কলিন ম্যাকডোনাল্ড

অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার
(Colin McDonald (cricketer) থেকে পুনর্নির্দেশিত)

কলিন ক্যাম্পবেল ম্যাকডোনাল্ড, এএম (ইংরেজি: Colin McDonald; জন্ম: ১৭ নভেম্বর, ১৯২৮; মৃত্যু: ১১ জানুয়ারী, ২০২১) ভিক্টোরিয়ার গ্লেন আইরিশ এলাকায় জন্মগ্রহণকারী সাবেক অস্ট্রেলীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৫২ থেকে ১৯৬১ সময়কালে ৪৭টি টেস্টে অংশ নিয়েছেন।

কলিন ম্যাকডোনাল্ড
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামকলিন ক্যাম্পবেল ম্যাকডোনাল্ড
জন্ম (1928-11-17) ১৭ নভেম্বর ১৯২৮ (বয়স ৯২)
গ্লেন আইরিশ, ভিক্টোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
ভূমিকাউদ্বোধনী ব্যাটসম্যান, মাঝেমধ্যে উইকেট-রক্ষক
সম্পর্কআইএইচ ম্যাকডোনাল্ড (ভাই), কেই রিগ (কাকাতো ভাই)
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ১০১)
২৫ জানুয়ারি ১৯৫৩ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ
শেষ টেস্ট৬ জুলাই ১৯৬১ বনাম ইংল্যান্ড
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
১৯৪৭/৪৮–১৯৬২/৬৩ভিক্টোরিয়া বুশরেঞ্জার্স
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট এফসি
ম্যাচ সংখ্যা ৪৭ ১৯২
রানের সংখ্যা ৩১০৭ ১১৩৭৫
ব্যাটিং গড় ৩৯.৩২ ৪০.৪৮
১০০/৫০ ৫/১৭ ২৪/৫৭
সর্বোচ্চ রান ১৭০ ২২৯
বল করেছে ৩০১
উইকেট
বোলিং গড় ৬৪.০০
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট
সেরা বোলিং ০–৩ ১–১০
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ১৪/০ ৫৫/২
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ২৪ ডিসেম্বর ২০১৭

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটে ভিক্টোরিয়া বুশর‌্যাঞ্জার্সের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। দলে তিনি মূলতঃ ডানহাতি উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। পাশাপাশি মাঝে-মধ্যে উইকেট-রক্ষকেরও দায়িত্ব পালন করেছেন কলিন ম্যাকডোনাল্ড

প্রারম্ভিক জীবনসম্পাদনা

স্কট কলেজ মেলবোর্ন থেকে পড়াশোনা করার পর মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন।

টমস ও ম্যাকডোনাল্ড তাদের রাজ্য দল ভিক্টোরিয়ার পক্ষে ব্যাটিং উদ্বোধনে মাঠে নামতেন। ঐ মৌসুমে একই ক্লাব দল ও মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষেও ব্যাটিং উদ্বোধনে নেমেছিলেন। খেলা থেকে অবসর নেয়ার পর টমস চিকিৎসাকর্মে ধাত্রীবিদ্যাবিশারদের ভূমিকায় অবতীর্ণ হলে ম্যাকডোনাল্ড জিম বার্কের সাথে সফলতম উদ্বোধনী জুটি গড়তে সক্ষম হন। ১৯৫৮-৫৯ ও ১৯৬০-৬১ মৌসুমে ভিক্টোরিয়ার অধিনায়কেরও দায়িত্ব পালন করেন।

খেলোয়াড়ী জীবনসম্পাদনা

২৫ জানুয়ারি, ১৯৫২ তারিখে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তার টেস্ট অভিষেক ঘটে। সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের পঞ্চম টেস্টে সতীর্থ ও উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান জর্জ টমস-সহ রিচি বেনো’র একযোগে অভিষেক হয়েছিল।[১] ঐ খেলায় অস্ট্রেলিয়া দল ২০২ রানের বিরাট ব্যবধানে জয় পেয়েছিল।

১৯৫৬ সালে ওল্ড ট্রাফোর্ড টেস্টে জিম লেকার ১৯ উইকেট পেয়েছিলেন যা জিম লেকারের টেস্ট নামে পরিচিতি পায়। উভয় ইনিংসে যথাক্রমে ৩২ ও ৮৯ রান সংগ্রহ করে সফরকারী অস্ট্রেলিয়া দলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারী ছিলেন তিনি। ১৯৫৮-৫৯ মৌসুমে ইংরেজ দলের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত অ্যাশেজ সিরিজে নিজের খেলোয়াড়ী জীবনের স্বর্ণশিখরে আরোহণ করেন। টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে এক পঞ্জিকাবর্ষে সর্বাধিক রান তোলার কৃতিত্ব অর্জন করেন ১৯৫৯ সালে। অ্যাডিলেডে সিরিজের চতুর্থ টেস্টে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ১৭০ রান তুলেন। তবে, দ্বিতীয় দিনের অধিকাংশ সময় রিটায়ার্ড হার্ট ছিলেন। মেলবোর্নের নিজ মাঠে অনুষ্ঠিত ৫ম টেস্টে দ্বিতীয় সেঞ্চুরি করেন।

১৯৬১ সালে ইংল্যান্ড সফরে যান। কিন্তু, কব্জির আঘাতের কারণে তাকে টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসরগ্রহণ করতে হয়।

ব্যক্তিগত জীবনসম্পাদনা

সংক্ষিপ্তকালের জন্য বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। বীমা প্রতিষ্ঠানের দালাল হিসেবে কাজ করার পর টেনিস অস্ট্রেলিয়ার নির্বাহী পরিচালক মনোনীত হন। ১৯৬০-এর দশক থেকে ১৯৭০-এর দশক পর্যন্ত এবিসি’র ক্রিকেট ধারাভাষ্যকার হিসেবে কাজ করেন।

তার জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা ইয়ান ম্যাকডোনাল্ড ও কাকাতো ভাই কিথ রিগ ভিক্টোরিয়ার পক্ষে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

আরও দেখুনসম্পাদনা

আরও পড়ুনসম্পাদনা

বহিঃসংযোগসম্পাদনা