আদা

মসলা জাতীয় উদ্ভিদ

আদা একটি উদ্ভিদ মূল যা মানুষের মসলা এবং ভেজষ ঔষুধ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।[২] মশলা জাতীয় ফসলের মধ্যে আদা অন্যতম। আদা খাদ্যশিল্পে, পানীয় তৈরীতে, আচার, ঔষধ ও সুগন্ধি তৈরীতে ব্যবহার করা হয়। আদা সেই প্রথম মশালাগুলির মধ্যে একটি যা এশিয়া থেকে ইউরোপে রপ্তানি করা হয়েছিল, যা মূলত মশালার বাণিজ্যের মাধ্যমে পৌঁছেছিল এবং প্রাচীন গ্রীস এবং রোমানরা এটি ব্যবহার করত।[৩]

আদা
Zingiber officinale
Zingiber officinale - Köhler–s Medizinal-Pflanzen-146.jpg
Secure
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ: Plantae
(শ্রেণীবিহীন): Angiosperms
(শ্রেণীবিহীন): Monocots
(শ্রেণীবিহীন): Commelinids
বর্গ: Zingiberales
পরিবার: Zingiberaceae
গণ: Zingiber
প্রজাতি: Z. officinale
দ্বিপদী নাম
Zingiber officinale
Roscoe[১]

ঔষধি ব্যবহারসম্পাদনা

এটি ভেষজ ঔষধ। মুখের রুচি বাড়াতে ও বদহজম রোদে আদা শুকিয়ে চিবিয়ে খাওয়া হয়। অধিকন্তু সর্দি, কাশি, আমাশয়, জন্ডিস, পেট ফাঁপায় আদা চিবিয়ে বা রস করে খাওয়া হয়। [৪]

বিস্তৃতিসম্পাদনা

আদা অর্থকরী ফসলের চেয়ে আদা চাষ করা লাভজনক। বাংলাদেশের টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, রংপুর, গাইবান্ধা, লালমনিরহাট, নীলফামারী, পঞ্চগড় ও পার্বত্য জেলাগুলোতে ব্যাপকভাবে আদা চাষ হয়ে থাকে।

চাষাবাদসম্পাদনা

আদা বীজ রোপণের প্রায় ৭-৮ মাস পর ফসল পরিপক্ব হয়। আদা এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে মে মাস পর্যন্ত রোপণ করা হয়। সাধারণত ডিসেম্বর-জানুয়ারি মাসে আদা উত্তোলন করা হয়।

পুষ্টি গুণসম্পাদনা

আদায় আমিষ ২·৩%, শ্বেতসার ১২·৩% , আঁশ ২·৪% , খনিজ পদার্থ, ১·২% পানি ৮০·৮% ইত্যাদি উপাদান বিদ্যমান।

গুনাগুণসম্পাদনা

  • জ্বর, ঠাণ্ডা লাগা, ব্যথায় আদা উপকারী।
  • অতিরিক্ত ওজন ঝরাতেও আদা সাহায্য করে।
  • বসন্ত রোগে এর রস উপকারী।
  • আদার রস শরীর শীতল করে
  • হৃৎপিণ্ডের জন্য উপকারী।
  • কাশি এবং হাঁপানির জন্য আদার রসের সাথে মধু মিশিয়ে সেবন করলে বেশ উপশম হয়।

চিত্রশালাসম্পাদনা

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "Zingiber officinale"জার্মপ্লাজম রিসোর্স ইনফরমেশন নেটওয়ার্ক (জিআরআইএন)কৃষি গবেষণা পরিসেবা (এআরএস), মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগ (ইউএসডিএ)। সংগ্রহের তারিখ ১০ ডিসে ২০১৭ 
  2. "Ginger"NCCIH (ইংরেজি ভাষায়)। ২০০৬-০৫-০১। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০১-৩১ 
  3. "Zingiber officinale Roscoe | Plants of the World Online | Kew Science"Plants of the World Online। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০১-৩১ 
  4. http://www.bdtoday.net/newsdetail/detail/43/10676