মিয়ানমারের কেন্দ্রীয় ব্যাংক

মায়ানমারের কেন্দ্রীয় ব্যাংক (বর্মী: မြန်မာနိုင်ငံတော်ဗဟိုဘဏ်; এমএলসিটিএস: myan ma naing ngam taw ba ho bhan আইপিএ: [mjəmà nàinŋàndɔ̀ bəhòʊbàn]; সংক্ষেপে সিবিএম) হল মায়ানমারের (আগের নাম বার্মা) কেন্দ্রীয় ব্যাংক। মায়ানমার কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১৯৯০ সালের মায়ানমার ব্যাংকিং আইন আনুযায়ী গঠিত হয়।[২]

মায়ানমারের কেন্দ্রীয় ব্যাংক
မြန်မာနိုင်ငံတော်ဗဟိုဘဏ်
প্রতীক
প্রতীক
প্রধান কার্যালয়
প্রধান কার্যালয়
প্রধান কার্যালয়নেপিদ
স্থাপিত২ জুলাই ১৯৯০ (1990-07-02)
গভর্নরকিয়াও কিয়াও মং[১]
যার কেন্দ্রীয় ব্যাংকমায়ানমার (বার্মা)
মুদ্রাবর্মী ক্যত
পূর্বসূরিইউনিয়ন ব্যাংক অব বার্মা
পিপলস ব্যাংক অব ইউনিয়ন ব্যাংক অব বার্মা
ওয়েবসাইটwww.cbm.gov.mm

প্রতিষ্ঠানসম্পাদনা

এর সদর দপ্তর নেপিদে অবস্থিত এবং ইয়াঙ্গুন ও মান্দালয়ে এর শাখা রয়েছে। এর গভর্নর কিয়াও কিয়াও মং এবং তিন জন সহকারী গভর্নর সেট অং, খিন সাউ ওঁওঁ এবং সোঁ মিন। ২০১৩ সালে মায়ানমার সংসদে মায়ানমার কেন্দ্রীয় ব্যাংক আইন করা হয়, যেখানে স্বায়ত্তশাসিত ও স্বাধীন পরিচালনা পর্ষদ রয়েছে।

নিয়ম-কানুনসম্পাদনা

সিবিএম মায়ানমারের অর্থনৈতিক প্রতিষ্টানগুলোর মধ্যে প্রতিযোগীতা,দক্ষতা ও সমন্বয়ের জন্য সহায়তা করে।২০০৭ সালের ডিসেম্বরের শেষে, ১৫ টি বেসরকারী ব্যাংক, ১৩ টি বিদেশী ব্যাংকের প্রতিনিধি অফিস এবং তিনটি বিদেশী বিমা কোম্পানির প্রতিনিধি অফিস হয়। দেশের অর্থনৈতিক পরিবর্তনের প্রয়োজন অনুযায়ী ১ এপ্রিল ২০০৬ সালের পর থেকে এর হার ১০ থেকে ১২ শতাংশ বৃদ্ধি পায়।

২০০৩-২০০৪ সালে সরকারি ভাবে প্রধান খাদ্যশস্য যেমন চাল,ডাল, আখ, তুলা ইত্যাদি ক্রয়পদ্ধতি বাতিলের পর থেকে সেখানে কৃষিতে অনেক অগ্রগতি সাধিত হয়।এছাড়া সরকার কৃষিতে ভূর্তুকি কমিয়ে দেয় বিশেষ করে সারে।কৃষি পণ্য ও উপকরনের বাণিজ্যে বেসরকারি অংশগ্রহণ বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে সরকার এখন ফসলের রপ্তানিতে উৎসাহিত করছে যা স্থানীয় বাজারে অতিরিক্ত অথবা নিচু বা পতিত জমিতে চাষ করার জন্য কৃষক ও বেসরকারি উৎপাদনকারীদের সুযোগ দিচ্ছে ।

অর্থ ও রাজস্ব মন্ত্রণালয়ের পরামর্শে সিবিএম মায়ানমারের অর্থনৈতিক স্থবিরতা ও অর্থনৈতি প্রতিষ্ঠানের রক্ষণাবেক্ষণ এর দ্বায়িত্ব পালন করে। অর্থনৈতিক স্থবিরতার দুটি প্রধান উদ্দেশ্যে (সচল পরিক্ষা এবং বন্ধ পর্যবেক্ষন) তত্ত্বাবধান, নিয়ন্ত্রণ এবং পর্যবেক্ষণ করা ।

সচল পরীক্ষায় ব্যাংকগুলোর আর্থিক কার্যক্রম এবং অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা নির্ধারণে জড়িত,কোথায় সংশোধন প্রয়োজন সেটা খুজে বের করা এবং তাদের ব্যাংকিং লেনদেন এবং আর্থিক অবস্থার বিশ্লেষণ করা ,ব্যাংকগুলোর আইন, বিধি ও নিয়মকানুন এর ব্যবহার নিশ্চিত করা কেমেল এর মাধ্যমে । বন্ধ সাইট পর্যবেক্ষণ হচ্ছে সাপ্তাহিক,মাসিক,ত্রৈমাসিক ও বার্ষিক রিপোর্ট সিবিএম এর কাছে দাখিল করা ।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিধিসম্মত অর্থ জমিয়ে রাখার প্রয়োজনীয়তা, মূলধন পর্যাপ্ততা, তারল্য , এন.পি.এল শ্রেণীবিন্যাস এবং খারাপ ও সন্দেহজনক ঋণ, একক ঋণ সীমা, ইত্যাদির উপর কিছু নির্দেশনা জারি করেছে। রিজার্ভের, তারল্য ও মূলধন পর্যাপ্ততা আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক রক্ষণাবেক্ষণ এর জন্য আন্তর্জাতিক সালিশি ব্যাংক (বি.আই.এস) এর মান অনুযায়ী নির্ধারিত হয়েছে । যাইহোক, ব্যাসেল -২ বাস্তবায়ন করতে আরো কয়েক বছর সময় লাগবে.

সদস্যসম্পাদনা

২০১৬ সালের জুলাইয়ের শেষ পর্যন্ত নিন্মোক্ত সদস্যরা ছিলেনঃ

  • গভর্নর
    • কিয়াও কিয়াও মং
  • সহকারী গভর্নর
    • সেট অং
    • খিন সাউ ওঁওঁ
    • সোঁ মিন
  • মহাপরিচালক
    • মিন্ট মিন্ট চি (গভর্নর কার্যালয়)
    • অং অং (প্রশাসন ও মানব সম্পদ উন্নয়ন বিভাগ)
    • মে মালার মং গি (মুদ্রানীতি বিষয়ক এবং ব্যাংকিং রেগুলেশন বিভাগের)
    • থিডা মাও অং (আর্থিক প্রতিষ্ঠান তত্বাবধান বিভাগ)
    • চান চান অং (হিসাব বিভাগ)
    • উইন থাও (বৈদেশিক মুদ্রা পরিচালন বিভাগের)

আরও দেখুনসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. Aye Thidar Kyaw (২৯ জুলাই ২০১৩)। "Old hand on new board"The Myanmar Times (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩১ জুলাই ২০১৩ 
  2. "Myanmar Bank Information" (ইংরেজি ভাষায়)। eTrade Myanmar। ১৪ জুন ২০০৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ জুলাই ২০০৬ 
  • "The Union of Myanmar" (PDF)। South East Asian Central Banks Research and Training Centre। ২০০৫। পৃষ্ঠা 45–49। ২৯ সেপ্টেম্বর ২০০৭ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ জুলাই ২০০৬