মহিউদ্দীন ফারুক

বাংলাদেশী চিত্র নির্দেশক এবং অভিনেতা

মহিউদ্দীন ফারুক (৩ মার্চ ১৯৪১ - ১৭ এপ্রিল ২০২০) হলেন একজন বাংলাদেশী শিল্প নির্দেশক এবং অভিনেতা। তিনি বসুন্ধরা (১৯৭৭), ডুমুরের ফুল (১৯৭৮), পিতা মাতা সন্তান (১৯৯১), পদ্মা নদীর মাঝি (১৯৯৩), দুখাই (১৯৯৭), মেঘলা আকাশ (২০০১) এবং মনের মানুষ (২০১০) চলচ্চিত্রের জন্য মোট ৭ বার শ্রেষ্ঠ শিল্প নির্দেশক পুরস্কার লাভ করেন।[১]

মহিউদ্দীন ফারুক
মহিউদ্দীন ফারুক.jpeg
জন্ম(১৯৪১-০৩-০৩)৩ মার্চ ১৯৪১
মৃত্যু১৭ এপ্রিল ২০২০(2020-04-17) (বয়স ৭৯)
ঢাকা, বাংলাদেশ
মৃত্যুর কারণহৃদরোগ
জাতীয়তাবাংলাদেশী
পেশাশিল্প নির্দেশক, অভিনেতা
কর্মজীবন১৯৭৩–২০১৯
দাম্পত্য সঙ্গীফাতেমা আক্তার বানু (বি. ১৯৬৫; মৃ. ২০২০)
সন্তান
পুরস্কারজাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (৭ বার)

নির্বাচিত চলচ্চিত্রসমূহসম্পাদনা

অভিনেতা হিসেবেসম্পাদনা

পরিচালক হিসেবেসম্পাদনা

  • বিরাজ বৌ - ১৯৮৭

শিল্প নির্দেশক হিসেবেসম্পাদনা

  • পায়ে চলার পথ - ১৯৭৩
  • মাসুদ রানা - ১৯৭৪
  • লাঠিয়াল - ১৯৭৫
  • বসুন্ধরা - ১৯৭৭
  • সারেং বউ - ১৯৭৮
  • ডুমুরের ফুল - ১৯৭
  • সূর্য দীঘল বাড়ী - ১৯৭৯
  • নাজমা - ১৯৮৩
  • সারেন্ডার - ১৯৮৭
  • লালু মাস্তান - ১৯৮৭
  • ভাইজান - ১৯৮৯
  • পিতা মাতা সন্তান - ১৯৯১
  • কালিয়া - ১৯৯৪
  • শিল্পী - ১৯৯৫
  • বিচার হবে - ১৯৯৬
  • ঘটনা সামান্য - ১৯৯৬
  • দুখাই - ১৯৯৭
  • ইতিহাস - ২০০২
  • চার সতীনের ঘর - ২০০২
  • দূরত্ব - ২০০৬
  • মনের মানুষ - ২০১০

পুরস্কার ও মনোনয়নসম্পাদনা

বছর পুরস্কার বিভাগ চলচ্চিত্র ফলাফল
১৯৭৭ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার শ্রেষ্ঠ শিল্প নির্দেশক বসুন্ধরা বিজয়ী
১৯৭৮ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার শ্রেষ্ঠ শিল্প নির্দেশক ডুমুরের ফুল বিজয়ী
১৯৯১ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার শ্রেষ্ঠ শিল্প নির্দেশক পিতা মাতা সন্তান বিজয়ী
১৯৯৩ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার শ্রেষ্ঠ শিল্প নির্দেশক পদ্মা নদীর মাঝি বিজয়ী
১৯৯৭ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার শ্রেষ্ঠ শিল্প নির্দেশক দুখাই বিজয়ী
২০০১ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার শ্রেষ্ঠ শিল্প নির্দেশক মেঘলা আকাশ বিজয়ী
২০১০ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার শ্রেষ্ঠ শিল্প নির্দেশক মনের মানুষ বিজয়ী

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রাপ্তদের নামের তালিকা (১৯৭৫-২০১২)"বাংলাদেশ সরকার। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন। সংগ্রহের তারিখ ২৯ মার্চ ২০১৯ 

বহিঃসংযোগসম্পাদনা