প্রবেশদ্বার:জীবনী

(প্রবেশদ্বার:Biography থেকে পুনর্নির্দেশিত)

জীবনী প্রবেশদ্বার

Icon

জীবনী ( Biography গ্রিক ভাষায় bíos-এর অর্থ ' জীবন' এবং gráphein (γράφειν), অর্থ 'লেখন' থেকে Biography, বাংলা অভিধান মতে জীবনচরিত, জীবনবৃত্তান্ত। [সং. জীবন + ঈ]। ) সাহিত্যে বা চলচ্চিত্রের একটি শাখা। জীবনী কোনো উল্লেখযোগ্য ব্যক্তির জীবনের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলিকে তুলনামূলকভাবে পূর্ণ তথ্য সহকারে উপস্থাপন করে ।জীবনী প্রবেশদ্বারে স্বাগতম। জীবনী একধরণের সাহিত্য যা কোন মানুষের জীবনের উপর লেখা হয়। জীবনী কখনও কাল্পনিক হয় না। জীবনী শুধুই মানব জীবনের বাস্তব ঘটনার কাহানী। জীবনবৃত্তান্তের সাথে জীবনীর পার্থক্য হল, জীবনীতে ব্যক্তির ব্যক্তিত্বের বিশ্লেষন করা হয়, তার জীবনের বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে গভীর আলোচনা করা হয়। জন্ম, শিক্ষা, কাজ, সম্পর্ক ইত্যাদি হল জীবনবৃত্তান্তের অংশ, কিন্তু জীবনীর এর চাইতে অনেক ব্যাপক।

নির্বাচিত জীবনী

আলবার্ট আইনস্টাইন

আলবার্ট আইনস্টাইন (জার্মান ভাষায়: Albert Einstein আল্‌বেয়াট্‌ আয়ন্‌শ্‌টায়ন্‌) (১৪ই মার্চ, ১৮৭৯ - ১৮ই এপ্রিল, ১৯৫৫) একজন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী। আলবার্ট আইনস্টাইন জন্মসূত্রে ছিলেন জার্মান । তিনি সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্ববিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্বের জনক হিসাবে এবং আলোর কণাধর্মের ব্যাপারে সাহসী অনুকল্পের (Hypothesis) জন্য সর্বাধিক পরিচিত। তিনিই সম্ভবত বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে পরিচিতিপ্রাপ্ত বিজ্ঞানী।আইনস্টাইন ১৮৭৯ সালের (ঊনবিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে বিখ্যাত তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল'র মৃত্যুর বছর) ১৮ই মার্চ উল্‌ম শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর শৈশব কাটে মিউনিখ-এ। সেখানে তাঁদের পরিবারের একটা ছোট্ট তাড়িৎ যন্ত্রাদি নির্মাণের দোকান ছিল। তিন বছর বয়সের পর থেকে প্রথম কথা বলা শুরু করলেও অল্পবয়সেই তাঁর মধ্যে প্রকৃতির প্রতি অপার কৌতুহল এবং বিভিন্ন জটিল গাণিতিক ধারণাসমূহ বোঝার ক্ষেত্রে বিশেষ পারঙ্গমতা পরিলক্ষিত হয়। ১২ বছর বয়সে তিনি নিজে নিজেই ইউক্লিডীয় জ্যামিতি আয়ত্ত করেন।আইনস্টাইন মিউনিখের বিদ্যালয়ের একঘেয়ে পড়াশুনা এবং নিয়মকানুনের প্রতি কড়াকড়িকে ঘৃণা করতেন। বারম্বার ব্যবসায়ে ব্যার্থতার দরুণ জার্মানি ছেড়ে তাঁদের পরিবার ইতালির মিলানে পাড়ি জমায়। আইনস্টাইনের তখন ১৫ বছর বয়স। এই সুযোগটিকে কাজে লাগিয়ে তিনি বিদ্যালয়ের পাঠ পরিত্যাগ করেন। মিলানে একটি বছর তিনি পরিবারের সাথে কাটিয়ে দেন। ততদিনে 'কঠিন এই দুনিয়ায় নিজের পথ নিজেকেই দেখতে হবে' কথাটি তিনি অনুধাবণ করতে শিখে গেছেন, আর তাই সুইজারল্যান্ড'র আরাও (Aarau)-তে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা সমাপ্ত করে তিনি জুরিখ-এ অবস্থিত সুইস ফেডেরাল ইন্সটিটিউট অফ টেকনলজি (Swiss Federal Institute of Technology)-তে ভর্তি হন। কিন্তু ওখানকার পাঠদান পদ্ধতি তাঁর ভালো লাগতো না। প্রায়শই তাই ক্লাস ফাঁকি দিয়ে তিনি ওই সময়টাতে পদার্থবিজ্ঞানে নিজের খেয়ালমত বিষয়গুলি পড়তেন নতুবা তাঁর সাধের ভায়োলিনটি বাজাতেন। জনৈক সমপাঠীর ক্লাস-লেকচার পড়ে পড়েই তিনি পরীক্ষাগুলি উৎরে যেতেন। এমনি করেই ১৯০০ সালে তিনি স্নাতক ডিগ্রী অর্জন করেন। তাঁর সম্পর্কে অধ্যাপকগণের ধারণা তেমন উঁচু ছিল না। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন পদে চাকরির জন্য আইনস্টানকে মনোনয়ন দেওয়ার ব্যাপারেও তাঁরা রাজি ছিলেন না।দুই বছর তিনি টিউটর এবং বদলি শিক্ষক(Substitute teacher) হিসাবে কাজ করেন। ১৯০২ সালে তিনি বার্নে অবস্থিত সুইস পেটেন্ট কার্যালয়ে পরীক্ষকের কাজ যোগাড় করতে সমর্থ হন। ১৯০৩ সালে তিনি বহুকৌশল(Polytechnique) শিক্ষালয়ের এককালীন সহপাঠিনী মিলেভা মেরিক এর সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাঁদের দুটি পুত্রসন্তান হয়। কিন্তু পরবর্তিতে তাঁদের মধ্যে বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে এবং আইনস্টাইন পুনরায় বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। ... ... ... আরও জানুন

নির্বাচিত বিশেষ চিত্র

আপনি জানেন কি...

জ্যোতি বসু

উইকিপ্রকল্প

আরও দেখুন: জীবিত ব্যক্তির জীবনীManual of Style (biographies)

এই সপ্তাহের উক্তি

Isaacnewton.png
-আইজ্যাক নিউটন

স্যার আইজ্যাক নিউটন (ইংরেজি: Sir Isaac Newton, জানুয়ারি ৪, ১৬৪৩মার্চ ৩১, ১৭২৭) প্রখ্যাত ইংরেজ পদার্থবিজ্ঞানী, গণিতবিদ, জ্যোতির্বিজ্ঞানী, প্রাকৃতিক দার্শনিক এবং আলকেমিস্ট। ১৬৮৭ সনে তার বিশ্ব নন্দিত গ্রন্থ ফিলসফিয়া ন্যাচারালিস প্রিন্সিপিয়া ম্যাথামেটিকা প্রকাশিত হয় যাতে তিনি সর্বজনীন মহাকর্ষ এবং গতির তিনটি সূত্র বিধৃত করেছিলেন। এই সূত্র ও মৌল নীতিগুলোই চিরায়ত বলবিজ্ঞানের ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে, আর তার গবেষণার ফলে উদ্ভূত এই চিরায়ত বলবিজ্ঞান পরবর্তী তিন শতক জুড়ে বৈজ্ঞানিক চিন্তাধারার জগতে একক আধিপত্য করেছে। তিনিই প্রথম দেখিয়েছিলেন, পৃথিবী এবং মহাবিশ্বের সকল বস্তু একই প্রাকৃতিক নিয়মের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে। কেপলারের গ্রহীয় গতির সূত্রের সাথে নিজের মহাকর্ষ তত্ত্বের সমন্বয় ঘটিয়ে তিনি এর সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে সমর্থ হয়েছিলেন। তার গবেষণার ফলেই সৌরকেন্দ্রিক বিশ্বের ধারণার পেছনে সামান্যতম সন্দেহও দূরীভূত হয় বৈজ্ঞানিক বিপ্লব ত্বরান্বিত হয়।

যে কাজগুলি আপনি করতে পারেন

জুন ২৯-এই দিনের বার্ষিকী

বিষয়শ্রেণী


সার্ভার ক্যাশ খালি করুন