সারদা কেলেঙ্কারি

সারদা গ্রুপের আর্থিক কেলেঙ্কারি
(সারদা কেলেঙ্কারী থেকে পুনর্নির্দেশিত)

সারদাকাণ্ড​ বা সারদা গ্রুপের আর্থিক কেলেঙ্কারি একটি বড়ো আর্থিক কেলেঙ্কারি এবং সারদা গ্রুপের দ্বারা পরিচালিত একটি পনজী প্রকল্পের​ পতনের​ দ্বারা সৃষ্ট রাজনৈতিক কেলেঙ্কারি ছিল। এপ্রিল ২০১৩ সালে ধসে যাওয়ার​ আগে গ্রুপটি ১.৭ মিলিয়ন-এর চেয়েও বেশি আমানতকারীদের[১] থেকে প্রায় Indian Rupee symbol.svg২০০ থেকে Indian Rupee symbol.svg৩০০ বিলিয়ন (বা ৪-৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার)[২][৩] সংগ্রহ করেছিলো।

সারদা গ্রুপ
ধরনব্যক্তিগত মালিকানাধীন
শিল্পআর্থিক সেবা, পরিকাঠামো ব্যবস্থাপনা, অটোমোবাইল, কারখানাজাত কাজ
প্রকারআমানত-সংহতি কোম্পানি
প্রতিষ্ঠাতাসুদীপ্ত সেন
বিলুপ্তিকালএপ্রিল ২০১৩
অবস্থাসারদার সাহচর্য কোম্পানিগুলির বিরুদ্ধে পনজি স্কিমের অভিযোগ
সদরদপ্তরকলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত
প্রধান ব্যক্তি
সুদীপ্ত সেন, চেয়ারম্যান ও পরিচালন অধিকর্তা
দেবযানী মুখার্জি, অধিকর্তা
কুণাল ঘোষ, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, মিডিয়া বিভাগ
কর্মীসংখ্যা
১৬,০০০+
বিভাগসমূহসারদা ভূসম্পত্তি
সারদা রপ্তানি
"গ্লোবাল অটোমোবাইল"
সারদা মিডিয়া গ্রুপ
ওয়েবসাইটsaradhagroup.biz

রাজনৈতিক প্রভাবসম্পাদনা

সারদাকাণ্ডের তদন্তটি পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মহলে বিশাল প্রভাব ফেলে। সারদাকাণ্ডে শাসক দল, তৃণমূল কংগ্রেসেরই কিছু দলনেতারা জড়িয়ে থাকার কারণে সন্দেহের সুই, তৃণমূল কংগ্রেসের দিকেই যায় যার ফলে রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষে একটি কঠিন পরিস্থিতি তৈরি হয়ে ওঠে যার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কেন্দ্রে শাসক দল, ভারতীয় জনতা পার্টি কে দায়ী করেন এবং তাদেরকে রাজনৈতিক গৃহবিবাদের জন্য দোষারোপ করেন। ভারতীয় জনতা পার্টিও, তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে দলের "প্রতারকদের" আড়াল করার পাল্টা অভিযোগ আরোপ করে।
তদন্তের সময়, তৃণমূল কংগ্রেসের বেশ কিছু নির্বাচিত সাংসদ, বিধায়ক ও দলের উচ্চ পদের কয়েক ঘনিষ্ঠ নেতাদের সিবিআই তলবেরও মুখোমুখি হতে হয়।

 
কাঁথিতে সারদা রিয়ালিটি ইন্ডিয়া লিমিটেডের ভাংচুর করা নির্মাণ-ভূমি, 2015 সাল।

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. Dutta, Romita (২০ জুন ২০১৩)। "Saradha raised deposits from 1.7 mn people, probe finds"LiveMint। সংগ্রহের তারিখ ১৯ আগস্ট ২০১৩ 
  2. Soudhriti Bhabani (২৩ জানুয়ারি ২০১৩)। "Anger mounts over Saradha fund crisis as thousands of depositors face ruin"Daily Mail। সংগ্রহের তারিখ ২৫ এপ্রিল ২০১৩ 
  3. "Cheat funds, again"The Hindu। সংগ্রহের তারিখ ২৭ এপ্রিল ২০১৩ 

বহিঃসংযোগসম্পাদনা