নয়ীম গহর (১৫ আগস্ট ১৯৩৭ - ৭ অক্টোবর ২০১৫)[১] হলেন বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত গীতিকার। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে জনমত গঠন ও সঙ্গীত রচনার মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ মানুষকে উদ্বুদ্ধ করার অনন্য সাধারণ অবদানের জন্য ২০১২ সালে তাকে “স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে স্বাধীনতা পুরস্কার” প্রদান করা হয়।[২]

নয়ীম গহর
জন্ম১৫ আগস্ট ১৯৩৭
মৃত্যু৭ অক্টোবর ২০১৫
মৃত্যুর কারণবার্ধক্যজনিত কারনে
সমাধিশহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থান, মিরপুর, ঢাকা
নাগরিকত্ব বাংলাদেশ
পুরস্কারস্বাধীনতা পুরস্কার (২০১২)

জন্ম ও পারিবারিক পরিচিতিসম্পাদনা

মুন্সীগঞ্জ জেলার মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার রামপাল ইউনিয়নের সিপাহীপাড়া গ্রামে।

শিক্ষাজীবনসম্পাদনা

কর্মজীবনসম্পাদনা

স্বাধীকার আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধে অবদানসম্পাদনা

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে সঙ্গীত রচনা ও ‘জন্ম আমার ধন্য হলো মা গো’ এবং ‘নোঙ্গর তোলো তোলো সময় যে হলো হলো’-এর মত কালজয়ী গানের মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধাদের সাহস যুগিয়েছেন তিনি।[১][৩]

মৃত্যুসম্পাদনা

বরেণ্য এ গীতিকার স্ট্রোক (মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের কারনে) করায় স্মৃতিশক্তি লোপ পায় এবং একই সাথে ঊরুতে একটি অস্ত্রোপচারের পর সেখানে পচন ধরায় ও দীর্ঘদিন বিছানায় থাকায় পিঠেও ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছিলো।[৪] ফলশ্রুতিতে রাজধানী ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি এবং এখানেই ২০১৫ সালের ৭ অক্টোবর মারা যান।[৫]

পুরস্কার ও সম্মাননাসম্পাদনা

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অসাধারণ অবদানের জন্য ২০১২ সালে বাংলাদেশের “সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার”[৬][৭][৮] হিসাবে পরিচিত “স্বাধীনতা পুরস্কার” প্রদান করা হয় তাকে।[২]

আরও দেখুনসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "নয়ীম গহর আর নেই"দৈনিক প্রথম আলো অনলাইন। ৮ অক্টোবর ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭ 
  2. "স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানের তালিকা"মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। ১ ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭ 
  3. "'জন্ম আমার ধন্য হলো' আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ একটি গান: সাবিনা ইয়াসমীন"প্রথম আলো। ২০১৫-১০-০৭। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-১১-২৬ 
  4. "চলে গেলেন নয়ীম গহর"দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন অনলাইন। ৮ অক্টোবর ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭ 
  5. "নয়ীম গহর আর নেই"বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম অনলাইন। ৭ অক্টোবর ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭ 
  6. সানজিদা খান (জানুয়ারি ২০০৩)। "জাতীয় পুরস্কার: স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার"। সিরাজুল ইসলাম[[বাংলাপিডিয়া]]ঢাকা: এশিয়াটিক সোসাইটি বাংলাদেশআইএসবিএন 984-32-0576-6। সংগ্রহের তারিখ ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার।  ইউআরএল–উইকিসংযোগ দ্বন্দ্ব (সাহায্য)
  7. "স্বাধীনতা পদকের অর্থমূল্য বাড়ছে"কালেরকন্ঠ অনলাইন। ২ মার্চ ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭ 
  8. "এবার স্বাধীনতা পদক পেলেন ১৬ ব্যক্তি ও সংস্থা"এনটিভি অনলাইন। ২৪ মার্চ ২০১৬। ১ ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭ 

বহিঃসংযোগসম্পাদনা