এডি ম্যাকলিওড

নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটার

এডউইন জর্জ ম্যাকলিওড (ইংরেজি: Eddie McLeod; জন্ম: ১৪ অক্টোবর, ১৯০০ - মৃত্যু: ১৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৯) অকল্যান্ড এলাকায় জন্মগ্রহণকারী নিউজিল্যান্ডীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ছিলেন। নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৩০ সালে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।

এডি ম্যাকলিওড
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামএডউইন জর্জ ম্যাকলিওড
জন্ম(১৯০০-১০-১৪)১৪ অক্টোবর ১৯০০
অকল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড
মৃত্যু১৪ সেপ্টেম্বর ১৯৮৯(1989-09-14) (বয়স ৮৮)
অকল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড
ব্যাটিংয়ের ধরনবামহাতি
বোলিংয়ের ধরনলেগ ব্রেক
ভূমিকাব্যাটসম্যান
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
একমাত্র টেস্ট
(ক্যাপ ১২)
২৪ জানুয়ারি ১৯৩০ বনাম ইংল্যান্ড
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট এফসি
ম্যাচ সংখ্যা ২৮
রানের সংখ্যা ১৮ ১৪০৭
ব্যাটিং গড় ১৮.০০ ৩২.৭২
১০০/৫০ ০/০ ১/৯
সর্বোচ্চ রান ১৬ ১০২
বল করেছে ১২ ১০১৮
উইকেট - ২০
বোলিং গড় - ৩৩.২০
ইনিংসে ৫ উইকেট -
ম্যাচে ১০ উইকেট -
সেরা বোলিং - ৪/৫৬
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ০/- ১১/-
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে অকল্যান্ড ও ওয়েলিংটন দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ বামহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, লেগ বোলিংয়ে পারদর্শী ছিলেন এডি ম্যাকলিওড

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটসম্পাদনা

১৯২০-২১ মৌসুম থেকে ১৯৪০-৪১ মৌসুম পর্যন্ত এডি ম্যাকলিওডের প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল। মাঝারিসারি কিংবা ব্যাটিং উদ্বোধন করতেন এডি ম্যাকলিওড। এছাড়াও, লেগ স্পিন বোলিংয়ে দক্ষ ছিলেন। ১৯২০-২১ মৌসুম থেকে ১৯২৩-২৪ মৌসুম পর্যন্ত অকল্যান্ডের পক্ষে খেলেন। এরপর ১৯২৫-২৬ মৌসুম থেকে ১৯৪০-৪১ মৌসুম পর্যন্ত ওয়েলিংটনে খেলেন। তন্মধ্যে, ১৯৩৯-৪০ ও ১৯৪০-৪১ মৌসুমে ওয়েলিংটন দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটসম্পাদনা

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে একটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ করেছেন এডি ম্যাকলিওড। ২৪ জানুয়ারি, ১৯৩০ তারিখে ওয়েলিংটনে সফরকারী ইংল্যান্ড দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। এটিই তার একমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ ছিল। এরপর আর তাকে কোন টেস্টে অংশগ্রহণ করতে দেখা যায়নি।

১৯২৯-৩০ মৌসুমে এমসিসি দল নিউজিল্যান্ড গমনে আসে। এ সময়েই নিউজিল্যান্ড দল তাদের ইতিহাসের প্রথম টেস্ট সিরিজে অংশ নেয়। এডি ম্যাকলিওড ওয়েলিংটনের সদস্যরূপে সফরকারীদের বিপক্ষে ৩৭ ও অপরাজিত ২১ এবং ৩/৭ ও ৪/৫৬ বোলিং পরিসংখ্যান দাঁড় করিয়েছিলেন।[১] এর পরপরই নিউজিল্যান্ড দল প্রথম টেস্ট খেলতে নামে ও পরাজিত হয়। দ্বিতীয় টেস্টে নতুন তিনজন খেলোয়াড়ের একজন ছিলেন তিনি। নিউজিল্যান্ড দলের খেলার উত্তরণ ঘটে ও খেলাটিকে ড্রয়ের দিকে নিয়ে যায়। তবে, তিনি সফলতার স্বাক্ষর রাখতে পারেননি। এরপর আর তাকে দলে নেয়া হয়নি।

অবসরসম্পাদনা

টেস্ট সিরিজ শেষে দুই সপ্তাহ পর অকল্যান্ডের বিপক্ষে ১০২ ও ৩৫ রান তুলেন। ক্রিকেট খেলার পাশাপাশি হকি খেলায়ও দক্ষ ছিলেন এডি ম্যাকলিওড। নিউজিল্যান্ড দলের পক্ষে হকি খেলায় অংশ নেন ও পরবর্তীকালে জাতীয় পর্যায়ের হকি খেলোয়াড় নির্বাচকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন।[২]

১৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৯ তারিখে ৮৮ বছর বয়সে অকল্যান্ড এলাকায় এডি ম্যাকলিওডের দেহাবসান ঘটে।

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

আরও দেখুনসম্পাদনা

বহিঃসংযোগসম্পাদনা