আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া মাইজদী

নোয়াখালী জেলার একটি কওমি মাদ্রাসা

আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া মাইজদী (আল আমিন মাদ্রাসা নামে অধিক পরিচিত[৪]) নোয়াখালী জেলার মাইজদী বাজারে অবস্থিত একটি কওমি মাদ্রাসা। স্থানীয় আল আমিন বিস্কুট ফ্যাক্টরী এবং হাবিব ভেজিটেবলের প্রতিষ্ঠাতা হাবিবুর রহমান ১৯৮৬ সালে এই মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠা করেন। তার পুত্র মুহাম্মদ আজিজুল্লাহ এ মাদ্রাসার মুহতামিমের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। ১৯৯৭ সালে এখানে দাওরায়ে হাদিস (মাস্টার্স) চালু করা হয়। নোয়াখালী শহরে এটিই একমাত্র দাওরায়ে হাদিস সম্পন্ন কওমি মাদ্রাসা। মাদ্রাসাটি আঞ্জুমানে ইত্তেহাদুল মাদারিস বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত। মাদ্রাসার প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন মুফতি আবদুর রহমান। ২০২১ সালে মাদ্রাসার ছাত্রসংখ্যা ১০৩৯ ও শিক্ষক ৫০ জন।

আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া মাইজদী
ধরনকওমি মাদ্রাসা
স্থাপিত১৯৮৬ ইং[১][২][৩]
প্রতিষ্ঠাতাহাবিবুর রহমান
মূল প্রতিষ্ঠান
দারুল উলুম দেওবন্দ
অধিভুক্তিআল হাইআতুল উলয়া লিল জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশ
ধর্মীয় অধিভুক্তি
ইসলাম
বাজেট১,৭৩,০০০,০০ (১৯-২০)
আচার্যমুহাম্মদ আজিজুল্লাহ (নওয়াব)
শিক্ষায়তনিক ব্যক্তিবর্গ
৫০ (২০২০)
শিক্ষার্থী১০৩৯+ (২০২০)
অবস্থান
সংক্ষিপ্ত নামআল আমিন মাদ্রাসা
ওয়েবসাইটchariamadrasha.org
আল আমিন মাদ্রাসার লোগো.png

আরও দেখুনসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. গোলাম ছরোয়ার, মুহাম্মদ (নভেম্বর ২০১৩)। "বাংলা ভাষায় ফিকহ চর্চা (১৯৪৭-২০০৬): স্বরূপ ও বৈশিষ্ঠ্য বিচার"। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়: ২৮৯। 
  2. "অত্র প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস"জামিয়া ইসলামিয়া মাইজদী। সংগ্রহের তারিখ ৪ আগস্ট ২০২১ 
  3. সাইয়েদ, আহসান (২০০৬)। বাংলাদেশে হাদীছ চর্চা উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ। সেগুনবাগিচা, ঢাকা: অ্যাডর্ন পাবলিকেশন্স। পৃষ্ঠা ১০৬। আইএসবিএন 9842000184 
  4. "নোয়াখালীর বিখ্যাত আল-আমিন মাদ্রাসার বার্ষিক সম্মেলন শনিবার"বাংলানিউজ২৪.কম। ২০ নভেম্বর ২০১৯।