জেরি অ্যালেন কোয়েন (জন্মঃ ৩০ ডিসেম্বর, ১৯৪৯) হলেন একজন আমেরিকান জীববিজ্ঞান অধ্যাপক যিনি ইন্টেলিজেন্ট ডিজাইন নিয়ে মন্তব্যের জন্য বিখ্যাত। একজন বিশিষ্ট বিজ্ঞানীলেখক হিসেবে বিবর্তন তত্ত্বকে ব্যাখ্যা করে তিনি অনেকগুলো প্রবন্ধ প্রকাশ করেছেন। বর্তমানে তিনি শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস্তুবিদ্যা ও বিবর্তন বিভাগে অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন। তার মূল আগ্রহের বিষয় হল প্রজাতিগঠন এবং বাস্তুবিদ্যাসংক্রান্ত ও বিবর্তনীয় জিনতত্ত্ব, যার জন্য ফলের মাছি ড্রসোফিলাকে তিনি ব্যবহার করেন।[৫] তিনি স্পেসিয়েশন নামে একটি পাঠ্যবই এবং হোয়াই ইভল্যুশন ইজ ট্রু নামে সর্বাধিক বিক্রিত নন-ফিকশন বইয়ের রচয়িতা।[৬] সাম্প্রতিককালে, ফেইথ ভার্সাস ফ্যাক্ট: হোয়াই সায়েন্স অ্যান্ড রেলিজিয়ন আর ইনকম্পেটিবল নামে তার একটি বই প্রকাশিত হয়েছে।[৩] কোয়েন হোয়াই ইভল্যুশন ইজ ট্রু নামে একটি ওয়েবসাইটও পরিচালনা করেন।[৭]

জেরি কোয়েন
Jerry Coyne at The Amazing Meeting 2013
২০০৬ সালের আগস্ট মাসে, শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ে জেরি কোয়েন তাঁর গবেষণাগারের বিড়াল বা "lab cat" ডাস্টিকে নিয়ে বসে আছেন।
জন্ম (1949-12-30) ৩০ ডিসেম্বর ১৯৪৯ (বয়স ৭৩)
জাতীয়তামার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
নাগরিকত্বমার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
মাতৃশিক্ষায়তনকলেজ অভ উইলিয়াম অ্যান্ড মেরি, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় (Ph.D)
পরিচিতির কারণপ্রজাতিগঠন এবং বিবর্তনীয় জীনতত্ত্ব, বিশেষত ফলের মাছি ড্রসোফিলার উপর কাজগুলো, এবং এসব বইঃ
  • স্পেসিয়েশন[১]
  • হোয়াই ইভোল্যুশন ইজ ট্রু[২]
  • ফেইথ ভার্সাস ফ্যাক্ট: হোয়াই সায়েন্স অ্যান্ড রেলিজিয়ন আর ইনকম্পেটিবল[৩]
পুরস্কারসভাপতি, সোসাইটি ফর দ্য স্টাডি অভ ইভোল্যুশন, ২০১১
বৈজ্ঞানিক কর্মজীবন
কর্মক্ষেত্রবাস্তুবিদ্যাবিবর্তন
প্রতিষ্ঠানসমূহশিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়মেরিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়
ডক্টরাল উপদেষ্টারিচার্ড লিউওন্টিন
উল্লেখযোগ্য শিক্ষার্থীএইচ. অ্যালেন অর, মোহামেদ নূর
যাদের দ্বারা প্রভাবান্বিতব্রুস গ্রান্ট, রিচার্ড লিউওন্টিন, গার্নেট আর. "জ্যাক" ব্রুকস
যাদেরকে প্রভাবিত করেছেনএইচ. অ্যালেন অর, কেলি ডায়ের, ক্যাথেরিন প্রাইস, অড্রে চ্যাং, মোহামেদ নূর, ড্যানিয়েল আর. মাতুতে[৪]
টীকা
যেখানে জনপ্রিয় প্রকাশনায় অবদান রেখেছেন সেগুলোর মধ্যে রয়েছে দ্য নিউ রিপাবলিক, দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস লিটারারি সাপ্লিমেন্ট, ওয়্যার্ড, দ্য স্কেপটিক্যাল ইনকুয়্যারার, এবং এজ ফাউন্ডেশন। তিনি জেনেটিক সোসাইটি অভ আমেরিকা, সোসাইটি ফর দ্য স্টাডি অভ ইভোল্যুশন, এবং আমেরিকান সোসাইটি অভ নেচারালিস্ট নামের সংগঠনগুলোর সদস্য।

বৈজ্ঞানিক কাজকর্মসম্পাদনা

কোয়েন ১৯৭১ সালে কলেজ অভ উইলিয়াম এন্ড মেরি থেকে জীববিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রী লাভ করেন। যুদ্ধকালিন সমস্যা শুরু হবার আগ পর্যন্ত তিনি বিখ্যাত জীববিজ্ঞানী থিওডোসিয়াস ডবঝানস্কির তত্ত্বাবধানে রকফেলার বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতককালিন কাজ করছিলেন। এরপর ১৯৭৮ সালে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে রিচার্ড লিউওন্টিনের তত্ত্বাবধানে পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করার পর টিমোথি প্রাউটের সাথে ডেভিসের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পোস্ট-ডক্টরাল ফেলোশিপ হিসেবে যোগদান করেন। ১৯৮৯ সালে তাকে গুগেনহাইম ফেলোশিপে ভূষিত এবং ২০০৭ সালে আমেরিকান একাডেমি অভ আর্টস এন্ড সায়েন্সেজে নির্বাচিত করা হয়। ২০১১ সালে ফ্রিডম ফ্রম রেলিজিয়ন ফাউন্ডেশন থেকে তিনি “এম্পেরর হ্যাজ নো ক্লোদস” পুরস্কার লাভ করেন।

কোয়েন সোসাইটি ফর দ্য স্টাডি অভ ইভোল্যুশন নামক সংগঠনে সভাপতি (২০১১) সহসভাপতি (১৯৯৬) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, এবং ইভোল্যুশন (১৯৮৫—১৯৮৮; ১৯৯৪—২০০০) ও দ্য আমেরিকান নেচারালিস্ট (১৯৯০—১৯৯৩) নামের বিখ্যাত বৈজ্ঞানিক সাময়িকীতে সহযোগী সম্পাদকরূপে দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন। বর্তমানে তিনি বিবর্তনীয় জীববিজ্ঞান, প্রজাতিগঠন, জেনেটিক বিশ্লেষণ, সামাজিক সমস্যাদি ও বৈজ্ঞানিক জ্ঞান, বিজ্ঞান বক্তৃতা ও বিজ্ঞান লেখার পাঠদান করেন।

বৈজ্ঞানিক সাময়িকী ছাড়াও তার কাজগুলো দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস, দ্য টাইমস লিটারারি সাপ্লিমেন্ট, এবং দ্য নিউ রিপাবলিকের মতো মূলধারার মাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রকাশিত হয়। তার গবেষণার আগ্রহের মাঝে রয়েছে জনগোষ্ঠীবিবর্তনীয় জীনতত্ত্ব, প্রজাতিগঠন, বাস্তুবিদ্যাগত ও পরিমাণগত জীনতত্ত্ব, ক্রোমোজোম বিবর্তন এবং শুক্রাণু প্রতিযোগিতা

কোয়েন সৃষ্টিবাদ, আস্তিকতামূলক বিবর্তন, এবং ইন্টেলিজেন্ট ডিজাইনের কড়া সমালোচক। এসব বিষয়কে তিনি “সাম্প্রতিক আইনি বিধিনিষেধগুলোকে বোকা বানাতে নতুন একদল ভক্তের নিপুন সঠতার সাথে সম্পন্ন ধর্মীয় সৃষ্টিবাদের নব্য ছদ্মবৈজ্ঞানিক রূপ।”[৮][৯][১০][১১]

ইন্টেলিজেন্ট ডিজাইনের সমালোচনা করে অভ পান্ডাজ এন্ড পিপল বইয়ের পর্যালোচনারূপে ১৯৯৬ সালে কোয়েন নিউ রিপাবলিকে তার প্রথম দীর্ঘ প্রবন্ধ প্রকাশ করেন যা বিবর্তন ও সৃষ্টিবাদের উপর লেখার দীর্ঘ ইতিহাসের সূচনা করেছিল।[১২]

কোয়েন তার বই ও অন্যান্য কাজে বিবর্তনের যেসব প্রমাণ উপস্থাপন করেন, সেগুলো হলঃ

ট্রানজিশনাল জীবাশ্মগুলো বিবর্তনের বড় এক প্রমাণ।[১৩] ১৮৫৯ সালে ডারউইন এসব ভবিষ্যদ্বাণী করে গিয়েছিলেন যা পরবর্তীতে পাওয়া যায়ঃ

প্রমাণাদির মধ্যে কেবল এই ট্রানজিশনাল জীবাশ্ম নয়, বরং এদেরকে যে তাদের অনুমিত পূর্বপুরুষ আর আধুনিক স্বজনদের মাঝামাঝি সময়ে পাওয়া গিয়েছে, সেটাও একটা উল্লেখযোগ্য বিষয়।

ইকুয়েডরের ব্যাঙ আতেলোপুস কোয়েনির নামকরণ কোয়েনের নামানুসারে করা হয়েছে। ১৯৭০ এর দশকের শেষদিকে পশ্চিম ইকুয়েডরে ব্যাঙ সম্পর্কিত ভ্রমণে একটি জলাভূমিতে তিনি এর হ্যাপ্লোটাইপটি খুঁজে পান।

নাস্তিকতাসম্পাদনা

ইহুদি মা-বাবার সন্তান কোয়েন নিজেকে একজন ধর্মনিরপেক্ষ ইহুদি হিসেবে বিবেচনা করেন, সেইসাথে তিনি নাস্তিকতা, পরাতাত্ত্বিক প্রকৃতিবাদকনফ্লিক্ট থিসিসের একজন স্পষ্টভাষী প্রবক্তা। তিনি দাবী করেন যে ধর্মবিজ্ঞান মৌলিকভাবে অসঙ্গত; কেবলমাত্র প্রমাণের যৌক্তিক মূল্যায়ণই মহাবিশ্ব ও তার কাজের ধরনকে নির্ভরযোগ্যভাবে আবিষ্কার করতে সক্ষম, এবং যেসব বিজ্ঞানী ধর্মকে আঁকড়ে ধরেন তারা এই ধারণাকেই পাকাপোক্ত করেন যে “মানুষ একইসাথে দু’টি সাংঘর্ষিক ধারণাকে তাঁদের মাথায় লালন করতে পারে”। তার মতে, যখন কেউ মহাবিশ্ব সম্পর্কে কোন সত্য উপলব্ধি করতে যান তখন কাজের পদ্ধতি, দর্শন আর ফলাফলের অমিলটাই বিজ্ঞান ও বিশ্বাসের সংঘর্ষের মূল কারণ হয়ে দেখা দেয়।

হোয়াই ইভোল্যুশন ইজ ট্রু ব্লগে তিনি বিবর্তন সম্পর্কিত বিষয়ের পাশাপাশি নাস্তিকতা, বিজ্ঞান ও ধর্মের অমিল, বিজ্ঞান ও অন্যান্য বিষয়ে আলোচনা করেন। প্রায়ই তিনি পাবলিক ফোরামে এবং আস্তিকদের সাথে বিতর্কে অংশ নিয়েছেন।

ছদ্মবিজ্ঞানের সমালোচকরূপেসম্পাদনা

 
২০১৩ সালে দ্য এমেজিং মিটিং-এর বক্তৃতামঞ্চে জেরি কোয়েন
চিত্র:20131003-IMI7972 WC.png
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয়েসের নর্থওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৩ সালে অনুষ্ঠিত "অ্যান এপিটাইট ফর ওয়ান্ডার — অ্যান ইভিনিং উইথ রিচার্ড ডকিন্স" অনুষ্ঠানে হেমন্ত মেহতার (বক্তৃতামঞ্চে) সাথে জেরি কোয়েন ও রিচার্ড ডকিন্স

কোয়েন বিজ্ঞান ও বিবর্তনের সমালোচনাগুলো সম্পর্কে মন্তব্য করেন এবং উত্তর দেন। একটি যুক্তিখন্ডনে পরিষ্কারভাবে তিনি তার সংশয়বাদি যুক্তিবিচারের কারণগুলো শনাক্ত করেন।[১৫]

সব বৈজ্ঞানিক অগ্রগতির জন্য প্রগাঢ় সংশয়বাদিতার একটি পরিমণ্ডল প্রয়োজন

— জেরি এ. কোয়েন, দ্য নিউ রিপাবলিক

যেসব সৃষ্টিবাদি বাইবেলকে আক্ষরিক অর্থে নিয়ে নিজেদের বদ্ধমনা করে ফেলেন, তিনি তাদের সমালোচনা করে থাকেন।[১৬] কেবল নিজেদের প্রকারের মধ্যে প্রাণীর অপসৃত হবার সৃষ্টিবাদি ধারণাকে তিনি প্রশ্ন করেন, যে ধারণাটি নিজেই ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা জীবাশ্ম দলিলে প্রাপ্ত ভিন্নভিন্ন দলের মধ্যকার অন্তর্বর্তীকালিন জীবের অস্তিত্বকে স্বীকার করে নেয়।

আমাদের কাছে অন্তর্বর্তীকালিন জীবাশ্মের ভূরি ভূরি উদাহরণ রয়েছে যেগুলোকে যে কেউ ভিন্ন ধরণের বলে বিবেচনা করবেনঃ মৎস্য আর উভচরের মধ্যে (যেমন টিকটালিক, যা নাই উল্লেখ করেছেন), উভচর আর সরিসৃপের মধ্যে, সরিসৃপ আর স্তন্যপায়ীর মধ্যে, সরিসৃপ আর পাখির মধ্যে, স্থলচর প্রাণী এবং তিমির মধ্যে, এবং অবশ্যই আদিম ও আধুনিক মানুষের মধ্যে, যেখানে আদিম জীবাশ্মগুলো এপের মতো পূর্বপুরুষ এবং আধুনিক মানুষের বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে অন্তর্বর্তীতা প্রদর্শন করে।

— জেরি এ. কোয়েন, দ্য নিউ রিপাবলিক

কোয়েন বিশ্বাস করেন, বিবর্তনবাদি আর নবীন পৃথিবী সৃষ্টিবাদিদের মধ্যে এরকম বিতর্কের ক্ষেত্রে জীবাশ্ম দলিল ও আইসোক্রন ডেটিংয়ের মতো আধুনিক প্রযুক্তি আরো ভালভাবে বোধগম্যের মাধ্যমে উভয় পক্ষই উপকৃত হতে পারেন। তিনি মনে করেন, সৃষ্টিবাদিদের এসব বিষয় বুঝতে পারার অক্ষমতা সম্পূর্ণরূপে এটাই ধারণা দেয় যে, “ধর্ম একজনের মনকে এতো গভীরভাবে বিষাক্ত করতে পারে যে সেই মন মহাজগতের বাস্তব সত্যের প্রতি অনাক্রম্য হয়ে পড়ে”।[১৬]

প্রকাশনাসম্পাদনা

উল্লেখযোগ্য বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধসম্পাদনা

কোয়েনের পিয়ার-রিভিউকৃত বৈজ্ঞানিক প্রকাশনাসমূহ নেচার[১৭] এবং সায়েন্সসহ অন্যান্য বিখ্যাত বৈজ্ঞানিক সাময়িকীতে স্থান পেয়েছে।[১৮]

কোয়েন নিজে একজন বিশিষ্ট লেখক ও সমালোচক। এর বাইরেও তিনি শতশত বিশেষায়িত উপস্থাপনা, আমন্ত্রিত বক্তব্য, এবং অন্যান্য প্রকাশনার ক্ষেত্রে বিশেষ পারদর্শিতা প্রদর্শন করেছেন।[১৯] তার প্রকাশনাগুলো মূলত বিবর্তন, প্রজাতির উৎপত্তি, বিবর্তনীয় জীনতত্ত্ব ও সেসব সম্পর্কিত তত্ত্বের সাথে সম্পর্কিত। এই বিষয়বস্তুসমূহ কোয়েনের গবেষণা এবং বিশেষায়িত রচনার মধ্য দিয়ে, বিশেষ করে ইভোল্যুশন নামে জৈববিবর্তনের আন্তর্জাতিক সাময়িকীতে, ফুটে ওঠে।[২০][২১]

বইসমূহসম্পাদনা

দ্য নিউ রিপাবলিকসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. Jerry A. Coyne; H. Allen Orr (১ জানুয়ারী ২০০৪)। Speciation। Sinauer Associates, Incorporated Publishers। আইএসবিএন 978-0-87893-089-0। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মে ২০১৫ 
  2. Jerry A. Coyne (২২ জানুয়ারি ২০০৯)। Why Evolution is True। Oxford University Press। পৃষ্ঠা 8–। আইএসবিএন 978-0-19-164384-2। সংগ্রহের তারিখ ২৪ জানুয়ারি ২০১৪ 
  3. জেরি কোয়েন (২০১৫), ফেইথ ভার্সাস ফ্যাক্ট: হোয়াই সায়েন্স অ্যান্ড রেলিজিয়ন আর ইনকম্পেটিবল
  4. "Flytree"academictree.org। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মে ২০১৫ 
  5. "Jerry Coyne"। Edge.org। ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মে ২০১৫ 
  6. "Best Sellers Hardcover Nonfiction"নিউ ইয়র্ক টাইমস। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মে ২০১৫ 
  7. Jerry, Coyne। "Why Evolution Is True"। Jerry Coyne। ৫ আগস্ট ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মে ২০১৫ 
  8. Coyne, Jerry (ফেব্রুয়ারি ১২, ২০০৯)। "Why Evolution Is True"Forbes। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মে ২০১৫ 
  9. Coyne, Jerry (২০০৯-০১-২১)। "DOES THE EMPIRICAL NATURE OF SCIENCE CONTRADICT THE REVELATORY NATURE OF FAITH?"Edge.org। Edge.org। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মে ২০১৫ 
  10. Zepps, Josh (জুন ১৬, ২০০৬)। "Jerry Coyne - The Case Against Intelligent Design"। Point of Inquiry। জুন ২৩, ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মে ২০১৫ 
  11. Coyne, Jerry (জুলাই ১, ২০০৭)। "The Faith that Dare Not Speak its Name" (পিডিএফ)The New Republic। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মে ২০১৫ 
  12. Smith, Adrian A.। "Episode 7 Jerry Coyne"। Age of Discovery Podcast। ৪ মার্চ ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মে ২০১৫ 
  13. Andrews, Seth। "Why Evolution is True (with Dr. Jerry Coyne)"। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মে ২০১৫ 
  14. Coyne, Jerry (২০১০)। Why Evolution is True (second সংস্করণ)। USA: Viking Penguin। পৃষ্ঠা 50। আইএসবিএন 978-0-14-311664-6 
  15. CHOPRA, DEEPAK; JERRY A. COYNE (নভেম্বর ১৮, ২০১৩)। "Deepak Chopra Responds to Pseudoscience Allegations. Jerry Coyne Fires Back."http://www.newrepublic.com/। New Republic। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মে ২০১৫  |কর্ম= এ বহিঃসংযোগ দেয়া (সাহায্য)
  16. Jerry, Coyne। "Bill Nye Won Last Night's Creationism Debate"। The New Republic। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মে ২০১৫ 
  17. Nature International Weekly Journal Of Science
  18. Recent Publications
  19. Selection of recent miscellaneous commentaries and publications
  20. Publications in Evolution, the International Journal of Organic Evolution
    • Coyne, J.A. and H.A. Orr. 1989. Patterns of speciation in Drosophila. Evolution 43: 362-381. [১]
    • Coyne, A.J. 1994. Ernst Mayr and the origin of species. Evolution, 51: 19-30. [২]
    • Coyne, A.J. and H.A. Orr. 1997. "Patterns of speciation in Drosophila" Revisited. Evolution, 51: 295-303. [৩]
    • Coyne, A.J. and T.D. Price. 2000. Little evidence for sympatric speciation in island birds. Evolution, 54: 2166-2171. [৪]
    • Price, C.S.C., C.H. Kim, J. Posluszny and J.A. Coyne . 2000. Mechanisms of conspecific sperm precedence in Drosophila. Evolution, 54: 2028-2037. [৫]
    • Price, C.S.C., C.H. Kim, C.J. Gronlund and J.A. Coyne . 2001. Cryptic reproductive isolation in the Drosophila simulans species complex. Evolution, 55: 81-92. [৬]
    • Llopart, A., S. Elwyn, D. Lachaise and J.A. Coyne . 2002. Genetics of a difference in pigmentation between Drosophila yakuba and D. santomea. Evolution, 56: 2262-2277. [৭] ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১০ জুন ২০১০ তারিখে
    • Hudson, R.D. and J.A. Coyne . 2002. Mathematical consequences of the genealogical species concept. Evolution, 56: 1557-1565. [৮]
    • Coyne J.A. , S.Y. Kim, A.S. Chang, D. Lachaise and S. Elwyn. 2002. Sexual isolation between two siblings with overlapping ranges: Drosophila santomea and D. yakuba Evolution 56: 2424-2434. [৯]
    • Coyne, J. A. , S. Elwyn, and E. Rolan-Alvarez. 2005. Sexual isolation between Drosophila yakuba and D. santomea: effects of environment and experimental design. Evolution 59: 2588-2601. [১০] ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১০ জুন ২০১০ তারিখে
    • Llopart, A., D. Lachaise, and J. A. Coyne . 2005. Multilocus analysis of introgression between two sympatric sister species of Drosophila, D. yakuba and D. santomea. Genetics 171:197-210. [১১] ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১০ জুন ২০১০ তারিখে
    • Llopart, A., D. Lachaise, and J. A. Coyne . 2005. An anomalous hybrid zone in Drosophila. Evolution 59:2602-2607. [১২] ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১০ জুন ২০১০ তারিখে
    • Coyne, J. A ., and S. Elwyn. 2006. Desaturase-2, environmental adaptation, and sexual isolation in Drosophila melanogaster. Evolution 60:626-627. [১৩]
    • Hoekstra, H. E. and J. A. Coyne. 2007. The locus of evolution: evo devo and the genetics of adaptation. Evolution 61: 995-1016.[১৪]
  21. Additional Noteworthy Publications

বহিঃসংযোগসম্পাদনা