বাস্তব তথ্যভিত্তিক রচনা

কল্পকাহিনী বা কথাসাহিত্যের বিপরীত শ্রেণীর রচনাকর্ম, যাতে কল্পনা-বিবর্জিত বাস্তব তথ্য উপস্থাপন

বাস্তব তথ্যভিত্তিক রচনা বলতে এমন যেকোনও লিখিত বিষয়বস্তু বা নথিকে বোঝায়, যা আপাতদৃষ্টিতে বিশ্বস্ততার সাথে কোনও ঘটনা, স্থান, কাল বা পাত্র সম্পর্কে সঠিক ও বাস্তবিকভাবে সত্য তথ্য প্রদান করে।[১] বাস্তব তথ্যভিত্তিক রচনার বিষয়বস্তু বস্তুনিষ্ঠ কিংবা ব্যক্তিনিষ্ঠ দৃষ্টিকোণ থেকে উপস্থাপন করা হতে পারে এবং কদাচিৎ গল্প বা কাহিনীর মতোও রচিত হতে পারে। বাস্তব তথ্যভিত্তিক রচনাগুলি গদ্যসাহিত্যের একটি প্রধান শাখা বা শ্রেণী।[২] বাস্তব তথ্যভিত্তিক রচনার বিপরীত শাখাটি হল কল্পকাহিনী বা কথাসাহিত্য, যেখানে স্থান, কাল ও পাত্র সম্পর্কে তথ্যগুলি আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে কাল্পনিক হয়ে থাকে।[১][৩]

বাস্তব তথ্যভিত্তিক রচনাতে যেসব বর্ণনা থাকে, তা সম্পূর্ণ সঠিক বা সত্য হতে পারে বা না-ও হতে পারে। তবে বাস্তব তথ্যভিত্তিক রচয়িতারা বিশ্বস্ততার সাথে সত্য ও সঠিক তথ্য লিখেছেন বলে দাবী করেন এবং পাঠকেরাও পড়ার সময় এ ব্যাপারটি মেনে নিয়েই পড়েন।

তথ্যসূত্রসম্পাদনা

  1. Farner, Geir (২০১৪)। "Chapter 2: What is Literary Fiction?"। Literary Fiction: The Ways We Read Narrative Literature। Bloomsbury Publishing USA। আইএসবিএন 9781623564261 
  2. "nonfiction" definition via Lexico
  3. Culler, Jonathan (২০০০)। Literary Theory: A Very Short Introduction। Oxford University Press। পৃষ্ঠা 31Non-fictional discourse is usually embedded in a context that tells you how to take it: an instruction manual, a newspaper report, a letter from a charity. The context of fiction, though, explicitly leaves open the question of what the fiction is really about. Reference to the world is not so much a property of literary [i.e. fictional] works as a function they are given by interpretation.