রজতশুভ্র মজুমদার

ভারতীয় কবি

রজতশুভ্র মজুমদার একজন কবি, কথাসাহিত্যিক এবং বাংলা তরুণ প্রজন্মের প্রবন্ধকার।[১][২] তার লেখা প্রথম কবিতা প্রকাশিত হয় ১৯৯৯ সালে এবং তার প্রথম কবিতার বই বা কাব্যগ্রন্থ হল হালুদ কাগজে তৈরি,যা ২০০২ সালে কবিতা "পাক্ষিক" থেকে প্রকাশিত হয়। তিনি ১৭ টি কাব্যগ্রন্থ লিখেছেন।[৩]

রজতশুভ্র মজুমদার
জন্ম (1978-01-02) ২ জানুয়ারি ১৯৭৮ (বয়স ৪৩)
কেতুগ্রাম, বর্ধমান জেলা, (অধুনা পূর্ব বর্ধমান জেলা), পশ্চিমবঙ্গ
পেশাকবি, কথাসাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক
বাসস্থানশান্তিনিকেতন, বীরভূম জেলা, পশ্চিমবঙ্গ
জাতীয়তাভারতীয়
নাগরিকত্বভারত
সময়কালএকবিংশ শতাব্দী
ধরনকবিতা, কথাসাহিত্যিক
বিষয়সাহিত্য
উল্লেখযোগ্য রচনাবলিসামান্য লেখা, ১০০ প্রেমের কবিতা, বিশ্বভারতী ও তার ভবিষ্যৎ

প্রাথমিক জীবনসম্পাদনা

রজতশুভ্র মজুমদার একটি শিক্ষাগত পরিবেশে বড় হয়েছেন। অবিভক্ত বর্ধমান জেলার কেতুগ্রামে (অধুনা পূর্ব বর্ধমান জেলা) তিনি শৈশব কাটিয়েছিলেন। বর্তমানে তিনি শান্তিনিকেতনে বসবাস করছেন। তার পিতা প্রশান্ত কুমার মজুমদার স্যার আশুতোষ মেমোরিয়াল ইনস্টিটিউটের ইতিহাস শিক্ষক ছিলেন। রজতশুভ্র মজুমদার বর্ধমান রাজ কলেজ থেকে ইংরেজিতে সম্মাননার সঙ্গে স্নাতক সম্পন্ন করেন এবং বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেন।

কর্ম জীবনসম্পাদনা

১৯৯৯ সালে সবুজ পত্র সোনার তরীর শারদ সংখ্যায় প্রকাশিত একটি ছোট্ট কবিতা মাধ্যমে কবি হিসাবে অত্মপ্রকাশ ঘটে রজতশুভ্র মজুমদারের।[১] ২০০২ সালে তার লেখা হলুদ কাগজে তৈরি কাব্যগ্রন্থ কবিতা পাক্ষিকে এবং হলুদ বেনারসির গন্ধ রক্তমাংস নামে একটি পত্রিকাতে প্রকাশিত হয়। তার লেখা উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলি হল- অনিহেশ ফুলজন্ম (২০০৪- কবিতা), কবরী বন্দী আর খুলি (২০০৫- সপ্ততর্ষী), রাধা যাবেই যমুনায় এবং ১০০ প্রেমের কবিতা[৪]

দেশ পত্রিকার নিয়মিত লেখক রজতশুভ্র মজুমদার কবিতার পাশাপাশি গদ্য সাহিত্যেও সমান সফল। তার প্রথম গদ্যগ্রন্থ 'সামান্য লেখা' ২০১২ সালে পুনশ্চ পত্রিকাতে প্রকাশিত হয়। গদ্যগ্রন্থটির ভূমিকা লিখেছিলেন প্রখ্যাত সাহিত্যিক নবনীতা দেবসেন। ২০১৩ সালে তার লেখা সাগরপাড়ের সাহিত্য নামে একটি বই "সোপান" থেকে প্রকাশিত হয়। ২০১৫ নতুন গল্প ২৫ নামে আরও এক্তি বই প্রকাশিত হয় "অভিযান" প্রকাশনী থেকে।

সতেরোটির বেশি গ্রন্থের লেখক রজতশুভ্রের কবিতা নিয়ে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, রুদ্রপ্রসাদ সেনগুপ্ত, ব্রততী বন্দ্যোপাধ্যায়, দেবশঙ্কর হালদার, রূপঙ্কর প্রমুখ শিল্পীদের একক ও যৌথ অ্যালবামের কাজ করেছেন। বস্তুত, জয় গোস্বামী, সুবোধ সরকারের পর আর কোনও কবিরই এত বিপুল সংখ্যক কবিতা নিয়ে এত অডিও, ভিডিও, সিনেমাটোগ্রাফির কাজ হয়নি।[১] সানন্দায় প্রকাশিত তার রোমাঞ্চ-উপন্যাস ‘ভালবাসায় ভোলাব’ চলচ্চিত্রায়িত হতে চলেছে।[১]

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. "২০ বছরে রজতশুভ্র মজুমদারের লেখনী জীবন"। আনন্দবাজার পত্রিকা। ১৩ অক্টোবর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জুন ২০১৯ 
  2. "অনন্য তর্পণ ....কবিতার মধ্যে দিয়েই নিজের কবিজীবনের ২০ বছর তর্পণ করলেন রজতশুভ্র মজুমদার। মহালয়ার প্রাক্কালে সেই অনুষ্ঠান হয়ে গেল মহাজাতি সদনে"। এই সময়। ২৩ অক্টোবর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জুন ২০১৯ 
  3. "Resonating diverse expressions"। www.thestatesman.com। ২৭ নভেম্বর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জুন ২০১৯ 
  4. "কবিতার মাত্রা"। আনন্দবাজার পত্রিকা। ১৮ জুন ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জুন ২০১৯