মোহাম্মদ আহমাদ

মোহাম্মদ আহমাদ বিন আব্দ আল্লাহ (Arabic: محمد أحمد ابن عبد الله; ১২ আগস্ট, ১৮৪৪ – ২২ জুন, ১৮৮৫) ছিলেন এক সুফি দরবেশ। তিনি কালক্রমে এই মাহদি অভ্যুত্থানের লিজেণ্ডে পরিনত হন। তিনি ইসলামী ভ্রাতৃত্ব ও প্যারিস কমিউনের শিক্ষার সংমিশ্রণে ইস্তেতার রচনা করেন। সমবণ্ঠনের নীতিতে নির্ভরশীল, তার সশস্ত্র অনুগামীরা ইতিহাসে পরিচিত হয় মাহাদি হিসেবে। তাদের কেন্দ্র ছিল নীল নদের অববাহিকায় আব্বা দ্বীপে। তাদের সাথে ইংরেজ সামরিক বাহিনীর সংঘর্ষ শুরু হয়। সামরিকভাবে সফল মাহদি বাহিনী কোর্দফানের পার্বত্য অঞ্চলে শক্ত ঘাঁটি পেতে বসে। ইংরেজ বাহিনীর আক্রমণ ও ষড়যন্ত্র ব্যার্থ করে তারা রাজধানী খর্তুম অবরোধ করে। শেষবধি চার বছর যুদ্ধশেষে তারা বিজয়ী হয়। যদিও জয়ের পর পর মহম্মদ আহমেদের মৃত্যু হয়। নেতৃত্বে আসেন আব্দুল্লা। প্রতিষ্ট্রিত করেন ইসলামী প্রলেতারিয় রাষ্ট্র, যা ১৩ বছর টিকে থাকে। ১৩ বছর পরে ইংল্যান্ড ফ্রান্সের যৌথ আক্রমণের মুখে মাহদি রাষ্ট্র ধংস ও বিধ্বস্ত হয়।

মোহাম্মদ আহমাদ
Muhammad Ahmad
সুদানের শাসক
Muhammad Ahmad.jpg
মোহাম্মদ আহমাদের শৈল্পিক উপস্থাপনা
রাজত্ব1881–1885
উত্তরসূরিAbdallahi ibn Muhammad 'Khalifa'
জন্ম(১৮৪৪-০৮-১২)১২ আগস্ট ১৮৪৪
লাবাব দ্বীপ, Dongola
মৃত্যু২২ জুন ১৮৮৫(1885-06-22) (বয়স ৪০)
খার্তুম, সুদান
সমাধি
পূর্ণ নাম
Muhammad Ahmad bin Abd Allah
ধর্মMahdist Sudan

ইতিহাসসম্পাদনা

১৮৭৭ সালে আফ্রিকার অধিকাংশ দেশ সাম্রাজ্যবাদী ঔপনিবেশিক রাষ্ট্রগুলির হাতে খাওয়ার টেবিলে রুটি ভাগের মতো নিজেদের মধ্যে ভাগ বাটোয়ারা হয়ে যায়। সুদানও তার ব্যতিক্রম নয়। সেও ভাগ হয়ে যায় জর্মনী, ইতালি, ইংল্যান্ড ও অস্ট্রিয়ার মধ্যে। হয়ে যায় সুদানের সরকারি শাসক মিশরের অনুমোদনে। ১৮৮১ সালে মিশরও ইংরেজদের পদানত হওয়ার পর সেখানে মোহাম্মদ আহমাদের নেতৃত্বে বিদ্রোহের আগুন জ্বলে ওঠে।