেন। এরফলে অন্যান্যদের সাথে তিনিও দশ বছরের জন্য বাংলাদেশের ক্রিকেটে অংশগ্রহণের যোগ্যতা হারান। পরবর্তীতে ২০০৯ সালে আইসিএল ত্যাগ করে দেশে ফিরে আসেন। ফলে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড সাবেক আইসিএল তারকা খেলোয়াড়দের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেয়।[৬]

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "Ashraful back, again"The Daily Star। ৮ ডিসেম্বর ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ১০ ডিসেম্বর ২০১১ 
  2. "Nazimuddin (Bangladesh)"ESPNcricinfo। সংগ্রহের তারিখ ১০ ডিসেম্বর ২০১১ 
  3. Jamie Alter। "Team preview: Bangladesh: Young and reckless"Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০০৭ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  4. "Ashraful recalled for Pakistan Tests"ESPNcricinfo। ৭ ডিসেম্বর ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ১০ ডিসেম্বর ২০১১ 
  5. Sundar, Nitin (৯ ডিসেম্বর ২০১১)। "Pakistan make reckless Bangladesh pay"ESPNcricinfo। সংগ্রহের তারিখ ১০ ডিসেম্বর ২০১১ 
  6. "Bangladesh lift ban on former ICL players"Reuters। ১৫ জুন ২০০৯। সংগ্রহের তারিখ ১০ ডিসেম্বর ২০১১ 

আরও দেখুনসম্পাদনা

বহিঃসংযোগসম্পাদনা