র‌্যাচেল হেহো ফ্লিন্ট

ইংরেজ প্রমিলা ক্রিকেটার

র‌্যাচেল হেহো ফ্লিন্ট, ব্যারোনেস হেহো ফ্লিন্ট, ওবিই, ডিএল (ইংরেজি: Rachael Heyhoe Flint; জন্ম: ১১ জুন, ১৯৩৯ - মৃত্যু: ১৮ জানুয়ারি, ২০১৭) ইংল্যান্ডের বিখ্যাত আন্তর্জাতিক মহিলা ক্রিকেট তারকা ছিলেন। ১৯৬০ থেকে ১৯৮২ সময়কালে ইংল্যান্ড মহিলা ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন। দলে তিনি মূলতঃ ব্যাটার ছিলেন। এছাড়াও ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের অধিনায়ক ছিলেন র‌্যাচেল হেহো ফ্লিন্টমহিলা ক্রিকেট বিশ্বকাপের উদ্বোধনী আসরে ইংল্যান্ড দলের শিরোপা জয়ে নেতৃত্ব দেন তিনি।[১]

সম্মানীয়া
দ্য ব্যারোনেস হেহো ফ্লিন্ট
র‌্যাচেল হেহো ফ্লিন্ট.png
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামর‌্যাচেল হেহো ফ্লিন্ট
জন্ম (1939-06-11) ১১ জুন ১৯৩৯ (বয়স ৮০)
ওলভারহাম্পটন, ইংল্যান্ড
মৃত্যু১৮ জানুয়ারি ২০১৭(2017-01-18) (বয়স ৭৭)
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি লেগ স্পিন
ভূমিকাব্যাটসম্যান
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ৫১)
২ ডিসেম্বর ১৯৬০ বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা
শেষ টেস্ট১ জুলাই ১৯৭৯ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ )
২৩ জুন ১৯৭৩ বনাম আন্তর্জাতিক মহিলা একাদশ
শেষ ওডিআই৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৮২ বনাম অস্ট্রেলিয়া
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
১৯৮০–১৯৮২ওয়েস্ট মিডল্যান্ডস ওম্যান
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই
ম্যাচ সংখ্যা ২২ ২৩
রানের সংখ্যা ১৫৯৪ ৬৪৩
ব্যাটিং গড় ৪৫.৫৪ ৫৮.৪৫
১০০/৫০ ৩/১০ ১/৪
সর্বোচ্চ রান ১৭৯ ১১৪
বল করেছে ৪০২ ১৮
উইকেট
বোলিং গড় ৬৮.০০ ২০.০০
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট
সেরা বোলিং ১/৩ ১/১৩
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ১৩/– ৬/–
উৎস: ক্রিকইনফো, ১৪ এপ্রিল ২০১৭

খেলোয়াড়ী জীবনসম্পাদনা

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে ২২ টেস্টে অংশ নেন। ৩৮ ইনিংসে ৪৫.৫৪ গড়ে রান সংগ্রহ করেন। টেস্টে ৩টি সেঞ্চুরি করেন। তন্মধ্যে, ১৯৭৬ সালে ওভালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নিজস্ব সেরা ১৭৯ রান তোলে বিশ্ব রেকর্ড গড়েন। তিনি ক্রিজে সাড়ে তার এ অসম্ভব দৃঢ়তায় খেলাটি ড্রয়ে পরিণত হয়। সাড়ে আট ঘণ্টারও অধিক সময় অতিবাহিত করেন ও সিরিজ রক্ষা করেন। টেস্ট দলের সদস্য থাকাকালীন তিনি ছয় টেস্ট সিরিজে অপরাজিত ছিলেন।

১৯৭৮ সালে অধিনায়ক থেকে পদত্যাগের পর ১৯৭৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্ট খেলায় অংশ নেন। এরপর অবশ্য ১৯৮২ সালের মহিলাদের ক্রিকেট বিশ্বকাপে দলের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন তিনি।[২]

অবসরসম্পাদনা

ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর নেয়ার পর ফ্লিন্ট ক্রিকেট সাংবাদিকতা ও ধারাভাষ্যকার হিসেবে কাজ করছেন। ১৯৭২ সালে এমবিই পদবীতে ভূষিত হন।[৩] এরপর ২০০৮ সালে রাণীর জন্মদিনের সম্মানে ওবিই পদবী প্রদান করা হয়।[৪][৫] ১৯৯৯ সালে এমসিসিতে প্রথমবারের মতো দশজন মহিলাকে অন্তর্ভুক্তি করা হয়। এতে তাকেও সম্মানিত আজীবন সদস্যরূপে স্থান দেয়া হয়। ২০০৪ সালে প্রথম মহিলা হিসেবে এমসিসি’র পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে নির্বাচিত হন তিনি। ১৯৯৭ সাল থেকে ওলভারহাম্পটন ওয়ান্ডেরার্স এফ.সি’র পরিচালকরূপে দায়িত্ব পালন করছেন।

১৮ জানুয়ারি, ২০১৭ তারিখে লর্ডস কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে তার মৃত্যু সংবাদ ঘোষণা করে।[৬][৭]

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "Rachael Heyhoe Flint receives her OBE"। Birmingham Post। সংগ্রহের তারিখ ২৬ এপ্রিল ২০১৩ 
  2. "Baroness Heyhoe Flint MBE DL"। WomenSpeakers। ২১ মার্চ ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৮ মে ২০১৩ 
  3. "নং. 45678"দ্যা লন্ডন গেজেট (সম্পূরক) (ইংরেজি ভাষায়): 6268। ৩ জুন ১৯৭২। 
  4. Radley and Heyhoe-Flint honoured, Cricinfo. Retrieved 29 December 2007
  5. "নং. 58557"দ্যা লন্ডন গেজেট (সম্পূরক) (ইংরেজি ভাষায়): 10। ২৯ ডিসেম্বর ২০০৭। 
  6. "MCC saddened by Rachael Heyhoe Flint passing"Lord's। ১৮ জানুয়ারি ২০১৭। 
  7. "Women's pioneer Heyhoe-Flint dies aged 77"। ESPN Cricinfo। ১৮ জানুয়ারি ২০১৭। 

আরও দেখুনসম্পাদনা

বহিঃসংযোগসম্পাদনা