প্রধান মেনু খুলুন

টম রিচার্ডসন

ইংরেজ ক্রিকেটার

টম রিচার্ডসন (ইংরেজি: Tom Richardson; জন্ম: ১১ আগস্ট, ১৮৭০ - মৃত্যু: ২ জুলাই, ১৯১২) সারে এলাকায় বাইফ্লিটে জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা ছিলেন। ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। দলে তিনি মূলতঃ ফাস্ট বোলিং করতেন। ডানহাতে বোলিংয়ের পাশাপাশি নিচের সারিতে ডানহাতে ব্যাটিংয়ে অভ্যস্ত ছিলেন। প্রথম-শ্রেণীর ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে সারে দলের প্রতিনিধিত্ব করেন তিনি।

টম রিচার্ডসন
Ranji 1897 page 076 Richardson in the act of delivery.jpg
বল ডেলিভারীর ভঙ্গীমায় রিচার্ডসন
ব্যক্তিগত তথ্য
জন্ম(১৮৭০-০৮-১১)১১ আগস্ট ১৮৭০
মৃত্যু২ জুলাই ১৯১২(1912-07-02) (বয়স ৪১)
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি ফাস্ট
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট এফসি
ম্যাচ সংখ্যা ১৪ ৩৫৮
রানের সংখ্যা ১৭৭ ৩,৪২৪
ব্যাটিং গড় ১১.০৬ ৯.৬৪
১০০/৫০ ০/০ ০/২
সর্বোচ্চ রান ২৫* ৬৯
বল করেছে ৪,৪৯৮ ৭৮,৯৯২
উইকেট ৮৮ ২১০৪
বোলিং গড় ২৫.২২ ১৮.৪৩
ইনিংসে ৫ উইকেট ১১ ২০০
ম্যাচে ১০ উইকেট ৭২
সেরা বোলিং ৮/৯৪ ১০/৪৫
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৫/০ ১২৬/০
উৎস: ক্রিকইনফো, ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫

পরিচ্ছেদসমূহ

খেলোয়াড়ী জীবনসম্পাদনা

১৮৯২ সালে নিজ কাউন্টি সারে’র পক্ষে প্রথমবারের মতো খেলতে নামেন। অভিষেক মৌসুমেই এসেক্সের বিপক্ষে পনের উইকেট পেয়েছিলেন।[১] কিন্তু ঐ মৌসুমে তিনি আর তেমন খেলা প্রদর্শন করতে পারেননি। সফরকারী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিনি ১১/৯৫ ও তৃতীয় টেস্টে ১০/১৫৬ লাভ করেছিলেন।[২] ফ্রেডরিক মার্টিনের পর দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে টেস্ট অভিষেকে উভয় ইনিংসে পাঁচ-উইকেট দখল করেন।[৩] তাস্বত্ত্বেও ঐ টেস্টটি ড্রয়ে পরিণত হয়েছিল। ১৮৯৩ সালে টম রিচার্ডসন আঘাতপ্রাপ্ত হলে জন শার্পকে পুণরায় দলে অন্তর্ভূক্ত করা হয়। কিন্তু, দলে তেমন কোন ভূমিকা রাখতে পারেননি। এরপর ঐ বছর শেষে দলের বাইরে রাখা হয় জন শার্পকে।

দূরন্ত গতি ও শক্তিমত্তা প্রদর্শন করে শীর্ষ বোলার হয়েছিলেন।[৪] বছরের শুরুতে অনেকেই ধারণা করেছিলেন যে, তাঁর বল ডেলিভারীগুলো নিক্ষেপের পর্যায়ের ছিল।[৫] ১৮৯৪ সালে তিনি ধারাবাহিকভাবে খেলা প্রদর্শন করেছিলেন। কিন্তু জুন মাসে উরুতে আঘাতপ্রাপ্তির ফলে পূর্বেকার সাফল্য ধরে রাখতে পারেননি। ১৮৯৪-৯৫ মৌসুমে অস্ট্রেলিয়া সফরে এসসিজিতে অনুষ্ঠিত প্রথম টেস্টে প্রচণ্ড গরমের মধ্যেও একই গতি নিয়ে ৫৫ ওভার বোলিং করছেন। পিচ থেকে বাড়তি সুবিধা না পেয়েও তাঁর উদ্যমী বোলিং দলকে জয় এনে দিয়েছিল। ১৮৯৬ সালে রিচার্ডসনের বোলিংয়ে অস্ট্রেলিয়া মাত্র ৫৩ রানে অল আউট হয় ও ইংল্যান্ড জয় পায়।

সম্মাননাসম্পাদনা

১৯৬৩ সালে উইজডেন ক্রিকেটার্স অ্যালমেনাকের শততম সংস্করণে উইজডেন শতাব্দীর ছয় অসাধারণ খেলোয়াড়ের তালিকায় নেভিল কারদাস কর্তৃক রিচার্ডসনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।[৬] এই বিশেষ স্মারক সংখ্যায় তাঁর সাথের অন্য পাঁচ খেলোয়াড় ছিলেন - ডন ব্র্যাডম্যান, ডব্লিউ. জি. গ্রেস, জ্যাক হবস, ভিক্টর ট্রাম্পারসিডনি বার্নস

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. Pardon, Sydney H. (editor); John Wisden’s Cricketer’s Almanac; Jubilee Edition (1913); part I, p. 197
  2. "3rd Test: England v Australia at Manchester, Aug 24-26, 1893"espncricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২০১১-১২-১৩ 
  3. "Australia tour of England, 3rd Test: England v Australia at Manchester, Aug 24–26, 1893"। ESPNcricinfo। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জানুয়ারি ২০১৫ 
  4. See Pardon, Sydney H.; John Wisden’s Cricketers’ Almanac; Thirty-First edition (1894)
  5. Pardon; John Wisden’s Cricketer’s Almanac; Jubilee edition; part I, p. 157
  6. Six Giants of the Wisden Century Neville Cardus, Wisden Cricketers' Almanack, 1963. Retrieved on 8 November 2008.

আরও দেখুনসম্পাদনা

বহিঃসংযোগসম্পাদনা