এড ওয়ারেন
চিত্র:Ed and Lorraine Warren.jpg
লরেইন (বামে) ও এড ওয়ারেন (ডানে)
জন্ম
এডওয়ার্ড ওয়ারেন মাইনি

(১৯২৬-০৯-০৭)৭ সেপ্টেম্বর ১৯২৬
ব্রিজপোর্ট, কানেটিকাট, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
মৃত্যু২৩ আগস্ট ২০০৬(2006-08-23) (বয়স ৭৯)[১]
মনরো, কানেটিকাট, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
পেশা
প্রতিষ্ঠাননিউ ইংল্যান্ড সোসাইটি ফর সাইকিক রিসার্চ
দাম্পত্য সঙ্গীলরেইন ওয়ারেন (বি. ১৯৪৫)
সন্তান
ওয়েবসাইটwarrens.net
লরেইন ওয়ারেন
Lorraine Warren (8608455671) (cropped).jpg
২০১৩ সালে লরেইন
জন্ম
লরেইন রিটা মোরান

(১৯২৭-০১-৩১)৩১ জানুয়ারি ১৯২৭
ব্রিজপোর্ট, কানেটিকাট, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
মৃত্যু১৮ এপ্রিল ২০১৯(2019-04-18) (বয়স ৯২)[২]
মনরো, কানেটিকাট, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
পেশা
প্রতিষ্ঠাননিউ ইংল্যান্ড সোসাইটি ফর সাইকিক রিসার্চ
দাম্পত্য সঙ্গীএড ওয়ারেন (বি. ১৯৪৫; মৃ. ২০০৬)
সন্তান
ওয়েবসাইটwarrens.net

এডওয়ার্ড ওয়ারেন মাইনি (৭ সেপ্টেম্বর ১৯২৬ – ২৩ আগস্ট ২০০৬)[১]লরেইন রিটা ওয়ারেন (জন্মগত পদবি: মোরান; ৩১ জানুয়ারি ১৯২৭ – ১৮ এপ্রিল ২০১৯)[৩] ছিলেন মার্কিন আধিদৈবিক অনুসন্ধানী ও লেখক দম্পতি। তারা বেশ কিছু বিখ্যাত ও তথাকথিত ভৌতিক উপস্থিতির ঘটনা অনুসন্ধান করেন। এডওয়ার্ড ছিলেন একজন স্বশিক্ষিত শয়তানবিদ, লেখক ও প্রভাষক। লরেইন ক্লেয়ারভয়েন্ট ও ঈষৎ সম্মোহিত মাধ্যম হিসেবে প্রশিক্ষিত হয়ে তার স্বামী এডওয়ার্ডের সাথে কাজ করতেন।

১৯৫২ সালে ওয়ারেন দম্পতি নিউ ইংল্যান্ডের সবচেয়ে প্রাচীন ভৌতিক ঘটনা অনুসন্ধানী দল “নিউ ইংল্যান্ড সোসাইটি ফর সাইকিক রিসার্চ” (এনইএসপিআর) প্রতিষ্ঠা করেন।[৪] তারা বিভিন্ন অলৌকিক ঘটনা এবং ভৌতিক ঘটনা অনুসন্ধানে তাদের অভিজ্ঞতা নিয়ে বিভিন্ন বই লিখেছেন। দাবি অনুসারে তারা তাদের জীবনে অন্তত ১০,০০০ ঘটনা অনুসন্ধান করেছেন।[৫] অ্যামিটিভিলের ভৌতিক ঘটনার প্রথম দিককার অনুসন্ধানকারীদের মধ্যে তারা অন্যতম। ওয়ারেন দম্পতি, এনইএসপিআরের ওয়েবসাইট, ভিভিগ্লাম মাগাজিন ও অন্যান্য আরও তথ্যসূত্রমতে, এনইএসপিআর তাদের অনুসন্ধানে চিকিৎসক, গবেষক, পুলিশ কর্মকর্তা, সেবিকা, কলেজ শিক্ষার্থী ও ধর্মযাজক প্রভৃতি বিভিন্ন পেশাজীবীর সহায়তা নেয়।[৬][৭][৮]

ওয়ারেন দম্পতির বিখ্যাত বেশকিছু ঘটনা অবলম্বনে কিংবা অনুপ্রাণনায় অনেক চলচ্চিত্র, টেলিভিশন ধারাবাহিক, তথ্যচিত্র নির্মিত হয়েছে। এর মধ্যে অ্যামিটিভিলে হরর ধারাবাহিকদ্য কনজুরিং ইউনিভার্সের চলচ্চিত্রসমূহ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।[৯]

ভৌতিক সন্দেহবাদী পেরি ডিঅ্যাঞ্জেলিসস্টিভেন নভেলা ওয়ারেন দম্পতির অনুসন্ধানী প্রমাণগুলো পুনর্নিরীক্ষা করেন এবং এগুলোকে “ব্লার্নি” (blarney, আবোলতাবোল কথা) বলে উল্লেখ করেন।[১০] সন্দেহবাদী গবেষক জো নিকেলবেঞ্জামিন র‍্যাডফোর্ড সিদ্ধান্তে আসেন যে অ্যামিটিভিলে ও স্নিডেকার পরিবারের বিখ্যাত দুইটি ভৌতিক ঘটনা সাজানো এবং কখনো ঘটেইনি।[১১][১২][১৩]

উল্লেখযোগ্য অনুসন্ধানসম্পাদনা

অ্যানাবেলসম্পাদনা

ওয়ারেন দম্পতির ভাষ্যমতে, ১৯৬৮ সালে দুইজন তাদের জানায় যে তাদের র‍্যাগেডি অ্যান পুতুলে অ্যানাবেল হিগিনস নামের এক কমবয়সী মেয়ের আত্মা ভর করেছে। ওয়ারেন দম্পতি জানায় যে তাদের পুতুলটি “কোনো অমানবীয় সত্তা দ্বারা ব্যবহৃত হচ্ছে।” পুতুলটি তারা সংগ্রহ করে এবং তাদের পারিবারিক “অকাল্ট জাদুঘর”-এ উঠিয়ে রাখে। এই পুতুলকে উপজীব্য করে দ্য কনজুরিং ইউনিভার্সের একাধিক চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন চলচ্চিত্রে এই পুতুলটিকে দেখা গেছে।[১৪]

পেরন পরিবারসম্পাদনা

১৯৭১ সালে ওয়ারেন দম্পতি দাবি করেন যে, রোড আইল্যান্ডের হ্যারিসভিলের পেরন পরিবারের বাড়িতে ভৌতিক কর্মকাণ্ড ঘটতে থাকে। তাদের দাবি অনুসারে উনবিংশ শতকের শুরুর দিকে ওই বাড়িতে কোনো জাদুকরী ডাইনির বসবাস করতো। ওয়ারেন দম্পতির ভাষ্যমতে, বাথসেবা শেরম্যান ওই ভূ-খণ্ডকে অভিশাপ দিয়েছিল, যার কারণে সেখানে যে-ই থাকতো, তার অস্বাভাবিক মৃত্যু হতো। এই কাহিনি অনুসারে ২০১৩ সালে দ্য কনজ্যুরিং চলচ্চিত্র নির্মিত হয়। লরেইন ওয়ারেন এই চলচ্চিত্রে উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেন এবং ক্ষণিক আবির্ভূত হন। ইউএসএ টুডে-এর এক প্রতিবেদক চলচ্চিত্রের প্রকৃত প্রেক্ষাপট ধারণ করেন।[১৫][১৬]

অ্যামিটিভিলেসম্পাদনা

ওয়ারেন দম্পতি ১৯৭৫ সালে অ্যামিটিভিলের ভৌতিক ঘটনাদির সাথে জড়িত হওয়ার জন্য বিশেষভাবে বিখ্যাত। নিউইয়র্কের অ্যামিটিভিলের এক দম্পতি জর্জ ও ক্যাথি লুৎস তাদের বাড়িতে হিংস্র, শয়তানি কোনো শক্তির উপস্থিতি বুঝতে পারেন। এটি এত শক্তিশালী ছিল যে তারা তাদের বাড়ি ছাড়তে বাধ্য হন। দি অ্যামিটিভিলে হরর কনস্পিরেসি গ্রন্থের লেখক স্টিফেন ও রোজেইন কাপ্লান একে “হোক্স” বা “ধাপ্পা” দাবি করে।[১৭] লরেইন ওয়ারেন দি এক্সপ্রেস-টাইমস-এর সাংবাদিকের কাছে দাবি করেন এই ঘটনা মোটেও ধাপ্পা নয়। অ্যামিটিভিলের ঘটনা অনুসারে ১৯৭৭ সালে একটি গ্রন্থ বের হয় এবং একই নামে ১৯৭৯২০০৫ সালে একটি চলচ্চিত্র মুক্তি পায়। পরবর্তীতে এই ঘটনাকে উপজীব্য করে একটি ধারাবাহিক চলচ্চিত্র-ও নির্মিত হয়। ওয়ারেন দম্পতির বর্ণনা করা মূল ঘটনার অংশবিশেষ ২০১৬ সালের চলচ্চিত্র দ্য কনজুরিং ২-এর শুরুতে দেখানো হয়। বেনজামিন রেডফোর্ডের মতে অ্যামিটিভিলের ঘটনা “প্রত্যক্ষদর্শী ও প্রামাণিক বিষয়বস্তু দ্বারা প্রমাণিত নয়”।[১২] ১৯৭৯ সালে আইনজীবী উইলিয়াম ওয়েবার বিবৃতি দিয়ে বলেন, যে তিনি, জে অ্যানসন ও অধিবাসীরা আড্ডায় এই গল্প “ফেঁদেছিলেন”।[১৮][১৩]

এনফিল্ডের উৎপাতসম্পাদনা

১৯৭৭ সালে ওয়ারেন দম্পতি লন্ডনের উপকণ্ঠে উৎপাতকারী ভূতের অনুসন্ধান শুরু করেন। বেশ কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী একে “আদর-চাওয়া” শিশুদের বদবুদ্ধি বলে উড়িয়ে দিলেও, ওয়ারেন দম্পতি এতে শয়তানের সংশ্লিষ্টতা খুঁজে পান। এই অনুসন্ধানের কাহিনি অবলম্বনে পরবর্তী দ্য কনজুরিং ২ চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়। তবে সমালোচকদের মতে চলচ্চিত্রে দেখানো গল্পের চেয়ে পরিস্থিতি অনেকটা আলাদ ছিল। ওয়ারেন দম্পতি এই ঘটনায় চলচ্চিত্রের কাহিনিপটের চেয়ে অনেক বেশি জড়িয়ে গিয়েছিলেন; এমনকি তাদের সেই ঘরে ঢুকতে পর্যন্ত দেওয়া হয়নি।[১৯][২০][২১]

Guy Lyon Playfair, a parapsychologist who investigated the Enfield case alongside Maurice Grosse,[২২] also says the film greatly exaggerated the Warrens' role in the investigation. He stated in 2016 that they "turned up once" and that Ed Warren told Playfair "[the Warrens] could make a lot of money [...] out of [the case]." He corroborated the claim that the Warrens were "not invited" to the Enfield house and that "Nobody [...] in the family had ever heard of him until [Ed Warren] turned up".[২৩][২৪]

Arne Johnsonসম্পাদনা

চিত্র:The Devil in Connecticut, From the Terrifying Case File that Inspired the Film The Conjuring, The Devil Made Me Do It.jpg
The Devil in Connecticut by Gerald Brittle was republished as a movie tie-in for the release of The Conjuring: The Devil Made Me Do It based on the Warrens' real-life Connecticut case.

In 1981, Arne Cheyenne Johnson was accused of killing his landlord, Alan Bono. Ed and Lorraine Warren had been called prior to the killing to deal with the alleged demonic possession of the younger brother of Johnson's fiancée. The Warrens subsequently claimed that Johnson was also possessed. At trial, Johnson attempted to plead Not Guilty by Reason of Demonic Possession, but was unsuccessful with his plea. This story serves as the inspiration for The Conjuring: The Devil Made Me Do It (2021).[২৫] The case was described in the 1983 book The Devil in Connecticut by Gerald Brittle.

Snedeker houseসম্পাদনা

In 1986, Ed and Lorraine Warren arrived and proclaimed the Snedeker house, a former funeral home, to be infested with demons. The case was featured in the 1993 book In a Dark Place: The Story of a True Haunting. A TV film that later became part of the Discovery Channel series A Haunting was produced in 2002. The Haunting in Connecticut, a film very loosely based on the Warrens' version of events and directed by Peter Cornwell, was released in 2009. Horror author Ray Garton, who wrote an account of the alleged haunting of the Snedeker family in Southington, Connecticut, later called into question the veracity of the accounts contained in his book, saying, "The family involved, which was going through some serious problems like alcoholism and drug addiction, could not keep their story straight, and I became very frustrated; it's hard writing a non-fiction book when all the people involved are telling you different stories".[১১] To paranormal investigator Benjamin Radford, Garton said of Lorraine, "'If she told me the sun would come up tomorrow morning, I'd get a second opinion'".[২৬]

Smurl familyসম্পাদনা

Pennsylvania residents Jack and Janet Smurl reported their home was disturbed by numerous supernatural phenomena, including sounds, smells and apparitions. The Warrens became involved and claimed that the Smurl home was occupied by four spirits and also a demon that allegedly sexually assaulted Jack and Janet. The Smurls' version of their story was the subject of a 1986 paperback titled The Haunted and television film of the same name directed by Robert Mandel.

Union Cemeteryসম্পাদনা

Ed Warren's book Graveyard: True Hauntings from an Old New England Cemetery (St Martins Press, 1992) features a "White Lady" ghost which haunts Union Cemetery. He claimed to have "captured her essence" on film. [তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

Other activitiesসম্পাদনা

The Warrens were responsible for training several self-described demonologists, including Dave Considine[২৭] and their nephew John Zaffis.[২৮]

Personal lifeসম্পাদনা

Ed and Lorraine Warren were members of the Roman Catholic Church.[২৯] They married in 1945.[৩০] On January 11, 1946, Lorraine gave birth to their daughter named Judy Warren.[৩১][৩২]

The Warrens held that demonic forces are likely to possess those who lack faith.[২৯]

Criticismসম্পাদনা

According to a 1997 interview with the Connecticut Post, Steve Novella and Perry DeAngelis investigated the Warrens for the New England Skeptical Society (NESS). They found the couple to be pleasant people, but their claims of demons and ghosts to be "at best, as tellers of meaningless ghost stories, and at worst, dangerous frauds." They took the $13 tour and looked at all the evidence the Warrens had for spirits and ghosts. They watched the videos and looked at the best evidence the Warrens had. Their conclusion was that "It's all blarney." They found common errors with flash photography and nothing evil in the artifacts the Warrens had collected. "They have... a ton of fish stories about evidence that got away... They're not doing good scientific investigation; they have a predetermined conclusion which they adhere to, literally and religiously," according to Novella. Lorraine Warren said that the problem with Perry and Steve is that "they don't base anything on a God". Novella responded, "It takes work to do solid, critical thinking, to actually employ your intellectual faculties and come to a conclusion that actually reflects reality ... That's what scientists do every day, and that's what skeptics advocate".[১০]

In an article for The Sydney Morning Herald that examined whether supernatural films are really based on true events, that investigation was used as evidence to the contrary. As Novella is quoted, "They [the Warrens] claim to have scientific evidence which does indeed prove the existence of ghosts, which sounds like a testable claim into which we can sink our investigative teeth. What we found was a very nice couple, some genuinely sincere people, but absolutely no compelling evidence..."[৩৩] While it was made clear that neither DeAngelis nor Novella thought the Warrens would intentionally cause harm to anyone, they did caution that claims like the Warrens' served to reinforce delusions and confuse the public about legitimate scientific methodology.[৩৪]

Occult Museumসম্পাদনা

In addition to investigations, Lorraine ran The Warrens' Occult Museum (now closed)[৩৫] in the back of her house in Monroe, Connecticut, with the help of her son-in-law, Tony Spera.[১৫] The museum displayed many claimed haunted objects and artifacts from around the world. Many of the artifacts from their most famous investigations were featured.[৩৬]

Bibliographyসম্পাদনা

চিত্র:Cover Art for The Demonologist by Gerald D. Brittle.jpeg
The Demonologist: The Extraordinary Career of Ed and Lorraine Warren by Gerald Brittle was released as an ebook for the opening of The Conjuring based on the Warrens' life story.

Featured inসম্পাদনা

Media appearancesসম্পাদনা

  • Lorraine was featured in several episodes of the Discovery series A Haunting, in which she discusses some of the cases the pair worked on as paranormal investigators.[৩৭]
  • Lorraine also appeared on Paranormal State, where she acted as a guest investigator.[৩৮]
  • Both Ed and Lorraine have appeared on Scariest Places on Earth.
  • Lorraine has a cameo appearance in the 2013 film The Conjuring, where she is also credited as a consultant.
  • Lorraine appears in the 2012 documentary film My Amityville Horror, where she reunites with Daniel Lutz, whose family was allegedly plagued by supernatural happenings in 1975. Ed and Lorraine Warren originally visited the house after the Lutz family fled the house after 28 days of occupancy.

Film adaptationsসম্পাদনা

Over the years, several films and series have been released that are based in part or in full on the paranormal investigations or events that the Warrens are said to have witnessed and described. Films that are partly based on their story are the films from The Amityville Horror series, including The Amityville Horror (1979) and The Amityville Horror (2005).[৯] In 1991, a two-hour made-for-TV film based on the Smurl haunting, titled The Haunted, was released by 20th Century Fox. Written by Robert Curran, Jack Smurl, Janet Smurl, Ed Warren, and Lorraine Warren, the film starred Jeffrey DeMunn as Jack Smurl and Sally Kirkland as Janet Smurl.[৩৯] The 2009 film The Haunting in Connecticut was loosely based on the 1986 Snedeker haunting investigated by the Warrens.[৪০]

The Conjuring Universeসম্পাদনা

The Warrens' case files serve as the basis for The Conjuring Universe series of horror films.

The 2013 film The Conjuring, directed by James Wan, spotlights a Warren case and stars Patrick Wilson and Vera Farmiga as Ed and Lorraine Warren.[৪১] Its 2014 follow-up, Annabelle, a supernatural psychological horror film directed by John R. Leonetti, is both a prequel to and spin-off of The Conjuring and was inspired by a story of the Annabelle doll. It stars Annabelle Wallis, Ward Horton, and Alfre Woodard. The Conjuring Universe's next film was 2016's The Conjuring 2, a sequel to The Conjuring, directed by Wan, and with Farmiga and Wilson reprising their roles as Lorraine and Ed, respectively. It is based on the Enfield Poltergeist case. 2017 saw the release of another prequel, Annabelle: Creation, telling the origin story of the Annabelle doll. Farmiga and Wilson briefly appeared as Ed and Lorraine in the 2018 spin-off film The Nun, focusing on the character of Valak in its "Demon Nun" form, who was the villain from The Conjuring 2. The two reprised their roles again in Annabelle Comes Home, the sequel to Annabelle, and The Conjuring: The Devil Made Me Do It.[৪২]

Referencesসম্পাদনা

  1. "Obituary of Ed Warren"আব্রিওলা পার্কভিউ ফিউনেরাল হোম। ২৬ আগস্ট ২০০৬। সংগ্রহের তারিখ ৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ 
  2. "Lorraine Warren, Paranormal Investigator Portrayed in 'The Conjuring,' Dies at 92"দ্য নিউইয়র্ক টাইমস। ১৯ আগস্ট ২০১৯। 
  3. বার্ক, লিবি (১৯ এপ্রিল ২০১৯)। "How Did Lorraine Warren Die?"পপকালচার (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২১ এপ্রিল ২০১৯ 
  4. ব্রাউন, অ্যালান (৩০ সেপ্টেম্বর ২০০৮)। ঘৌস্ট হান্টার্স অব নিউ ইংল্যান্ডলেবানন, নিউ হ্যাম্প্‌শায়ার: ইউনিভার্সিটি প্রেস অব নিউ ইংল্যান্ড। পৃষ্ঠা ৩। 
  5. "Paranormal Investigator Lorraine Warren Dies At 92" (ইংরেজি ভাষায়)। আউটলুক ইন্ডিয়া। ২০ এপ্রিল ২০১৯। 
  6. আমান্ডা কুডা (২৮ এপ্রিল ২০১৯)। "'Beyond the grave' – the Warrens' paranormal legacy"। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস নিউজ। 
  7. জেরেমি ডি'এন্টারমন্ট (২০১১)। ওশান-বর্ন ম্যারি: দ্য ট্রুথ বেয়ন্ড অ্যা নিউ হ্যাম্পশায়ার লিজেন্ড। আর্কাডিয়া পাবলিশিং। পৃষ্ঠা ৮১। আইএসবিএন 9781614238454 
  8. Ed & Lorraine Warren – Homepage
  9. "Lorraine Warren: All the Horror and Paranormal Movies She Inspired"মুভিজ (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩ অক্টোবর ২০২০ 
  10. Patrick, Mike (অক্টোবর ২৪, ১৯৯৭)। "Truth or Scare? Ghost hunters' stories fail to rattle skeptics" (Vol 6)। Connecticut Post। পৃষ্ঠা Front Page, A14। 
  11. Nickell, Joe (মে ২০০৯)। "Demons in Connecticut"Skeptical Inquirer। CSI। সংগ্রহের তারিখ আগস্ট ১৭, ২০১১ 
  12. রেডফোর্ড, বেনজামিন"The Amityville Horror"Urban Legends Reference Pages (ইংরেজি ভাষায়)। স্নোপস.কম। সংগ্রহের তারিখ ২৫ অক্টোবর ২০১১ 
  13. নিকেল, জো (২০১৯)। "Lorraine Warren dead at ninety-two"। স্কেপ্টিকাল ইনকোয়ারার (ইংরেজি ভাষায়)। ৪৩ (৪): ৭। 
  14. ম্যাকলাফলিন, প্যাম (৫ অক্টোবর ২০১৪)। "Real 'Annabelle' story shared by Lorraine Warren at Milford's Lauralton Hall" (ইংরেজি ভাষায়)। নিউ হ্যাভেন রেজিস্টার। সংগ্রহের তারিখ ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ 
  15. এলসওয়ার্থ, পিটার (১৭ জুলাই ২০১৩)। "'The Conjuring' depicts family's reported haunting in Burrillville farmhouse in '70s" (ইংরেজি ভাষায়)। দ্য প্রভিডেন্স জার্নাল। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুলাই ২০১৩ 
  16. আলেকজান্ডার, ব্রায়ান (২২ জুলাই ২০১৩)। "The 'true' story behind 'The Conjuring'"। ইউএসএ টুডে। সংগ্রহের তারিখ ৫ আগস্ট ২০১৩ 
  17. ডাউনস, লরেন্স (১৪ এপ্রিল ২০০৫)। "Editorial Observer; The Devil We Know on the Island We Love"নিউইয়র্ক টাইমস (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৭ আগস্ট ২০১১ 
  18. অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (২৭ জুলাই ১৯৭৯)। "'Amityville Horror 'amplified over bottles of wine' – lawyer"লেকল্যান্ড লেজার (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৫ অক্টোবর ২০১১ 
  19. নিকেল, জো (২০১২)। The Science of Ghosts: Searching for Spirits of the Dead  (ইংরেজি ভাষায়)। প্রমিথিউস বুকস। পৃষ্ঠা 281–। আইএসবিএন 978-1-61614-586-6 
  20. হকস, রেবেকা (১২ মে ২০১৫)। "What did the Enfield Haunting have to do with Ed and Lorraine Warren?"দ্য টেলিগ্রাফ (ইংরেজি ভাষায়)। দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ। ১১ জানুয়ারি ২০২২ তারিখে মূল  থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬ 
  21. Conjuring 2 vs the True Story of the Enfield Haunting Historyvshollywood.com
  22. Lyon Playfair, Guy (১৯৮০)। This House Is Haunted: The True Story of a Poltergeist। Stein and Day। আইএসবিএন 978-0-7387-1867-5 
  23. Newkirk, Greg (১ জুলাই ২০১৬)। "Conjuring the Truth: Enfield Poltergeist Investigator Says Ed and Lorraine Warren Never Investigated Case"Week in Weird 
  24. "MonsterTalk – The Enfield Poltergeist, interview with Guy Lyon Playfair"MonsterTalk। ৮ মার্চ ২০১৭। ২০২১-০৪-২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ এপ্রিল ২০২১ 
  25. Lynne Baranski (অক্টোবর ২৬, ১৯৮১)। "In a Connecticut Murder Trial, Will (demonic) Possession Prove Nine-Tenths of the Law?"People Magazine। সেপ্টেম্বর ৫, ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ আগস্ট ১৭, ২০০৮ 
  26. Radford, Ben (২০১৭)। Investigating Ghosts: The Scientific Search for Spirits। Corrales, New Mexico: Rhombus Publishing Company। পৃষ্ঠা 201। আইএসবিএন 978-0-936455-16-7 
  27. John Kachuba (২০০৭)। Ghosthunters: On the Trail of Mediums, Dowsers, Spirit Seekers, and Other Investigators of America's Paranormal World। Red Wheel/Weiser Publishing। পৃষ্ঠা 67। আইএসবিএন 9781601639752 
  28. Marie D. Jones; Larry Flaxman (২০১৭)। Demons, the Devil, and Fallen Angels। Visible Ink Press। পৃষ্ঠা 205। আইএসবিএন 9781578596676 
  29. Genzlinger, Neil (১৯ এপ্রিল ২০১৯)। "Lorraine Warren, Paranormal Investigator Portrayed in 'The Conjuring,' Dies at 92"The New York Times (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০The Warrens were Roman Catholic, and Ms. Warren said it was her belief that a lack of religion was what often opened the door for malevolent forces to enter a home or a life. 
  30. Lusky, Bridget (২০২০-০২-১৯)। "Ed and Lorraine Warren: Their real-life role in 'The Conjuring'"Film Daily (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-১১-০৩ 
  31. Alexander, Bryan। "The real 'Annabelle Comes Home': What was Judy Warren's life actually like?"USA Today (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-১১-০৩ 
  32. Jacob, Richy Maria (২০২০-০৬-২৪)। "Judy Spera Now: Where is Ed and Lorraine Warren's Daughter Today?"The Cinemaholic (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-১১-০৩ 
  33. Byrnes, Paul (জুলাই ১২, ২০১৩)। "The devil among us"Sydney Morning Herald। Fairfax Publishing। সংগ্রহের তারিখ ১৩ ডিসেম্বর ২০১৪ 
  34. Beck, Stefan (আগস্ট ১৮, ২০১৩)। "A Night with The Conjuring's Ed & Lorraine Warren"The Daily BeastThe Daily Beast Company LLC। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মে ২০১৬ 
  35. "No trespassing signs, fines used to ward off curious souls in search of Warren's Occult Museum | The Monroe Sun"themonroesun.com (ইংরেজি ভাষায়)। ২০১৯-১০-২৮। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৯-১০ 
  36. "Occult museum tours | Warrens" (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-১২-০৩ 
  37. ইন্টারনেট মুভি ডেটাবেজে A Haunting (ইংরেজি)
  38. ইন্টারনেট মুভি ডেটাবেজে Paranormal State (ইংরেজি)
  39. Belanger, Jeff। "50 Years of Ghost Hunting and Research With the Warrens" (PDF)। TheOneMatrix.com। সংগ্রহের তারিখ জুন ১১, ২০১৩ 
  40. Radford, Benjamin (মার্চ ২৬, ২০০৯)। "The Real Story Behind 'The Haunting in Connecticut'"LiveScience। সংগ্রহের তারিখ জুন ৫, ২০১৩ 
  41. Puchko, Kristy (অক্টোবর ১৫, ২০১২)। "The Conjuring Reveals Spooky Trailer and Scene, And James Wan Talks Horror As Therapy"। Cinema Blend। সংগ্রহের তারিখ জুন ৫, ২০১৩ 
  42. Marc, Christopher (আগস্ট ২, ২০১৮)। "James Wan's Annabelle 3 Eyeing October Production Start In Los Angeles"GWW। সংগ্রহের তারিখ আগস্ট ৬, ২০১৮ 

External linksসম্পাদনা