ম্যাডাম ফুলি ১৯৯৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত বাংলাদেশী বাংলা ভাষার চলচ্চিত্র। ছায়াছবিটি পরিচালনা করছেন শহীদুল ইসলাম খোকন। কাহিনী এবং চিত্রনাট্য লিখেছেন লিখেছেন শহীদুল ইসলাম খোকন এবং সংলাপ লিখেছেন কাজি মোরশেদ।[১] এতে মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন ববিতা, সিমলা, আলেকজান্ডার বো, হুমায়ুন ফরীদি, এটিএম শামসুজ্জামানখলিল উল্লাহ খান[২] এই সিনেমার মাধ্যমে চিত্রনায়িকা সিমলা ও চিত্রনায়ক আলেকজান্ডার বোর চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে। এটি একটি নারী কেন্দ্রীক বা নারীপ্রধান গল্পের সিনেমা।[৩] এই চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে সিমলা তার অভিষেক চলচ্চিত্রেই শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।[৪][৫] এছাড়া এটিএম শামসুজ্জামান শ্রেষ্ঠ কৌতুক অভিনেতার বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।[৬]

ম্যাডাম ফুলি
ম্যাডাম ফুলি.jpg
ম্যাডাম ফুলি চলচ্চিত্রের পোস্টার
পরিচালকশহীদুল ইসলাম খোকন
প্রযোজকশহীদুল ইসলাম খোকন
চিত্রনাট্যকারশহীদুল ইসলাম খোকন
শ্রেষ্ঠাংশেববিতা
সিমলা
আলেকজান্ডার বো
হুমায়ুন ফরীদি
সুরকারআলম খান
চিত্রগ্রাহকহাসান আহম্মেদ
সম্পাদকচিশতি জামাল
পরিবেশকজে কে মুভিস্
মুক্তি৩০ এপ্রিল, ১৯৯৯
দেশবাংলাদেশ
ভাষাবাংলা

কাহিনী সংক্ষেপসম্পাদনা

ফুলি (সিমলা,) একজন অশিক্ষিত গ্রামের মেয়ে সে তার বৃদ্ধা মায়ের সাথে গ্রামের একটি কুঁড়েঘরে বাস করে। মৃগী আক্রান্ত হয়ে গ্রামের একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি পানিতে ডুবে মারা যেতে চলেছিলেন এসময় ফুলি ওদখতে পেয়ে তার জীবন বাচাঁয়। প্রভাবশালী ব্যক্তি তার উপর খুব কৃতজ্ঞ হয় এবং প্রতিদান সরুপ তার পুত্রের তার সাথে বিবাহ দেয়। তবে তার ছেলে সোহেল (আলেকজান্ডার বো) ফুলিকে তার স্ত্রী হিসেবে মেন নেয় না এবং সে ফ্যানসি নামের অন্য একটি মেয়েকে ভালোবাসে। ফুলি বিয়ের পরে স্বামীর সাথেে একত্রে বসবাস করতে ঢাকায় আসে। সোহেল তাকে স্ত্রী হিসাবে যথাযথ অধিকার দেয় না। দেখতে অসুন্দর ও গেয়ে বলে বন্ধুদের দ্বারা অপমানীত হয় ঘটনাচক্রে, সে হারিয়ে যায় এবং তার মা সালমার কাছে তাকে খুঁজে পায়। সালমা (ববিতা) তাকে আধুনিক ও চতুর হতে শিখিয়ে ফিরে আসার শিক্ষা দেয়।

একজন নিরক্ষর গ্রামীণ মেয়ে তার স্বামীর অধিকার পাওয়ার জন্য নিজেকে আধুনিক ও চতুর পরিণত করে। পরে তার স্বামী তাতে ফিরে পেতে আগ্রহী হয়ে ওঠে

শ্রেষ্ঠাংশেসম্পাদনা

সঙ্গীতসম্পাদনা

ম্যাডাম ফুলি ছায়াছবিটির সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন আলম খান। গীত রচনা করেছেন মিল্টন খন্দকার। গানে কণ্ঠ দিয়েছেন খান আসিফ আগুন, ডলি সায়ন্তনী ও তন্নী।[২]

গানের তালিকাসম্পাদনা

নং.শিরোনামদৈর্ঘ্য

পুরস্কারসম্পাদনা

ম্যাডাম ফুলি চলচ্চিত্রটি ২৪তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের আসরে দুটি বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করে। [৭]

পুরস্কার বিভাগ বিজয়ী সুত্র
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী সিমলা [৬]
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার শ্রেষ্ঠ কৌতুক অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামান [৬]

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "এবার 'ম্যাডাম ফুলি ২'"প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুন ২০২০ 
  2. "আসছে শিমলার 'ম্যাডাম ফুলি টু'"Dhakatimes News। সংগ্রহের তারিখ ৫ জুন ২০২০ 
  3. "চলচ্চিত্রের নারীরা ফিরে আসুক সম্মানের আসনে"Risingbd.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৫ জুন ২০২০ 
  4. "glitz - A bdnews24.com Entertainment Production"web.archive.org। ২৮ ডিসেম্বর ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ৫ জুন ২০২০ 
  5. "'সব সখীরে পার করিতে নেব আনা আনা' গানে সাইমন-শিমলা"আমাদের সময়.কম - AmaderShomoy.com। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুন ২০২০ 
  6. "The Daily Star Web Edition Vol. 4 Num 107"archive.thedailystar.net। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুন ২০২০ 
  7. "জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রাপ্তদের নামের তালিকা (১৯৭৫-২০১২)"fdc.gov.bdবাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন। ২৩ ডিসেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ডিসেম্বর ২০১৮ 

বহিঃসংযোগসম্পাদনা