আমি একজন আইসিটি পেশাজীবী। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়‌এ পড়ে সেখানকার আইআইসিটিতে কর্মরত, সিস্টেম এডমিন হিসাবে ছিলাম।। পরে ছুটিতে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচী বা ইউএনিডিপির একটি প্রকল্পে কাজ করেছি। সেটি ছিল প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে। সেখানে ছিলাম ২০০৯ সাল পর্যন্ত। এরপর সে সময়কার আইসিটি প্রতিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমানের সঙ্গে কাজ করতে শুরু করি। ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে দৈনিক প্রথম আলোর যুব কর্মসূচী দেখাশোনা করছি। এছাড়া আমি কিছু লেখালেখি করি। ওপেন সোর্সে বিশ্বাসী। এ পর্যন্ত কয়েকটি বই প্রকাশিত হয়েছে। "আমাদের গণিত বইটি আমি ক্রিয়েটিভ কমন্স‌-এর আওতায় কপিরাইট করেছি। বাংলা একডেমির বিজ্ঞান কোষ এবং শিশু একাডেমির শিশু বিশ্বকোষের আমি একজন লেখক। দেশে শিক্ষার্খীদের জন্য যে গণিত অলিম্পিয়াডের আয়োজন করা হয়, তার সঙ্গে আমার কিছুটা সম্পৃক্তি রয়েছে। আমি বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটির সাধারণ সম্পাদক। এছাড়া বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কবাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতির সঙ্গে যুক্ত। আমাদের ৫টি স্বপ্ন পূরণের জন্য আমি এখন কাজ করছি। গণিত, আইসিটি ছাড়াও বায়োটেকনোলজিতেও আমার অনেক আগ্রহ। তবে বেসিক্যালি আমি একজন অলস লোক। আমার বুয়েটের চাকরি আর নাই। ইদানীং কালে আমি দেশে কর্মসংস্থান কেমনে বাড়ানো যায় সেটা নিয়ে কাজ করছি।

আমার প্রকাশিত বইসম্পাদনা

১. মিথ্যার মুখোমুখি প্রতিদিন, ১৯৯৪, সমাজ অধ্যয়ন কেন্দ্র, চট্টগ্রাম। কুসংস্কার বিরোধী রচনা সংকলন
২. গল্পে গল্পে ধাধা - ২০০১, অবসর
৩. ধাধায় ধাধায় গল্প ২০০২, অবসর
৪. আমাদের গণিত উৎসব, ২০০৬ সময়
৫. ওপেন সোর্স ও আমাদের ভবিষ্যৎ, বিজ্ঞান একাডেমি, ২০০৯
৬. সুডোকু মিলিয়ে আনন্দ, তাম্রলিপি, ২০০৯
৭. অঙ্কের ধাঁধা, ধাঁধার অঙ্ক, তাম্রলিপি, ২০১০
৮. যারা গণিত ভালবাসে, তাম্রলিপি, ২০১১
৭. যত সুডোকু, তত মজা, তাম্রলিপি, ২০১১
8. অংক শেখো বুদ্ধি বাড়াও - গড়ের মাঠে গড়াগড়ি, তাম্রলিপি, ২০১৩

কাজ করছি ১. দুনিয়াকে জানলো যারা (পাণ্ডুলিপি হারায় ফেলছি)
২. বীজ - ব্যবসা নয়, সম্ভাবনা ( নাম পরিবর্তন হতে পারে, ড. আবেদ চৌধুরীর সঙ্গে)

পরিকল্পনায় আছে ১. ১০১ গাণিতিক সমস্যা ও তার সমাধান
২. গণিত শেখার “রাজকীয় রাস্তা” -- সম্পাদনা

আমাদের ৫ স্বপ্নসম্পাদনা

২০১০ - বাংলাদেশ গণিত দলের আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পায়াডে ভাল করা
২০০৯ সালে জার্মানীতে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াড থেকে আমাদের দুইটি ব্রোঞ্চ পদক প্রাপ্তি হয়েছে। ২০১০ সালের মধ্যে আইএমও থেকে মেডেল পাওয়ার স্বপ্ন আমাদের পূরণ হয়েছে।
২০১২ - দেশে গড়ে তোলা বিশ্বমানের গবেষণা প্রতিষ্ঠান
২০১০ সালে পাটের জিনোম আবিস্কারের ক্ষেত্রে পুরো কাজটা দেশে হয়েছে। এর মানে হল এখানে সেরকম গবেষণা সম্ভব। কাজে ল্যাব বানানোর কাজটা এগিয়ে নেওয়া যাচ্ছে।
২০১৮ - মঙ্গলে মানব মিশনে আমাদের অংশগ্রহণ
২০২২ - একজন বাংলাদেশীর গণিতে ফিল্ডস মেডেল লাভ
২০৩০ - একজন বাংলাদেশীর বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ

আমার প্রথম বই-এর দ্বিতীয় মুদ্রণসম্পাদনা

আমার প্রথম বই-এর দ্বিতীয় মুদ্রণ এখন বই মেলার আগামীর স্টলে পাওয়া যাবে। যারা আগে পড়তে চেয়েছন, তারা খোঁজ করতে পারেন। এবার এই বই-এর সকল স্বত্ত্ব ত্যাগ করেছি। প্রকাশক আপত্তি করেন নি। আর বই-এর রয়্যালটিও একটি চ্যারিটিতে দিয়ে দিয়েছ।

বহিসংযোগসম্পাদনা

আমার সাইট ও ব্লগ (www.munirhasan.com)