প্রধান মেনু খুলুন
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ভালো নিবন্ধের মানদণ্ড অনুসারে একটি ভালো নিবন্ধ হিসেবে চিহ্নিত। আপনি যদি নিবন্ধটির আরো উন্নয়ন করতে সমর্থ হন, তবে অনুগ্রহপূর্বক তা করুন। আপনি যদি মনে করেন যে নিবন্ধটিতে মানদণ্ড অনুসৃত হয়নি তাহলে এটির পুনঃপর্যালোচনা আহবান করতে পারেন।
জুলাই ১৮, ২০১৪ প্রস্তাবিত ভাল নিবন্ধ তালিকাভুক্ত
এই নিবন্ধটি উইকিপ্রকল্প জীবনীর অংশ, যা উইকিপিডিয়ায় জীবনী সম্পর্কিত বিষয়ের উন্নতির একটি সম্মিলিত প্রচেষ্টা। আপনি যদি প্রকল্পে অংশগ্রহণ করতে চান, তাহলে প্রকল্প পৃষ্ঠায় যান, যেখানে আপনি প্রকল্পের আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন এবং করনীয় কাজসমূহের একটি তালিকা দেখতে পাবেন।
Symbol question.svg ভাল  এই নিবন্ধটি প্রকল্পের মানের মাপনী অনুযায়ী ভাল-শ্রেণী হিসাবে মূল্যায়িত হয়েছে।
 সর্বোচ্চ  এই নিবন্ধটি গুরুত্বের মাপনী অনুযায়ী সর্বোচ্চ-গুরুত্ব হিসাবে মূল্যায়িত হয়েছে।
সাহিত্য উইকিপ্রকল্প
সাহিত্য উইকিপ্রকল্প
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই নিবন্ধটি উইকিপ্রকল্প সাহিত্যর অংশ, নিবন্ধটিকে আরো উন্নত করে তুলতে আমাদেরকে সাহায্য করুন। যদি আপনি অংশগ্রহণ করতে চান তবে প্রকল্প পাতায় যান।

সাহিত্য উইকিপ্রকল্প - আজ ও আগামীর বাঙালি পাঠকের জন্য শ্রেষ্ঠ সাহিত্য বিষয়ক তথ্যসূত্র গড়ে তোলার লক্ষ্যে

Good article ভাল এই নিবন্ধের গুণমান GA-শ্রেণী হিসাবে মূল্যায়িত হয়েছে।
সর্বোচ্চ এই নিবন্ধটি Top-গুরুত্বপূর্ণ নিবন্ধ হিসাবে মূল্যায়িত হয়েছে।
Rabindranath Tagore in 1909.jpg
এই নিবন্ধটি উইকিপ্রকল্প সাহিত্যিকের জীবনী অংশ।.

পরিচ্ছেদসমূহ

দুঃখের কথাসম্পাদনা

ইংরেজী নিবন্ধটি মনে হয় অনেক আগে থেকেই নির্বাচিত। আর বাংলাটার তেমন কোন গতি দেখি না। ১ মের আগে যদি এটাকে নির্বাচিত করা যায় তাহলে হয়তো মে মাসে এটিকে প্রথম পাতায় দেওযা যেত!Munirhasan ০৪:৪৯, ২৮ মার্চ ২০০৮ (UTC)

জনা তিনেক উইকিপিডিয়ান অনুবাদে নামলেই কিন্তু এক সপ্তাহের মধ্যে অনুবাদ শেষ করা সম্ভব। --রাগিব (আলাপ | অবদান) ১৭:৫৬, ১৪ এপ্রিল ২০০৮ (UTC)

রেফারেন্সসম্পাদনা

ইংরেজী থেকে রেফারেন্স যোগ করা শুরু করেছি। মে' মাসের নির্বাচিত অবশ্য করতে পারবো বলে মনে হয় না। Munirhasan ১৪:০৩, ১৪ এপ্রিল ২০০৮ (UTC)

রেফারেন্স যোগ না করলে সূত্রগুলোর লিঙ্ক কাজ করবে না, কারণ ওগূলো হার্ভার্ড রেফারেন্স ফর্ম্যাটে লেখা। ইংরেজী থেকে রেফারেন্সেস সেক্‌শন অনুবাদ করতে হবে।--GDibyendu ১৭:৩৪, ২৩ জানুয়ারি ২০০৯ (UTC)

রবীন্দ্রনাথের নামসম্পাদনা

এই নিবন্ধের প্রথম লাইনে রবীন্দ্রনাথের নামটি মিডিয়া ফাইলে আছে। এটি কি মিডিয়া ফাইলে রাখা একান্তই প্রয়োজনীয়? --অর্ণব দত্ত (talk) ১৭:৫৯, ২২ নভেম্বর ২০০৯ (UTC)

আসলে ইংরেজি উইকি থেকে নেয়া এটা। ওখানে রবীন্দ্রনাথের বাংলা নামটার আসল উচ্চারণ কেমন, তা বোঝানোর জন্যেই এরকম অডিও লিংক দেয়া। বাংলা উইকিতে বাদ দেয়া যেতে পারে। --রাগিব (আলাপ | অবদান) ১৮:২৮, ২২ নভেম্বর ২০০৯ (UTC)

নোবেল পুরস্কার বিজয় প্রক্ষিপ্তাংশ প্রসঙ্গেসম্পাদনা

নোবেল পুরস্কার বিজয় অংশটি মূল নিবন্ধে প্রক্ষিপ্ত মনে হচ্ছে। এটিকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবন (১৯০১–১৯৩২) উপনিবন্ধে যুক্ত করলেই ভাল হয়। তাই এখন অংশটি বর্তমান নিবন্ধের আলাপ পাতায় টোকা রইল:

১৯১২ খ্রিস্টাব্দে রবীন্দ্রনাথের জাহাজযোগে লণ্ডন যাওয়ার কথা ছিল। যাত্রার পূর্বে তিনি অর্শ রোগের কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং পদ্মা নদীতে নৌকায় বিশ্রাম নিতে শুরু করেন। এ সময় তিনি তাঁর গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থ থেকে সহজ ইংরেজীতে অনুবাদ শুরু করেন। পরবর্তীতে গীতাঞ্জলি ৫২টি এবং গীতিমাল্য, নৈবেদ্য, খেয়া প্রভৃতি কয়েকটি কাব্যগন্থ থেকে ৫১টি - সর্বমোট ১০৩টি কবিতার অনুবাদ নিয়ে একটি পাণ্ডুলিপি তৈরী করা হয় যা ১৯১২ খ্রিস্টাব্দের শেষের দিকে লণ্ডনে ইন্ডিয়া সোসাইটি কর্তৃক প্রকাশিত হয়। বইটির প্রচ্ছদ নাম রাখা হয় সঙ্গ অফরিংস। এর ফলে পশ্চিমা সাহিত্যিকরা ভারতীয় কবি রবীন্দ্রনাথের কাব্য সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভের সুযোগ লাভ করেন। অচিরেই ম্যাকমিলান কোম্পানী সঙ্গ অফরিংস-এর ২য় সংস্করণ প্রকাশ করে। সঙ্গ অফরিংস ভূমিকা লিখেছিলেন স্বয়ং কবি ইয়েটস্‌। এ ভূমিকাটি ছিল একই সঙ্গে আন্তরিক ও যথেষ্ট প্রশস্তিতমূলক। এই ইংরেজী অনুবাদের ভিত্তিতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে নোবেল পুরষ্কার-এর জন্য মনোনয়ন দেয়া হয়। সুইডিশ একাডেমী এই গ্রন্থের ভিত্তিতেই ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দের নোবেল পুরষ্কারের জন্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে নির্বাচিত করে। রবীন্দ্রনাথ স্টকহোমে গিয়ে পুরস্কারটি তৎক্ষণাৎ গ্রহণ করেত সক্ষম হন নি। নোবেল পুরষ্কার প্রাপক হিসাবে তিনি কেবল প্রথম ভারতীয়-ই নন, প্রথম এশীয় ব্যক্তিত্বও বটে। নোবেল পুরস্কার প্রাপ্তির কারণে পাশ্চাত্যে কেবল তাঁর কবিতাই নয় সামগ্রিকভাব্ বাংলা সাহত্য সম্পর্কে ব্যাপক শ্রদ্ধা ও আগ্রহের সূত্রপাত হয়েছিল।

--অর্ণব দত্ত (talk) ০৪:৩৪, ২৭ নভেম্বর ২০০৯ (UTC)

প্রথম এশীয় নোবেল বিজয়ীসম্পাদনা

ঠাকুর মহাশয় প্রথম এশীয় নোবেল বিজয়ী এ তথ্যটি নিয়ে আপত্তি ছিল না আদৌ ; লক্ষ্য করুন তথ্যটি যথাস্থানে সন্নিবেশন করা হয়েছিল অবিলম্বে। সূচনাংশের বাক্যটিতে পদ সংস্থাপনার ক্রম এমতরূপ ছিল যে মনে হয় এশীয় হওয়ার কারণেই তিনি নোবেল পেয়েছিলেন। বাক্যগঠনের এই ত্রুটির কারণেই অংশটি বাদ দেয়া হয়েছিল। Faizul Latif Chowdhury (talk) ১০:১৫, ২৯ নভেম্বর ২০০৯ (UTC)

ঠিকই আছে। পরে সবটাই বলা হয়েছে। সূচনাংশটি নির্মেদ রাখলেই ভাল। ধন্যবাদ। --অর্ণব দত্ত (talk) ১০:৪৩, ২৯ নভেম্বর ২০০৯ (UTC)

পেরু ভ্রমণসম্পাদনা

রবীন্দ্রনাথ পেরু ভ্রমণের উদ্দেশ্যে বেরিয়েছিলেন, কিন্তু দেখা যাচ্ছে অসুস্থতার কারণে পেরু যাত্রা বাতিল হয় ; কবি বিজয়ার আতিথ্যে আর্জেন্টিনাতেই অবস্থান করেন। আগেই বলে রাখছিঃ সুনিশ্চিত হওয়ার জন্য প্রশান্তকুমার পাল বিরচিত জীবনীগ্রন্থের সংশ্লিষ্ট খণ্ডটি হাতের কাছে পাওয়া গেল না। --Faizul Latif Chowdhury (talk) ০১:৩৬, ৩ ডিসেম্বর ২০০৯ (UTC)

ঠিকই বলেছেন, কবি পেরু যাননি। প্যারিসে পেরুর এক মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে দেখা করেছিলেন। পেরু যাবার জন্য জাহাজের টিকিটও কিনে আনেন। কিন্তু জাহাজে ইনফ্লুয়েঞ্জায় আক্রান্ত হন। শরীর যথেষ্ট খারাপ হয়। পেরু যাত্রা ডাক্তারদের নির্দেশে স্থগিত হয়। আর্জেন্টিয়ায় ভিক্টোরিয়া ওকাম্পোর (বিজয়া) আতিথ্য নেন কবি। তবে কেবলমাত্র শারীরিক অসুস্থতার জন্য কবি পেরুযাত্রা স্থগিত করেননি। প্রথমে সহজ মনে পেরু সরকারের আমন্ত্রণ গ্রহণ করলেও, আর্জেন্টিনায় এসে পেরু সরকারের স্বৈরতন্ত্রী মনোভাব ও কার্যকলাপ সম্পর্কে অবহিত হন। আর্জেন্টিনা সরকার একটি রাজনৈতিক জটিলতা এড়াবার জন্য কবিকে একটি যুদ্ধ জাহাজে চড়িয়ে পেরু পৌঁছে দেবার ব্যবস্থা করেন। রোমা রোঁলা ও দীনবন্ধু অ্যান্ড্রুজও চিঠিতে পেরু সরকার সম্পর্কে সতর্ক করে দিয়ে এই সময় তাঁকে পেরু যেতে নিষেধ করেন। এর পরই রবীন্দ্রনাথ পেরু যাত্রা স্থগিত করে দেন। যাত্রা বাতিল হয়ে যাওয়ায় পেরু সরকারের থেকে বিশ্বভারতীর জন্য পঞ্চাশ হাজার ডলার অর্থসাহায্যও পাওয়া যায়নি। রবীন্দ্রনাথের আর্জেন্টিনা বাসের বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া যাবে রবিজীবনীর নবম খণ্ডে।
এই মুহুর্তে নিবন্ধটির পুনর্লিখন চলছে। ভুল তথ্য-আধা তথ্য অনেক আছে। পুনর্লিখনে সেগুলি শুধরানোর কাজ চালাচ্ছি। সিস্টেমেটিক্যালি কাজ করছি। শান্তিনিকেতন অংশের কাজ চলছে। এর পর বিশ্বভ্রমণ অংশে এলে এই ভুলটি শুধরে নেব। --অর্ণব দত্ত (talk) ১১:৫৭, ৩ ডিসেম্বর ২০০৯ (UTC)
বর্তমান সংস্করণে দেখা যাচ্ছে রবীন্দ্রনাথ পেরু ভ্রমণ করেছিলেন। তাই-ই? Faizul Latif Chowdhury (আলাপ) ১৬:৪৮, ৬ এপ্রিল ২০১১ (ইউটিসি)
  • যাক, স্বস্তি বোধ করছি যে আপনার পা মাড়িয়ে যাই নি। বাড়তি তথ্য পেয়ে উপকৃত হলাম। আমরা সচেতন যে নিবন্ধটি জায়মান অবস্থায় আছে। তদুপরি, আপনার কাজের প্রতি আমাদের সবার পূর্ণ মাত্রায় শ্রদ্ধা আছে, সুতরাং আপনার পক্ষে কৈফিয়ৎ আবশ্যক ছিল না। আমরা মেনে নিয়েছি এ নিবন্ধটির গুরুভার আপনারই কাঁধে ; তথাপি কখনো কিছু আঁচড় কাটার দু:সাহস দেখাচ্ছি মাত্র। ওহ্ একটা কথা: রবীন্দ্রনাথের তৃতীয় দফা একযোগে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের তারিখটি আমি ইতোমধ্যে শুধরে দিয়েছি। শুধরে দিতে গিয়ে ভুল করে ফেলিনি তো? --Faizul Latif Chowdhury (talk) ১২:৩৪, ৩ ডিসেম্বর ২০০৯ (UTC)
শান্তিনিকেতন নামাঙ্কিত অনুচ্ছেদ অবধি সাল-তারিখ-তথ্য বই মিলিয়ে দেখেছি। এই অবধি ঠিকই আছে। তার পরের অংশের কাজ চলছে। আপনি যে তথ্যগুলি সংযোজিত করেছেন, সেটিও যথাসময়ে মিলিয়ে দেখব। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। --অর্ণব দত্ত (talk) ১৩:২৫, ৩ ডিসেম্বর ২০০৯ (UTC)

এই অংশটি এখনও সংশোধন করা হয়নি। সংশোধন প্রক্রিয়াটি systematically চলছে। যথাকালে স-তথ্যসূত্র সংশোধন করে দেবো। ধন্যবাদান্তে --অর্ণব দত্ত (আলাপ)

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর: পর্যালোচনার অনুরোধ ও মতামত প্রার্থনাসম্পাদনা

সকলেই অবগত আছেন, আগামী মে মাসে (বৈশাখ, ১৪১৮) বাংলাদেশ ও ভারতের জাতীয় সংগীত রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মসার্ধশতবার্ষিকী। এই উপলক্ষ্যে আমরা বাংলা উইকিপিডিয়ার পক্ষ থেকে "রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর" নিবন্ধটিকে "নির্বাচিত নিবন্ধ" স্তরে উন্নীত করে সংস্কৃতির এই মিলনোৎসবে সামিল হতে পারি। কিন্তু নির্বাচিত নিবন্ধ স্তরে উন্নীত করতে গেলে প্রথমে প্রয়োজন হয় নিবন্ধটির পুঙ্খানুপুঙ্খ পর্যালোচনা। নিবন্ধে কী কী ত্রুটি রয়েছে বা আরও কী করলে, নিবন্ধটি সর্বাঙ্গসুন্দর হতে পারে - তা পাঠক-লেখকের আলোচনাসাপেক্ষ বিষয়। বৈশাখ মাস যদিও এখনও অনেকখানি দূরে, তাও পূর্বতন অভিজ্ঞতা থেকে জানি এই আলোচনা সময়সাপেক্ষ। তাই এখনই যদি অন্যান্য অবদানকারীরা এই নিবন্ধের পর্যালোচনা শুরু করে মতামত প্রকাশ করতে থাকেন; তাহলে যথাসময়ে অল্প আয়াসেই আমরা এই নিবন্ধটিকে নির্বাচিত নিবন্ধ স্তরে উন্নীত করতে পারব। ভাল নিবন্ধ রূপে এর মনোনয়ন দাখিল করা হয়েছে। কিন্তু পর্যালোচনার আগে সাধারণ আলোচনার মাধ্যমে নিবন্ধটিকে সংশোধন-পরিমার্জন করে নিলে নির্বাচন প্রক্রিয়া সহজতর হবে। এদিকে বাংলা উইকিপিডিয়ার নির্বাচিত নিবন্ধের সংখ্যাও অনেক কম। সেই সংখ্যা বৃদ্ধি করা একান্ত প্রয়োজন। সুতরাং সকলের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ, পর্যালোচনা-আলোচনার কাজ শুরু করলে ভাল হয়। ধন্যবাদান্তে --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ১৪:৩৮, ২১ ডিসেম্বর ২০১০ (ইউটিসি)

এক নজর চোখ বুলিয়ে দুটি ব্যাপার চোখে পড়লো। প্রথমত, তারিখে সাথে -ই, -শে ইত্যাদি যোগ। এই ব্যাপারটা আধুনিক লেখ্য বাংলায় উঠে গেছে বলেই জানি। সচরাচর ১ জুন-এভাবেই লেখা হয়। দ্বিতীয়ত, ছবিগুলো নিবন্ধে বেশ বড়ো রেজোলিউশনে দেওয়া হয়েছে, এগুলো একটু কমানো উচিত। বিশেষ করে "জীবন" ও "সৃষ্টিকর্ম" পরিচ্ছদের উপপরিচ্ছেদগুলোতে। — তানভিরআলাপ • ১৪:৪৫, ২১ ডিসেম্বর ২০১০ (ইউটিসি)

হ্যাঁ, ঠিকই বলেছ, আজকাল -ই, -শে লেখা হয় না। ২৫ বৈশাখ, ২২ শ্রাবণ লেখাই দস্তুর। ঠিক করে দিচ্ছি। ছবির রেজোলিউশন ছোটো করব। আসলে, ছবি বাদ দেবো কিনা, সেটাও ভাবছি। --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ১৪:৫১, ২১ ডিসেম্বর ২০১০ (ইউটিসি)

সৌমিত্রের ছবিটি নিবন্ধের সাথে খুব একটা সংশ্লিষ্ট নয়। ঐ ছবিটি সরিয়ে ফেলাই ভাল হবে।--বেলায়েত (আলাপ | অবদান) ১৫:১৪, ২১ ডিসেম্বর ২০১০ (ইউটিসি)
 Y করা হয়েছে। --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ১৬:৪৬, ২১ ডিসেম্বর ২০১০ (ইউটিসি)

পর্যালোচনা (রাগিব)সম্পাদনা

(ক) আমি দেখতে শুরু করেছি। আপাতত প্রচুর জায়গায় সাইটেশন নিডেড ট্যাগ লাগাতে হচ্ছে, কারণ অনেক বিষয় কোনো সাইটেশন ছাড়াই দেয়া হয়েছে। (উদাহরণ হিসাবে বলি, রবীন্দ্রনাথের পরিবার ব্রাহ্ম ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা, এটা কেউ কেউ জানলেও সবাই জানবে এমন কথা নেই। তাই সেখানে সূত্র দিতে হবে।)।

(খ) আর আরেকটা ব্যাপার শুরুতেই চোখে পড়ছে -- নিবন্ধের বহু বাক্যে কথ্য রীতির, বিশেষ করে টিভির খবরের মতো করে লেখা হয়েছে, যা বিশ্বকোষের ফর্মাল টোনের মতো লাগছে না। উদাহরণঃ "শেকসপিয়র ও অন্যান্য ইংরেজ সাহিত্যিকদের রচনার সঙ্গে পরিচিতি ঘটে রবীন্দ্রনাথের। পাঠ করেন রিলিজিও মেদিচি, কোরিওলেনাস এবং অ্যান্টনি অ্যান্ড ক্লিওপেট্রা।" এখানে পরের বাক্যটিতে কর্তা উহ্য রয়ে গেছে। এভাবে পত্রিকার হেডলাইন লেখা চলে, কিন্তু বিশ্বকোষে লেখার সময়ে "তিনি রিলিজিও মেদিচি, কোরিওলেনাস এবং অ্যান্টনি অ্যান্ড ক্লিওপেট্রা পাঠ করেন" এভাবে লেখাই উচিৎ।

"তিনি" যোগে আপত্তি নেই। কিন্তু কর্তা উহ্য রেখে বাক্যরচনা বাংলা প্রবন্ধসাহিত্যের একটি পুরনো বৈশিষ্ট্য; বিশেষত বাক্যটি যখন অব্যবহিত পূর্বের বাক্যটির সূত্র ধরে লেখা হয়। এটিকে নিউজ হেডলাইন লেখার শৈলী বলা উচিত নয়। --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ০৮:৫৩, ২২ ডিসেম্বর ২০১০ (ইউটিসি)

(গ) ব্যকরণগত সমস্যার আরেকটা উদাহরণ হলো, "১৯০২ সালের ২৩ নভেম্বর কবিপত্নী মৃণালিনী দেবী প্রয়াত হলেন ; ১৯০৩ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর মারা গেলেন কন্যা রেণুকা ; ১৯০৫ সালের ১৯ জানুয়ারি পিতৃবিয়োগ হল কবির। ঘনিষ্ঠজনের উপর্যুপরি মৃত্যুর ধারাবাহিকতায় ১৯০৬ সালের ২৩ নভেম্বর মারা গেলেন কনিষ্ঠ পুত্র শমীন্দ্রনাথ।" এখানে যেহেতু ঐতিহাসিক ঘটনার কথা বলা হচ্ছে, কাজেই "অমুকে তমুক সালে মারা যান" সেভাবে লেখা দরকার। "অমুক সালে তমুক হলো" -- এটা কি অতীত কালের বাক্য হয়? ঘুরে পেচিয়ে হতে পারে, কিন্তু ভাষাকে কাব্যময় রাখার চাইতে সাধাসিধা রাখাই ভালো। যেমন, উপরের বাক্যটাকে লেখা যায়, "১৯০২ সালের ২৩ নভেম্বর কবিপত্নী মৃণালিনী দেবী প্রয়াত হন। ১৯০৩ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর কবির কন্যা রেণুকা মারা যান। ১৯০৫ সালের ১৯ জানুয়ারি কবির পিতা মারা যান। ঘনিষ্ঠজনের উপর্যুপরি মৃত্যুর ধারাবাহিকতায় ১৯০৬ সালের ২৩ নভেম্বর মারা যান কনিষ্ঠ পুত্র শমীন্দ্রনাথ।" নিবন্ধের পরের অংশে এখনো যাইনি, কিন্তু কালের এই অপব্যবহারটা চোখে লাগছে। "গেলেন, হলো" এসব ব্যবহারের ফলে এই অংশটুকু টিভির ডকুমেন্টারির কথ্য ভাষা কিংবা পত্রিকার ফিচারের মতো শোনাচ্ছে -- পুরা নিবন্ধেই এটা ঠিক করতে হবে।

(ঘ) বাকিটুকুতে এখনো যাইনি, আস্তে আস্তে বাকি ফিডব্যাক যোগ করবো এই উপ-অনুচ্ছেদে। --রাগিব (আলাপ | অবদান) ০৩:৫০, ২২ ডিসেম্বর ২০১০ (ইউটিসি)

সূত্র ওপরের (গ) চিহ্নিত নিবিড় পর্যবেক্ষণ। ব্যাকরণগতভাবে অতীত কাল চেনার মোক্ষম উপায় হলো ক্রিয়া পদে 'ল' / 'লো' থাকা। এবার আলোচনাধীন অংশের অন্তনির্হিত উদ্দেশ্যের প্রতি দৃষ্টি আর্কষণ করি। এই দীর্ঘ বাক্যের উদ্দেশ্যে দালিলীক নয় আদৌ। যদি তাই হতো তবে দীর্ঘ বাক্যটিকে ভেঙ্গে "১৯০২ সালের ২৩ নভেম্বর কবিপত্নী মৃণালিনী দেবী প্রয়াত হন। ১৯০৩ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর কবির কন্যা রেণুকা মারা যান। ১৯০৫ সালের ১৯ জানুয়ারি কবির পিতা মারা যান। ঘনিষ্ঠজনের উপর্যুপরি মৃত্যুর ধারাবাহিকতায় ১৯০৬ সালের ২৩ নভেম্বর মারা যান কনিষ্ঠ পুত্র শমীন্দ্রনাথ" লেখা হয়তো মেনে নেয়া যেত। অভিযুক্ত বাক্যের প্রকৃত উদ্দেশ্য একটি স্বল্প কালপরিধিতে রবীন্দ্রনাথের জীবনে মৃত্যুর পুনঃপৌনিক দংশন, এবং তদজনিত শোককে তীব্রায়িত ক'রে ফুটিয়ে তোলা। একারণেই সর্বশেষ মৃত্যু সংবাদটির আগে পূর্বেকার তিনটি মৃত্যু সংবাদ এক বাক্যে সংগ্রন্থিত করা হয়েছে। ক্রিয়া পদের ব্যবহারও বিবেচনায় নেয়া দরকার। পরপর চারবার "মারা যান" ব্যবহারের মধ্যে যে একঘেঁয়েমি তা পরিহার করা হয়েছে। কন্যা রেণুকার তুলনায় কবিপত্নী অধিকতর মর্যদাবতী ; তাই রেণুকার ক্ষেত্রে "মারা গেলেন" এবং কবিপত্নীর ক্ষেত্রে "প্রয়াত হলেন" ব্যবহার করা হয়েছে। একইভাবে পিতার মৃত্যু প্রসঙ্গে "পিতৃবিয়োগ হলো" ব্যবহার করা হয়েছে যা, সন্দেহ নেই, যথোপযুক্ত। আবার কন্যার ক্ষেত্রে যে ক্রিয়া পদ ব্যবহার করা হয়েছে, পুত্রের ক্ষেত্রেও অভিন্ন ক্রিয়া পদ ব্যবহার করা হয়েছে কেননা দুজনেই কবির সন্তান। লেখা হয়েছেঃ "- ১৯০৬ সালের ২৩ নভেম্বর মারা গেলেন কনিষ্ঠ পুত্র শমীন্দ্রনাথ।" প্রথম তিনটি মৃত্যু থেকে চতুর্থ মৃত্যুটিকে আলাদা করা হয়েছেঃ প্রথম তিনটিকে সেমিকোলন ব্যবহার করে একটি বাক্যে বর্ণনা করা হয়েছে ; শেষেরটিকে পৃথক বাক্যে নেয়া হয়েছে "ঘনিষ্ঠজনের উপর্যুপরি মৃত্যুর ধারাবাহিকতায়" বাক্যাংশটি অভিযোজনের উপযুক্ত সুযোগ সৃষ্টির জন্যে। দ্বিমতের অবকাশ নেই যে বাক্যগঠন নানাভাবে হতে পারে ; বস্তুত নানাজন নানাভাবে একই বিষয় বর্ণনা করেন। সাদাসিধে বাক্যের মাধ্যমে যেমন প্রাঞ্জলতা রক্ষা করা সম্ভব, তেমনি মিশ্র বা জটিল গঠনের মাধ্যমে বাক্যের উন্নতি ঘটনো সম্ভব। দক্ষ লেখক স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় এ দুইয়ের মধ্যে সামঞ্জস্য বিধান করেন। উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী যে ভাষায় টুনটনির বই রচনা করেছেন (১৯১০) তা অতি সরল, এবং, উদ্দীষ্ট পাঠক বিবেচনায়, অতীব উপযুক্ত। রবীন্দ্রনাথের ক্ষেত্রে এই সারল্যের প্রয়োজন দেখছি না ; বরং অনুরূপ সারল্য নিবন্ধের মান ক্ষূণ্ণ করতে পারে। সবশেষে, অভিযুক্ত বাক্যে সামান্যতম ব্যাকরণগত ভুল বা সমস্যা নেই, এমনকী সেমিকোলনের আগে যথানিয়মে স্পেস দেয়া আছে। আলোচনার সুযোগ করে দেয়ার জন্য ধন্যবাদ। -- Faizul Latif Chowdhury (আলাপ) ০৪:৫০, ২২ ডিসেম্বর ২০১০ (ইউটিসি)
বিশাল একটা জবাব লিখেছিলাম, কিন্তু বিল্ট ইন কিবোর্ডের বাগে সেটা খেয়ে ফেললো (কীবোর্ড সুইচ করতে গেলে কন্ট্রোল-এম চাপলাম, সেটা আবার নিবন্ধ স্থানান্তরের হট কি (ম্যাকে), ভুল করে ওকে চেপে দিলাম, পরের পেইজ থেকে ব্যাক চেপে আর আগের লেখা ফেরত পেলাম না ঃ( )। তবে ফয়জুল ভাইয়ের সাথে দ্বিমত পোষণ করছি ভাষারীতির ব্যাপারে, সেটা কিছু পরে আবার বিস্তারিত লিখে জানাবো। --রাগিব (আলাপ | অবদান) ০৫:২১, ২২ ডিসেম্বর ২০১০ (ইউটিসি)
দ্বিমত পরে পোষণ করা যাবে। না-বুঝেও বাগ ঠিক কাজটি-ই করছে ; ধন্যবাদ 'বাগ' সাহেব। আসুন আপাতত: ঠাকুর মশাইকে উদ্ধার করি। মতামত প্রদান ও উন্নতিসাধন চলতে থাকুক। চিত্র, প্রবন্ধ ইত্যাদি অংশে গতকাল কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্যযোগ, সম্পাদনা করা হয়েছে। আগে এরকম কাজগুলো করি শেষ করি। ভাষাকে না-হয় পরে ভাসাই। - Faizul Latif Chowdhury (আলাপ) ০৬:৪০, ২২ ডিসেম্বর ২০১০ (ইউটিসি)

"১৯০২ সালের ২৩ নভেম্বর কবিপত্নী মৃণালিনী দেবীর প্রয়াণ ঘটে; ১৯০৩ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর মধ্যমা কন্যা রেণুকার মৃত্যু হয় এবং ১৯০৫ সালের ১৯ জানুয়ারি কবির পিতৃবিয়োগ হয়। এর ঠিক পরেই ১৯০৭ সালের ২৩ নভেম্বর (আগের তথ্যটি ভুল, আমি মিলিয়ে নিয়েছি) কনিষ্ঠ পুত্র শমীন্দ্রনাথের মৃত্যুতে নিদারুণ আঘাত পান কবি।" - এভাবে লিখলে কেমন হয়। শমীন্দ্রনাথের মৃত্যুর বিষয়টি আলাদা উল্লেখের দাবি রাখে। এই মৃত্যুর ঘটনাটিই গীতাঞ্জলির পশ্চাদপট তৈরি করেছিল। উপযুক্ত মনে করলে, তারও স-তথ্যসূত্র উল্লেখ করা যায়। --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ১০:২৭, ২২ ডিসেম্বর ২০১০ (ইউটিসি)

প্রারম্ভিক জীবন অংশটি পুনরায় লিখলাম। যদি বলেন, ঠিক হয়েছে, তাহলে এই ধাঁচেই পুরো নিবন্ধটি পুনর্লিখন করে ফেলব। --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ১৩:১২, ২২ ডিসেম্বর ২০১০ (ইউটিসি)

ছবি-সংক্রান্ত দুটি জিজ্ঞাসাসম্পাদনা

১। এই নিবন্ধে ছবির স্ট্যান্ডার্ড রেজোলিউশন কত হলে ভাল হয়?

২। জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি ও বাউল সম্মেলনের ছবিটি রাখা যুক্তিযুক্ত কিনা? --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ১৭:০৩, ২১ ডিসেম্বর ২০১০ (ইউটিসি)

আমার মত ২২০ পিক্সেল। আরেকটা ব্যাপার, নির্বাচিত নিবন্ধের ছবির ক্ষেত্র ছবির দৃষ্টিপাত (মুখ) নিবন্ধের লেখার দিকে থাকা উচিত। গগনেন্দ্রনাথে ছবিটার মুখ বিপরীত দিকে। আর ঠাকুরবাড়ি ও বাউল সম্মেলনের ছবি দুটোর প্রয়োজনীয়তা দেখছি। প্রথমটায়, রেফারেন্সের পাশে ছবির দরকার নেই। আর দ্বিতীয়টায়, বাউল সম্মেলনটা কবিতা অংশের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ মনে হচ্ছে না। ‍‍‍— তানভিরআলাপ • ০৬:৪৯, ২২ ডিসেম্বর ২০১০ (ইউটিসি)

উত্তম; ২২০ পিক্সেলেই ছবিগুলি রাখছি। গগনেন্দ্রনাথের আঁকা ছবিটিকে নিয়ে কী করা যায় দেখছি। ঠাকুরবাড়ির ছবিটি প্রয়োজনীয় হলেও কোথায় রাখব ভেবে পাচ্ছি না। বাউল সম্মেলনের ছবিটি কি একান্তই প্রয়োজনীয়? ছবিটা হালে তোলা, রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত নয়। বাউল গান বা দর্শনের প্রভাব রবীন্দ্রনাথের কবিতায় বা গানে থাকলেও, তার জন্য বাউলের ছবি রবীন্দ্রনাথ নিবন্ধে কতটা দরকারি, সে নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করছি। অন্যান্যদের মতামতের অপেক্ষায় রইলাম। --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ০৮:৪১, ২২ ডিসেম্বর ২০১০ (ইউটিসি)

ওহ হো অর্ণবদা, গগনেন্দ্রনাথের ছবিটি নিয়ে আমার একটা পরামর্শ ছিলো যা দিতে ভুলে গেছি। ঐ অনুচ্ছেদের শুরুতে গগনেন্দ্রথাথের ও স্ত্রী মৃণালিনী দেবীর সাথের ছবিটি পর পর, একই পিক্সেলে, ডান সাইডে দিয়ে দেওয়া যেতে পারে। আর হ্যাঁ, আপনার সাথে একমত; বাউল সম্মেলনের ছবিটি প্রয়োজনীয় নয়। ঠাকুরবাড়ি নিয়ে একটু বিপদ হয়েছে, কারণ এটা নিয়ে নিবন্ধ থাকলেও রবীন্দ্রনাথ নিবন্ধ এই নিয়ে সেরকম কোনো কথা নেই। তবে আমার পরামর্শটি হলো, রবীন্দ্রনাথের সাথে ঠাকুরবাড়ি সম্পর্ক ও প্রভাব থাকলে, বাহুল্য বর্জন করে একটি অনুচ্ছেদ লেখা যেতে পারে। ছবিটিও তবে সেখানেই দেওয়া যেতে পারে। — তানভিরআলাপ • ০৮:৪৯, ২২ ডিসেম্বর ২০১০ (ইউটিসি)

প্রাথমিক জীবন পরিচ্ছেদের ছবিদুটির ব্যবস্থা তোমার কথামতো করছি। বাউল সম্মেলনের ছবি বাদ দেব। জোড়াসাঁকো নিয়ে কি করা যায় দেখি। ওটাকে নিয়ে শ্যাম রাখি না কূল রাখি অবস্থা। কবির জন্ম, বেড়ে ওঠা ও মৃত্যু ওই বাড়িতে। শুধু তাই নয়, অনেক গুরুত্বপূর্ণ কবিতা, গান, গল্প ওখানে লেখা, অনেক নাটক ওখানেই প্রথম অভিনীত। কবির জীবনের অনেক ঘটনার সাক্ষী। তাই বাদ দিতে পারছি না। আবার এমনিতেও ছবিটা অনেকগুলো পাতায় দেওয়া আছে। তাই ভাবছি, এখানে না দিলেও চলবে। উপায় না দেখলে শেষমেষ বাদই দেবো। --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ০৯:৪৪, ২২ ডিসেম্বর ২০১০ (ইউটিসি)

অফলাইন তথ্যসূত্রসম্পাদনা

নির্বাচিত নিবন্ধ করার ক্ষেত্রে অফলাইন তথ্যসূত্রে কি সমস্যা হবে? অনেক খুঁটিনাটি তথ্য অনলাইনে পাওয়া সম্ভব নয়। অফলাইনের ভরসা করতেই হচ্ছে। --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ১০:১৫, ২২ ডিসেম্বর ২০১০ (ইউটিসি)

অবশ্যই না। সূত্রের যাচাইযোগ্যতা থাকলে কোনো সমস্যা নেই। — তানভিরআলাপ • ১০:১৮, ২২ ডিসেম্বর ২০১০ (ইউটিসি)
ধন্যবাদ। জ্ঞাতার্থে জানিয়ে রাখি; কোনো দুষ্প্রাপ্য বই থেকে তথ্যসূত্র দিচ্ছি না এবং পৃষ্ঠা, সংস্করণের তারিখ সহ গ্রন্থের বিষদ বিবরণ দিয়েই রাখছি। --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ১০:৩০, ২২ ডিসেম্বর ২০১০ (ইউটিসি)

উইকিসংকলন লিঙ্ক সংক্রান্ত জিজ্ঞাসাসম্পাদনা

উইকিসংকলনের লিঙ্ক দেওয়ার রীতি জানি। কিন্তু বাক্যের মধ্যে কি উইকিসংকলনের লিঙ্ক ([[|]] ফরম্যাটে) দেওয়া যায়? --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ১৭:১৩, ২২ ডিসেম্বর ২০১০ (ইউটিসি)  Y পাওয়া গেছে। --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ১১:১১, ২৬ ডিসেম্বর ২০১০ (ইউটিসি)

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর: প্রথম পুনর্লিখনের সমাপ্তি ঘোষণা ও দ্বিতীয় পর্যালোচনার অনুরোধসম্পাদনা

প্রথম পর্যালোচনার পর যে সামান্য মতামত পেয়েছি, সেই অনুযায়ী নিবন্ধটির পুনর্লিখন করা হল। কিন্তু তা সত্ত্বেও মনে হয়, নিবন্ধটিতে আরও কিছু ত্রুটিবিচ্যুতি রয়ে গেছে। নিবন্ধটির সংশোধন-পরিমার্জনে আরও কী কী পদক্ষেপ নিলে ভাল হয়, সেই বিষয়ে আপনার সুচিন্তিত মতামত প্রার্থনা করছি। ধন্যবাদান্তে --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ১৫:৩৭, ২৬ ডিসেম্বর ২০১০ (ইউটিসি)

নিচে কিছু খুচরো বিষয়ে পরামর্শ রাখছি। আরো একটু দেখবো ২/৩ দিনের মধ্যে। -- Faizul Latif Chowdhury (আলাপ) ১৮:৪০, ২৮ ডিসেম্বর ২০১০ (ইউটিসি)

পুনর্লিখনসম্পাদনা

কয়েকটি বাক্য/বিষয় পুনর্লিখন করা যেতে পারে:-

  • "রবীন্দ্রনাথ ধ্রুপদি শৈলীর দুরূহতাকে চূর্ণ করে বাংলার শিল্পকলাকে আধুনিক করে তোলেন।"- যথেষ্ট অর্থনির্মল নয়।
বিকল্প: রবীন্দ্রনাথ ধ্রুপদি শৈলীর দুরূহতাকে পরিত্যাগ/বর্জন করে বাংলার শিল্পকলাকে আধুনিক করে তোলেন। --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ০৬:০৮, ২৯ ডিসেম্বর ২০১০ (ইউটিসি)
  • "তিনি ছিলেন মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ও সারদাসুন্দরী দেবীর ত্রয়োদশ জীবিত সন্তান।"- "চতুর্দশ সন্তান" লেখা স্বাভাবিক।
 Yসঙ্গত প্রস্তাব। সঠিককরণ করা হয়েছে। --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ০৭:৫৭, ২৯ ডিসেম্বর ২০১০ (ইউটিসি)
  • "এছাড়াও কুড়ি থেকে ত্রিশ বছর বয়সের মধ্যে প্রকাশিত হয় তাঁর আরও কয়েকটি প্রসিদ্ধ কাব্যগ্রন্থ।" - যেমন, ... তাঁর আরও কয়েকটি কাব্যগ্রন্থ যেগুলি প্রসিদ্ধি লাভ করে।
 Yআরও কয়েকটি নাম অন্তর্ভুক্ত করা হল। --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ০৮:০৩, ২৯ ডিসেম্বর ২০১০ (ইউটিসি)
  • "১৯০১ সালে শিলাইদহ ছেড়ে রবীন্দ্রনাথ চলে এসেছিলেন শান্তিনিকেতনে।"- স্থান বদলের কারণ ইঙ্গিত করা আবশ্যক।
রবীন্দ্রজীবনীকার প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায় তাঁর রবীন্দ্রজীবনকথা গ্রন্থে যে কারণ উল্লেখ করেছেন, তা হুবহু তুলে দিচ্ছি: "প্রায় তিন বৎসর হল, জোড়াসাঁকোর বহুজনপূর্ণ বাড়ি ও সংসার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে শিলাইদহে আপনার মতো করে ছোটো নীড় বেঁধে সন্তানদের শিক্ষার ব্যবস্থা করেছিলেন; কিন্তু মৃণালিনী দেবীর পক্ষে শিলাইদহ হয়েছে 'নির্বাসনদণ্ড'। এই সমাজশূন্য ভদ্রপরিবেশশূন্য গ্রামের মধ্যে তিনি আদৌ সুখী নন, সেজন্য কবিরও বিশেষ উদ্‌বেগ। নানা কারণে গ্রামের 'অলস-জীবন'-যাপন আজ সম্ভব হচ্ছে না। মেয়েরা বড়ো হচ্ছে, বিবাহের বয়স অদূরবর্তী। জ্যেষ্ঠপুত্র রথীন্দ্রনাথের এন্‌ট্রান্‌স্‌ পরীক্ষার সময় এসে গেল। তাকে তালিম দেবার জন্য অভিজ্ঞ শিক্ষকের প্রয়োজন। কবি বুঝলেন শিলাইদহ না ছাড়লে কোনোটাই হবে না। কিন্তু জোড়াসাঁকোর বাড়িতে পরিবার নিয়ে থাকতে তিনি একেবারে নারাজ। স্থির করলেন শান্তিনিকেতনে এসে বাস করবেন; সেখানে একটা আবাসিক বিদ্যালয় খুলবেন, রথীন্দ্রনাথ সেখানে পড়বেন, স্ত্রী ও ছেলেমেয়েরা সেখানে থাকবেন।" (পৃ. ৫৬-৫৭, আনন্দ পাবলিশার্স সংস্করণ) এতগুলি কথা সংক্ষেপে কিভাবে বলা যায়, তার জন্য সাহায্য প্রার্থনা করছি। --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ০৮:১২, ২৯ ডিসেম্বর ২০১০ (ইউটিসি)
  • "আশ্রমের আম্রকুঞ্জ ও উদ্যানের মধ্যে একটি গ্রন্থাগার নিয়ে চালু হল রবীন্দ্রনাথের পরীক্ষামূলক স্কুল ব্রহ্মবিদ্যালয়"। এরপরই ১৯০২ সালের ২৩ নভেম্বর কবিপত্নী মৃণালিনী দেবীর প্রয়াণ ঘটে।"- এরপরই দেয়ার কারণে মনে হচ্ছে ব্রহ্মবিদ্যালয় চালুর ঠিক পরই মৃণালিনী দেবীর মৃত্যুর বিশেষ কোন তাৎপর্য আছে।
১৯০১ সালে ব্রহ্মবিদ্যালয় স্থাপন ও ১৯০২ সালে কবিপত্নীর প্রয়াণ অবশ্যই দুটি পৃথক ঘটনা ও প্রসঙ্গ। কিন্তু দুটি ঘটনা পরপর ঘটেছিল। এরপরই শব্দের ব্যঞ্জনা এখানেই। রবীন্দ্রনাথ স্ত্রী-পুত্র-কন্যাকে নিয়ে সংসার স্থাপন করতে এসেছিলেন শান্তিনিকেতনে। এর জন্য তিনি কিছু নির্দিষ্ট পরিকল্পনাও নিয়েছিলেন। কিন্তু আকস্মিকভাবেই এ সময় তাঁর স্ত্রীবিয়োগ হয়। এই আকস্মিকতা বোঝাতেই এরপরই শব্দটি ব্যবহার করেছি। অবশ্য বিশেষ শব্দপ্রয়োগে আপত্তি থাকলে তা পরিবর্তন করা চলে। সুতরাং আপনার মতামত জানতে পারলে উপকৃত হব। --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ০৮:১৯, ২৯ ডিসেম্বর ২০১০ (ইউটিসি)
  • "১৯০৭ সালের ২৩ নভেম্বর কনিষ্ঠ পুত্র শমীন্দ্রনাথের মৃত্যুতে নিদারুণ আঘাত পান কবি।" - মনে হচ্ছে স্ত্রী, পিতা, কন্যা প্রমুখের মৃত্যুতে কবি ব্যথিত হন নি, কেবল পুত্রের মৃত্যুতে কাতর হয়েছিলেন।
তাই মনে হচ্ছে কি? হলে ক্ষমা চাইছি, আমার বক্তব্যের অর্থ তা নয়। তবে পুত্রের মৃত্যুকে বিশেষভাবে উল্লেখ করা দরকার। কারণ, সুকুমার সেন, প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায় প্রমুখরা প্রায় একবাক্যে বলেছেন, পুত্রের মৃত্যু কবিকে বিশেষভাবে নাড়া দিয়েছিল এবং এই মহাশোক থেকেই (হিন্দুদের পুত্রসংস্কার পুত্রশোককে "মহাশোক" আখ্যা দিয়ে থাকে) উৎসারিত হয় তাঁর গীতাঞ্জলি কাব্যগুচ্ছ। লাইনগুলির পুনর্বিন্যাস ঘটিয়ে শমীন্দ্রনাথের মৃত্যুর সঙ্গে গীতাঞ্জলির সম্পর্ক উল্লেখ করেও লেখা যায়। মতামত প্রার্থনা করছি। --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ০৮:৩০, ২৯ ডিসেম্বর ২০১০ (ইউটিসি)
  • "মৃত্যুর সাত দিন আগে পর্যন্ত রবীন্দ্রনাথ সৃষ্টিশীল ছিলেন।"- কৌতূহল জাগে কেন তিনদিন বা পাঁচদিন আগপর্যন্ত নয়। উত্তর পাওয়া যায় না।
সামান্য ভুল হয়েছে আমারই। সাত দিন নয়, ওটা হবে আটদিন। রবীন্দ্রনাথের শেষ কবিতার ("তোমার সৃষ্টির পথ") রচনাকাল ৩০ জুলাই, ১৯৪১। এর আট দিনের মাথায় কবির প্রয়াণ। --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ০৮:৩৩, ২৯ ডিসেম্বর ২০১০ (ইউটিসি)
  • "তাঁর প্রয়াণবার্ষিকী 'বাইশে শ্রাবণ' নামে আজও বিশ্বব্যাপী বাঙালি সমাজে শ্রদ্ধার সঙ্গে পালিত হয়।"- 'আজও' দেয়াতে মনে হয় পালন না-করার কারণ আছে।
না, তা মনে করার কারণ নেই। বরং বাঙালি জীবনে বাইশে শ্রাবণের প্রাসঙ্গিকতা ও ব্যাপ্তি বোঝাতেই আজও শব্দের অবতারণা। --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ০৮:৩৬, ২৯ ডিসেম্বর ২০১০ (ইউটিসি)

বর্জনসম্পাদনা

কয়েকটি বাক্য/বিষয় বর্জন করা যেতে পারে:-

  • "কিশোর কবি তাঁর এক বন্ধুকে ঠকাবার জন্য বলেছিলেন, "সমাজের [ব্রাহ্মসমাজ] লাইব্রেরি খুঁজিতে খুঁজিতে বহুকালের একটি জীর্ণ পুঁথি পাওয়া গিয়াছে, তাহা হইতে ভানুসিংহ-নামক কোনো প্রাচীন কবির পদ কাপি [কপি] করিয়া আনিয়াছি।"- উদাহরণটি প্রক্ষিপ্ত।
 Yসঙ্গত আপত্তি। বাদ দেওয়া হয়েছে। --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ০৮:৪০, ২৯ ডিসেম্বর ২০১০ (ইউটিসি)
  • "১৮৯১ সাল থেকে ১৮৯৫ সাল পর্যন্ত সময়কাল রবীন্দ্রনাথের জীবনে সাধনা পর্যায় নামে পরিচিত।"- সাধনা পর্ব বলার কারণ পরবর্তীতে যথেষ্ট পরিষ্কার হয় নি।
বিকল্প:"১৮৯১ থেকে ১৮৯৫ সালের মধ্যবর্তী সময়কাল রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টিউৎকর্ষের এক বিশেষ সময়পর্ব। তাঁর এই সময়কার রচনাগুলি প্রকাশিত হয়েছিল স্বসম্পাদিত সাধনা পত্রিকায়। এই কারণে এই পর্বটিকে তাঁর সাহিত্যজীবনের সাধনা পর্ব নামে চিহ্নিত করা হয়। ইত্যাদি" এবার পরিষ্কার হল কি? --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ০৮:৪৪, ২৯ ডিসেম্বর ২০১০ (ইউটিসি)
  • "জীবনের এই পর্বে রবীন্দ্রনাথ ধর্মীয় গোঁড়ামি ও কুসংস্কারের তীব্র সমালোচনা করেছিলেন। ..." - অতিসংক্ষেপনের কারণে এই অংশটি প্রক্ষিপ্ত প্রতীয়মান। একটি বা দুটি ঘটনা দিয়ে জীবনের একযুগ ব্যাপী কালকে বিশেষায়িত করা যায়।
প্রক্ষিপ্ত মনে হচ্ছে না। একটি ঘটনার উল্লেখ করাই হয়েছে। এছাড়া অস্পৃশ্যতা ও অন্যান্য সামাজিক অভিশাপগুলির বিরুদ্ধে তিনি নৃত্যনাট্য চণ্ডালিকা, কালান্তর ও বেশ কয়েকটি কবিতায় সোচ্চার হয়েছিলেন। কয়েকটি উল্লেখ পরেও করা হয়েছে। --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ০৮:৪৮, ২৯ ডিসেম্বর ২০১০ (ইউটিসি)
  • "দ্বিমুখী চিন্তাধারাকে ঝলসে দেওয়ার এই কৌশলটি পরবর্তীকালে সত্যজিৎ রায় ব্যবহার করেন তাঁর অপুর সংসার চলচ্চিত্রে।"-সর্বাংশে প্রক্ষিপ্ত। বর্জনীয়।
 Y সঙ্গত আপত্তি। বাদ দেওয়া হয়েছে। --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ০৮:৫০, ২৯ ডিসেম্বর ২০১০ (ইউটিসি)

সংযোজনসম্পাদনা

  • জীবন সায়াহ্নে অংশে প্রয়াণের কারণ অনুপস্থিত। যোগ করা দরকার। জীবনের শেষ কবিতাটিও উদ্ধারণ করা হলে মন্দ হয় না।
এই বিষয়ে আমার বক্তব্য, রবীন্দ্রনাথ মহাত্মা গান্ধীর মতো আততায়ীর হস্তে নিহত হননি, দুর্ঘটনাতেও মারা যাননি জীবনানন্দ বা পি. বি. শেলির মতো। আশি বছর বয়সে বার্ধক্যজনিত রোগের কারণে মানবদেহের স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়াতেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। তিনি যে দীর্ঘরোগভোগের পর মারা গেছেন, একথা নিবন্ধে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর দুটি দীর্ঘকালীন অসুস্থতারও উল্লেখ আছে। অসুস্থতার সময়ে তাঁর কাব্যভাবনার কথাও বলা হয়েছে। আমার মনে হয়, নিবন্ধের ভারসাম্য বজায় রাখতে এর চেয়ে বেশি তথ্যযোগ না করাই ভাল। শেষ কবিতাটির অংশবিশেষ দেওয়া যেতে পারে। তবে সকলের মতামত নেওয়া ভাল। --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ০৮:৫৮, ২৯ ডিসেম্বর ২০১০ (ইউটিসি)


এই নিবন্ধ সম্পর্কে ফয়জুল সাহেব যেসব প্রস্তাবগুলি রেখেছেন, সেগুলির সম্পর্কে আমি আমার সাধ্যমতো বক্তব্য রাখলাম। এর পরেও, অন্যান্য মতামতদাতাদের মতামত প্রদানের অবকাশ থেকে যায়। সকলের মতামত কাম্য। আমরা দুজনে কোনো বিষয়ে একমত নাও হতে পারি, সেক্ষেত্রে সকলের মতামত নির্ণায়ক ভূমিকা গ্রহণে সক্ষম হবে। সবাইকে আলোচনা-পর্যালোচনায় আহ্বান জানাচ্ছি। --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ০৯:১১, ২৯ ডিসেম্বর ২০১০ (ইউটিসি)

অনুচ্ছেদ "চিত্রকলা বিষয়ে" কিছু পর্যবেক্ষণসম্পাদনা

কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চিত্রকলা বিষয়ে নিম্নোক্ত কয়েকটি বিষয়ের প্রতি সকলের মনোযোগ আকর্ষণ করছি। পরিসরের সীমাবদ্ধতার কথা তো মনে রাখতেই হবে ; তথাপি যে কোন বিষয় এমনভাবে বর্ণনা করা দরকার যাতে সংক্ষিপ্ত হলেও একটি সামগ্রিক ধারণা লাভ করা সম্ভব হয়। আর গুরুত্ববহ বিষয় যেন অগুরুত্ববহ বিষয়কে হটিয়ে না-দেয় তা-ও লক্ষ্য করতে হবে। - Faizul Latif Chowdhury (আলাপ) ১৮:৫৩, ৩১ ডিসেম্বর ২০১০ (ইউটিসি)

  • "রবীন্দ্রনাথের চিত্রকলায় "প্রোটানোপিয়া" বা বর্ণান্ধতা বা বিশেষ রঙের অনুপস্থিতি (রবীন্দ্রনাথের ক্ষেত্রে লাল-সবুজ রঙের) চোখে পড়ে।" - এটি রবীন্দ্র চিত্রকলার আদৌ প্রধান কোন বৈশিষ্ট্য নয়। প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ বর্ণনা ব্যাতিরেকে এই বিষয়টির উল্লেখ না-করাই যৌক্তিক হবে।
  • "নান্দনতাত্ত্বিক ও বর্ণ পরিকল্পনার দিক থেকে তাঁর চিত্রকলা বেশ অদ্ভুত ধরনের।" - বিশেষণাত্মক "বেশ অদ্ভুত" স্পষ্ট বা অস্পষ্ট কোনরূপ ধারণাই দেয় না। এখানে সামান্য কিছু হলেও ব্যাখ্যা আবশ্যক।
  • "তবে তিনি একাধিক শৈলী রপ্ত করেছিলেন। এর মধ্যে কয়েকটি শৈলী হল নিউ আয়ারল্যান্ডের হস্তশিল্প, কানাডার (ব্রিটিশ কলম্বিয়া প্রদেশ) পশ্চিম উপকূলের "হাইদা" খোদাইশিল্প ও ম্যাক্স পেকস্টাইনের কাঠখোদাই শিল্প।" - এই শৈলীগুলো রবীন্দ্রনাথের অধিকাংশ ছবিতে ব্যবহৃত হয় নি। প্রথমে বলা দরকার কবি তাঁর ছবিতে প্রধানত বা মূলত কী-কী কৌশল ব্যবহার করেছিলেন।
৮৪ সংখ্যক তথ্যসূত্রটি অনলাইন। এটি রবীন্দ্রচিত্রকলার এক স্বনামধন্য বিশেষজ্ঞ কেতকী কুশারী ডাইসনের লেখা। উপরিউক্ত তিনটি অভিযুক্ত তথ্যই তাঁর এই নিবন্ধ থেকে গৃহীত। তবে আমার বোঝার ভুল থাকলে তথ্যসূত্র-উল্লেখ সহ তা ধরিয়ে দিলে উপকৃত হব। --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ০৪:২৬, ১ জানুয়ারি ২০১১ (ইউটিসি)
  • রবীন্দ্রনাথের ছবি আঁকার কৌশল কী তা বর্ণনা করা দরকার। বলা দরকার তাঁর ছবি আঁকার রীতির স্বরূপ কী। এর কী ব্যাখ্য দেয়া হয়েছে সেটিও আকর্ষণীয়।
  • রবীন্দ্র চিত্রকলায় ভারতীয় প্রভাব না-থাকার বিষয়টিও উল্লেখযোগ্য।
  • পশ্চিমী কোন্‌ শিল্পীর সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের ছবির সমিলতা লক্ষ্য করা গিয়েছিল তা উল্লেখ করা যেতে পারে।
কী লেখা উচিত, তার একটি প্রস্তাবনা আলাপ পাতায় পেশ করলে উপকৃত হব (উপরিউক্ত তিনটি বক্তব্যের প্রেক্ষিতেই)। --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ০৪:২৮, ১ জানুয়ারি ২০১১ (ইউটিসি)
  • সংযুক্ত ছবি দুটিও প্রতিনিধি-স্থানীয় নয়।
চিত্রকলা অংশে "ছবি" দুটি ব্যবহৃত হয়নি। একটিই হয়েছে। কাঠখোদাইটা রবীন্দ্রনাথের লেটারহেডের সিল ছিল। সেই জন্য ওটাকে সাধারণ আলোচনার মধ্যে রেখেছি। আর ড্যান্সিং গার্ল ছবিটি কেন প্রতিনিধিত্বমূলক নয়, এবং তার পরিবর্তে কোন ছবিটি দিলে ভাল হয়, তা বলে দিলে ভাল হয়। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আপাতত উইকিপিডিয়ার হাতে এই কটি ছবিই আছে। --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ০৪:৩৩, ১ জানুয়ারি ২০১১ (ইউটিসি)

তাগাদাসম্পাদনা

নিবন্ধটি পর্যালোচনা ও নির্বাচিত নিবন্ধ পর্যায়ে উন্নীত করতে সাহায্য করবেন কি কেউ? --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ১৪:৪৫, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১১ (ইউটিসি)

  • সৌম্য,

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিবন্ধটি বেশ উচ্চমার্গের হয়েছে বৈ-কি। তবুও যেটুকু পর্যালোচনা করে দেখলাম তাতে নির্বাচিত নিবন্ধ পর্যায়ে উন্নীত করা যায় এ মুহুর্তেই কিংবা আরো পরে! চোখ বুলালাম একনজর। সাধু-চলিতরীতির মিশ্রণ লক্ষ্যণীয়। এছাড়াও, রবীন্দ্রনাথের দর্শন কিংবা দর্শনতত্ত্বের উপ-শিরোনামের অনুপস্থিতি রয়েছে। কবিগুরু বা বিশ্বকবি উপাধিই বা কিভাবে পেলেন রবিঠাকুর? লাল লিংক বর্জন, কিংবা নতুন নিবন্ধ তৈরী করে নিবন্ধের শ্রীবৃদ্ধি করতে হবে। কিছু সংশোধন কিংবা বাক্যালংকার প্রয়োগও করতে চলছি এ মুহুর্তেই। আরো আইডিয়া আসলে আবারো আলাপ পাতায় উল্লেখ করার ইচ্ছে রয়েছে।

শুভেচ্ছা সহযোগে -

Subrata Roy (আলাপ) ১৭:১৭, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১১ (ইউটিসি)

রাগিব এর করা মূল্যায়নসম্পাদনা

সূচনাংশসম্পাদনা

  1. "সেই বছরই রচনা করেন প্রথম ছোটোগল্প ও প্রথম নাটক" (রেফারেন্স কই?)
  2. তিনি সাম্রাজ্যবাদের বিরোধিতা ও ভারতীয় জাতীয়তাবাদীদের সমর্থন করতেন। (রেফারেন্স কই?)
  3. "রবীন্দ্রনাথের দার্শনিক মতাদর্শ বিমূর্ত রয়েছে বহুবর্ণী সৃষ্টিকর্ম ও প্রতিষ্ঠিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিশ্বভারতীর মধ্যে।" এটা কি কারো অভিমত? থাকলে রেফারেন্স কই? না থাকলে এটা তো OR / POV
  4. রবীন্দ্রনাথ ধ্রুপদি শৈলীর দুরূহতাকে চূর্ণ করে বাংলার শিল্পকলাকে আধুনিক করে তোলেন - কে বলেছে?
  5. তাঁর উপন্যাস, ছোটোগল্প, গান, নৃত্যনাট্য ও প্রবন্ধের উপজীব্য রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত বিষয়বস্তু - ক্রিয়াপদ বাদ পড়াতে ইনফর্মাল ও অবিশ্বকোষীয় শোনাচ্ছে।
  6. তাঁর কবিতা, গল্প ও উপন্যাস গীতিধর্মিতা, সহজবোধ্যতা, ধ্যানগম্ভীর প্রকৃতিবাদ ও উচ্চমার্গের দার্শনিক চিন্তাধারার জন্য প্রসিদ্ধ - কার কাছে প্রসিদ্ধ, কে বলেছে এটা?
  7. রবীন্দ্রনাথ দুটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের জাতীয় সংগীত রচয়িতার বিরল কৃতিত্বের অধিকারী -বিরল, কিন্তু অদ্বিতীয় না।

--রাগিব (আলাপ | অবদান) ২১:৩৭, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১১ (ইউটিসি)

  • লেখার স্টাইলটা নিয়ে পরে চিন্তা করেছি। সংশোধন প্রয়োজন। কিন্তু সংশোধন করিনি কেন, মনে করতে পারছি না। করে ফেলব। কিছু তথ্যসূত্র পরে দেওয়া আছে। সেগুলি ভূমিকায় আর উল্লেখ করছি না। যদি কোনো অসূত্রায়িত তথ্য থেকে থাকে, সেটা বাদ দিয়ে দেবো।

জাতীয় সংগীত নিয়ে আমার একটা প্রশ্ন আছে। আমার সঠিক মনে পড়ছে না, তবে সম্ভবত রবীন্দ্রনাথ অদ্বিতীয় নন। দুই দেশের জাতীয় সংগীত একই ব্যক্তির লেখা আরও একটা উদাহরণ আছে। কেউ আমাকে একটু সাহায্য করলে ভাল হয়।--অর্ণব দত্ত (আলাপ) ০৩:০৯, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১১ (ইউটিসি)

ভূমিকাটা বড্ড ঘোরালো হয়ে গেছে। এটাকে বাদ দিয়ে একটা সহজ সরল ভূমিকা লিখছি। লেখার পর সেটিকে মূল্যায়ণ করবেন। --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ০৩:২৯, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১১ (ইউটিসি)

জীবনসম্পাদনা

প্রারম্ভিক জীবন->শৈশব ও কৈশোর

  1. "তাই ধনাঢ্য সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান হয়েও রবীন্দ্রনাথের ছেলেবেলা কেটেছিল এক "ভৃত্যরাজক তন্ত্রে"" - "ভৃত্যরাজক তন্ত্রে" বলতে কী বোঝানো হচ্ছে তা আমি জানি রবীন্দ্রনাথের "আমার ছেলেবেলা" পাঠ্যবইতে পড়ার সুবাদে। কিন্তু সব পাঠক সেটা বুঝবেন, তা ধরা চলে না। কাজেই এই বাক্যটি পুনর্লিখন দরকার।
  • "ভৃত্যরাজক তন্ত্র" কথাটা রেখে বন্ধনীতে বা বাক্যটিকে প্রসারিত করে বুঝিয়ে দিলে কেমন হয়। এভাবে লেখা যায় - "তাই ধনাঢ্য সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান হয়েও রবীন্দ্রনাথের ছেলেবেলা কেটেছিল এক "ভৃত্যরাজক তন্ত্রে", অর্থাৎ চাকরদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে।" --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ০৩:১৪, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১১ (ইউটিসি)
  1. ""ভানুসিংহ" ভনিতাযুক্ত" - মানে কী? ভানুসিংহ ছদ্মনামে লিখিত-এটা লিখলেই তো সহজবোধ্য হতো। --রাগিব (আলাপ | অবদান) ২১:৪৬, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১১ (ইউটিসি)
  • মজাটা হল, লেখকেরা যেভাবে ছদ্মনাম ব্যবহার করেন, রবীন্দ্রনাথ সেভাবে করেননি। ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী বইয়ের শিরোনামের নিচে লেখকের নাম লেখা ছিল "শ্রীরবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রণীত"। মধ্যযুগীয় কবিতায় কবিতার শেষ বা শেষের আগের পংক্তিতে কবি নিজের নাম উল্লেখ করতেন। এইভাবে নামোল্লেখ করাকে বলা হতো "ভনিতা"। রবীন্দ্রনাথ এই কবিতাগুলিতে মধ্যযুগীয় রীতি অনুসরণ করেছিলেন। তাই ভানুসিংহ নামটি রবীন্দ্রনাথ ভনিতাতেই ব্যবহার করেছেন, ঠিক ছদ্মনাম হিসেবে নয় (রবীন্দ্রনাথ আর ভানুসিংহ শব্দদুটির অর্থ একই, মহান সূর্য)। ভনিতা আর ছদ্মনাম এক জিনিস নয়। আমার প্রস্তাব হল, ভনিতা কী, সেটি একটি পৃথক নিবন্ধে জানিয়ে দেওয়া। তাতে কোনো পাঠক ভনিতা কথাটি বুঝতে না পারলে, মাউস ক্লিক করে ভনিতা পাতায় গেলেই জানতে পেরে যাবেন। --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ০৩:২৪, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১১ (ইউটিসি)
  1. অপ্রয়োজনীয় উদ্ধৃতি চিহ্নের ব্যবহার বাদ দিতে হবে। যেমন, "ভারতী" এই নামটি উদ্ধৃতি চিহ্নে কেনো রাখা? --রাগিব (আলাপ | অবদান) ০৩:০৩, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১১ (ইউটিসি)
  • নিছকই ছাপার ভুল। সাধারণত গ্রন্থ ও পত্রিকার নাম ইতালিকে ও রচনার নাম উদ্ধৃতি চিহ্নে রাখার নিয়ম। --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ০৯:৪২, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১১ (ইউটিসি)

যৌবন

  1. "১৮৭৮ সালে ব্যারিস্টার হওয়ার উদ্দেশ্যে ইংল্যান্ডে গিয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ। ভর্তি হয়েছিলেন ইস্ট সাসেক্সের ব্রাইটনের একটি পাবলিক স্কুলে।" বাক্যরীতিটি আবারও পত্রিকা বা ব্লগের ভাষার মতো ঠেকছে। বিশ্বকোষের কাজ যেহেতু তথ্য দেয়া, সেখানে মুখরোচক করে লেখার দরকার নেই। এখানে এই বাক্যটিকে এভাবে লেখা যেতে পারে - "১৮৭৮ সালে ব্যারিস্টার হওয়ার উদ্দেশ্যে রবীন্দ্রনাথ ইংল্যান্ডে যান এবং ইস্ট সাসেক্সের ব্রাইটনের একটি পাবলিক স্কুলে ভর্তি হন"। এই উদাহরণের দ্বিতীয় বাক্যের মতো অনেক খণ্ডবাক্য এই নিবন্ধে দেখছি, যা টিভির রিপোর্টের মতো আধা খ্যাচড়া বাক্যের মতো লাগছে। বিশ্বকোষে এরকম বাক্যরীতি পরিহার্য। এই মন্তব্যটি পুরা নিবন্ধের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। --রাগিব (আলাপ | অবদান) ০৫:৩৯, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১১ (ইউটিসি)
  • পুনর্লিখনের মাধ্যমে খণ্ডবাক্যগুলি সম্পূর্ণ করে দিচ্ছি। --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ০৯:১৯, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১১ (ইউটিসি)

শান্তিনিকেতন

  1. "১৯০৭ সালের ২৩ নভেম্বর কনিষ্ঠ পুত্র শমীন্দ্রনাথের মৃত্যুতে নিদারুণ আঘাত পান কবি। এসবের মধ্যেই বঙ্গভঙ্গ-বিরোধী স্বদেশী আন্দোলনের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছিলেন কবি। জ্যেষ্ঠ পুত্র রথীন্দ্রনাথকে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠালেন কৃষিবিদ্যা অধ্যয়নের জন্য।" - এই প্যারাগ্রাফের রেফারেন্স কই? --রাগিব (আলাপ | অবদান) ০৫:৪৮, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১১ (ইউটিসি)
  • এই নিবন্ধের কিছু অংশ অতথ্যসূত্রায়িত অবস্থায় রয়ে গেছে। রাগিব ভাই বা অন্য কেউ যদি একটি কষ্ট করে সেই সব বাক্যের পাশে তথ্যসূত্র ট্যাগটি লাগিয়ে দেন, তাহলে আমার বিশেষ উপকার হবে। --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ০৯:২২, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১১ (ইউটিসি)
  1. "সুইডিশ আকাদেমি" -> আকাদেমি কেনো? সুইডেনের প্রতিষ্ঠানটিকে আকাদেমি বলা হয় কি না খুব কড়া সন্দেহ আছে। ফরাসি হলে হতো, কিন্তু সুইডেনে "দ" ধ্বনি দিয়ে এটিকে উচ্চারণ করা হয় কি? --রাগিব (আলাপ | অবদান) ০৫:৫০, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১১ (ইউটিসি)
  • আমি সুইডিশ ভাষা জানি না। তাই নিজস্ব রীতি প্রয়োগ করেছি। যদি কেউ আমাকে সঠিক সুইডিশ উচ্চারণটি সম্পর্কে অবহিত করতে পারেন, তাহলে উপকৃত হব। নচেৎ "অ্যাকাদেমি" বানান রাখব। --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ০৯:২৪, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১১ (ইউটিসি)
  1. "স্বরাজ আন্দোলন" রেডলিংক
  • লাল লিংক কয়েকটি আছে, ধীরে ধীরে পূর্ণ করছি। সকলের সাহায্য চাই। --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ০৯:২৬, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১১ (ইউটিসি)
  1. "ব্রিটিশ রাজশক্তি"??? ব্রিটিশ সরকার হবে না হয় ব্রিটেনের রাজা হবে। তাই না? রাজশক্তির মানে কী, তা বোঝা দায়। নিশ্চয়ই ব্রিটিশ রাজ থেকে সেটা দেয়া হয়নি, বরং ব্রিটেনের রাজা সেটা দিয়েছেন। --রাগিব (আলাপ | অবদান) ০৫:৫৪, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১১ (ইউটিসি)
  • যতদূর জানি, নাইট উপাধিটি রাজাই (বা রানি) দিয়ে থাকেন। সেক্ষেত্রে "ব্রিটেনের রাজা" লেখাই সঠিক। --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ০৯:৩২, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১১ (ইউটিসি)
  1. "অযৌক্তিক বর্ণাশ্রম সচেতনতা" - উদ্ধৃতি চিহ্ন হবে না এখানে, কারণ এটা প্রপার নেইম না। তদুপরি এই শব্দগুচ্ছটি দেখে ইংরেজি থেকে আক্ষরিক অনুবাদ করা হয়েছে বলে মনে হয়, কারণ এর অর্থ কী, তা বুঝতে পারলাম না।

জীবন সায়াহ্নে'

  1. রবীন্দ্রনাথের মৃত্যুর অংশটি ধোঁয়াটে রয়ে গেছে। যতদূর মনে পড়ে, শল্য চিকিৎসার পরে সেই সংক্রান্ত জটিলতা থেকে কবি মারা যান। সেটা দীর্ঘ রোগভোগ বললে বিভ্রান্তিমূলক হয়। তাছাড়া অপারেশনটি প্রস্টেট গ্ল্যান্ডের সাথে যড়িত ছিল বলে মনে পড়ে।
  2. পরীক্ষানিরীক্ষা এক শব্দ নাকি দুইটি শব্দ (পরীক্ষা-নিরীক্ষা)?
  3. শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন -> মারা যান। অলংকারের দরকার নাই।
  4. তাঁর প্রয়াণবার্ষিকী "বাইশে শ্রাবণ" নামে আজও বিশ্বব্যাপী বাঙালি সমাজে শ্রদ্ধার সঙ্গে পালিত হয়।[ -> রেফারেন্স্টি দেয়া হয়েছে ডেইলি স্টারের একটি অনুষ্ঠানতালিকা হতে, যা এই রকম দাবীর রেফারেন্স হিসাবে তো যোগ্য নয় বটেই, তদুপরি রেফারেন্সে এই দাবীটির সপক্ষে কিছু নাই। বরং কোন চ্যানেলে কী অনুষ্ঠান, তাই আছে সেখানে। রেফারেন্সগুলো অনুগ্রহ করে ভালো করে যাচাই করে নিতে হবে। --রাগিব (আলাপ | অবদান) ১৯:০৪, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১১ (ইউটিসি)

বিশ্ব্ভ্রমণসম্পাদনা

  1. "দু-বার" না লিখে "দুই বার" বা "দুইবার" (যেটা প্রমিত) লিখলে ভালো হয়।
  2. "পাঠ শুনে তাঁরাও কবির গুণমুগ্ধে পরিণত হন। " -> একটু অতিরিক্ত হয়ে গেলো না?
  3. ভ্রমণের অংশটি আংশিক। আমি নিজে খুব ভালো করে জানি যে, আমার সাবেক বিশ্ব্বিদ্যালয় (ইউনিভার্সিটি অফ ইলিনয়) এ রথীন্দ্রনাথ পড়তেন এবং সেখানকার একটি দার্শনিক সংগঠনের আমন্ত্রণে রবীন্দ্রনাথ আরবানা শহরে গিয়েছিলেন সম্ভবত ১৯১২-১৩ সালের দিকে। রবীন্দ্রনাথ সেখান থেকে নানা জায়গায় ট্রেনে করে গিয়ে ভাষণ দিতেন ও শান্তিনিকেতনের জন্য অর্থ জোগাড় করতেন। এখানে থাকার সময়েই রবীন্দ্রনাথ নোবেল পুরস্কারের খবর পান। কাজেই সেই অংশের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের অংশটি গুরুত্বপূর্ণ। রবীন্দ্রনাথের দ্বিতীয়বার যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণ বেশ বিফল হয়েছিলো কারণ রাজনৈতিক কারণে তার জনপ্রিয়তা কমে যায়।

সামগ্রিকভাবে, এই অংশটিকে আলাদা করে অনুচ্ছেদ বানাবার তাৎপর্য বুঝতে পারলাম না। --রাগিব (আলাপ | অবদান) ১৯:৪২, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১১ (ইউটিসি)

সৃষ্টিকর্মসম্পাদনা

এই অংশে বিপুল পরিমাণে সমস্যা রয়েছে। বিস্তারিত পড়িনি, কিন্তু এক নজরে এটাকে বাংলা সাহিত্যের নোটবই এর মতো লেগেছে (নিচে রবির আলোর সাথে এই ব্যাপারে একমত)। রবীন্দ্রনাথের সাহিত্যের ওভারভিউ এর বদলে এটাকে মনে হচ্ছে স্কুল বা কলেজ পর্যায়ে "আমার প্রিয় কবি রবীন্দ্রনাথ" টাইপের একটি রচনা, যাতে গদগদভাবে রবীন্দ্রনাথের স্তুতি গাওয়া হয়েছে। --রাগিব (আলাপ | অবদান) ১৯:৪৭, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১১ (ইউটিসি)

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

"hompson, E. (1926), , প্রকাশক: Read, আইএসবিএন 1-4067-8927-5" এরকম অনেক বইয়ের উল্লেখ রেফারেন্সে দেয়া আছে, কিন্তু বইগুলোর নাম কোথায়??? --রাগিব (আলাপ | অবদান) ০৫:৪২, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১১ (ইউটিসি)

  • টেমপ্লেটের সমস্যা। আপনি সম্পাদনা বার ক্লিক করে দেখুন, আমি সব নামই দিয়েছি। কিন্তু সেগুলি পৃষ্ঠায় আর দেখা যাচ্ছে না। টেমপ্লেটের জটিল সমস্যাগুলি আমি সমাধান করতে পারি না। কেউ করে দিলে উপকার হবে। --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ০৯:৪৬, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১১ (ইউটিসি)

সাধারণ আলোচনাসম্পাদনা

  1. পুরা নিবন্ধটি অত্যধিক স্তুতিমূলক মনে হচ্ছে। ভক্তির অংশটুকু একটু কমালে ভালো হয়। রবীন্দ্রভক্ত হিসাবে সেভাবে লেখাটা একটু কঠিন, কিন্তু তার পরেও নিরপেক্ষভাবে ও নির্মোহভাবে লিখাটা খুব দরকার। রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে নানা বিতর্ক রয়েছে, সেগুলোর আলোচনা এখানে আসেনি। (যেমন, জনগনমন গানের বিতর্ক, ঢাকা বিশ্ব্বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা ও বঙ্গভঙ্গ সংক্রান্ত বিতর্ক, রবীন্দ্রনাথের বড় ভাইয়ের স্ত্রী সংক্রান্ত বিতর্ক, ভিক্টোরিয়া ওকাম্পোর সাথে তার সম্পর্ক ইত্যাদি)। সাহিত্যের মূল্যায়ণেও অতিভক্তি প্রকাশ পাচ্ছে। কাজেই সেটা একটু পাল্টে নির্মোহভাবে লেখা দরকার। --রাগিব (আলাপ | অবদান) ১৯:১১, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১১ (ইউটিসি)

সৃষ্টিকর্ম অংশের সমালোচনাসম্পাদনা

কবিতাসম্পাদনা

  • প্রথম লাইনটি এমন হওয়া উচিত, "রবীন্দ্রনাথের প্রধান পরিচয় তিনি কবি।"
  • কাব্যগ্রন্থ ও যুগপর্যায় ধরে একটি সাধারণ আলোচনা যোগ করলে ভাল হয়।

ছোটোগল্প ও উপন্যাসসম্পাদনা

  • গল্পগুচ্ছ ছাড়া রবীন্দ্রনাথের অন্যান্য গল্পসংকলন এবং নতুন শৈলীর গল্পগুলি (লিপিকা, সে ইত্যাদি) সম্পর্কে কিছু বললে ভাল হয়।
  • রবীন্দ্রনাথের প্রতিটি উপন্যাসেরই কিছু না কিছু বৈশিষ্ট্য আছে। তাই তিন-চারটি উপন্যাস নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা না করে, সংক্ষেপে সবকটির কথা বললে ভাল হয়।

প্রবন্ধসম্পাদনা

  • শুধুমাত্র নাম আর প্রকাশকাল উল্লেখ না করে, বইগুলির বিষয় কী তাও বলে দেওয়া ভাল। নাম শুনে সব সময় বিষয় বোঝা যায় না।

নাটকসম্পাদনা

  • প্রায় কিছুই বলা হয়নি। নাটকের নাম, রচনাকাল ও বিষয় উল্লেখ করে দেওয়া উচিত।

চিত্রকলাসম্পাদনা

  • ছবির বিষয় ও অঙ্কনমাধ্যম উল্লেখ করা বাঞ্ছনীয়।

সাধারণ আলোচনাসম্পাদনা

  • সাহিত্য সমালোচনায় বেশি মনোযোগ দেওয়া হয়েছে। বিশ্বকোষ মনে না হয়ে, বিএ ক্লাসের নোটবই মনে হচ্ছে। একটু তথ্যের দিকেও নজর দেওয়া হোক।
  • নৃত্য ও দর্শন-সমাজচিন্তা নিয়ে পৃথক অনুচ্ছেদ সৃষ্টি করা বাঞ্ছনীয়।
  • একটি বংশলতিকা যুক্ত করতে পারলে ভাল হয়।

রবির আলো (আলাপ) ১১:০৩, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১১ (ইউটিসি)

পর্যালোচনার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। তবে সমালোচনা অংশটুকুর প্রয়োজন আছে বলেই মনে করছি। সঙ্গে তথ্য যোগ করা যেতেই পারে। পুনর্লিখন করব। তার পর আর এক বার পর্যালোচনা করবেন। --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ১২:৩৩, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১১ (ইউটিসি)
বংশলতিকা তৈরি করার কৌশল আমি জানি না। অন্য কেউ সাহায্য করলে ভাল হয়। --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ১২:৩৫, ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১১ (ইউটিসি)

ছোটোগল্প "বনাম" ছোটগল্প: আমার কৈফিয়তসম্পাদনা

প্রমিত বাংলায় "ছোটোগল্প" ও "ছোটগল্প" দুই বানানই স্বীকৃত। "ছোটোগল্প" বানানটি পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমির গৃহীত বানান। আমি যেহেতু সকল নিবন্ধে উক্ত আকাদেমির বানানরীতি অনুসরণ করে থাকি, তাই নিছক বানান-সমতা বিধানের জন্যই "ছোটোগল্প" বানানটি লিখেছিলাম। আমি এখানে বলে রাখতে চাই যে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পশ্চিমবঙ্গ, বাংলাদেশ বা ত্রিপুরার একক বিষয় নয়। তিনি সর্বকালের সর্বদেশের। সুতরাং বর্তমান কোনো একটি বিশেষ অঞ্চলের বিশেষ বানানরীতি চাপিয়ে দেওয়া আমার উদ্দেশ্য ছিল না। "ছোটগল্প" বানান স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ অনুমোদিত ১৯৩৭ সালের কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক সংশোধিত বানানরীতি স্বীকৃত। তাই "ছোটগল্প" লেখায় বানান-সমতা লঙ্ঘিত হবে, এমন আশঙ্কাও প্রকাশ করছি না। এই নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি ঠেকাতেই আমার এই বার্তা। ধন্যবাদান্তে --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ১৬:৩২, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১১ (ইউটিসি)

অর্ণবদা, আপনার অবস্থান স্পষ্ট। আশা করি আপনার অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠবে না। কিন্তু যেহেতু "রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পশ্চিমবঙ্গ, বাংলাদেশ বা ত্রিপুরার একক বিষয় নয়। তিনি সর্বকালের সর্বদেশের", তাই আমাদের একটা গ্রহণযোগ্য বিষয়ে ঐক্যমত্যে আসা উচিত। কেননা বাংলা একাডেমী প্রমিত বাংলা বানানের নিয়মানুযায়ী, "বিশেষ ক্ষেত্র ছাড়া ো-কার ব্যবহৃত হবে না। বিশেষ ক্ষেত্র হচ্ছে, এমন অনুজ্ঞাবাচক ক্রিয়াপদ এবং বিশেষণ ও অব্যয় পদ বা অন্য শব্দ, যার শেষে ো-কার যুক্ত না করলে অর্থ অনুধাবনে ভ্রান্তি বা বিলম্ব ঘটতে পারে।" এখানে উল্লেখ্য যে, "ছোট" লিখা হলে, তাকে "ছোট্‌" উচ্চারণ করার সুযোগ নেই। কেননা "ছোট্‌" বলে কোনো অর্থবোধক শব্দ বাংলায় নেই। তাই দ্ব্যর্থবোধকতা তৈরি হবার কোনো সম্ভাবনা থাকে না, যদি "ছোট" লিখা হয়। তাই বাংলা একাডেমী প্রমিত বাংলা বানানের নিয়মের দৃষ্টিকোণটি হলো অবাঞ্চিত ো-কার রোধ। এমতাবস্থায় এই বানানটির ক্ষেত্রে, আমরা পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি, নাকি [বাংলাদেশের] বাংলা একাডেমী, কোনটার নিয়ম অনুসরণ করবো, তার ব্যাপারে সকলের ঐক্যমত্য হওয়া উচিত। অর্ণবদা, আপনাকে ধন্যবাদ। —মঈনুল ইসলাম (আলাপ * অবদান) ০৬:২৩, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১১ (ইউটিসি)

নিরপেক্ষতা, কর্মবিরতি ও ক্ষমাপ্রার্থনাসম্পাদনা

রাগিব ভাইয়ের সঙ্গে আমি সম্পূর্ণ একমত যে, নিবন্ধটি নিরপেক্ষ ও নির্মোহভাবে লেখা প্রয়োজন। উইকিপিডিয়ার নিরপেক্ষতা নীতিও এই কথাই বলে। আমি গলদটা গোড়াতেই করেছি। যে কারণে আমি যে রাজনৈতিক দলের সমর্থক, সেই দল বা তার নেতানেত্রীদের সম্পর্কে লিখি না, ঠিক সেই কারণেই "রবীন্দ্রভক্ত" হিসেবে আমার এই নিবন্ধে হাত দেওয়াটা অনুচিত হয়েছে। যাই হোক, শুরু যখন করেছি, তখন তথ্যসূত্র প্রদান, ভাষা পরিবর্তন, অবিশ্বকোষীয় অংশগুলির সংস্কার ও সাহিত্য সমালোচনার পরিবর্তে সাধারণ তথ্যপ্রদান ("রবির আলো" যেরকম লিখেছেন) ইত্যাদি মামুলি কাজগুলি ভবিষ্যতে করে দেওয়ার চেষ্টা করব। এতদ্‌ব্যতীত এই নিবন্ধ থেকে আমি হাত গুটিয়ে নিচ্ছি। আশা করব, ভবিষ্যতে কেউ এটি নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোণ থেকে পুনর্লিখন করবেন এবং এটিকে নির্বাচিত নিবন্ধ স্তরে উন্নীত করতে সক্ষম হবেন। অভিজ্ঞ উইকিপিডিয়ান হয়েও অবিবেচকের মতো পক্ষপাতদুষ্ট নিবন্ধ রচনার জন্য ক্ষমা চাইছি। --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ১৬:২৬, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১১ (ইউটিসি)

অর্ণব, সমালোচনার উদ্দেশ্য কিন্তু আপনাকে এখান থেকে হাত গুটাতে বলা না, বরং নিবন্ধটার মানোন্নয়নের জন্য দিক নির্দেশনা দেয়া। আপনি এখান থেকে সরে না গিয়ে কাজটা চালিয়ে যান। রবীন্দ্রভক্ত ছাড়া অন্য্রা এই নিবন্ধে ওরকম একাগ্রতার সাথে কাজ করে এটাকে নির্বাচিত করবে, সেই সম্ভাবনা কম। কাজেই নিবন্ধটার খাতিরে হলেও উপরের পয়েন্টগুলার উপরে কাজ করুন। অভিমান করে চলে গেলে সেটা উইকিপিডিয়ার জন্যই ভালো হবে না। --রাগিব (আলাপ | অবদান) ১৬:৪৮, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১১ (ইউটিসি)

রাগিব ভাই, অভিমানের প্রশ্ন উঠছে না। মূল সমস্যাটি আমি আপনাকে অবহিত করেছি। অন্য সমস্যাগুলি সমাধানে আর একবার চেষ্টা করে দেখতে পারি। কিন্তু কতটা সফল হব, তা নিয়ে সন্দেহের অবকাশ রয়েছে। --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ০৮:৫২, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১১ (ইউটিসি)

কাজের মূল্যায়ন, অনুরোধ ও শেষ কথাসম্পাদনা

মূল্যায়ন

  • প্রতিটি বাক্য যাচাই করে তথ্যসূত্র দেওয়া হয়েছে।
  • ব্যাখ্যামূলক ধাঁচটি পালটে তথ্যমূলক করা হয়েছে। তথ্যের সামগ্রিকতার দিকে নজর দেওয়া হয়েছে।
  • তথ্যসূত্র ও আরও পড়ুন অংশে টেকনিক্যাল সমস্যা রয়েছে (বইয়ের নামটি দেখা যাচ্ছে না)।
  • যথাসম্ভব নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে লেখার চেষ্টা করা হয়েছে।

অনুরোধ

  • যেহেতু প্রতিটি তথ্য যাচাই করা হয়েছে, তাই তথ্য পরিবর্তনের পূর্বে আলোচনা করে নেবেন।
  • নতুন তথ্য যোগ করার ক্ষেত্রে উপযুক্ত ও পূর্ণাঙ্গ তথ্যসূত্র প্রদান করতে ভুলবেন না।
  • ভাষা ও বানানশৈলীর দিকে দৃষ্টি অবশ্যই রাখবেন। নিবন্ধের ভাষা ও বানানশৈলীকে অনুসরণ করার চেষ্টা করবেন।

শেষ কথা

আমার কাজ শেষ। নিবন্ধটি আমি অপরের বিবেচনার উপর ছেড়ে দিচ্ছি। ধন্যবাদান্তে --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ১৬:৫৭, ২২ এপ্রিল ২০১১ (ইউটিসি)

আমার আনঅফিশিয়াল মূল্যায়নসম্পাদনা

আমি নিবন্ধটিতে যতটুকু পারবো আনঅফিশিয়ালি মূল্যায়ন করবো সময়-সুযোগমতো। আমি চাইবো, আমার মূল্যায়নের আগেই আরো কেউ দ্রুত মূল্যায়নপূর্বক নিবন্ধটিকে ধাপে ধাপে ভালো নিবন্ধ এবং নির্বাচিত নিবন্ধের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন। আমি সময়-সুযোগমতো দেখবো কারণ আমার পরীক্ষা সামনে আর আমার ইন্টারনেটের গতি সব সময় এতো বড় নিবন্ধে কাজ করতে দেয় না। যখনই যতটুকু মূল্যায়ন করবো, তখনই ততটুকুর মধ্যে আমার খটকাগুলো তুলে ধরবো:

  • "মধ্য জীবন" অংশে "১৯১৫ সালে ব্রিটিশ সরকার তাঁকে স্যার" উপাধি (নাইটহুড) দেয়।" কথাটি ঠিক করা প্রয়োজন।
  • নিবন্ধের ভাষাশৈলীতে হাত দিতে ভয় পাচ্ছি। কারণ অর্ণবদা পুরো নিবন্ধে কোন ভাষাশৈলী ধরে রেখেছেন, তা পুরোটা রিভিউ না করা পর্যন্ত বলতে পারছি না। তবে যতটুকু পড়লাম, তাতে আমার কাছে মনে হয়েছে নিবন্ধের ভাষাশৈলীটাও কেমন যেন রাবীন্দ্রিক। উদাহরণস্বরূপ বলি: জ্যাষ্ঠ জামাতা কথাটার চেয়ে বড় জামাতা কথাটা একটু বেশি প্রচলিত (এই অংশে আমিও ঠিক কনফিডেন্ট না)। "শৈশব ও কৈশর" অংশে পিতা বলা হলেও মাতা না বলে মা বলা হয়েছে। "যৌবন" অংশে বেণীমাধব রায়চৌধুরীর কন্যা ভবতারিণীর সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের বিবাহ সম্পন্ন হয়। কথাটায় অমুকের মেয়ে আর বিয়ে হয় বললে সেটা বেশি চলিত ভাষা হতো বলে আমার মত। যদি এই টোনটা সঠিক বলে মনে হয়, তাহলে অর্ণবদাকে অনুরোধ করবো পুরো নিবন্ধেই আরেকবার একটা রিভিউ দিয়ে নিতে, যাতে এজাতীয় পূর্ণ-সাহিত্যিক (কিন্তু প্রচলিত) ভাষাকে প্রচলিত ভাষা দিয়ে বদলে দেয়া যায়।
  • "যৌবন" অংশে রবীন্দ্রনাথের গল্পগুচ্ছ গ্রন্থের প্রথম চুরাশিটি গল্পের অর্ধেকই এই পর্যায়ের রচনা। -এজাতীয় বক্তব্যে চুরাশি না লিখে আমার কাছে ৮৪ লেখাটা সুন্দর লাগে আরকি।
  • আরেকটা ব্যাপার: যুক্তরাজ্য লিখবো নাকি ইংল্যান্ড লিখবো? এব্যাপারে একটা মতৈক্য হওয়া দরকার।
  • আর বাংলা একাডেমী প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম ২.০৯ (ও) অনুযায়ী দ্ব্যর্থবোধকতা দূর করতে হল শব্দটিকে হলো করেছি, কিন্তু ছিল শব্দটিকে ছিলো করিনি।

"সৃষ্টিকর্ম"-এর আগ পর্যন্ত মূল্যায়ন শেষে উপর্যুক্ত বিষয়গুলো তুলে ধরলাম।  —মঈনুল ইসলাম (আলাপ * অবদান) ২০:১৯, ২২ এপ্রিল ২০১১ (ইউটিসি)

প্রত্যুত্তরসম্পাদনা

  • "১৯১৫ সালে ব্রিটিশ সরকার তাঁকে স্যার" উপাধি (নাইটহুড) দেয়।" - বাক্যটি কী ভুল আছে, ধরিয়ে দিলে ভাল হয়।
  • সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমি শুদ্ধ বাংলা ব্যবহারের পক্ষপাতী। এর আগে জ্যেষ্ঠভ্রাতা-বড়োদাদা নিয়ে বিতর্ক হয়ে গেছে। সম্পর্কগুলি বাংলার এক এক অঞ্চলে এক এক নামে প্রচলিত। মা শব্দটি সর্বত্রই এক। এক বাবা শব্দটা সর্বত্র প্রচলিত নয়। তাই পিতা রেখেছি। জ্যেষ্ঠ জামাতাকে বড়ো জামাই (বড়ো জামাতা নয়) করা যায়, কারোর আপত্তি না থাকলে। আমার মনে হয় "কন্যা" বা "বিবাহ" এমন কিছু দুর্বোধ্য বাংলা নয়। চলিত বাংলায় এই শব্দগুলির ব্যবহার অশুদ্ধও নয়। এবং উভয় বাংলার প্রমিত বাংলাতেই স্বীকৃত। এখানে "মেয়ে" বা "বিয়ে" না করা হলেও পাঠকের বুঝতে অসুবিধা হবে না। আমি সাধারণ বোধগম্যতা বজায় রেখে "সাহিত্যিক" ভাষার পক্ষপাতী, কারণ তাতে শুধু নিবন্ধটি শ্রুতিমধুরই হয় না, আঞ্চলিকতার বিতর্কও এড়ানো যায়।
  • ৮৪/চুরাশি লেখা লেখকের নির্বাচন। কোনোটিই ভুল নয়।
  • আমার মনে হয়, "যুক্তরাজ্য" বা "ইংল্যান্ড" কোনোটিই ভুল হবে না।
  • হল/হলো নিয়ম নিয়ে দুই বাংলা আকাদেমির মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে। (পঃ বঃ বাংলা আকাদেমির বানানবিধি পরিশিষ্ট দ্রঃ) আমি পঃবঃ বাংলা আকাদেমির বানান অনুসরণ করেছিলাম। আমার মনে হয়, এই জাতীয় বিরোধের ক্ষেত্রগুলিতে বিতর্ক এড়াতে লেখক-অনুসৃত বানানশৈলী অবিকৃত রাখাই বাঞ্ছনীয়।

মূল্যায়নের জন্য ধন্যবাদ। পরবর্তী অংশের মূল্যায়নের অপেক্ষায় রইলাম। --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ০৩:১৬, ২৩ এপ্রিল ২০১১ (ইউটিসি)

  • স্যার-এর পর একটা ডাবল কোটেশন থাকায় আসলে বাক্যটা ওভাবে পড়িনি। আপনি দ্বিতীয়বার উল্লেখ করায় এবার দেখি বাক্যটাতো ঠিকই আছে। তবে ডাবল কোটেশনটা থাকার যৌক্তিকতা ঠিক বুঝলাম না।
  • আমি সাধারণ বোধগম্যতা বজায় রেখে "সাহিত্যিক" ভাষার পক্ষপাতী, কারণ তাতে শুধু নিবন্ধটি শ্রুতিমধুরই হয় না, আঞ্চলিকতার বিতর্কও এড়ানো যায়। -এই যুক্তিটা মোক্ষম, কোনো কথা নেই। সায় জানাচ্ছি। আমি আসলে কোনো পয়েন্টেই অপোয করিনি, শ্রেফ আমার খটকা এগুলো। যে বিতর্ক হয়ে গেছে, সে বিতর্ক সম্পর্কে আমি আসলে কিছুই জানতাম না। আমি শুধু এইজন্য বলেছি, কারণ রবীন্দ্রনাথ মানেই ঠান্ডা সাহিত্যিক ভাবধারা। তাঁর সম্বন্ধীয় উইকি-নিবন্ধও যদি সেই ভাবধারায় থাকে, তবে সবইতো এক হয়ে গেলো। আসলে দোষের কিছুই হয়নি। যাই হোক, এই প্রসঙ্গ এখানেই শেষ।
  • চুরাশি-ই সই।
  • তাহলে তো আবার একবার রিভার্ট করতে হবে বানানগুলো। পরবর্তি রিভিউয়ের সময় করার আশা রাখি।
ভালো থাকবেন। চেষ্টা করবো শিঘ্রই পরবর্তি রিভিউটা দিতে, ইনশাল্লাহ। ভালো থাকবেন। —মঈনুল ইসলাম (আলাপ * অবদান) ১৯:৫৮, ২৩ এপ্রিল ২০১১ (ইউটিসি)

আরো একটু মূল্যায়নসম্পাদনা

  • নিবন্ধের সৃষ্টিকর্ম অংশের নাট্যসাহিত্য উপাংশে বিসর্জন নাটকটি দুটি ভিন্ন সময়ে মঞ্চায়িত করেছিলেন তিনি। কথাটি দিয়ে যদিও বোঝাতে চেয়েছেন তিনি নাটকে দুবার [দুই চরিত্রে] অভিনয় করেছিলেন, কিন্তু বোঝা যাচ্ছে, নাটকটি নির্দেশনার দায়িত্ব তিনি পালন করছিলেন এবং তিনিই মঞ্চস্ত করেছেন। অথচ আদতে তিনি শ্রেফ অভিনয় করেছেন। তাই নয়কি? যদি তাই হয় তবে বাক্যটি অন্যভাবে লেখা দরকার: "...নাটকটিতে তিনি দুটি ভিন্ন সময়ে অভিনয় করেছিলেন" বা সুন্দর অন্যকিছু। আমার মাথায় কিছু আসছে না।
  • ইতিপূর্বে নাকি ইতোপূর্বে ব্যবহার করবো? এব্যাপারে মতানৈক্য থাকা স্বাভাবিক। বাংলাদেশেই দুটো পক্ষ হয়ে গেছে বলে জানি।
  • এই শৈলীটি "রবীন্দ্রনৃত্য" নামে পরিচিত। কথাটি একইভাবে দুইবার উল্লেখ করা আমার কাছে বাহুল্য মনে হয়েছে। এজন্য "সৃষ্টিকর্ম" অংশের নৃত্যকলা নিয়ে নানান পরীক্ষানিরীক্ষা চালিয়ে তিনি একটি স্বতন্ত্র নৃত্যশৈলী উদ্ভব করেছিলেন। এই শৈলীটি "রবীন্দ্রনৃত্য" নামে পরিচিত। লাইনটি বদলে এভাবে লেখা যায়: "নৃত্যকলা নিয়ে নানান পরীক্ষানিরীক্ষা চালিয়ে তিনি "রবীন্দ্রনৃত্য" নামে একটি স্বতন্ত্র নৃত্যশৈলীও উদ্ভব করেছিলেন।

আজকের মতো এখানেই ইতি। —মঈনুল ইসলাম (আলাপ * অবদান) ১৬:১৪, ২৫ এপ্রিল ২০১১ (ইউটিসি)

মতামতসম্পাদনা

  • রবীন্দ্রনাথ নিজের লেখা নাটক নিজের উদ্যোগেই মঞ্চায়িত করতেন। পরিচালনা ও অভিনয় - দুটিতেই অংশ নিতেন। এই দুই ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে।
  • আসলে দু'টিই অশুদ্ধ (শুদ্ধ রূপটি হল ইতঃপূর্বে)। কিন্তু আকাদেমির বাংলা অভিধানে দু'টিকেই মান্যতা দেওয়া হয়েছে এই মর্মে "অশুদ্ধ হলেও বাংলায় প্রচলিত"। তাই কোনোটিই "ভুল" নয়। দু'টি ঠিক বানানের ক্ষেত্রে ব্যবহার্য বানান নির্বাচনে বর্ণানুক্রমকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। ই যেহেতু ও-এর আগে আসে, তাই "ইতিপূর্বে"-ই থাক।
  • সৃষ্টিকর্মের ভূমিকায় লেখা যায়। "তাঁর প্রবর্তিত নৃত্যশৈলী "রবীন্দ্রনৃত্য" নামে পরিচিত"। নৃত্যকলা অংশে যা আছে থাক। আসলে "রবীন্দ্রসংগীত" ও "রবীন্দ্রনৃত্য" নামদু'টি রবীন্দ্রনাথের দেওয়া নয়, তাঁর মৃত্যুর পর এগুলি প্রচলিত হয়। তাই উল্লেখ করার সময়, "এগুলি অমুক নামে পরিচিত" জাতীয় কথা লেখা ভাল। --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ০৬:২৮, ২৬ এপ্রিল ২০১১ (ইউটিসি)

দৈনিক পত্রিকায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিবন্ধের পর্যালোচনাসম্পাদনা

গত ৬ই মে ২০১১ তারিখে প্রথম আলো নামে বাংলাদেশের একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় "সাইবার জগতে রবীন্দ্রনাথ" (http://archive.prothom-alo.com/detail/date/2011-05-06/news/152008) শীর্ষক এক ফিচারে বাংলা উইকিপিডিয়ার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিবন্ধটি সম্পর্কে একটি পর্যালোচনা প্রকাশিত হয়েছে। হয়তো লেখাটি অনেকের চোখেই পড়েছে। আর্কাইভ এবং যারা পড়েননি তাদের স্বার্থে লেখাটি থেকে ঐ পর্যালোচনার অংশটুকু তুলে দিলাম,

বাংলায় সাইবার জগতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সম্পর্কে জানার জন্য বাংলা উইকিপিডিয়া (http://bn.wikipedia.org/) দেখা যেতে পারে। অনুসন্ধান খোপে ‘রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর’ কিংবা শুধুই ‘রবীন্দ্রনাথ’ লিখলেও মেনুতে রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে বিষয়ভিত্তিক অনেক নিবন্ধ দেখা যাবে। প্রথম নিবন্ধটি হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ব্যক্তিজীবন নিয়ে। এই প্রবন্ধের শুরুতেই বলে দেওয়া হয়েছে, ‘এই নিবন্ধটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নামক ব্যক্তি সংক্রান্ত’। ‘নামক’ শব্দটিতে চমকে উঠলেও বলব সেই চমক ধরে রেখে পুরো লেখাটা পড়তে। কারণ, প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার শব্দের নিবন্ধটিতে খুব সংক্ষেপে রবীন্দ্রনাথের জীবন, সৃষ্টিকর্ম, রাজনীতি, শিক্ষাবিষয়ক চিন্তাধারা ইত্যাদি তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। সেখানে আরও অনেক চমক আছে। যেমন বাংলাদেশে রবীন্দ্রনাথের কর্মকাণ্ড ও জীবন প্রায় অনুপস্থিত। শিলাইদহের কুঠিবাড়ির একটি ছবি ও কয়েকটি লাইন ছাড়া বাংলাদেশ প্রসঙ্গ নেই। অথচ আমরা জানি সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর, নওগাঁর পতিসর, খুলনার দক্ষিণডিহিসহ বাংলাদেশের আরও কিছু স্থানে রবীন্দ্রনাথের জীবনের, বিশেষ করে যৌবনের, গুরুত্বপূর্ণ সময় কেটেছে। অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা ঘটেছে। তিনি অনেকগুলো বিখ্যাত রচনা বাংলাদেশে বসে লিখেছেন। ধারণা করছি, নিবন্ধটির রচয়িতাদের মধ্যে বাংলাদেশি কেউ নেই। কিংবা যাঁরা লিখেছেন তাঁরা বাংলাদেশে রবীন্দ্রনাথের কর্মকাণ্ড নিয়ে খোঁজ রাখেন না। এ অবস্থায় শিল্পকলা একাডেমী, বাংলা একাডেমী ও ছায়ানটসহ রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে কর্মকাণ্ড করে এমন সংগঠন ও ব্যক্তিরা প্রবন্ধটি সমৃদ্ধ করতে এগিয়ে আসতে পারেন।

--বেলায়েত (আলাপ | অবদান) ০৯:২৮, ৮ মে ২০১১ (ইউটিসি)


বর্তমান নিবন্ধের প্রধান অবদানকারী হিসেবে, এই সমালোচনার উত্তরও আমাকেই দিতে হচ্ছে। বলা হয়েছে, "বাংলাদেশে রবীন্দ্রনাথের কর্মকাণ্ড ও জীবন প্রায় অনুপস্থিত।" এখানে স্মর্তব্য, রবীন্দ্রনাথের জীবদ্দশায় বাংলাদেশ বলে কোনো রাষ্ট্র ছিল না। যে অঞ্চলগুলির উল্লেখ করা হয়েছে, সেগুলি সেকালের পূর্ববঙ্গের অন্তর্ভুক্ত ছিল। নিবন্ধের যা আকার, তাতে যথেষ্ট সামঞ্জস্য রেখেই পূর্ববঙ্গে রবীন্দ্রনাথের অবস্থান ও কীর্তি সম্পর্কে উল্লেখ করা হয়েছে। সমালোচক বলেছেন, "আমরা জানি সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর, নওগাঁর পতিসর, খুলনার দক্ষিণডিহিসহ বাংলাদেশের আরও কিছু স্থানে রবীন্দ্রনাথের জীবনের, বিশেষ করে যৌবনের, গুরুত্বপূর্ণ সময় কেটেছে। অনেক উল্লেখযোগ্য ঘটনা ঘটেছে। তিনি অনেকগুলো বিখ্যাত রচনা বাংলাদেশে বসে লিখেছেন।" ভুল নয়। কিন্তু মনে রাখা দরকার, রবীন্দ্রনাথ সারা জীবনই পূর্ববঙ্গে (অধুনা বাংলাদেশে) কাটাননি। যৌবনে শিলাইদহে থাকার মাঝে বেশ কিছুদিন কাটিয়েছিলেন যুক্তপ্রদেশ (অধুনা উত্তরপ্রদেশের) গাজিপুরে। সেখানে মানসী কাব্যগ্রন্থের অনেক বিখ্যাত কবিতা লেখা হয়। অধুনা কর্ণাটকের ব্যাঙ্গালোর (বেঙ্গালুরু) শহরে বসে লেখেন শেষের কবিতা। তাঁর নিজস্ব একটি বাড়ি ছিল উড়িষ্যার পুরী শহরে। সেখানেও অনেক লেখা লিখেছেন। পশ্চিমবঙ্গে মংপু শহরে রবীন্দ্রনাথের অবস্থান সকলের জানা। কালিম্পং শহরেও তাঁর নিজস্ব বাড়ি ছিল। গুজরাতের আমেদাবাদ এবং মহারাষ্ট্রের নাসিক, পুণে ও শোলাপুর শহরেও অনেক দিন ছিলেন রবীন্দ্রনাথ। দাদা সত্যেন্দ্রনাথের চাকুরি সূত্রে। সেখানে বসেও তাঁর অনেক বিখ্যাত রচনা লেখা হয়েছে। এসব কিছুই উল্লেখ করা হয়নি। জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি তাঁর জন্ম, মৃত্যুস্থান ও স্থায়ী ঠিকানা (রবীন্দ্রনাথের নামে যাবতীয় চিঠিপত্র এই ঠিকানাতেই লেখা হত)। সেই ঠাকুরবাড়ি সম্পর্কেও দু-চারটির বেশি বাক্য ব্যবহার করা হয়নি। নিবন্ধটি সমৃদ্ধ অবশ্যই করুন। কিন্তু একপেশে করে তুলবেন না। প্রয়োজনে পূর্ববঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (বাংলাদেশে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নামকরণের বিরোধিতা করছি) নামেও পৃথক নিবন্ধ সৃষ্টি করা যায়। ধন্যবাদান্তে --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ০৭:৫০, ৯ মে ২০১১ (ইউটিসি)

"নামক" নিয়ে পিনিক-টা বোঝা গেল না। আকাদেমি বাংলা অভিধান বলছে "নামক" মানে, "সং (নাম + ক) বিণ- নামে, নামবিশিষ্ট, নামযুক্ত [দশরথ নামক রাজা]"। তাহলে ভুলটা কোথায়? --অর্ণব দত্ত (আলাপ) ০৮:১১, ৯ মে ২০১১ (ইউটিসি)

তথ্য সংশোধনসম্পাদনা

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিশ্বভ্রমণ অংশে -

১৯২৭ সালের ১৪ জুলাই দুই সঙ্গীকে নিয়ে রবীন্দ্রনাথ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় এক চারমাসব্যাপী সফরে বের হন।

আবার

{মূল|রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর#বিশ্বভ্রমণ} অংশে -

১৯২৭ সালে সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়সহ চার সঙ্গীকে নিয়ে রবীন্দ্রনাথ গিয়েছিলেন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া সফরে। এই সময় তিনি ভ্রমণ করেন বালি, জাভা, কুয়ালালামপুর, মালাক্কা, পেনাং, সিয়ামসিঙ্গাপুর

অর্থাৎ, আলোচ্য দু'টো নিবন্ধের মধ্যে একই রেফারেন্সের মাধ্যমে [দুই] এবং [চার] সংখ্যার অনিচ্ছাকৃত প্রয়োগ ঘটায় বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। সুতরাং, সঠিক তথ্যটি উপস্থাপনপূর্বক (বিশেষতঃ নিবন্ধ রচয়িতাকে) দ্রুত সংশোধন করা একান্ত প্রয়োজন। ধন্যবাদ সহযোগে - সুব্রত রায় (আলাপ) ১২:১১, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ (ইউটিসি)

ভালো নিবন্ধের পর্যালোচনাসম্পাদনা

এই পর্যালোচনা আলাপ:রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর/ভাল নিবন্ধ১ থেকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই অনুচ্ছেদের সম্পাদনা লিঙ্ক পর্যালোচনায় মন্তব্য যোগ করতে ব্যবহার করা যেতে পারে।

পর্যালোচক: Bodhisattwa (আলাপ · অবদান) ১২:৩৪, ১৮ জুলাই ২০১৪ (ইউটিসি)

পর্যালোচনাসম্পাদনা

এর আগে এই নিবন্ধ নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে। মূলতঃ নির্বাচিত নিবন্ধতে উত্তীর্ন করার প্রশ্নেই সেই সব পর্যালোচনা করা হয়েছিল। অর্ণব সেই পর্যালোচনাগুলির উত্তরে যুক্তিসঙ্গত পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। গত কয়েক দিন ধরে নিবন্ধটি ও তার সমস্ত পর্যালোচনা ভালো করে পড়ে আমার মনে হয়েছে, ভালো নিবন্ধ হিসেবে উত্তীর্ণ করতে এই নিবন্ধে কোন বাধা নেই, বরং সমস্ত ক্ষেত্রে এটি সসম্মানে উত্তীর্ণ হয়েছে। রবীন্দ্রনাথ এতো বিশাল মাপের একজন ব্যক্তিত্ব, যে একটিমাত্র নিবন্ধে তাঁকে কোন ভাবেই বেঁধে রাখা যায় না, তবুও সেই অসম্ভব কাজ খুব সুচারু রূপে অর্ণব করেছেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সম্বন্ধে এই নির্মেদ তথ্যবহুল নিবন্ধটি বাংলা উইকিপিডিয়ার একটি অন্যতম সম্পদ বলে আমি মনে করি। আগামী দিনে নিবন্ধটিকে নির্বাচিত নিবন্ধের জন্য প্রার্থী হিসবে পাঠাতে অর্ণবকে অনুরোধ জানাই। -- বোধিসত্ত্ব (আলাপ) ১২:৩৪, ১৮ জুলাই ২০১৪ (ইউটিসি)

ভালো নিবন্ধ পর্যালোচনা (কোনগুলো ভালো নিবন্ধের গুণাবলী এবং কোনগুলো গুণাবলী বিবেচিত হয়না সেগুলো সম্পর্কে জানুন)

  1. সুলিখিত
    ক) গদ্য:  
    খ) রচনাশৈলী সহ বিন্যাস, তালিকা ইত্যাদি:  
    উত্তীর্ণ
  2. তথ্যগতভাবে নির্ভুল এবং যাচাইযোগ্য
    ক) তথ্যসূত্র:  
    খ)নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে উদ্ধৃতি করা হয়েছে:  
    গ) মৌলিক গবেষণা:  
    ঘ) তথ্যসূত্র হালনাগাদ করা হয়েছে:  
    উত্তীর্ণ
  3. নিবন্ধের ব্যাপকতা বা ব্যপ্তি রয়েছে
    ক) প্রধান বিষয়:  
    খ) মূল বিষয়েই নিবন্ধ আছে কিনা:  
    উত্তীর্ণ
  4. নিরপেক্ষভাবে লিখিত
    পক্ষপাত ব্যতীত তুল্যমূল্য উপস্থাপনা:  
    উত্তীর্ণ
  5. স্থিতিশীল
    কোনো সম্পাদনা যুদ্ধ বা পরিবর্তনশীল হচ্ছে কিনা:  
    উত্তীর্ণ
  6. যথাযথ স্থানে বর্ণনাসহ চিত্র ব্যবহৃত হয়েছে।
    ক) সকল মুক্ত ছবি আছে কিনা বা কোনো সৌজন্যমূলক ছবি থাকলে তা ঠিক বর্ননা করা আছে কিনা: 
    খ) ছবিতে ছবির উপযোগি বর্ণনা আছে কিনা:  
    উত্তীর্ণ
  1. সিদ্ধান্ত:
    উত্তীর্ণ/অনুত্তীর্ণ:  
    উত্তীর্ণ

এই পাতায় এই সূচনাতে অপূর্ণতা আছে ।নিম্নক্তো লেখাটি কেউ কষ্ট করে যোগ করে দিন ।

এপ্রিল ২০১৫সম্পাদনা

| spouse = মৃণালিনী দেবী (১৮৭৩–১৯০২ )

Pritom (আলাপ) ১১:৩৭, ১৮ এপ্রিল ২০১৫ (ইউটিসি)

  করা হয়েছে --মহীন রীয়াদ (আলাপ) ১৩:১২, ১৮ এপ্রিল ২০১৫ (ইউটিসি)

শ্রীলঙ্কার জাতীয় সংগীতের রচয়িতাসম্পাদনা

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই নিবন্ধটিতে রবীন্দ্রনাথকে ভারত এবং বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের রচয়িতা উল্ল্যেখ করা হয়েছে। আমরা কি তাঁকে শ্রীলঙ্কার জাতীয় সংগীতের(শ্রীলঙ্কা মাতা) রচয়িতা বলতে পারি না। দীপংকর চক্রবর্ত্তী (আলাপ) ৩০ অক্টোবর ২০১৫, সময়: ০৫:৫৩ (ইউটিসি)

"রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর" পাতায় ফেরত যান।