প্রধান মেনু খুলুন

হিরূ ওনোডা

জাপানি সেনা তথা গোয়েন্দা কর্মকর্তা

হির' "হিরূ" ওনোডা (小野田 寛郎, ওনোডা হির', ১৯ মার্চ ১৯২২;– ১৬ জানুয়ারি ২০১৪) ছিলেন জাপানি সাম্রাজিক সেনা তথা গোয়েন্দা কর্মকর্তা; তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন এবং তিনি অবশিষ্ট জাপানি সৈন্যদের একজন ছিলেন যারা ১৯৪৫ সালে আত্মসমর্পণ করেননি। "যুদ্ধ এখনও চলছে" এই ভ্রান্তিতে ওনোডা ফিলিপিন্সে ২৯ বছর কাটানোর পর; ১৯৭৪ সালে তার পূর্ব কামান্ডার ব্যক্তিগত কজে সেখানে যায় ও তাকে ডিউটি থেকে মুক্ত করেন।[১][২] তিনি জাপানি সাম্রাজ্যিক সেনাবাহিনীর সহকারী লেফট্যানেট পদে নিযুক্ত ছিলেন।

হিরূ ওনোডা
হিরূ ওনোডা, ১৯৪৪ খ্রিঃ
জন্ম(১৯২২-০৩-১৯)১৯ মার্চ ১৯২২
কাইনান, ওয়াকায়ামা, জাপান সাম্রাজ্য
মৃত্যু (2014-01-16) ১৬ জানুয়ারি ২০১৪ (বয়স ৫)
টোকিও, জাপান
আনুগত্য Empire of Japan
সার্ভিস/শাখা সাম্রাজ্যিক জাপানী সৈন্যবাহিনী
কার্যকাল১৯৪০–৭৪
পদমর্যাদাসেকেন্ড লেফটেন্যান্ট
যুদ্ধ/সংগ্রামদ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
অন্যান্য কাজগরু পালক
উদ্যোক্তা (শিক্ষা)

পরিচ্ছেদসমূহ

প্রাথমিক জীবনসম্পাদনা

ওনোডা ১৯ মার্চ, ১৯২২ খ্রিস্টাব্দে জাপানের ওয়াকায়ামা প্রদেশের কাইসো জেলার কামে কাওয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি প্রাচীন সামুরাই যোদ্ধা শ্রেণির অন্তর্গত একটি পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন; এবং তার পিতা চীনে নিহত না হওয়া পর্যন্ত একজন জাপানি সৈন্য চিকিৎসক হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন। ওনোডা ১৭ বছর বয়সে চীনের ইউহান ভিত্তিক একটি কোম্পানিতে কজ করা শুরু করে।[৩][৪] এবং ১৮ বছর বয়সে তিনি জাপানি সাম্রাজ্যিক সেনাবাহিনীর পদাতিক বাহিনীতে যোগদান করেন।[৩]

সামরিক সেবাসম্পাদনা

ওনোডা নাকোনা বিদ্যালয়ের কমান্ডো শ্রেণী "ফুটামাটা"-তে (二俣分校, ফুটামাটা-বুংক') গোয়েন্দা কর্মকর্তা হিসেবে প্রশিক্ষণ লাভ করেন।২৬ ডিসেম্বর ১৯৪৪ সালে তাকে ফিলিপিন্সের লুবাং দ্বীপে পাঠানো হয়।[৫] দ্বীপটিতে শত্রুদের হামলা রুখতে, তাকে বিমানবন্দর এবং আশ্রয়কেন্দ্র ধ্বাংস সহ সম্ভবপর সবকিছু করার আদেশ দেওয়া হয়েছিল। আদেশে এও উল্লেখ করা হয় যে, সে যেন আত্মসমর্পণ বা আত্মহত্যা না করে।

ওনোডা দ্বীপে পৌঁছানোর পর, পূর্বে পাঠানো অন্যান্য জাপানি সৈন্যদের সাথে যোগ দেন। দলের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাগণ ওনোডাকে তার কার্যভার বহন করতে বাধা দেয়, যে কারণে ২৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৫ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ফিলিপাইন কমনওয়েলথ বাহিনী দ্বীপটিতে অবতরণ করে ও সহজেই এই দ্বীপটি কব্জা করে নেয়। অবতরণের অল্প সময়ের মধ্যেই ওনোডা ও তিনজন সৈন্য ছাড়য় সকলেই হয় মারা যান অথবা আত্মসমর্পণ করেন। ওনোডার পদোন্নতি করে, তাকে লেফটেনেন্ট করা হয়; মানুষদের পাহাড়ে নিয়ে যাওয়াট আদেশ লাভ করে।

গোপনকালসম্পাদনা

পরবর্তী জীবনসম্পাদনা

মৃত্যুসম্পাদনা

ওনোডা ২০১৪ খ্রিস্টাব্দের ১৬ই জানুয়ারি টোকিওর সেন্ট লুক'স ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে নিউমোনিয়ার জটিলতার কারণে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন।[৬][৭] জাপানের প্রধান মন্ত্রিপরিষদ সচিব ইয়োশিহিদে শুগা তার মৃত্যুর বিষয়ে মন্তব্য করেন যে:- "আমি স্পষ্টতই মনে করি যে, যখন ওনোডা জাপানে ফিরে আসেন তখন যুদ্ধ শেষ হয়েছে বলে আমি আশ্বস্ত হয়েছি" এবং বেঁচে থাকার জন্য তাঁর ইচ্ছার প্রশংসা করেন।[৬]

কর্মসম্পাদনা

  • নো সারেন্ডার: মায় থার্টি-ইয়ার ওয়ার। টেরি, চার্লস এস কর্তৃক অনূদিত। নিউইয়র্ক: ডেল। ১৯৯৯। আইএসবিএন 978-1557506634 

আরও দেখুনসম্পাদনা

পাদটীকাসম্পাদনা

  1. Willacy, M. (2010): Japanese holdouts fought for decades after WWII ABC Lateline (November 12, 2010). Retrieved on September 16, 2011.
  2. Powers, D. (2011): Japan: No Surrender in World War Two BBC History (February 17, 2011). Retrieved on September 16, 2011.
  3. Brown, P. (2010): Hiroo Onoda’s Twenty Nine Year Private War ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৩ ডিসেম্বর ২০১৩ তারিখে Pattaya Daily News (June 15, 2010). Retrieved on September 16, 2011.
  4. 2nd Lt. Hiroo Onoda (c. 2010). Retrieved on April 3, 2011.
  5. Kawaguchi, J. (2007): Words to live by: Hiroo Onoda The Japan Times (January 16, 2007). Retrieved on September 16, 2011.
  6. McCurry, Justin (১৭ জানুয়ারি ২০১৪)। "Hiroo Onoda: Japanese soldier who took three decades to surrender, dies"The Guardian। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জানুয়ারি ২০১৪ 
  7. Mullen, Jethro and Yoko Wakatsuk (১৭ জানুয়ারি ২০১৪)। "Hiroo Onoda, Japanese soldier who long refused to surrender, dies at 91"। CNN। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জানুয়ারি ২০১৪ 

উদ্ধৃত কর্মসম্পাদনা

  • Hiroo Onoda (১৯৯৯)। No Surrender: My Thirty-Year War। Terry, Charles S. কর্তৃক অনূদিত। New York: Dell। আইএসবিএন 978-1557506634 

আরও পড়ুনসম্পাদনা

বহিঃসংযোগসম্পাদনা