প্রধান মেনু খুলুন

শার্লি ম্যাকলেইন

মার্কিন অভিনেত্রী

শার্লি ম্যাকলেইন (ইংরেজি: Shirley MacLaine; জন্ম: শার্লি বেটি, ২৪শে এপ্রিল ১৯৩৪)[২] হলেন একজন মার্কিন অভিনেত্রী, গায়িকা, নৃত্যশিল্পী, সমাজকর্মী ও লেখক। অভিনয়ের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি একবার একাডেমি পুরস্কার, ২০১২ সালে আমেরিকান ফিল্ম ইনস্টিটিউট থেকে এএফআই আজীবন সম্মাননা পুরস্কার, এবং প্রদর্শন কলার মাধ্যমে মার্কিন সংস্কৃতিতে অবদানের জন্য ২০১৩ সালে কেনেডি সেন্টার সম্মাননা লাভ করেন। তিনি তার নব্য যুগ বিশ্বাসের জন্য পরিচিত এবং তার আধ্যাত্মিকতা ও পুনঃদেহধারনে আগ্রহ রয়েছে। তিনি তার এই বিশ্বাস, বিশ্ব ভ্রমণ ও তার হলিউড কর্মজীবনের উপর কয়েকটি আত্মজীবনীমূলক বই রচনা করেছেন।

শার্লি ম্যাকলেইন
স্থানীয় নাম
Shirley MacLaine
জন্ম
শার্লি ম্যাকলেইন বেটি

(1934-04-24) ২৪ এপ্রিল ১৯৩৪ (বয়স ৮৫)
পেশাঅভিনেত্রী, গায়িকা, নৃত্যশিল্পী, সমাজকর্মী, লেখক
কার্যকাল১৯৫৫–বর্তমান
রাজনৈতিক দলডেমোক্রেট[১]
দাম্পত্য সঙ্গীস্টিভ পার্কার
(বি. ১৯৫৪; বিচ্ছেদ. ১৯৮২)
সন্তানসাশি পার্কার
আত্মীয়ওয়ারেন বেটি (ভাই)
ওয়েবসাইটshirleymaclaine.com

ছয়বার একাডেমি পুরস্কারে মনোনীত ম্যাকলেইন প্রামাণ্যচিত্র দ্য আদার হাফ অব দ্য স্কাই: আ চায়না মেমোইর (১৯৭৫) পরিচালনার জন্য শ্রেষ্ঠ পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রামাণ্যচিত্র বিভাগে একাডেমি পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেন এবং সাম কেম রানিং (১৯৫৮), দি অ্যাপার্টমেন্ট (১৯৬০), ইর্মা লা দুশ (১৯৬৩) ও দ্য টার্নিং পয়েন্ট (১৯৭৭) চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে একাডেমি পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেন ও টার্মস অব এনডিয়ারমেন্ট চলচ্চিত্রের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে অস্কার লাভ করেন। তিনি আস্ক অ্যানি গার্ল (১৯৫৯) ও দি অ্যাপার্টমেন্ট (১৯৬০) চলচ্চিত্রের জন্য দুইবার শ্রেষ্ঠ বিদেশি অভিনেত্রী বিভাগে বাফটা পুরস্কার লাভ করেন, এবং বিশেষ টিভি অনুষ্ঠান জিপসি ইন মাই সোল-এর জন্য একটি এমি পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়া তিনি পাঁচটি প্রতিযোগিতামূলক গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার লাভ করেন এবং ১৯৮৮ সালে তাকে গোল্ডেন গ্লোব সেসিল বি. ডামিল পুরস্কার প্রদান করা হয়।

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "Shirley MacLaine"United States Studies Centre (ইংরেজি ভাষায়)। ৭ ডিসেম্বর ২০০৫। মার্চ ১১, ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৪ এপ্রিল ২০১৮ 
  2. ওয়ালশ, জন (১ সেপ্টেম্বর ২০১২)। "Shirley MacLaine: Tough at the top" (ইংরেজি ভাষায়)। দি ইন্ডিপেন্ডেন্ট। সংগ্রহের তারিখ ২৪ এপ্রিল ২০১৮ 

বহিঃসংযোগসম্পাদনা