ডেভ রিচার্ডসন

দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার ও আইসিসি প্রধান নির্বাহী

ডেভিড জন রিচার্ডসন (ইংরেজি: David John Richardson; জন্ম: ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৫৯) জোহেন্সবার্গে জন্মগ্রহণকারী দক্ষিণ আফ্রিকা জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক ও প্রথিতযশা টেস্ট ক্রিকেটার এবং উইকেট-রক্ষক। এছাড়াও তিনি ইস্টার্ন প্রভিন্স এবং নর্দান ট্রান্সভাল দলের পক্ষ হয়ে ঘরোয়া ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছেন। বর্তমানে তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের সিইও হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন।

ডেভ রিচার্ডসন
ক্রিকেট তথ্য
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি ব্যাটসম্যান
বোলিংয়ের ধরন-
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
১৯৭৮-১৯৮৩ইস্টার্ন প্রভিন্স ক্রিকেট দল
১৯৮৩-১৯৮৪নর্দান ট্রান্সভাল ক্রিকেট দল
১৯৮৪-১৯৯৮ইস্টার্ন প্রভিন্স ক্রিকেট দল
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই এফসি এলএ
ম্যাচ সংখ্যা ৪২ ১২২ ২০০ ১৫৮
রানের সংখ্যা ১৩৫৯ ৮৬৮ ৬৯৮১ ২৫৪৫
ব্যাটিং গড় ২৪.২৬ ১৯.৭২ ২৬.৯৫ ২৫.১৯
১০০/৫০ ১/৮ ০/১ ৬/৩৭ ০/১৩
সর্বোচ্চ রান ১০৯ ৫৩ ১৩৪ ৯৪
বল করেছে - - -
উইকেট - - -
বোলিং গড় - - - -
ইনিংসে ৫ উইকেট - - - -
ম্যাচে ১০ উইকেট - - - -
সেরা বোলিং - - ০/৩ -
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ১৫০/২ ১৪৮/১৭ ৫৭৯/৪০ ১৬৭/১২
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ৬ আগস্ট ২০১২

ক্রিকেট জীবনসম্পাদনা

১৯৮৬ সালে স্বীকৃতিবিহীন টেস্ট খেলার মধ্য দিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার শীর্ষস্থানীয় উইকেট-রক্ষকরূপে রে জেনিংসের স্থলাভিষিক্ত হন ডেভিড রিচার্ডসন। ক্রীড়াজগৎ থেকে বিধি-নিষেধ তুলে নেয়ার পর প্রথম সাত বছর তিনি দক্ষিণ আফ্রিকা জাতীয় ক্রিকেট দলের নিয়মিত খেলোয়াড় ও অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিলেন। তার টুপি এবং বাদামী গ্লাভস খুবই জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল। ১৯৯৪-৯৫ মৌসুমে কেপটাউনে অনুষ্ঠিত অভিষেক টেস্টে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিনি তার একমাত্র সেঞ্চুরি (১০৯) করেন।

দক্ষিণ আফ্রিকান টেস্ট ক্রিকেটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ১৫২টি ডিসমিসালের সাথে স্বীয় নামকে জড়িয়ে রেখেছেন স্ব-মহিমায়। তার পরবর্তী স্থানে জন ওয়েট ১৪১টি ডিসমিসাল ঘটিয়েছেন।

অবসর গ্রহণের পূর্ব পর্যন্ত ৪২টি টেস্ট এবং ১২২টি একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলায় দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষ হয়ে অংশগ্রহণ করেন। মাইকেল রিচার্ডসন নামীয় তার সন্তান ইংল্যান্ডের কাউন্টি ক্রিকেটে ডারহামের পক্ষ হয়ে খেলছে।

অবসর পরবর্তীকালসম্পাদনা

রিচার্ডসন আইনজীবি হিসেবে যোগ্যতা অর্জন করেন। ক্রিকেট জীবন থেকে অবসর গ্রহণের পর তিনি বেশ কিছুসংখ্যক খেলোয়াড়ের ব্যবসায়িক মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করতে থাকেন। জানুয়ারি, ২০০২ সালে তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) প্রথম সাধারণ ব্যবস্থাপক হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।

২৮ জুন, ২০১২ সালে তিনি আইসিসি’র নতুন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে হারুন লরগাতের স্থলাভিষিক্ত হন।[১]

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. International Sports Security Conference. [Profile of speakers at the conference "Haroon Lorgat"]. Profile of speakers at the conference. Retrieved 22 February 2012.

আরও দেখুনসম্পাদনা

বহিঃসংযোগসম্পাদনা

পূর্বসূরী:
হারুন লরগাত
আইসিসি প্রধান
২৮ জুন, ২০১২-১৫ জানুয়ারি, ২০১৯
উত্তরসূরী:
মানু সাহনি