সঞ্জীবা বীরাসিংহে

শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটার

কলোম্বাগে ডন ইউদেশ সঞ্জীবা বীরাসিংহে (সিংহলি: සංජීව වීරසිංහ; জন্ম: ১ মার্চ, ১৯৬৮) কলম্বো এলাকায় জন্মগ্রহণকারী সাবেক শ্রীলঙ্কান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।[১] শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৮৫ সালে সীমিত সময়ের জন্যে শ্রীলঙ্কার পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।

সঞ্জীবা বীরাসিংহে
සංජීව වීරසිංහ
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামকলোম্বাগে ডন ইউদেশ সঞ্জীবা বীরাসিংহে
জন্ম১ মার্চ, ১৯৬৮
কলম্বো, শ্রীলঙ্কা
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনলেগ ব্রেক গুগলি
ভূমিকাবোলার
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
একমাত্র টেস্ট
(ক্যাপ ৩০)
৬ সেপ্টেম্বর ১৯৮৫ বনাম ভারত
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট এফসি
ম্যাচ সংখ্যা ৪৪
রানের সংখ্যা ৮৪৫
ব্যাটিং গড় ৩.০০ ১৭.৯৭
১০০/৫০ -/- ১/২
সর্বোচ্চ রান ১১২*
বল করেছে ১১৪ ৪৫৯৩
উইকেট - ১০৩
বোলিং গড় - ২৪.০৩
ইনিংসে ৫ উইকেট -
ম্যাচে ১০ উইকেট -
সেরা বোলিং - ৮/৭৭
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং -/- ৩৯/-
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ১৯ মার্চ ২০২০

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটে কোল্টস, নন্দেস্ক্রিপ্টস এবং তামিল ইউনিয়ন ক্রিকেট ও অ্যাথলেটিক ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ লেগ ব্রেক গুগলি বোলিং করতেন। এছাড়াও, ডানহাতে নিচেরসারিতে ব্যাটিংয়ে পারদর্শী ছিলেন সঞ্জীবা বীরাসিংহে

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটসম্পাদনা

ইসিপাথানা কলেজে পড়াশুনো করেছেন সঞ্জীবা বীরাসিংহে। ১৯৮৪-৮৫ মৌসুম থেকে ১৯৯৬-৯৭ মৌসুম পর্যন্ত সঞ্জীবা বীরাসিংহে’র প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল। বিদ্যালয়ের ছাত্র অবস্থাতেই জাতীয় দলে খেলার জন্যে আমন্ত্রণ বার্তা লাভ করেন। শুরুতে তাকে ডিএস ডি সিলভা’র যোগ্য উত্তরসূরী হিসেবে বিবেচনা করা হতো।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে উপেক্ষিত হবার পরও ঘরোয়া পর্যায়ের ক্রিকেটে খেলা চালিয়ে যেতে থাকেন। এ পর্যায়ে খুব কমই নিজেকে মেলে ধরতে পেরেছিলেন। অতঃপর ৩০ বছর পূর্তির পূর্বেই খেলোয়াড়ী জীবন থেকে অবসর গ্রহণ করেন তিনি।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটসম্পাদনা

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে একটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ করেছেন সঞ্জীবা বীরাসিংহে। ৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৫ তারিখে কলম্বোয় সফরকারী ভারত দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। ১৭ বছর ২৬৯ দিন বয়সে শ্রীলঙ্কার পক্ষে টেস্টে অভিষেকের ফলে দেশের সর্বকনিষ্ঠ টেস্ট ক্রিকেটারের মর্যাদা লাভ করেন। এটিই তার একমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ ছিল। এরপর আর তাকে কোন টেস্টে অংশগ্রহণ করতে দেখা যায়নি।

টেস্টে তার দল জয়লাভ করলেও তিনি সফল হননি। আটোসাটো বোলিং করলেও কোন উইকেট লাভে ব্যর্থ হন। এরপর পাকিস্তান গমন করেন। তবে কোন টেস্টেই তাকে খেলানো হয়নি। ফলশ্রুতিতে ঐ টেস্টটিই তার একমাত্র টেস্ট হিসেবে রয়ে যায়।

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

বহিঃসংযোগসম্পাদনা