দারুল উলুম ঢাকা

বাংলাদেশি দেওবন্দি ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়

জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম ঢাকা (আরবিউর্দু: الجامعة الإسلامية دار العلوم دكا) ঢাকার মিরপুরে অবস্থিত একটি বৃহৎ কওমি মাদ্রাসা বা বেসরকারি ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়। ভারতের প্রাচীনতম ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় দারুল উলুম দেওবন্দের আদলে ২০০০ সালে মুফতি দিলাওয়ার হোসাইন এটি প্রতিষ্ঠা করেন।[১][২] ২০০৭ সালে এখানে তাখাচ্ছুছাত (পিএইচডি) চালুর মাধ্যমে একটি পরিপূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হয়। এটি মাদরাসা মসজিদুল আকবর নামেও পরিচিত।[৩][৪]

জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম ঢাকা
الجامعة الإسلامية دار العلوم دكا
নীতিবাক্যاقْرَأْ بِاسْمِ رَبِّكَ
পড় তোমার প্রভুর নামে
ধরনকওমি মাদ্রাসা
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
স্থাপিত২০০০; ২০ বছর আগে (2000)
মূল প্রতিষ্ঠান
দারুল উলুম দেওবন্দ
অধিভুক্তিআল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ
ধর্মীয় অধিভুক্তি
দেওবন্দি
আচার্যমুফতি দিলাওয়ার হোসাইন
উপাচার্যনুরুল ইসলাম খান কাসেমী
স্নাতকউলা (ফাজিল)
স্নাতকোত্তরদাওরায়ে হাদীস (কামিল)
ইফতা, আরবি সাহিত্য, ক্বেরাত
অবস্থান
মিরপুর ১, ঢাকা, বাংলাদেশ

২৩°৪৮′০৮″ উত্তর ৯০°২১′০২″ পূর্ব / ২৩.৮০২২১° উত্তর ৯০.৩৫০৬৪° পূর্ব / 23.80221; 90.35064স্থানাঙ্ক: ২৩°৪৮′০৮″ উত্তর ৯০°২১′০২″ পূর্ব / ২৩.৮০২২১° উত্তর ৯০.৩৫০৬৪° পূর্ব / 23.80221; 90.35064
শিক্ষাঙ্গনশহুরে
ওয়েবসাইটdarululoomakbarmadrasa.com
দারুল উলুম ঢাকার লোগো.jpeg

অবস্থানসম্পাদনা

দারুল উলুম ঢাকার মিরপুরের সি.ও. ব্লকের ১নং সেকশনে অবস্থিত।

ইতিহাসসম্পাদনা

মুফতি দিলাওয়ার হোসাইন ১৯৯৮ মসজিদে আকবরে খতিব পদে নিয়োগ লাভ করেন যা ১৯৬০ সালে একটি কমপ্লেক্স হিসেব প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। কমপ্লেক্সের ভিতরে তিনি ২০০০ সালে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করেন। এখানে তিনি প্রথম স্তর থেকে সর্বোচ্চ স্তর দাওরায়ে হাদীস ও তাখাস্সুস ফিল ফিকহি ওয়াল ইফতা বিভাগ পর্যন্ত বিভাগ চালু করেন। দু’বছরের মধ্যেই এই প্রতিষ্ঠানে ছাত্র সংখ্যা পরিপূর্ণ হয়ে যায়। এভাবে কয়েক বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পর ২০০৭ সালে আরো পাঁচটি উচ্চতর গবেষণামূলক বিভাগ চালু করেন। বিভাগগুলো:[২]

  • আত তাখাস্সুস ফী উলূমিল কুরআন ওয়া তাফসীরিহী (তাফসীর বিভাগ)
  • আত তাখাস্সুস ফিল হাদীসিশ শরীফ (হাদীস বিভাগ)
  • আত তাখাস্সুস ফিল ফিকহি ওয়াল ইফতা (ফিকহ ও ইফতা বিভাগ)
  • আত তাখাস্সুস ফিল লুগাতিল আরাবিয়্যা ওয়া আদাবিহা (আরবী ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ)
  • আত তাখাস্সুস ফিস সীরাতি ওয়াত তারীখ (ইতিহাস বিভাগ)

প্রতিটি বিভাগই দু’বছরের মেয়াদের। তন্মধ্য হতে ৫ম বিভাগটি নতুন।

বিভাগসম্পাদনা

জামিয়াতে কয়েকটি বিভাগ রয়েছেঃ[৫]

  • আততাখাসসুস (উচ্চতর গবেষণা)
  • কিতাব বিভাগ [ইবতেদায়ী থেকে দাওরায়ে হাদিস (মাস্টার্স) পর্যন্ত ]
  • হিফযুল কুরআন ( নুরানী শিক্ষা সম্পন্ন করা ছাত্রদের জন্য কুরআন হিফয করার ব্যবস্থা)
  • নূরানী বিভাগ (দুই বছর মেয়াদি)
  • নৈশ মাদ্রাসা (বয়স্ক পুরুষদের জন্য আরবি ও দ্বীনি শিক্ষার ব্যাবস্থা)
  • মহিলাদের আরবি শিক্ষা বিভাগ (বয়স্ক মহিলাদের জন্য আরবি ও দ্বীনি শিক্ষার ব্যাবস্থা)

আরো দেখুনসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "করোনায় জামাআত-জুমআ নিয়ে দেশের শীর্ষ আলেমরা যা বললেন"jagonews24.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৮-০৫ 
  2. বিল্লাহ, মাসুম। "মুফতী দিলাওয়ার হোসাইন দামাতবারাকাতুহুম এর প্রতিষ্ঠান"। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৭-৩০ 
  3. "মাদরাসা মসজিদুল আকবরে প্রখ্যাত ক্বারী ফজলুর রহমানের ইন্তেকাল"www.jagonews24.com। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৭-৩০ 
  4. জুনাইদ, এনাম হাসান (২০২০-০২-২৩)। "২৭শে ফেব্রুয়ারী আকবর কমপ্লেক্সে দোআ মাহফিল, থাকবেন আল্লামা আহমদ শফি"ইসলাম টাইমস। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৭-৩০ 
  5. "জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলূম আকবার মাদরাসা ঢাকার বিভাগ সমূহ"। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৭-৩০