ড্যানি মরিসন (ক্রিকেটার)

নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটার

ড্যানিয়েল কাইল মরিসন (ইংরেজি: Danny Morrison; জন্ম: ৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬) অকল্যান্ডে জন্মগ্রহণকারী সাবেক নিউজিল্যান্ডীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারনিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দলে তিনি পেস বোলারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হতেন। তার আউটসুইঙ্গার বেশ কার্যকরী ছিল। নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথম[১] ও বৈশ্বিকভাবে ৩০তম বোলার হিসেবে তিনি একদিনের আন্তর্জাতিকে হ্যাট্রিক করার গৌরবগাঁথা রচনা করেন ড্যানি মরিসন

ড্যানি মরিসন
Danny Morrison.jpg
ব্যক্তিগত তথ্য
জন্ম (1966-02-03) ৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৬ (বয়স ৫৪)
অকল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি ফাস্ট-মিডিয়াম
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই
ম্যাচ সংখ্যা ৪৮ ৯৬
রানের সংখ্যা ৩৭৯ ১৭১
ব্যাটিং গড় ৮.৪২ ৯.০০
১০০/৫০ -/- -/-
সর্বোচ্চ রান ৪২ ২০*
বল করেছে ১০০৬৪ ৪৫৮৬
উইকেট ১৬০ ১২৬
বোলিং গড় ৩৪.৬৮ ২৭.৫৩
ইনিংসে ৫ উইকেট ১০
ম্যাচে ১০ উইকেট - -
সেরা বোলিং ৭/৮৯ ৫/৩৪
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ১৪/- ১৯/-
উৎস: ক্রিকইনফো, ২৫ আগস্ট ২০১৭

খেলোয়াড়ী জীবনসম্পাদনা

২৫ মার্চ, ১৯৯৪ তারিখে ভারতের বিপক্ষে তিনি ওডিআই হ্যাট্রিক করেন।[২] ২১ বছর বয়সে অস্ট্রেলিয়া দলের বিপক্ষে তার টেস্ট অভিষেক ঘটে। তৎকালীন রেকর্ড হিসেবে সবচেয়ে বেশি অমর্যাদাকর টেস্ট শূন্য রান করে বিশ্বরেকর্ড গড়েছিলেন। ৪৮ টেস্টের ২৪ ইনিংসেই তিনি শূন্য রানে প্যাভিলিয়নে ফেরৎ যান। সেজন্য তিনি ‘ডাকম্যান’ নামে পরিচিতি পেয়েছেন।

ব্যাটিংয়ে তেমন সফলতা না পেলেও দশম উইকেটে ১০৬ রান করে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নাথান অ্যাসলের সাথে ১০৬ রানের জুটির মধ্যে তার সংগ্রহ ছিল মাত্র ১৪ রান যা দলকে ড্রয়ের পথে নিয়ে যেতে সমর্থ হয়। ২৮ জানুয়ারি, ১৯৯৭ তারিখে এ টেস্টটি ছিল তার সর্বশেষ টেস্ট। এ টেস্টের পর তিনি দল থেকে বাদ পড়েন।

অবসর পরবর্তী জীবনসম্পাদনা

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেয়ার পর মরিসন অগণিত ক্রিকেট-সম্পর্কীয় অবস্থানে যুক্ত ছিলেন। তন্মধ্যে টিভিএনজেড, স্কাই স্পোর্টস, ফক্স স্পোর্টস ও ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগে ধারাভাষ্যকার ছিলেন। স্কাই স্পোর্টসের ক্রিকেট কোম্পানি ও রেডিও স্পোর্টে যথাক্রম ৭ ও ৬ বছর ধরে উপস্থাপকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন। মস্তিষ্কঝিল্লীর প্রদাহজনিত রোগ বা মেনিনজাইটিসের জন্য ‘জীবনের জন্য যুদ্ধ’ নামের একটি দাতব্য সংস্থায় কাজ করছেন। বিদ্যালয় ও ক্লাবে কোচিং কার্যক্রমে জড়িত আছেন। অতিথি বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখছেন। প্রাতিষ্ঠানিকভাবে নিউজিল্যান্ড বীচ ক্রিকেট দলের ব্যাটার/বোলার হিসেবে খেলছেন। এছাড়াও তিনি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগে ধারাভাষ্যকার ছিলেন।

অন্যান্যসম্পাদনা

ক্রিকেট থেকে অবসর নেয়ার পর ‘ম্যাড অ্যাজ আই ওয়ানা বি’ শিরোনামে ১৯৯৭ সালে একটি আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ প্রকাশ করেন। নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট ধারাভাষ্যকার রিচার্ড হুইটিং এ গ্রন্থ সম্পর্কে নেতিবাচক বক্তব্য রাখেন। এছাড়াও তিনি ‘ড্যানি মরিসন জুনিয়র ক্রিকেট ডায়েরি’ শিরোনামে ক্ষুদে ক্রিকেটারদের জন্য উদ্দীপনামূলক বই রচনা করেন।

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "First One-Day International, NEW ZEALAND v INDIA 1993-94"espncricinfo। ২৫ মার্চ ১৯৯৪। সংগ্রহের তারিখ ১২ অক্টোবর ২০১৪ 
  2. "1st ODI: New Zealand v India at Napier"espncricinfo। ২৫ মার্চ ১৯৯৪। সংগ্রহের তারিখ ১২ অক্টোবর ২০১৪ 

আরও দেখুনসম্পাদনা

বহিঃসংযোগসম্পাদনা