মারুফুল হক

বাংলাদেশী ফুটবল প্রশিক্ষক

মারুফুল হক একজন বাংলাদেশী পেশাগত ফুটবল কোচ।তিনি বর্তমানে আরামবাগ ক্রীড়া সংঘ ক্লাবের প্রধান কোচের দায়িত্বে আছেন।[১] তিনি সর্বপ্রথম উয়েফা এ লাইসেন্সধারী দক্ষিণ-এশীয়।[২]

মারুফুল হক
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নাম এ.কে.এম. মারুফুল হক
জন্ম (1969-09-19) ১৯ সেপ্টেম্বর ১৯৬৯ (বয়স ৫২)
জন্ম স্থান ময়মনসিংহ, বাংলাদেশ
উচ্চতা ১.৭৮ মি (৫ ফু ১০ ইঞ্চি)
মাঠে অবস্থান ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার
ক্লাবের তথ্য
বর্তমান ক্লাব
চট্টগ্রাম আবাহনী (প্রধান কোচ)
পরিচালিত দল
বছর দল
২০০৮-১০ ঢাকা মোহামেডান
২০১০-১১ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ
২০১১-১৪ শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র
২০১৪-১৫ শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব
২০১৫-১৬ শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র
২০১৫ বাংলাদেশ
২০১৭– আরামবাগ ক্রীড়া সংঘ

প্রাথমিক পর্যায়সম্পাদনা

মারুফুল হকের জন্ম ময়মনসিংহের গফরগাঁও এ।তিনি তার যুব পর্যায়ে প্রায় সব ধরনের খেলা খেলেছেন।জুরিন জনতা ক্লাবের হয়ে ১ম বিভাগ কাবাডি খেলেছেন।১ম বিভাগ বাস্কেটবল দল ঢাকা প্যান্থারস থেকে খেলার প্রস্তাব এসেছিলো।সোনালী ব্যাংক তাদের হকি দলে তাকে চেয়েছিলেন এবং বিজেএমসি দল তাকে ৪০০ মিটার দৌড় ও বর্শা নিক্ষেপের জন্য ডাকে।তবে পেশাদার হিসেবে তিনি ফুটবলকে বেছে নেন।তিনি বাংলাদেশ বয়েজ ক্লাবের হয়ে ১৯৯২-৯৪ সাল পর্যন্ত ঢাকা লীগ খেলেন।তিনি নিয়মিত জেলা দলে ডাক পেতেন।তিনি বাংলাদেশ অ-১৯ দলেও ডাক পেয়েছিলেন।

তিনি ময়মনসিংহ আনন্দমোহন কলেজ থেকে ডিগ্রি সম্পন্ন করেন এবং ১৯৯৩ সালে বাংলাদেশ শারীরিক শিক্ষা কলেজ থেকে বিপিইডি করেন।তারপর তিনি বুয়েটের শারীরিক শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন।[৩]

তার প্রশিক্ষক জীবন শুরু করেন যখন তিনি ময়মনসিংহ মোহামেডান দলের খেলোয়াড়ের পাশাপাশি প্রশিক্ষক হন।তিনি ফিফা কর্তৃক আয়োজিত পাঁচদিনের প্রশিক্ষক কোর্সে অংশগ্রহণ করেন।তার প্রতিভা দেখে জার্মান কোচ ওয়াল্টার ফিজি তাকে উচ্চতর প্রশিক্ষক লাইসেন্স নিতে বলেন।

কোচিং ক্যারিয়ারসম্পাদনা

তিনি ময়মনসিংহ মোহামেডান এর খেলোয়াড় ও কোচ উভয় দায়িত্ব পালন করেন।২০০১ সালে তিনি বাড্ডা জাগরণী সংসদের সহকারী কোচ হন।মূলত এখান থেকেই তার যাত্রা শুরু।

ঢাকা মোহামেডানসম্পাদনা

২০০৮ সালে তিনি বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী ক্লাব ঢাকা মোহামেডানের দায়িত্ব পান।তার ক্লাব ২০০৯ বাংলাদেশ সুপার কাপ জয় করে এবং টানা দুইটি আসর লীগে রানার্স- আপ হয়।

মুক্তিযোদ্ধা সংসদসম্পাদনা

মামুনুল মুক্তিযোদ্ধা সংসদে ২০১০ সালে এক বছরের দায়িত্বে পান।সেই বছর এই দলটিও লীগ রানার্স-আপ হয়।

শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রসম্পাদনা

২০১১ সালে তিনি শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রের দায়িত্বে আসার পর দলটি লীগে পঞ্চম হয়।ফেডারেশন কাপ সেমি-ফাইনালে বাদ পরে।তবে তার পরের আসরে তিনি ট্রেবল জয় করেন।

শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবসম্পাদনা

২০১৪ তে তিনি শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবে টেকনিকাল ডিরেক্টর হিসেবে যোগদান করেন।সেই বছর শেখ জামালকে ভুটানের কিংস কাপ জেতান। ২০১৪-১৫ মৌসুমের প্রথম লেগ শেষে তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়ে।এরই মধ্যে তার অধীনে দলটি ফেডারেশন কাপ জয় করে।

শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রসম্পাদনা

শেখ জামাল থেকে আসার পরে তিনি আবারো শেখ রাসেল যোগদান করেন।

বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলসম্পাদনা

২০১৫ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ এর জন্য তিনি বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের দায়িত্ব পান।

অর্জনসম্পাদনা

ম্যানেজারসম্পাদনা

ঢাকা মোহামেডান

শেখ রাসেক ক্রীড়া চক্র

শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব

এককসম্পাদনা

  • সেরা কোচ : বাংলাদেশ ক্রীড়া লেখক সমিতি ২০০৯
  • সেরা কোচ : বাংলাদেশ ক্রীড়া পুরস্কার ২০১১
  • সেরা কোচ : বাংলাদেশ ক্রীড়া লেখক সমিতি ২০১৩

ম্যানেজার হিসেবে পরিসংখ্যানসম্পাদনা

দল শুরু শেষ খেলা জয় ড্র হার পক্ষে গোল বিপক্ষে গোল %W
 বাংলাদেশ ২৪ নভেম্বর ২০১৫ ১৮ জানুয়ারি ২০১৬ ৫০.০০

তথ্যসূত্রসম্পাদনা