প্রধান মেনু খুলুন

তরমুজ

গ্রীষ্মকালীন সুস্বাদু ফল

তরমুজ (ইংরেজি: Watermelon) (Citrullus lanatus (কার্ল পিটার থুনবার্গ) একটি গ্রীষ্মকালীন সুস্বাদু ফল। ঠান্ডা তরমুজ গ্রীষ্মকালে বেশ জনপ্রিয়। এতে প্রচুর পরিমাণ জল থাকে। এই ফলে ৬% চিনি এবং ৯২% জল এবং অনন্য উপাদান ২%।এটি ভিটামিন এ জাতীয় ফল।

তরমুজ
Watermelon
Citrullus lanatus
Taiwan 2009 Tainan City Organic Farm Watermelon FRD 7962.jpg
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ: Plantae
(শ্রেণীবিহীন): সপুষ্পক উদ্ভিদ
(শ্রেণীবিহীন): Eudicots
(শ্রেণীবিহীন): Rosids
বর্গ: Cucurbitales
পরিবার: Cucurbitaceae
গণ: Citrullus
প্রজাতি: C. lanatus
দ্বিপদী নাম
Citrullus lanatus
(কার্ল পিটার থুনবার্গ.) Matsum. & Nakai
2005watermelon.PNG
২০০৫ সালে তরমুজ উৎপাদন

ইতিহাসসম্পাদনা

গুনাগুণসম্পাদনা

  • হৃদরোগীদের জন্য এটি বেশ উপকারী।
  • টাইফয়েড রোগীরা যদি আধাপাকা তরমুজের রস ২ চা চামচ প্রতিদিন খায় তাহলে উপকার পাবে।[১]
  • তরমুজে পটাশিয়াম আছে, যা উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে।
  • তরমুজে ক্যারোটিনয়েড আছে, যা চোখ ভালো রাখতে সহায়তা করে।

সংস্কৃতিসম্পাদনা

শীর্ষ পাঁচটি তরমুজ উৎপাদনকারী (২০১২, টন)
  গণচীন ৭০,০০০,০০০
  তুরস্ক ৪,০৪৪,১৮৪
  ইরান ৩,৮০০,০০০
  ব্রাজিল ২,০৭৯,৫৪৭
  মিশর ১,৮৭৪,৭১০
  ভারত ৯৫,২১১,৪৩২
উৎস: UN FAOSTAT [২]
 
বীজহীন তরমুজ


পুষ্টিবিধানসম্পাদনা

তরমুজে খুব সামান্য ক্যালরি আছে। তাই তরমুজ খেলে ওজন বৃদ্ধি পাওয়ার কোনো আশঙ্কা থাকে না। তরমুজের ৯২ শতাংশই পানি। শরীরে পানির অভাব পূরণে ফলের মধ্যে তরমুজই হলো আদর্শ ফল। তরমুজে আছে পর্যাপ্ত ভিটামিন এ, সি, পটাশিয়াম ও আঁশ। মওসুমি এই ফলটির রয়েছে নানা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। তরমুজ হলো ভিটামিন ‘বি৬’-এর চমৎকার উৎস, যা মস্তিষ্ক সচল রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তরমুজে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় এটি খেলে দেহের অক্সিডেটিভ স্ট্রেসজনিত অসুস্থতা কমে। এই ফলটি নিয়মিত খেলে প্রোস্টেট ক্যান্সার, কোলন ক্যান্সার, ফুসফুসের ক্যান্সার ও ব্রেস্ট ক্যান্সারের ঝুঁকি থাকে না। তরমুজের আরো একটি গুণ হলো এটি চোখ ভালো রাখতে কাজ করে। তরমুজে ক্যারোটিনয়েড থাকায় এ ফলটি চোখ ও দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে। একইসঙ্গে চোখের নানা সমস্যার প্রতিষেধক হিসেবেও কাজ করে তরমুজ। চিকিৎসকেরা বলেন, ক্যারোটিনয়েড রাতকানা প্রতিরোধে কার্যকরী ভূমিকা রাখে। তরমুজে প্রচুর পানি এবং কম ক্যালরি থাকায় পেট পুরে তরমুজ খেলেও ওজন বাড়ার কোনো আশঙ্কা থাকে না। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, তরমুজে থাকা উচ্চ পরিমাণে সিট্রুলিন মানব দেহের ধমনির কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখে এবং রক্তচাপ কমিয়ে দেয়।

বৈচিত্র্যসম্পাদনা

সাংস্কৃতিক তথ্যসূত্রসম্পাদনা

গ্যালারীসম্পাদনা

আরও দেখুনসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. আঃ খালেক মোল্লা সম্পাদিত;লোকমান হেকিমের কবিরাজী চিকিৎসা; আক্টোবর ২০০৯; পৃষ্ঠা- ২০৬
  2. "Statistics from: Food And Agricultural Organization of United Nations: Economic And Social Department: The Statistical Division"। UN Food and Agriculture Organization Corporate Statistical Database 

বহিঃসংযোগসম্পাদনা