প্রিয়তমেষু (চলচ্চিত্র)

প্রিয়তমেষু ২০০৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত বাংলাদেশী বাংলা ভাষার নাট্য চলচ্চিত্র। ছায়াছবিটি পরিচালনা করেছেন মোরশেদুল ইসলাম। এটি লেখক হুমায়ূন আহমেদ রচিত একই নামের উপন্যাস অবলম্বনের নির্মিত।[১] ছায়াছবিটির চিত্রনাট্য লিখেছেন বরকত উল্লাহ মারুফ।[২] এতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন আফসানা মিমিসোহানা সাবা। এছাড়া অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন তৌকির আহমেদ, আরমান পারভেজ মুরাদ, গাজী রাকায়েত, হুমায়ুন ফরীদিসহ আরো অনেকে।[৩] চলচ্চিত্রটি ২০১২ সালের ২০ মে সার্ক চলচ্চিত্র উৎসব-এ প্রদর্শিত হয়।[৪] ছায়াছবিটি ২০১১ সালে প্রদত্ত জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে একটি বিভাগে পুরস্কার অর্জন করে। এছাড়া ২০১৪ সালে প্রদত্ত বাচসাস পুরস্কার-এ শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রসহ সাতটি বিভাগে পুরস্কার অর্জন করে।[৫]

প্রিয়তমেষু
প্রিয়তমেষু.jpg
পরিচালকমোরশেদুল ইসলাম
প্রযোজকমাজহারুল ইসলাম
মিজানুর রহমান বকুল
একেএম আরিফুর রহমান
চিত্রনাট্যকারবরকত উল্লাহ মারুফ
কাহিনিকারহুমায়ূন আহমেদ
উৎসপ্রিয়তমেষু (উপন্যাস)
শ্রেষ্ঠাংশে
সুরকারশিমুল ইউসুফ
চিত্রগ্রাহকমনিরুল ইসলাম মাসুম
সম্পাদকসৈকত খন্দকার
আবদুল্লাহ তুহিন
পরিবেশকইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড
মুক্তি১৩ নভেম্বর, ২০০৯
দৈর্ঘ্য১৩৭ মিনিট
দেশবাংলাদেশ
ভাষাবাংলা ভাষা

কাহিনী সংক্ষেপসম্পাদনা

নিশাত ও পুষ্প পাশাপাশি ফ্ল্যাটে থাকে। পুষ্পর ছেলে পল্টুর মাধ্যমে একদিন তাদের পরিচয় হয় এবং তা বন্ধুত্বে পরিবর্তিত হয়। পুষ্পকে নিশাত ছোট বোনের মতো ভালোবাসে। নিশাতের স্বামী জহির ভালো চাকরি করে। পুষ্পর স্বামী রকিব খুবই সাধারণ চাকরি করে। রকিবের বড়লোক বন্ধু মিজান প্রায়ই তাদের ফ্ল্যাটে আসে। তার ঘন ঘন বাসায় আসায় পুষ্প বিরক্ত ও ভীত। একদিন রকিবের অনুপস্থিতিতে সে ধর্ষণ করে পুষ্পকে। পুষ্প তার স্বামী রকিবকে তা জানালে সে আইনের আশ্রয় নিতে ভয় পায়। কিন্তু মিজানকে আইনের মুখোমুখি দাঁড় করাতে চায় পুষ্প। তার সাহায্যে এগিয়ে আসে নিশাত।

শ্রেষ্ঠাংশেসম্পাদনা

সঙ্গীতসম্পাদনা

ছায়াছবিটির সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন শিমুল ইউসুফ। গীত রচনা করেছেন কামরুজ্জামান কামু। গানে কণ্ঠ দিয়েছেন বালাম, জুলি ও শিমুল ইউসুফ

পুরস্কারসম্পাদনা

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার

  • বিজয়ী: শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী (বিশেষ পুরস্কার) - জারকান জুনায়েদ জিদরান

বাচসাস পুরস্কার

  • বিজয়ী: সেরা চলচ্চিত্র (প্রযোজক) - মোরশেদুল ইসলাম
  • বিজয়ী: সেরা পরিচালক - মোরশেদুল ইসলাম
  • বিজয়ী: সেরা কাহিনীকার - হুমায়ুন আহমেদ
  • বিজয়ী: সেরা চিত্রনাট্যকার - বরকতউল্লাহ মারুফ[৬]
  • বিজয়ী: সেরা সংলাপ রচয়িতা - মোরশেদুল ইসলাম
  • বিজয়ী: সেরা সম্পাদক - আবদুল্লাহ তুহিন ও শওকত খন্দকার
  • বিজয়ী: সেরা শব্দগ্রাহক - রতন পাল

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "চলচ্চিত্রে হুমায়ূন, হুমায়ূনের চলচ্চিত্র"দেশে বিদেশে। সংগ্রহের তারিখ ১৮ আগস্ট ২০১৬ 
  2. "চলচ্চিত্র হচ্ছে হুমায়ূন আহমেদের 'প্রিয়তমেষু', পরিচালক মোরশেদুল ইসলাম"বিডিনিউজ। ঢাকা, বাংলাদেশ। ২১ জুন ২০০৭। সংগ্রহের তারিখ ১৮ আগস্ট ২০১৬ 
  3. "চলচ্চিত্র : প্রিয়তমেষু"দৈনিক সমকাল। ২ ডিসেম্বর ২০০৯। সংগ্রহের তারিখ ১৮ আগস্ট ২০১৬ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  4. "সার্ক চলচ্চিত্র উৎসবে শ্রেষ্ঠ পরিচালক মোরশেদুল ইসলাম"দৈনিক প্রথম আলো। ঢাকা, বাংলাদেশ। ২২ মে ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ১৮ আগস্ট ২০১৬ 
  5. "পাঁচ বছরের বাচসাস পুরস্কার ঘোষণা"দৈনিক ইত্তেফাক। ২৮ ডিসেম্বর ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ১৮ আগস্ট ২০১৬ 
  6. "পুরস্কার ফিরিয়ে দিয়ে এবার প্রতিবাদ বাংলাদেশে"। এনটিভি অনলাইন। ৭ নভেম্বর ২০১৫। ৫ আগস্ট ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৮ আগস্ট ২০১৬ 

বহিঃসংযোগসম্পাদনা