কলিন ইনগ্রাম

দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার

কলিন আলেকজান্ডার ইনগ্রাম (ইংরেজি: Colin Alexander Ingram; জন্ম: ৩ জুলাই, ১৯৮৫) কেপ প্রদেশে জন্মগ্রহণকারী দক্ষিণ আফ্রিকা দলের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। দলের অন্যতম ব্যাটিং স্তম্ভ তিনি। ২০০৪ সালে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপে খেলেছিলেন কলিন ইনগ্রাম। বর্তমানে তিনি ওয়ারিয়র্স দলের পক্ষ হয়ে ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলছেন।

কলিন ইনগ্রাম
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামকলিন আলেকজান্ডার ইনগ্রাম
জন্ম (1985-07-03) ৩ জুলাই ১৯৮৫ (বয়স ৩৫)
পোর্ট এলিজাবেথ, কেপ প্রভিন্স, দক্ষিণ আফ্রিকা
ব্যাটিংয়ের ধরনবামহাতি
বোলিংয়ের ধরনলেগ ব্রেক
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ )
১৫ অক্টোবর ২০১০ বনাম জিম্বাবুয়ে
শেষ ওডিআই১০ মার্চ ২০১৩ বনাম পাকিস্তান
ওডিআই শার্ট নং৪১
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
২০০৪-২০০৬ফ্রি স্টেট
২০০৫-২০০৯ইস্টার্ন প্রভিন্স
২০০৬-বর্তমানওয়ারিয়র্স
২০১১-২০১২দিল্লি ডেয়ারডেভিলস
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা ওডিআই এফসি এলএ টি২০আই
ম্যাচ সংখ্যা ১৯ ৫৮ ৯৬
রানের সংখ্যা ৬২৬ ৩,৩৭৭ ৩,৫৩৮ ২১০
ব্যাটিং গড় ৪৪.৭১ ৩৪.৪৫ ৪২.৬২ ২৬.২৫
১০০/৫০ ৩/১ ৬/১৬ ৭/২১ ০/১
সর্বোচ্চ রান ১২৪ ১৯০ ১২৭ ৭৮
বল করেছে ২,৪০২ ৩৬০
উইকেট ৩৩ ১০
বোলিং গড় ৩৬.৫৭ ২৯.০০
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট -
সেরা বোলিং ৪/১৬ ২/১৩
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৬/– ৩৮/– ৩১/– ২/–
উৎস: Cricinfo, ১০ মার্চ ২০১৩

প্রারম্ভিক জীবনসম্পাদনা

চৌদ্দ বছর বয়সে দলে অভিষিক্ত হয়ে উচ্চ বিদ্যালয়ের সময়কালে খেলেছেন। এরপর ইস্টার্ন কেপের উডরিজ কলেজে অধ্যয়নকালীন তিনি সেরা ক্রিকেটার ছিলেন। কলেজের পাঁচ বছরের তিন বছরই দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। প্রাদেশিক ক্রিকেটে ইস্টার্ন প্রভিন্স দলে খেলেন। এছাড়াও, দক্ষিণ আফ্রিকান স্কুল টিমে খেলার জন্যও নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০০৪ সালে ফ্রি স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা বৃত্তি লাভ করেন। ঐ সময়েও সফলভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের দলে খেলেছেন।

ইস্টার্ন কেপে খেলার সময়ই ইনগ্রামের উজ্জ্বল প্রতিভার স্ফূরণ ঘটতে শুরু করে। ব্যাটিংয়ে উদ্বোধন করতে নেমে আক্রমণাত্মক ভঙ্গীমায় খেলেন। কলম্বোয় অনুষ্ঠিত ত্রি-দেশীয় সিরিজে পাকিস্তান এ দলের বিপক্ষে ১১১ বলে ৮৫ রান করেন।[১]

খেলোয়াড়ী জীবনসম্পাদনা

২০১০ সালে সফরকারী জিম্বাবুয়ে দলের বিপক্ষে টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিকে অভিষেক ঘটে ইনগ্রামের। দুই খেলায় তিনি মাত্র ৩ ও ১২ রান করলেও তার দল উভয় খেলাতেই বিজয়ী হয়েছিল। এরপর একদিনের আন্তর্জাতিকে অভিষিক্ত হয়ে বিশ্বের ৬ষ্ঠ ও প্রথম দক্ষিণ আফ্রিকান হিসেবে অভিষেকে সেঞ্চুরি করে সবিশেষ কৃতিত্ব দেখান।

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

আরও দেখুনসম্পাদনা

বহিঃসংযোগসম্পাদনা