খাদ্য শক্তি বলতে প্রাণীরা (যাদের মধ্যে মানুষও অন্তর্ভুক্ত) তাদের ভুক্ত খাদ্য ও আণবিক অক্সিজেন থেকে কোষীয় শ্বসন নামক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যে রাসায়নিক শক্তি বের করে আনে, তাকে বোঝায়।[১] কোষীয় শ্বসনে বাতাস থেকে প্রাপ্ত অক্সিজেনের সাথে খাদ্যের অণুর সংযোজন ঘটানো হতে পারে (সবাত শ্বসন) কিংবা অণুগুলির ভেতরের পরমাণুকে পুনর্বিন্যস্ত করা হতে পারে (অবাত শ্বসন)। মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীদের তাদের দেহের বিপাক প্রক্রিয়াগুলিকে চালু রাখার জন্য ও তাদের পেশীগুলিকে চালনার জন্য ন্যূনতম পরিমাণ খাদ্যশক্তির প্রয়োজন হয়। খাদ্য মূলত শর্করা, আমিষ, স্নেহ পদার্থ, পানি (জল), খাদ্যপ্রাণ (ভিটামিন) ও খনিজ পদার্থ দিয়ে গঠিত। খাদ্যপ্রাণ ও খনিজগুলি খাদ্যের ওজনের খুবই কম একটি অংশ গঠন করে। খাদ্যের ভর বা ওজনে এতে উপস্থিত শর্করা, স্নেহ পদার্থ, আমিষ ও পানির উপরে নির্ভরশীল। শুষ্ক পানিবিহীন খাদ্যের ৯০% ওজনই শর্করা, স্নেহ পদার্থ ও আমিষ দিয়ে গঠিত।উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগের ক্ষেত্রে </ref> ট্যাগ যোগ করা হয়নি (See Atwater system for more detail.)

অঞ্চল দ্বারা খাদ্য শক্তি সরবরাহ

Each food item has a specific metabolizable energy intake (MEI). This value can be approximated by multiplying the total amount of energy associated with a food item by 85%, which is the typical amount of energy actually obtained by a human after respiration has been completed.[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] In animal nutrition, where energy is a critical element of the economics of meat production, researchers may determine a specific metabolizable energy for each component (protein, fat, etc.) of each ingredient of the feed.-->

আরও দেখুনসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. Schmidt-Rohr K (২০১৫)। "Why Combustions Are Always Exothermic, Yielding About 418 kJ per Mole of O2"। J. Chem. Educ.92: 2094–2099। ডিওআই:10.1021/acs.jchemed.5b00333  

বহিঃসংযোগসম্পাদনা