আলাপ:বাঙালি হিন্দুদের পদবীসমূহ

সক্রিয় আলোচনা

বাঙালি হিন্দুর পদবী জাতিভিত্তিক নয়সম্পাদনা

বাঙালি হিন্দুর পদবীর জাতিভিত্তিক শ্রেণীবিভাজন অবৈজ্ঞানিক ও অনৈতিহাসিক। বহু পদবী এমন আছে যা একাধিক জাতির (কাস্টের) মধ্যে দেখা যায়। উদাহরণস্বরূপ 'পাল' যা কায়স্থ, তিলি ও কুম্ভকার জাতির মধ্যে দেখা যায়। পদবী অনেক ক্ষেত্রেই জীবিকা থেকে এসেছে এবং একাধিক জাতির একই জীবিকা হওয়া অসম্ভব নয়। কল্যাণ সরকার (আলাপ) ১৩:৫২, ১৯ অক্টোবর ২০১৩ (ইউটিসি)

ইম্পোরটেন্ট বা গুরুত্বসম্পাদনা

এই পাতার কোন ইম্পোরটেন্ট বা গুরুত্ব নেই।এই পাতা ডিলেট বা অপসারণ হওয়ার যোগ্য।যথেষ্ট তথ্যসূত্র ও নেই।--Minister of Welfare CHAT১৭:১২, ১ এপ্রিল ২০১৫ (ইউটিসি)

দেবনাথ পদবীর ব্রাহ্মণত্ব নির্ধারণ বিষয়েসম্পাদনা

পাতাটি সম্পাদনার দায়িত্বে যে বা যারা আছেন- তাঁদের প্রতি প্রশ্ন দেবনাথ পদবীটি ব্রাহ্মণ জাতির পরিচায়ক বলে স্বীকৃত কীনা? এই পদবীটি অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পেছনে কোন তথ্যসূত্র আছে কী? দেবনাথ ব্যতীত অন্য যে সমস্ত পদবীসকল আছে সেসকল পদবীর ঐতিহাসিক প্রমাণ ব্রাহ্মণজাতির কুলজীগ্রন্থে এবং বহুবিধ ঐতিহাসিক গবেষণামূলক প্রবন্ধের আওতাভুক্ত। বিশেষ প্রকারে-প্রাচ্যবিদ্যার্ণব নগেন্দ্রনাথ বসু সাহিত্যরত্ন মহাশয়ের- বাঙ্গালী জাতির ইতিহাসে ব্রাহ্মণ কাণ্ডে এসমস্ত পদবী বিষয়ের বিস্তারিত বর্ণন রয়েছে- এতদ্ব্যতীতও ব্রাহ্মণসম্প্রদায়ের দ্যোতকতা পদবীসকলে লোকপরম্পরাতেও এ প্রত্যক্ষ ও বহুকাল পূর্ব্ব হতে অনুশ্রুত। এক্ষেত্রে নগেন বসু ও দেবী কল্ল্যাণী (কল্যাণী) মল্লিক-এর (নাথ সম্প্রদায়ের ইতিহাস দর্শন ও সাধন পদ্ধতি) নাথ সম্প্রদায়ের ব্রাহ্মণত্ব দাবীর যে প্রচ্ছন্ন প্রচেষ্টা (প্রমাণসমূহের পরস্পর বিরোধিতাবশত) তা যথেষ্ঠ তথ্যবহুল নয় বলেই মনে করি। অর্থাৎ বিষয়টি সংশয়ে পর্য্যবসিত। অতএব, দেবনাথ পদবীটির তালিকায় অন্তর্ভুক্তিকরণ অযৌক্তিক। বিশেষ করে দেবনাথ সম্প্রদায়ের ভিন্ন ধর্মদর্শন এবং ব্রাহ্মণ্যবাদের অস্বীকার নাথপন্থীদের পয়ার ও দোহাগ্রন্থরাজি সমস্তেই তা দৃষ্ট। অন্তত শ্রৌত সংস্কার পদ্ধতির অনুসরণ যে নাথ পরম্পরায় অপ্রত্যক্ষ এ নিয়ে বোধহয় কারো মতান্তর নেই। বৌদ্ধ ধর্ম্ম ও জৈন ধর্ম্মের উপাদান নাথগোষ্ঠ্যান্তর্ভুক্ত শাস্ত্রসকলের ভিত্তি বলেই গবেষকদের অনুমিত। সুতরাং যথেষ্ঠ প্রমাণ ব্যতীত পদবীটি নিরেপক্ষতার খাতিরে অপসৃত করা হল। চৌধুরী, রায়চৌধুরী এসমস্ত ভূম্যাধিকার সত্ত্ব পরিচায়ক পদবীসকলও অপসারণের দাবী থাকল যেহেতু নানা সম্প্রদায়েই এই সকল পদবীর অহরহ ব্যবহার দেখা যায়। সরকার পদবীটি কায়স্থগণের নিজস্ব কোন পদবী নয়। এটি অপসারণের দাবী থাকল। ইসলাম শাসনামলে কিংবা ভূস্বামীদের প্রতি প্রদত্ত উপাধি মূল কায়স্থগণের প্রাচীন পদবীসমূহের পরিচায়ক হতে পারে না।নিরানব্বইটি কায়স্থ পদবীর প্রমাণ জন্য - বিশ্বকোষের 'কায়স্থ' শব্দ এবং নগেন বসু মহাশয়ের কায়স্থকাণ্ডের দ্বিতীয়াধ্যায় অনুসন্ধানের দাবী থাকল। --যশোদানন্দন (আলাপ) ২৩:৪৩, ২৭ জানুয়ারি ২০১৮ (ইউটিসি)

বাঙালি হিন্দুদের মধ্যে "বর্ণাশ্রম প্রথা" বা চার বর্ণ বিষয়েসম্পাদনা

বাঙালি হিন্দুদের মধ্যে বর্ণাশ্রম বা চার বর্ণ প্রথা দেখা যায় না।বাঙালিদের ইতিহাসে যে সকল বর্ণ পাওয়া যায় ব্রাহ্মণ,ব্রহ্মক্ষত্রিয়, বৈদ্য,কায়স্ত,শুদ্র।উত্তরবঙ্গের রাজবংশী উপজাতি সম্প্রদায় নিজেদের ক্ষত্রিয় দাবি করলেও তা শাস্ত্র এবং সর্বজন স্বীকৃত নয়। বৈশ্য বর্ণকে বল্লাল সেন লুপ্ত করেছিলেন(রাজনৈতিক কারণে) অদ্যাবধি বৈশ্য বলে কোনো বর্ণ বাঙলায় নেই। তাই গতানুগতিক হিন্দুদের ফরম্যাটে বাঙালী হিন্দুদের ফেলানো যায়না। Dr.SunBD (আলাপ) ১০:০৪, ৯ নভেম্বর ২০১৯ (ইউটিসি)

 Dr.SunBD: আপনি উপযুক্ত তথ্যসূত্র দিচ্ছেন না বলে আপনার সম্পাদনা বাতিল করা হচ্ছে।-- S. M. Nazmus Shakib (আলাপ) ১২:৪৬, ৯ নভেম্বর ২০১৯ (ইউটিসি)
 S. M. Nazmus Shakib: অনুগ্রহকরে আপনি তথ্যসূত্র পড়ে দেখুন।বাংলাপিডিয়ার "বর্ণপ্রথা" নিবন্ধের তথ্যসূত্রটি পড়লে বিষয়টি পরিস্তার হবে।--Dr.SunBD (আলাপ)
 Dr.SunBD: আপনি একটি অনলাইন গণমাধ্যমের সূত্র দিয়েছিলেন। উক্ত অনলাইন গণমাধ্যম বাংলা ভাষার মান্য সংবাদ মাধ্যমের মাঝে পড়ে না। দ্বিতীয়ত, আপনি বারবার বল্লাল সেনকে খলনায়ক বানাচ্ছেন এখানে। বাংলাপিডিয়া অনুসারে, বল্লালসেনের সময় বাংলায় জাত ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের সম্মুখীন হয়। তার মানে উনি কোনো প্রথার প্রবর্তক হয়ে যান না। তাছাড়া, বল্লালচরিতের বর্ণনাও ঐতিহাসিকদের সাথে পুরোপুরিভাবে গ্রহণযোগ্য নয়।--S. M. Nazmus Shakib (আলাপ) ১৩:২৯, ৯ নভেম্বর ২০১৯ (ইউটিসি)
"বাঙালি হিন্দুদের পদবীসমূহ" পাতায় ফেরত যান।