গোলাম ফারুক

বাংলাদেশী ক্রিকেটার

গোলাম ফারুক চৌধুরী (জন্ম: [২৪ জুলাই, ১৯৬২) বাংলাদেশের সাবেক ক্রিকেটার, যিনি আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ক্রিকেটে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের হয়ে অংশগ্রহণ করেছেন। তিনি ১৯৮৬ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত পাঁচটি একদিনের আন্তর্জাতিক খেলেছেন। ঢাকায় জন্মগ্রহণকারী গোলাম ফারুক ডানহাতি মিডিয়াম পেসার ও নিচের সারির ব্যাটসম্যানের দায়িত্ব পালন করতেন। ১৯৮০-এর দশকে জাতীয় দলের হয়ে নিয়মিত খেলেছেন তিনি। খেলাধূলার জগতে তিনি তার ডাক নাম সুরু হিসেবে পরিচিত হয়ে আছেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে দল নির্বাচক হিসেবে নিজ দায়িত্ব পালন করছেন।

গোলাম ফারুক
ক্রিকেট তথ্য
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি মিডিয়াম
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই
ম্যাচ সংখ্যা -
রানের সংখ্যা - ৪৪
ব্যাটিং গড় - ২২.০০
১০০/৫০ - -/-
সর্বোচ্চ রান - ২৩*
বল করেছে - ১৮৬
উইকেট -
বোলিং গড় - ৫৮.০০
ইনিংসে ৫ উইকেট - -
ম্যাচে ১০ উইকেট - -
সেরা বোলিং - ১/২২
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং -/- -/-
উৎস: ক্রিকইনফো, ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫

খেলোয়াড়ী জীবনসম্পাদনা

বাংলাদেশের ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথম একদিনের আন্তর্জাতিকে পাকিস্তান ক্রিকেট দলের বিপক্ষে অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড়দের মধ্যে তিনিও একজন ছিলেন।[১] কিন্তু, সর্বোচ্চ পর্যায়ের ক্রিকেটে খেলতে নেমে বল হাতে নিয়ে তিনি তেমন সাফল্য পাননি। কিন্তু ব্যাটসম্যান হিসেবে ১৯৮৮ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিনি তার সর্বোচ্চ অপরাজিত ২৩* রান করে দলকে তিন অঙ্কের কোঠায় দলকে নিয়ে যেতে সাহায্য করেছিলেন।[২]

আইসিসি ট্রফিসম্পাদনা

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের হয়ে তিনি তিনবার আইসিসি ট্রফি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন। কিন্তু তিনি মাত্র চারটি খেলায় অংশ নিয়েছিলেন। ১৯৮২ সালের প্রতিযোগিতায় তিনি কোন খেলায় মাঠে নামেননি। ইংরেজ পরিবেশে সফরকারী দলের হয়ে তিনি মূলতঃ শিক্ষানবিশ হিসেবে অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য যান। ১৯৮৬ সালে ২টি এবং ১৯৯০ সালে আরও দুইটি খেলায় অংশগ্রহণ করেন। সামগ্রীকভাবে তিনি বল হাতে কিছুটা পারঙ্গমতা প্রদর্শন করতে সক্ষম হয়েছেন। ২২.৮০ রান গড়ে ১১৪ রানের বিনিময়ে ৫ উইকেট পান। তন্মধ্যে ২৭ রানের বিনিময়ে ২ উইকেট লাভ ছিল তার সেরা যা ১৯৯০ সালে কানাডার বিপক্ষে ২য় রাউন্ডে জয়লাভ করেছিল বাংলাদেশ দল।[৩]

অন্যান্য খেলাসম্পাদনা

১৯৮৪ সালের জানুয়ারি মাসে ঢাকায় তিনি তার স্মরণীয় সাফল্য লাভ করেন। ১৯৮৪ সালের দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া কাপ প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী খেলায় সিঙ্গাপুরের বিরুদ্ধে হ্যাট্রিকসহ ১০ রানের বিনিময়ে ৬ উইকেট লাভ করেন ফারুক।[৪]

১৯৮০-এর দশকে ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাবাহিকভাবে ক্রীড়ানৈপুণ্য প্রদর্শন করেছিলেন তিনি। এসময়ে তাকে সেরা বাংলাদেশী ক্রিকেটারদের একজনরূপে বিবেচনা করা হতো।[৫]

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. cricinfo scorecard Bangladesh v Pakistan (1986-3-31). Retrieved on 2008-12-19.
  2. Cricinfo Scorecard: Bangladesh v Sri Lanka (1988-11-02). Retrieved on (2008-12-20).
  3. BanglaCricket: Bangladesh in ICC Trophy ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২ এপ্রিল ২০০৮ তারিখে (Retrieved on 2008-12-20)
  4. "Antorjartik Crickete Bangladesh", Hasan Babli, Khelar Bhuban Prakashani, November 1994.
  5. "Looking Back: Bangladesh Cricket in the 80's", Retrieved on 2008-12-18

আরও দেখুনসম্পাদনা