শীলাদেবীর ঘাট বগুড়া জেলার মহাস্থানগড় থেকে প্রায় ২০০ মিটার পূর্বে করতোয়া নদীতে অবস্থিত। এই ঘাটের মূল অবস্থান মহাস্থানগড়ের বৈরাগি ভিটার বিপরীত দিকে।[১]

স্থানীয় কাহিনী অনুযায়ী, শীলাদেবী ছিলেন মহাস্থানগড়ের শেষ হিন্দু রাজা পরশুরামের কন্যা বা ভগ্নি। মুসলিম সাধক শাহ সুলতান বলখী মাহিসাওয়ার কর্তৃক রাজা পরশুরাম পরাজিত হবার পর শীলাদেবী করতোয়া নদীর এই স্থানে জলে ডুবে আত্মহুতি দেন। এরপর থেকে স্থানীয় হিন্দুধর্মালম্বীরা এই স্থানে প্রতিবছর জ্যৈষ্ঠ মাসের শুক্লা দশমীতে এবং ১২ বছর পরপর পৌষ-নারায়ণী স্নানের উদ্দেশ্যে এই স্থানে যোগ দিয়ে থাকেন। দেশে এবং দেশের বাইরের অনেকেই এই স্নানউৎসবে অংশ নিতে করতোয়া তীরে আসেন।[২] অন্য এক জনস্রুতি মতে, স্থানটি এক সময় নৌপথে আমদানি করা পাথর খালাস ও স্তুপীকৃত করে রাখার জন্যে ব্যবহৃত হতো বলে কালক্রমে এর নাম হয় “শিলা দ্বীপ”, এবং যার বিকৃতরূপ সম্ভবত “শীলাদেবী” এবং “শীলাদেবীর ঘাট”।[১]

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. মোহাম্মদ আইয়ুব খান (২০১২)। "শীলাদেবীর ঘাট"চৌধুরী, আমিরুল ইসলাম; জামাল, আহমেদ আবদুল্লাহবাংলাপিডিয়া (অনলাইন সংস্করণ সংস্করণ)। বাংলাপিডিয়া ট্রাস্ট, বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটিআইএসবিএন 984-32-0576-6ওসিএলসি 52727562। সংগ্রহের তারিখ মার্চ ২০, ২০২০ 
  2. "আড়াই হাজার বছরের শীলাদেবীর ঘাট"দৈনিক ইত্তেফাক। সংগ্রহের তারিখ জুন ২৩, ২০১৪ 

বহিঃসংযোগসম্পাদনা