স্বামী ব্রহ্মানন্দ

ভারতীয় দার্শনিক

স্বামী ব্রহ্মানন্দ (২১ জানুয়ারি, ১৮৬৩ – ১২ এপ্রিল, ১৯২২) ছিলেন প্রসিদ্ধ বাঙালি সন্ন্যাসী ও রামকৃষ্ণ পরমহংসের অন্যতম প্রধান শিষ্য। শ্রীরামকৃষ্ণ তাকে নিজের ভাবসন্তানের মর্যাদা দেন। পরবর্তীকালে তিনি রামকৃষ্ণ মিশনের প্রথম অধ্যক্ষ নির্বাচিত হন। রাজা মহারাজ নামে পরিচিত এই সন্ন্যাসী স্বামী বিবেকানন্দের মৃত্যুর পর রামকৃষ্ণ মিশনের যাবতীয় উন্নতির প্রধান কাণ্ডারী রূপে গণ্য হন।

স্বামী ব্রহ্মানন্দ
স্বামী ব্রহ্মানন্দ
জন্মরাখালচন্দ্র ঘোষ
(১৮৬৩-০১-২১)২১ জানুয়ারি ১৮৬৩
শিকরা-কুলীনগ্রামে, বসিরহাট, ব্রিটিশ ভারত
মৃত্যু১২ এপ্রিল ১৯২২(1922-04-12) (বয়স ৫৯)
বেলুড় মঠ, হাওড়া, ব্রিটিশ ভারত
ক্রমরামকৃষ্ণ মিশন
গুরুরামকৃষ্ণ
দর্শনঅদ্বৈত বেদান্ত

জীবনী সম্পাদনা

স্বামী ব্রহ্মানন্দ কলকাতার নিকটস্থ শিকরা-কুলীনগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা আনন্দমোহন ঘোষ। পূর্বাশ্রমে তার নাম ছিল রাখালচন্দ্র ঘোষ। ১৮৭৫ সালে কলকাতার ট্রেনিং অ্যাকাডেমিতে পড়াশোনার সময় স্বামী বিবেকানন্দের সঙ্গে তার আলাপ হয়। বিবাহের পর সংসারের প্রতি বীতশ্রদ্ধ হয় শ্রীরামকৃষ্ণের নিকটে এসে সন্ন্যাসধর্মে দীক্ষিত হন। জীবনের অধিকাংশ সময় তিনি পুরীভুবনেশ্বরে কাটিয়েছিলেন। ভুবনেশ্বরের মঠও তার দ্বারা প্রতিষ্ঠিত। স্বামী বিবেকানন্দ ১৮৯৮ খ্রিষ্টাব্দে রামকৃষ্ণ মিশন সমিতি প্রতিষ্ঠা করে ব্রহ্মানন্দ মহারাজকে তার প্রেসিডেন্ট করেন। মহারাজ দীর্ঘ দিন ওই পদে ব্রতি থেকে ভারতবর্ষ তথা সারা বিশ্বে রামকৃষ্ণ ভাবধারা ছড়িয়ে দেন ।

ব্রহ্মানন্দের নামে নামাঙ্কিত প্রতিষ্ঠানসমূহ সম্পাদনা

তার শিষ্য যোগীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১২ সালে বরানগর, কলকাতায় তার নামে "ব্রহ্মানন্দ বালকশ্রম" নামে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, যা এখন বরানগর রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রম উচ্চ বিদ্যালয় হিসাবে পরিচিত।[১][২]

তথ্যসূত্র সম্পাদনা

  1. "রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রম, বরানগর, কলকাতা"। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৮ 
  2. "রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রম, বরানগর মিশন"। ১৩ জুলাই ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৭ মে ২০১৫ 

বহিঃসংযোগ সম্পাদনা