প্রধান মেনু খুলুন
গিলিউও রোমানো’র The Allegory of Immortality, ১৫৪০ খ্রীষ্টাব্দ, ডেট্রয়েট ইনস্টিটিউট অব আর্টস, ডেট্রয়েট, এমআই, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

দানব (ইংরেজি: Monster) হলো এক ধরনের বিচিত্র জীব, যার চেহারা ভয়ঙ্কর এবং যার ধ্বংসাত্মক ক্ষমতা মানব বিশ্বের সামাজিক বা নৈতিকতার জন্য হুমকি স্বরূপ।

একটি দানব বা দৈত্য মানুষও হতে পারে, কিন্তু লোককাহিনীতে সাধারণত এটি নীচুশ্রেণীর, রূপান্তরিত, বিকৃত, অতিপ্রাকৃত এবং পারলৌকিক হিসেবে বর্ণীত হয়।

দানব পশু নৈতিক আদেশের বাইরে, কিন্তু কখনও কখনও তাদের নৈতিক নিয়মের মানবিক লঙ্ঘন ঘটে (যেমন, গ্রীক পৌরানিক কাহিনীতে বর্ণীত আছে, ক্রিটের রাজা মিনোস সমুদ্র দেবতা সাদা ষাড় পসেইডনকে বলিদান না করায় মিনোসকে ইশ্বরের কাছে পাঠান। ফলস্বরূপ, পসেইডন মিনোসের স্ত্রী পাসিফাইকে শাস্তি দেন। পাসিফাই ষাড়ের প্রতি প্রেমাসক্ত হয়ে পড়ে এবং পশুর সহিত মিলিত হয়। পসিফাই ষাড়ের মাথাওয়ালা মানব সন্তান মাইনোটোর জন্ম দেয়)। মানব দানব হলো যারা কখনই সম্পূর্ণ মানব হিসেবে জন্ম নেয়নি (মেডুসা এবং তার বোন) অথবা যারা কিছুটা অতিপ্রাকৃতিক বা অস্বাভাবিক কারণে তাদের মানবিকতা হারিয়েছে (ওয়্যারওলভস, ফ্রাঙ্কেনস্টাইনের দৈত্য) এবং যারা মানব সমাজের নিয়মনীতি মেনে চলতে পারে না।

দানবদের নিয়ে প্রাচীন ইতিহাস এবং দানবদের সম্বন্ধে সমাজের ভিতরে বিশেষ সাংস্কৃতিক বিশ্বাস নিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক গবেষণা মনস্ট্রোফি[১] হিসেবে পরিচিত।

সাহিত্যে, পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে দানবের উপস্থিতি আছে। উপন্যাসের সুপরিচিত দানবগুলোর মধ্যে কাউন্ট ড্রাকুলা, ফ্রাঙ্কেনস্টাইনের দৈত্য, ওয়্যারওলভস, মমি এবং জম্বি বিখ্যাত।

ব্যুতপত্তিসম্পাদনা

 
polemical allegory হিসেবে একটি পাঁচ মাথার দানব ব্যবহৃত হয়েছে, 1618

দানব শব্দটি ল্যাটিন monstrum থেকে উদ্ভূত। এটি ক্রিয়াবাচক শব্দ moneo থেকে উদ্ভূত (যার অর্থ স্মরণ, সতর্কতা, নির্দেশনা, বা ভবিষ্যদ্বাণী করা), এবং অনেক সময় "অদ্ভুত বা একক, প্রকৃতির স্বাভাবিক পদ্ধতির বিপরীতে, যার দ্বারা স্রষ্টা শয়তানের উল্লেখ করেন" "একটি অদ্ভুত, অপ্রাকৃত, ভয়ঙ্কর ব্যক্তি, পশু, বা জিনিস," অথবা কোন "দৈত্য বা অস্বাভাবিক জিনিস, ঘটনা, বা দু:সাহসিক কাজ"[২] বুঝানো হয়।

সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যসম্পাদনা

ওয়েক ফরেস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যযুগীয় জার্মান সাহিত্যের সহকারী অধ্যাপক টিনা মেরি বযয়ারের ভাষায়, "দানবগুলি সাংস্কৃতিক দৈন্যতা থেকে উদ্ভূত হয়নি; তাদের সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে।"[৩]

প্রাচীন গ্রীক ও রোমানদের ধর্মীয় প্রেক্ষাপটে দানবকে "ঈশ্বরের অভিশাপ" হিসাবে দেখা হতো এবং এটিকে বিশেষভাবে অশুভ কারণে জন্মগত ত্রুটি মনে করা হতো, এটি "অস্বাভাবিক ঘটনা" বা "প্রকৃতির অস্বাভাবিক কাজ ছিল"[৪] ছিল।

তা সত্ত্বেও দানব অকাট্টভাবে ঘৃণীত নয়। উদাহরণস্বরূপ, রোমান ইতিহাসবিদ সুইটনিয়াস পা বিহীন সাপের বা পাখির বিকটাকৃতির হয়ে উড়ে যাওয়ার ক্ষমতাকে বর্ণনা করেছেন, উভয়ই ”প্রাকৃতিকভাবে অস্বাভাবিক”।[৫] তবুও শব্দটির নেতিবাচক দিকগুলো দ্রুত প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায়। নাট্যকার এবং দার্শনিক সেনেকা’র সময়ে শব্দটি এর দার্শনিক অর্থ “সত্যের চাক্ষুষ ও ভয়ঙ্কর উন্মোচন”[৬] দ্বারা সম্প্রসারিত হয়।

এতদ সত্ত্বেও হাইড্রা এবং মেডুসার মতো পৌরানিক দানবরা প্রকৃতির প্রাণী নয়, ঐশ্বরিক সত্ত্বা। অবস্থাদৃষ্টে মনে হয় এটি প্রটো-ইন্দো-ইউরোপিয়ান ধর্মসমূহ এবং অন্যান্য ধর্ম বিশ্বাসে নিষিদ্ধ বিষয়, যেখানে “আত্মা”, ”দানব” এবং “দেবতা” এর মধ্যে বিভাজন কম স্পষ্ট।

সাহিত্যে দানবসম্পাদনা

গদ্য সাহিত্যেসম্পাদনা

দীর্ঘদিন থেকেই সাহিত্যে দানবের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। উদাহরণস্বরূপ, মহাকাব্য বেউলফ-এ পানির দানব গ্রেনডেল একজন বিকৃত, নৃশংস, প্রচন্ড শক্তিশালী এক আদিম দানব। এটি শিকার ধরা ও খাওয়ার জন্য রাত্রীবেলা মানব বসতিতে হামলা চালাত। আধুনিক সাহিত্যের দানবও তার আদি ভিত্তির উপরই আছে, যেমন ম্যারি শেলির ফ্রাঙ্কেনস্টাইনের দৈত্য, এবং ব্রাম স্টোকারেড্রাকুলা

কল্পকাহিনী, হরর কাহিনী বা বিজ্ঞান কল্পকাহিনীর প্রধান চরিত্রই হলো দানবরা (যেখানে দানবরা প্রায়শই এই পৃথিবীর বাইরের প্রাণী হয়ে থাকে)। প্রেমঘটিত কাহিনীগুলিতে দানবরা উপবর্গ হিসেবে গড়ে উঠে।

চলচ্চিত্রেসম্পাদনা

প্রাক- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ দানব কেন্দ্রিক চলচ্চিত্রসম্পাদনা

 
হলিউডের ফ্রাঙ্কেনস্টানের দৈত্য চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন বরিস কার্লোফ

নির্বাক চলচ্চিত্র’র কালে, দানবরা মানবীয় ছিল। যেমন, ফ্রাঙ্কেনস্টাইনের দৈত্য, গোলেম, ওয়্যারওলভস, ভ্যাম্পেয়ারসিগফ্রেইড চলচ্চিত্রে একটি ড্রাগনকে তুলে ধরা হয়েছে যা স্টপ-মোশন এনিমেটেড মডেল হিসেবে চিত্রিত হয়েছে। চলচ্চিত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান RKO’র কিংকং (১৯৩৩) হলো স-বাক যুগের প্রথম দানব কেন্দ্রিক চলচ্চিত্র।

ইউনিভার্সাল স্টুডিওবেলা লুগোসি ড্রাকুলা’র ভূমিকায়, বরিস কার্লোফ ফ্রাঙ্কেনস্টাইনের দৈত্য’র ভূমিকায় দক্ষতার সহিত অভিনয় করেন। স্টুডিওটি আরও কতগুলি স্বল্প-দৈর্ঘের চলচ্চিত্র নির্মান করে, যেমন- লোন চেনি জুনিয়র অভিনিত ম্যান-মেইড মনস্টার, সেখানে একজন কার্নিভাল সাইড-স্যু কর্মি বৈদ্যুতিক চার্জিত হত্যাকারীতে পরিনত হয়, যে কেবলমাত্র স্পর্শের মাধ্যমে তড়িতাহত করে শিকারকে হত্যা করতে সক্ষম।

এখানে ভিন্নতাও ছিল, ড. ফ্রাঙ্কেনস্টাইন, পাগল সার্জন ড. গগল (নাম ভূমিকায় অভিনয় করেন পিটার লরি) মেড-লাভ চলচ্চিত্রে হিংসাত্মক মানসিকতার সহিত হাত পুনঃস্থাপিত করেন।

এই সময়েই চলচ্চিত্রে ওয়্যারওলভস এর উপস্থিতি ঘটানো হয় এবং একই ধরনের প্রাণী বিড়াল মানবের মধ্যে উপস্থাপন করা হয়। মমিকে ভয়ঙ্কর দানব হিসেবে চলচ্চিত্রে উপস্থাপন করা হয়। দানবীয় প্রাণী হিসেবে ১৯৩৬ সালে ফ্ল্যাস গর্ডন সিরিয়াল-এর প্রথম পর্বে পোষাক পরিহিত বাস্তব অভিনেতার পরিবর্তে একজোড়া জীবন্ত টিকটিকিকে একজোড়া লড়াইরত ড্রাগনের ভুমিকায় উপস্থাপন করা হয়। একই ধারাবাহিকের নবম পর্বের আকর্ষণ ছিল একজন রাবার স্যুট পরিহিত অভিনেতাকে ফায়ার ড্রাগনের ভূমিকায় দেখা যায়, একটি পুতুলকে তুলে নেয় যার নখরে আলো জ্বলছিল। চলচ্চিত্রের দানব পর্যায়ক্রমে কৃশকায় ও মজার চরিত্রে পরিনত হয় এবট এন্ড কোস্টেলো মিট ফ্রাঙ্কেনস্টাইন (১৯৪৮) চলচ্চিত্রে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী দানব কেন্দ্রিক চলচ্চিত্রসম্পাদনা

 
Original Godzilla film Poster

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তীকালে, শক্তিশালী পারমানবিক অস্ত্রে বলিয়ান হয়ে দানবরা রূপালী পর্দায় ফিরে আসে। একটি প্রাথমিক উদাহরণ, আমেরিকান ছবি দ্য বিস্ট ফ্রম ২০,০০০ ফ্যাদম এ দেখা যায় একটি ডাইনোসর একটি বাতিঘর আক্রমন করছে। তারপর জাপানী চলচ্চিত্র (গডজিলা, গ্যামেরা), ব্রিটিশ চলচ্চিত্র (গর্গো), এবং এমনকি ড্যানিশ চলচ্চিত্রে (রেপটিলিকাস) দেখা যায় বিরাটাকার দানবগুলো শহরগুলোতে আক্রমন করছে। সম্প্রতি জে, জে, আব্রাহামের ছবি ক্লোভারফিল্ড-এ দৈত্যাকার দানবের দেখা মেলে। এটি ১৮ জানুয়ারি ২০০৮ সালে মুক্তি পায়। অন্যান্য গ্রহগুলোর ইন্ট্রিগুয়িং প্রক্সিমিটির কারণে বড় পর্দায় বহিরাগত দানবদের উপস্থিতি ঘটে। তাদের মধ্যে আবার কিছু কিছু বিকট আকৃতির (যেমন কিং ঘিদোরাহ এবং গিগান), অন্যরা আরও মানবীয় গুনাবলী সম্পন্ন। এই সময়ে ফিস-ম্যান দানব গিল-ম্যানকে চলচ্চিত্র সিরিজ ক্রিয়েচার ফ্রম দ্য ব্ল্যাক লেগুন-এ উপস্থাপন করা হয়।

 
জাপানী গেম ওভাকে কারুতা থেকে কার্ডটি নেওয়া, 19শতকের প্রথম দিকের।

বৃটেনের হ্যামার ফিল্ম প্রোডাকশনস ১৯৫০ এর দশকের শেষদিকে দানব কেন্দ্রিক চলচ্চিত্রগুলোকে রঙিন চলচ্চিত্রে রূপ দেয়। এ সময়ে আগের সার্বজনীন চলচ্চিত্রগুলো আমেরিকার স্বাধীন টিলিভিশন কেন্দ্রগুলো বিচিত্র ব্যক্তিদের দ্বারা ঘোষণা দিয়ে প্রচার করতো (নেটওয়ার্ক কেন্দ্রগুলোর আগেই), তারা বিপুল সংখ্যক তরুণ ভক্তের মন জয় করে নেয়। যদিও তারা ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হয়েছে তবুও ১৯৪০ এর দশকের শেষের চলচ্চিত্র থেকে দানবরা পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়ে যায়নি।

মাঝে মাঝে দানবদের বন্ধুত্বপূর্ণ বা ভ্রান্ত প্রাণী হিসাবে উপস্থিত হতে দেখা যেত। কিংকং এবং ফ্রাঙ্কেনস্টাইনের দৈত্য এধরনের দুটি ভ্রান্ত প্রাণীর উদাহরণ। ফ্রাঙ্কেনস্টাইনের দৈত্যকে প্রায়শই মনস্টার স্কোয়াড এবং ভ্যান হেলসিং ছবির ন্যায় দেখানো হয়েছে। হাল্ক হলো “দানব নায়ক” এর আদি উদাহরণ। “ফ্র্যান্ডলি মনস্টার” এর মূলভাব হলো পপ-কালচার এর অনুপ্রবেশ। চিওবাক্কা, এলমো, শ্রেক বন্ধুত্ত্বপূর্ণ “দানব” এর উল্লেখযোগ্য উদাহরণ। পিক্সার এনিমেশন স্টুডিও’র মনস্টার ইঙ্ক সিরিজের দানব চরিত্রগুলো শিশুদের প্রথমে আতঙ্কিত করে (এবং পরে বিমোহিত করে) তাদের মনোজগতে শক্তি যোগায় যখন দেখে লোমে ঢাকা দানব দ্য মাপেটস এবং সিসাম পশু এবং মানুষ উভয়ের সঙ্গে একসাথে বাস করছে। জাপানের সংস্কৃতিতেও সাধারণত দানবের অবস্থান আছে- যারা হিতৈষী বা পছন্দযোগ্য, এর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হলো পকেমন ফ্রাঞ্চিস এবং এনিমেশন জগতের পথিকৃত মাই নেইবার টটরোমনস্টার হাই নিয়ে ধারাবাহিক বই/ ওয়েবস্টোড/ খেলনা তৈরি হলো এর জনপ্রিয়তার আরেকটি উদাহরণ।

গেমসসম্পাদনা

মনস্টার হলো সাধারণত কাল্পনিক প্রতিআক্রমান বা রোল-প্লেয়িং গেমস এবং ভিডিও গেমসগুলোতে যুদ্ধ করার জন্য শত্রু হিসেবে আবির্ভূত হয়। তারা এলিয়েন, কোন কাল্পনিক প্রাণী, বৃহদাকার সত্ত্বা বা সাধারণ প্রাণীদের পরিবর্তিত সংস্করণ।

বিশেষকরে রোল-প্লেয়িং গেমসগুলোতে “দানব” হলো বিভিন্ন স্তরে প্রতিদ্বন্দ্বী চরিত্র যারা খেলোয়াড়দের দ্বারা যুদ্ধ করে। সেনটিয়েন্ট ফিকশনাল রেস সাধারণত দানব হিসেবে নির্দেশ করে না। অন্য সময়ে বিষয়টি নিরপেক্ষ সংজ্ঞা বহন করে, যেমন- পকেমন ফ্রাঞ্চিস-এ একটি বাস্তব প্রাণী বা বস্তু কল্পিত প্রাণী হিসেবে ব্যবহৃত হয়। গেমস এর সকল চরিত্রকেই “দানব” হিসেবে নির্দেশ করা যেতে পারে।

আরও দেখুনসম্পাদনা

রূপকথার দানবরা

কথাসাহিত্যের দানবরা

তথ্য সূত্রসম্পাদনা

উদ্ধৃতিসমূহ

  1. "Call for Papers for Preternature 2.2". ড. লিও রুকবি, 28 নভেম্বর 2011। পুনঃমুদ্রণ 30 ডিসেম্বর 2017।
  2. The Rev. J.E. Riddle, A Complete English-Latin and Latin-English Dictionary, London: Longmans, Green, and Co., 1870, s.v. monstrum, Latin-English part, p. 399
  3. টিনা মেরী বয়ার (2013). "The Anatomy of a Monster: The Case of Slender Man". Preternature: Critical and Historical Studies on the Preternatural. 2 (2).
  4. বিগোন (2002), p. 127.
  5. ওয়ার্ডলে (2006), p. 330.
  6. স্ট্যালেই (2010), pp. 80, 96, 109, 113 et passim.

গ্রন্থপঞ্জি

  • মেরী বিগোন (2002). "Beyond Comparison: M. Sergius, Fortunae victor". In Clark, Gillian; Rajak, Tessa (eds.). Philosophy and Power in the Graeco-Roman World: Essays in Honour of Miriam Griffin. অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস। ISBN 978-0-19-829990-5.
  • জর্জ স্ট্যালেই (2010). Seneca and the Idea of Tragedy. অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস। ISBN 978-0-19-538743-8.
  • ডেভিড ওয়ার্ডলে (2006). Cicero on Divination, Book 1. অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস।