প্রধান মেনু খুলুন

চন্দ্রনাথ (১৯৮৪-এর চলচ্চিত্র)

চলচ্চিত্র

চন্দ্রনাথ চাষী নজরুল ইসলাম পরিচালিত ১৯৮৪ সালের নাট্য চলচ্চিত্র। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একই নামের উপন্যাস অবলম্বনে চলচ্চিত্রটির চিত্রনাট্য লিখেছেন কেশব চট্টোপাধ্যায়। এতে নাম ভূমিকায় (চন্দ্রনাথ) অভিনয় করেছেন রাজ্জাক[১] এবং সরযূর ভূমিকায় অভিনয় করেছেন দোয়েল[২]। এছাড়া অন্যান্য ভূমিকায় অভিনয় করেছেন সুচন্দা, গোলাম মুস্তাফা, সিরাজুল ইসলাম,[৩] সাইফুদ্দিন প্রমুখ।

চন্দ্রনাথ
চন্দ্রনাথ (১৯৮৪-এর চলচ্চিত্র).jpg
চন্দ্রনাথ চলচ্চিত্রের পোস্টার
পরিচালকচাষী নজরুল ইসলাম
প্রযোজকবেগম বদরুন নাহার খান
চিত্রনাট্যকারকেশব চট্টোপাধ্যায়
চাষী নজরুল ইসলাম
উৎসশরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কর্তৃক 
চন্দ্রনাথ
শ্রেষ্ঠাংশে
সুরকারখন্দকার নুরুল আলম
চিত্রগ্রাহকসাধন রায়
সম্পাদকখোরশেদ আলম খান
প্রযোজনা
কোম্পানি
আলমগীর পিকচার্স
পরিবেশকআলমগীর পিকচার্স
মুক্তি
  • ১৯৮৪ (1984)
দৈর্ঘ্য১২৩ মিনিট
দেশবাংলাদেশ
ভাষাবাংলা

চলচ্চিত্রটি ৯ম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা, শ্রেষ্ঠ পার্শ্বচরিত্রে অভিনেতা, শ্রেষ্ঠ সঙ্গীত পরিচালক, শ্রেষ্ঠ গীতিকারশ্রেষ্ঠ নারী কণ্ঠশিল্পী বিভাগে পুরস্কার লাভ করে।[৪]

কাহিনী সংক্ষেপসম্পাদনা

চন্দ্রনাথ একজন উচ্চ বংশীয় ব্রাহ্মণ। সম্প্রতি তার পিতা গত হয়েছে। সে কাশীতে তার পিতার এক পুরনো ভৃত্যের বাড়িতে উঠে। সেখানে তার সরযূর সাথে দেখা হয়। সরযূর মা সুলোচনা সেই ভৃত্যের বাড়িতে কাজ করে। চন্দ্রনাথ সরযূকে পছন্দ করে এবং বিয়ে করে। কিন্তু তার কাকাকে না জানানোয় তিনি রাগান্বিত হন। তার চাচাত বোন নির্মলা বউদি দেখতে তার বাড়িতে আসে এবং নতুন বউদিকে তার খুব পছন্দ হয়। এদিকে হরিদয়াল ঘোষাল নামে এক লম্পট তার কাকা মনিশংকর মুখার্জির কাছে সুলোচনা সম্পর্কিত একটি চিঠি পাঠায়। সুলোচনার নিম্ন বর্ণের কথা জানতে পেরে চন্দ্রনাথ তার গর্ভবতী স্ত্রীকে রেখে চলে যায়। সরযূ মনি খুড়োর বাড়িতে আশ্রয় নেয়। সেখানে তার একটি ছেলে সন্তান হয়। মনিশংকর কাকা তার ভুল বুঝতে পেরে চন্দ্রনাথকে সরযূকে ফিরিয়ে আনতে পাঠায়। কাশী গিয়ে সে জানতে পারে সরযূ মনি খুড়োর বাড়িতে আছে। সেখানে গিয়ে চন্দ্রনাথের তার স্ত্রী আর ছেলের সাথে দেখা হয়। অন্যদিকে মনি খুড়ো তাদের সম্ভাব্য বিরহে অনমনে হয়ে যায় এবং মৃত্যুমুখে পতিত হয়।

কুশীলবসম্পাদনা

সঙ্গীতসম্পাদনা

চন্দ্রনাথ চলচ্চিত্রের সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন খন্দকার নুরুল আলম। গীত রচনা করেছেন মোহাম্মদ রফিকুজ্জামান। গানে কণ্ঠ দিয়েছেন সাবিনা ইয়াসমিন, সুবীর নন্দী, প্রবাল চৌধুরী।[৫]

নং.শিরোনামলেখককণ্ঠশিল্পীদৈর্ঘ্য
১."প্রেম মুরতি ঘন শ্যাম"মোহাম্মদ রফিকুজ্জামানসাবিনা ইয়াসমিন৩:৫৫
২."এই হৃদয়ে এতো যে কথার কাঁপন"মোহাম্মদ রফিকুজ্জামানসাবিনা ইয়াসমিন৩:৩০
৩."ফুলের বাসর ভাঙ্গল যখন"মোহাম্মদ রফিকুজ্জামানপ্রবাল চৌধুরী৪:৪১
৪."মায়ার বাঁধন ছেড়ে যায় চলে যায়"মোহাম্মদ রফিকুজ্জামানসুবীর নন্দী 

পুরস্কারসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. মারিয়া, শান্তা (২০১৬-০১-২৩)। "নায়করাজের সেরা পাঁচ"বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। সংগ্রহের তারিখ ৯ জানুয়ারি ২০১৭ 
  2. সরকার, খালেদ (৩০-০৯-২০১০)। "মায়ের সেবায় দীঘি"দৈনিক প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ৯ জানুয়ারি ২০১৭  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ= (সাহায্য)
  3. "Actor Sirajul Islam no more"। বাংলাদেশ ইনফো। ২০১৫-০৩-২৫। ২০১৫-১২-২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ জানুয়ারি ২০১৭ 
  4. "জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (১৯৮৪-১৯৮৬)"বাংলা মুভি ডেটাবেজ। নভেম্বর ১৩, ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ৯ জানুয়ারি ২০১৭ 
  5. রওশন আরা বিউটি (২০১৪-১০-১৬)। "প্রবাল চৌধুরী ।। সঙ্গীতাকাশের উজ্জ্বল নক্ষত্র"দৈনিক আজাদী। সংগ্রহের তারিখ ৯ জানুয়ারি ২০১৭ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  6. "চলেগেল জীবন্ত কিংবদন্তী নায়ক রাজ রাজ্জাকের ৭৩ তম জন্মদিন"Binodon Barta। ২০১৪-০১-২৪। সংগ্রহের তারিখ ৯ জানুয়ারি ২০১৭ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  7. staff (জানুয়ারি ১১, ২০১৩)। "One Actor, Many Roles"। First News। সংগ্রহের তারিখ ৯ জানুয়ারি ২০১৭ 

বহিঃসংযোগসম্পাদনা